Today 17 Sep 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

শ্রাবণের আকাশে রংধনু

লিখেছেন: কল্পদেহী সুমন | তারিখ: ০৪/০২/২০১৬

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 604বার পড়া হয়েছে।

12494163_1050936974959076_149782860_o

গ্রন্থের নামঃ শ্রাবণের আকাশে রংধনু
লেখকঃ খন্দকার মোঃ আকতার উজ জামান সুমন
ধরনঃ কবিতা
প্রচ্ছদশিল্পীঃ রাজিব রায়
প্রকাশকঃ আহসান আল আজাদ
প্রকাশনী সংস্থাঃ বাংলার কবিতা প্রকাশন
দামঃ ১২০/-
বইমেলায় স্টল নংঃ ১১ (লিটল ম্যাগাজিন চত্বর- বাংলার কবিতাপত্র)

কখনো ভাবিনি নিজের কবিতার বই বের হবে । আবার তা যদি হয় একক কবিতার বই, তাহলে তো কথাই নেই । আমি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি । মানুষের অনুভূতিগুলো নিজের মতো করে অনুভব করতে ভালোবাসি । আর আমার এই ভালোবাসার বিষয়গুলোই ফুটিয়ে তুলার চেষ্টা করি কিছু লেখার মাধ্যমে । হয়তো লেখতে লেখতে অনেক জমা হয়ে গেছে আমার ভান্ডারে আজ । মাঝেমাঝে ভাবি এসব লেখে কি আর হবে? জীবনের জন্য এসবের কোন প্রয়োজন আছে কি ? এসব লেখে কি আমি এই কর্পোরেট সমাজে টিকে থাকতে পারবো ? হয়তো পারবোনা । তবে বেঁচে থাকতে পারবো বেঁচে থাকার মতো । সমাজটা কর্পোরেট হয়ে যেতে পারে কিন্তু রক্ত-মাংসের এ দেহের তো কোন পরিবর্তন হয়নি । এ দেহে যে এখনো অনুভূতি আছে, বিবেক আছে, ভালোবাসা আছে । যেহেতু এসব থেকে কেউ বেঁচে থাকতে পারবেনা তাই লেখালেখিরও প্রয়োজন আছে, নইলে যে ঐ আবেগ, ভালোবাসার প্রকাশ ঘটাতে ব্যর্থ হয়ে পড়তে হবে আমাদের । ঐ কবিতা, গল্প, উপন্যাস লেখে হয়তো কারো সংসার চলবেনা কিন্তু সংসারে অর্থ ছাড়া যে অমূল্য বিষয়গুলো লাগে তার যোগান তো হবে । আর সে জন্যই আমার লেখে যাওয়া, লেখে যাওয়া মনের প্রশান্তিকে আরও ভালোভাবে স্পর্শ করার জন্য ।

শ্রাবণের আকাশে রংধনু আমার প্রথম একক কাব্যগ্রন্থ । জানিনা কেমন হয়েছে আমার লেখাগুলো । তবে আমি চেষ্টা করেছি, শুধু এটুকুই বলতে পারি । বাকিটুকু আপনাদের হাতে । যেহেতু প্রথম বই তাই আপনাদের উৎসাহ, অনুপ্রেরণা আমার জন্য অনেক প্রয়োজন । বইটি স্টল থেকে সংগ্রহ করে আপনাদের ভালোমন্দ লাগার অভিব্যক্তি আমাকে জানাবেন বলে আশা করি । বইটি সম্পর্কে প্রকাশক, আহসান আল আজাদ ভাই যা বলেছেন তা হলো:
”প্রকাশনার প্রথম বছরে যে ক’জনের বই করে শান্তি পেয়েছি তাদের মাঝে খন্দকার মোঃ আকতার উজ জামান সুমন অন্যতম। শান্তি পেয়েছি বলতে, পাণ্ডুলিপি আমার কাছে দেয়ার পর একদম নিশ্চিত মনে নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়েছেন তিনি! সেই ঘুম থেকে উঠেছেন সেদিন, যেদিন আমি জানালাম বইয়ের কাজ শেষ, আসুন!

নিশ্চিন্ত মনে থাকা এই মানুষটার স্বভাব চুপচাপ টাইপের। স্বভাবে চুপচাপ তার লেখাতেও প্রমাণ পেয়েছে। কবিতাগুলো কিছুটা ভিন্ন ধারার, তবে অবশ্যই সহজ এবং প্রাঞ্জল ভাষায়।

কবির প্রথম কবিতার বই এর শুভকামনায় আমরা ।”

এখন আপনাদের কাছ থেকে শোনার অপেক্ষায় রইলাম ।

 

৬০৪ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
খন্দকার মো: আকতার উজ জামান সুমন পিতা: মো: আবু সাদেক খন্দকার মাতা: ঝরনা বেগম বর্তমান ঠিকনা: মিরপুর, ঢাকা স্থায়ী ঠকানা: কুমিল্লা জন্ম তারিখ: ৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৪ ধর্ম: ইসলাম জাতীয়তা: বংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত শিক্ষা: বাংলাদেশ নৌবাহিনা কলেজ, ঢাকা থেকে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি উভয়টিতে জি.পি.এ ৫ পেয়ে উত্তীর্ন। বর্তমানে মানারত ইন্টার্ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী ডিপার্টমেন্টে অধ্যয়নরত। আমি যে রকম : কথা বেশি একটা বলিনা চুপচাপ থাকতে পছন্দ করি। সব সময় কল্পনা করি। কল্পনায় আমি সবসময় নিজের সাথে কথা বলি। আর সব সময় অন্যমনষ্ক থাকি। আমার আশেপাশে কে কি করছে না করছে তার দিকে আমার তেমন খেয়াল থাকে না। অনেক সময় কাউকে খুজতে যেয়ে নিজেই হারিয়ে যাই। আর একটা কথা হলো আমার পথ মনে থাকে না তাই আমি একা হাটতে গেলে প্রায়শই পথ ভুল করি। পথে হাটাহাটি করার সময় কত জনের সাথে ধাক্কা খেয়েছি এ পর্যন্ত, তার হিসাব নেই। আমার সমস্ত জীবনটাকে কল্পনা মনে হয় কারণ সব কিছুই যাই ঘটে আমার সাথে তাই আমার কাছে কল্পনা মনে হয়। যদি কোন অঘটন ঘটে তাহলে ভাবি কল্পনা ভেঙ্গে গেলাই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার এই অসম্ভব রকম কল্পনাসক্ত দিনকে দিন বেড়েই চলছে। নিজেকেই কখনও হারিয়ে ফেলি আমি। জানিনা জীবনের অনেক কিছুই হয়তো তবে যতটুকু আমি অর্জন করেছি তার সবটুকুই সত্য। মিথ্যা কিছু নিয়ে আমার বড়াই নেই। এক অদ্ভুত বিষয় সর্বদাই আমাকে ভাবিয়ে তুলে তাহল কেন যেন অন্য আট দশটা মানুষের মতো সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারিনা। কিছু বিষয় আমাকে বারবার স্পর্শ করে যাবেই। আমি যা বলি তার সবটাই গভীর অনুভূতি থেকে বলি তাই হয়তো আমার কথার জবাব অর্থপূর্ণ না হলে এক ধরনের অপমানবোধ কাজ করে। আমি ভাবনার অতলে প্রবেশ করে জটিল বিন্যাসে অনেক ছক আঁকি যার ফলে স্বাভাবিক দৃষ্টিকোণ হতে আমার বিষয়গুলো ভাবলে মানানসই হবে না। আমাকে ঠিক বুঝে উঠতে পারে এরকম খুব কম মানুষই আছে। আমিও নিজেকে কখনও কখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা, তাই হয়তো আমার মন খারাপের কারণ, রাগ করার কারণ অনেক সময় আমার অজানাই থাকে। আমি খুব বেশি একটা কথা বলা পছন্দ করিনা যদিও আমার ফেসবুকে পোস্ট দেখলে তা অনেকের বিশ্বাস হবেনা। বাস্তবে আমি বন্ধুদের আড্ডা, পরিবারের আলোচনায় কথা তেমন বলিনা বললেই চলে। আমি সব সময় বিভিন্ন ধরনের ভাবনায় নিমগ্ন থাকতে পছন্দ করি তাই হয়তো বাস্তব জীবনের সাথে আমার সম্পর্কটাও নড়বড়ে। আমি সহজেই মানুষকে অনুভব করে ফেলি যার ফলে খুব সহজেই কাউকে মনের গভীরতায় ঠাই দিয়ে বসি। আর এটাই কখনও কখনও আমার দুঃখের কারণ হয়ে বসে। আমি জানিনা আমার বর্তমান, জানিনা আমার ভবিষ্যৎ তবে এটুকুই বলতে পারি এক সময় সুখ আর দুঃখ দুটোই একই মনে হবে আমার কারণ আমার অনুভূতির জগতটি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। আর আমার অনুভূতি নিস্তেজ হয়ে যাওয়া মানে আমার কবিতা, গল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে আমার সৃজনশীল কর্মের তালিকা হতে। তবে আমি থাকব একজন অবাধ্য বন্ধু হয়ে সবার মাঝেই। প্রকাশিত বইঃ (১)সমন্বয়(কাব্য গ্রন্থ-সম্মিলিত সংকলন)
সর্বমোট পোস্ট: ২৯২ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৯৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২৯ ১৬:৩০:৩০ মিনিটে
banner

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top