Today 14 Dec 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

সামিনার এবং নুরুদ্দিন এর জীবন পাল্টে গেল

লিখেছেন: আরজু মূন জারিন | তারিখ: ১৫/০৯/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 473বার পড়া হয়েছে।

গ্রামের নাম চরকাঁদিয়া(কাল্পনিক) l জামালপুর রেল স্টেশন থেকে একমাইল দুরে এ গ্রামের অবস্থান l তবে গ্রামে মানুষ বলতে গেলে এখন তেমন নাই, চার পাচ পরিবার আছে খুব দীনহীন অবস্থার, যাদের কোনো যাওয়ার জায়গা নাই, তারা ই নিরুপায় হয়ে এখনো বসত ভিটে আকড়ে আছে l সামিনা, নুরুদ্দিন সে রকম দলের একজন l
সামিনার দাদার বড়দা প্রথমবার এর মত যখন এ গ্রামে বসতি স্থাপন করে তখন ছিল তারা অবস্থাসম্পন্ন স্বচ্ছল পরিবার l আজ তাদের সেই স্বচ্ছলতার কিছু ই অবশিষ্ট নাই l বার কযেক নদী ভাঙ্গনে,ফসলের ক্ষতিতে সামিনার দাদা আর্থিক দুরবস্থার সম্মুখীন হন, জীবিকার অন্নেষণে তিনি আসামে পাড়ি জমান, তারপর শোনা যায় ক্ষয়্কাশী তে তিনি মৃত্যুবরণ করেন l
সামিনার বাবা ছোটবেলা থেকে মানুষ এর জায়গীর থেকে অনেক কষ্ট করে স্কুল পাস করেন l  টাকা পয়সার অভাবে পড়ালিখা ছেড়ে কুয়েত এ কাজ করতে আসেন l  তার খুব ইচ্ছে ছিল তার ছেলে মেয়ে কে উচ্চ শিক্ষিত করবেন, সেজন্য অসহায় পিতা কুয়েত এর অসহনীয় গরমে ৫০ ডিগ্রী তাপমাত্রায় কুক এর কাজ করছিলেন l কিন্তু পিতার সেই মনোবাসনা পূর্ণ হওয়ার আগে চারদিনের জ্বরে  দুর্ভাগা পিতার মৃত্যু সংসার টা যেমন শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে গেল তেমনি সংসার টি চরম অভাব অনটন এর মধ্যে পড়ল l বাবা মারা যাওয়ার পর শেষ স্বম্বল হিসাবে পেল তারা সৃতি চিহ্ন হিসাবে বাবার কয়খানা পুরানো কাপড়, একটা জায়নামাজ আর একটা কোরান শরীফ একটা তসবিহ l বাবা মারা যাওয়ার সময় নুরুদ্দিন এর বয়স সতের আর সামিনার বয়স বারো l

 

অভাব অনটনের এর কারণে নুরুদ্দিন কে কলেজ ছাড়তে হলো, ঢাকায় এসে এক মক্তব এ থাকা খাওয়ার বিনিময়ে কিছু ছেলে মেয়েকে আরবী শিখানোর কাজ করে l আর সামিনা আর তার মা হাতপাখা বানিয়ে বিক্রির টাকা নিয়ে কষ্টে তারা মা মেয়ে চলে l সংক্ষেপে  এ হচ্ছে বর্তমানে সামিনাদের সংসার চিত্র l

———————————————————————————————————————————-

নুরুদ্দিন এ মাদ্রাসার হুজুর. এ মাদ্রাসা চলে আফজাল চৌধুরী র টাকায় . সবাই বিনা বেতনে আরবি শিক্ষা পায়. জামাল অন্য ছেলেদের সঙ্গে প্রতিদিন বিকালে এ মাদ্রাসায় আসে .সে কায়িদা আর শ্লেট নিয়ে আজ ও হাজির যথাসময়ে .


কিরে জামাল তোর্ বাপ কেমন আছে ?

ওই দুষ্ট বেটারা আমার বাপরে মারছে হুজুর বলে সে ফুফিয়ে উঠে.

আয়রে বাবা আয় আল্লাহ ঠিক কইরে দিবে, আমি আল্লাহ এর কাছে হাত তুইলে তোর্ বাপ এর জন্য দোয়া কৈরবনে

হুজুর পড়ানো সুরু করলো
বল তোমরা সবাই

এক মুমিন আরেক মুমিন দেখলে কি বলবে প্রথমে?

হুজুর বললেন আসালামুয়ালায়কুম ওরাহমাতুল্লাহ
এর অর্থ কি?

আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক
বাচ্চারা সব উচ্চস্বরে জবাব দিল

এবার তোমরা বল জবাবে কি বলতে হয়?

সব ছেলেমেয়েরা সুর করে বলল ওয়ালায়কুমসালাম অরাহ্মাতুল্লাহ

তিনি বড় বোর্ড এ লিখলেন আরবিতে লিখলেন বল সবাই আলিফ, বা, তা, চা, হা, ……..
বাচ্চারা সবাই সুর করে পড়তে সুরু করলো আলিফ, বা, তা, চা, হা,

সবাই তোমাদের শ্লেট এ লিখ দেখে দেখে

ছোট জামাল এখনো ফুফিয়ে ফুফিয়ে কেদে ই যাচ্ছে ও বাবা আমার বাবা বলে .

হুজুর এর চোখ ও অশ্রু সজল হয়ে গেল. কিরে বাবা আয় লিখ আমার সাথে

আজকে তোমাদের কে একটা নুতুন জিনিস শিখাবো বাবারা

বল সবাই আমার সাথে সাথে

আলজিহাত দিকের নাম

আরবি তে দিক কে কি বলে বাবারা ?

আলজিহাত ছেলে মেয়েরা  সবাই সমস্বরে বলে উঠলো

মাসরে কুন হলো পূর্ব, মাগ রেবুন পচ্চিম, শেমালুন উত্তর, যুনুবুন দক্ষিন

সবাই জোরে জোরে আমার সাথে পড়

উদ্ধামুন সামনে, খাল ফুন পিছনে, তাহাতুন অধ

সবাই আমার সাথে আবার বল

এবার সবাই শিখব আঙ্গুলের নাম

এখানে কি কেউ আছে যে আরবি তে আঙ্গুলের নাম জানে

হুজুর আমি পারি বলে একটা ছেলে রাব্বি বলতে সুরু করলো

খেন সারুন কনিষ্ঠা, বেন সারুন অনামিকা, বস্তা মধ্যমা, মসাব্বেহাতুন তর্জনী, এভামুল বৃধ্যা বলে আঙ্গুল দেখিয়ে দেখিয়ে সব বলল.

মাশআল্লাহ, মাশআল্লাহ রাব্বি তুমি বসে পড়.

আর কে কে পার তোমাদের মধ্যে .

কার ও কোনো সাড়া না পাওয়াতে হুজুর পড়াতে সুরু করলেন

বল তোমরা খেন সারুন কনিষ্ঠা….

এমন সময় অনেক জুতার আওয়াজ, শোরগোল করে পুলিশ এর কিছু সেন্ট্রি মাদ্রাসা এর ভিতরে ঢুকে পড়ল..

তারা হাতের লাঠি দিয়ে এদিক সেদিক খোচা দিয়ে সব জিনিস পত্র তছনছ করে কি যেন খুজছে. আলমিরা, কাবার্ড এর সব কাগজ পত্র ছুড়ে ছুড়ে ফেলতে লাগলো .

হায় হায় একি করতাছেন আপনারা মাদ্রাসার ভিতরে ঢুকে এরকম করেন , আপনাগো কি আল্লাহ র ভয় ডোর নাই? আপনারা কি মুসলমান না? হাহাকার করে উঠলো নুরুদ্দিন

মিয়া তোমরা কেমন মুসলমান সেটা মানুষ জানে, মাদ্রাসার মধ্যে বোমা বন্দুক রাখো , বোমা বন্দুক নিয়া ঘুর

একজন সেন্ট্রি অপেক্ষাকৃত শান্ত এবং ভদ্র, সে বকা দিল তার পাশের পুলিশ যে লাফালাফি করে সব জিনিসপত্র তছনছ করেছে

তুই বেশি কথা বলিস আসগর, হুজুর আপনি কিছু মনে করেন না বলে কাগজ পত্র উঠিয়ে কাবার্ড এ গোছাতে সুরু করলো তার নাম মোহাম্মদ l

হুজুর কিছু মনে করবেন না , আসলে আমাদের কাছে খবর এখানে আপনার ঘরে হরকাতুল জিহাদ এর দুই ভয়ংকর সন্ত্রাসী আপনার এখানে অনেক আর্মস নিয়ে লুকিয়ে আছে.,সে বলল.

হুজুর ভয় পেলে ও মুখের ভাব স্বাভাবিক রেখে বলল আমি নিরীহ একজন মানুষ, এখানে আল্লাহ র কালাম শিখাই তার বিনিময়ে দয়াময় পাক পরওয়ার দেগার আমার খাওয়ার ব্যবস্থা করেন.আমার এখানে এরকম কোনো মানুষ কখনো আসেনা ভাই সাহেব রা

সরি হুজুর ডিউটি করি, সারাক্ষণ ক্রিমিনাল নিয়ে কাজ, সব মানুষ রে ই সন্দেহ হয় আপনি আপনার কাজ করেন, আমরা যাচ্ছি, মাফ করে দিবেন বলে উঠলেন অপেক্ষাকৃত রাগী পুলিশ যে সব জিনিস তছনছ করেছে l

রাত দশটা নুরুদ্দিন তার খাওয়া দাওয়া শেষ করে , শুতে আসলেন, কিন্তু তার ঘুম আসতে চাচ্ছেনা,

পাক পরোয়ারদেগার মাপ করে দাও, মিথ্যে বললাম, এই দুইটা ছেলে কি করতেছে বা এদের কি পরিচয়, আমি এগুলি নিয়ে চিন্তা করিনাই, ওদের বিশ্বাস এর মর্যাদা দিতে গিয়ে অন্যায় টা হয়ে গেল l

আমার তো অন্যায় হয়ে গেল দেশের সঙ্গে, সরকার এর সঙ্গে. এই দুইজন যদি ক্ষতি কারক কোনো অস্র নিয়ে ঘুরা ফিরা তাহলে এদেরকে তো পুলিশ এর হাতে সোপর্দ করা উচিত ছিল l কিন্তু ওরা তার ঘরে অতিথি র মত, তাদের হেফাজোত করা এখন তার দায়িত্ব l তাদের অন্যায় এর বিচার সরকার এর পুলিশ আর আল্লাহ র l

দরজায় আস্তে আস্তে কে যেন টোকা দিচ্ছে, কে?

হুজুর ফিসফিস গলার আওয়াজ শোনা গেল আমরা?

নুরুদ্দিন দরজা খুলে দিলে ও আজকে প্রসন্ন মনে ওদের দিকে তাকাতে পারলনা l ছেলে দুটোর নাম রাকিব আর জাহিদ, তারা দুজনে ই ঢাকা কলেজ এ পড়ে, বয়স ১৮ কি উনিশ এত অল্প বয়স অনেক ভালো ছাত্র l আহারে এরা কেন পড়ালিখা বাদ দিয়ে এসব করতেছে l

এদের মধ্যে যে রাকিব তার মেজাজ বেশি গরম, সে মেজে তে জুতার আওয়াজ করে বলল

“হুজুর পুলিশ নাকি এখানে এসে অনেক বেয়াদবি করছে, কোনটা করছে তার নাম বলেন চেহারা র বর্ণনা দেন  বেটার বাপের নাম ভুলায় দিব আমি l

আমি আপনাগো কাছে মিনতি করি, বাবা মা কষ্ট করে টাকা দিয়া পড়ালিখা করত পাঠাইছে, এসব পথ ছাইরা দিয়া পড়ালিখা করেন গো ভাইজান,

আমরা পড়ালিখা করি , আল্লাহ কে ভালবাসি, ইসলাম এর তরিকায় চলতে চেষ্টা করি l যে আমার ধর্মে আঘাত করবে, আমার রাসুল কে নিয়ে কটুক্তি করবে, তাদের কে তো আমরা ছেড়ে দিবনা l  আমাদের শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত l

কি জানি ভাইজান ধর্ম কি এটা বলে? এখন আপনাদের ধর্ম পড়ালিখা করা, মা বাবার সন্মান বজায় রাখা l

কি বলেন হুজুর আমাদের রাসুল বদর এর যুদ্দ করছে, কাফের দের সঙ্গে হুজুর (স) যুদ্দ করছেন না. , এই কাফের জালিম সরকার কোরান পুরায়, মসজিদ এ জুতা নিয়ে ঢুকে, হাজী র মুখে জুতা সুদ্দ পা ঢুকিয়ে দেয় l

এই কাজ একজন বাজে লোক করছে, এটা কি সরকার এসে করছে? নাকি সরকার বলছে তাদের ? এটা একটা দুর্ঘটনা র মত .

তবে এই পুলিশ কার? এই সরকার এর পুলিশ. সরকার কে তার দায়ভার বহন করতে হবে l সরকার থাকা অবস্থায় যে কোনো অন্যায় সংঘটিত হলে সরকার কে জনসাধারণের কাছে সরি বলতে হবে, এবং অপরাধ এর সঙ্গে জড়িত বাক্তির শাস্তি দিতে হবে, না হলে এই ধারণা টা হওয়া স্বাভাবিক সরকার ও এই অন্যায়ের সাথে জড়িত l

ভাইজান আমি এত কথা বুজিনা, বুজতে ও চাইনা, আপনাদের কাজে, সরকার এর হয়রানিতে কষ্ট হইতাছে আমাগো নিরীহ মানুসের l আপনাদের কে খুজতে আইসা পুলিশ হয়রানি করছে আমারে l

এমন সময় দরজায় জোরে কড়া নাড়ার আওয়াজ, বাহির থেকে জোরে কেও দরজা লাথি দিয়ে ভাঙ্গার চেষ্টা করছে l

নুরুদ্দিন ভয়ে ফাকাশে হয়ে কাপতে লাগলো.

রাকিব জাহিদ দুজনে দৌড়ে ওদিকের প্রাচীর টপকে চলে গেল. পুলিশ এর লাথি তে দরজা ভেঙ্গে গেল l

তারা দৌড়ে প্রাচীর এর দিকে গেল, ততক্ষণে দুজন হাওয়া হয়ে গেছে l

এই বলেন কাদের কে পালাতে সাহায্য করেছেন?

স্যার দেখেন এটা কি একটা প্যাকেট এনে পুলিশ রাখল সার্জেন্ট এর সামনে l

হায় হায় নুরুদ্দিন ভিতরে ভিতরে ঢুকরে কেদে উঠলো ভয়ে, এই ছেলে দুইটা তাকে চরম বিপদ এর মধ্যে ফেলে দিল l

ত়া হুজুর আপনার কোরান এ এই কথা লিখা আছে ঘরে এনে অস্র মজুত রাখা আর নিরীহ মানুষ কে মারা সার্জেন্ট শ্লেষ ভরে জিজ্ঞাসা করলো ?

আমি এসব এর কিছু ই জানিনা, বিশ্বাস করেন এই প্যাকেট এ কি আছে আমি তাও জানিনা , কোনো রকম আচ্ছন্নের মত জবাব দিলেন l

সেই তো আপনি কিভাবে বলবেন আপনি একজন মাওলানা হুজুর এই সেন্ট্রি হ্যান্ডকাপ পরাও একে l
এইসব আমার না আমাকে বিশ্বাস করুন, হে আল্লাহ আমাকে বাচাও এ বিপদ এর হাত থেকে, কাদতে সুরু করলো নুরুদ্দিন l

তার কান্নায় কার ও মন ভিজলোনা, সবাই তাকে হরকাতুল জিহাদ এর সন্ত্রাসী মনে করে ধাক্কাতে ধাক্কাতে পুলিশ এর গাড়িতে নিয়ে উঠালো l

গাড়ি চলতে সুরু করলো নিকটস্থ থানার দিকে.

( পরবর্তিতে)

৫৬৬ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে বললে সবসময় বিব্রত বোধ করি। ঠিক কতটুকু বললে শোভন হবে তা বুঝতে পারিনা । আমার স্বভাব চরিত্র নিয়ে বলা যায়। আমি খুব আশাবাদী একজন মানুষ জীবন, সমাজ পরিবার সম্পর্কে। কখনো হাল ছেড়ে দেইনা। কোনো কাজ শুরু করলে শত বাধা বিঘ্ন আসলেও তা থেকে বিচ্যুত হইনা। ফলাফল পসিটিভ অথবা নেগেটিভ যাই হোক শেষ পর্যন্ত কোন কাজ এ টিকে থাকি। জীবন দর্শন" যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ " লিখালিখির মূল উদ্দেশ্যে অন্যকে ভাল জীবনের সন্ধান পেতে সাহায্য করা। মানুষ যেন ভাবে তার জীবন সম্পর্কে ,তার কতটুকু করনীয় , সমাজ পরিবারে তার দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানুষের মনে তৈরী করতে চাই সচেতনার বোধ ,মূল্যবোধ আধ্যাতিকতার বোধ। লিখালিখি দিয়ে সমাজে বিপ্লব ঘটাতে চাই। আমি লিখি এ যেমন এখন আমার কাছে অবাস্তব ,আপনজনের কাছে ও তাই। দুবছর হলো লিখালিখি করছি। মূলত জব ছেড়ে যখন ঘরে বসতে বাধ্য হলাম তখন সময় কাটানোর উপকরণ হিসাবে লিখালিখি শুরু। তবে আজ লিখালিখি মনের প্রানের আত্মার খোরাকের মত হয়ে গিয়েছে। নিজে ভালবাসি যেমন লিখতে তেমনি অন্যের লিখা পড়ি সমান ভালবাসায়। শিক্ষাগত যোগ্যতা :রসায়নে স্নাতকোত্তর। বাসস্থান :টরন্টো ,কানাডা।
সর্বমোট পোস্ট: ২২৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৬৮৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৫ ০১:২০:৩৫ মিনিটে
banner

৭ টি মন্তব্য

  1. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    সত্য, সমসাময়িক ।
    ভালো লাগলো

  2. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    সত্য, সমসাময়িক মত ।
    ভালো লাগলো

  3. তুষার আহসান মন্তব্যে বলেছেন:

    আগামী পর্বের অপেক্ষায়

  4. বিএম বরকতউল্লাহ্ মন্তব্যে বলেছেন:

    জীবনের গল্প। ফোটে উঠেছে সুন্দর লেখনীতে। ধন্যবাদ নিন।

  5. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    অনেক সুন্দর হয়েছে , পরের অংশটুকু পড়ার অপেক্ষা …
    তবে কয়েকটি বানান ভুল আছে ,এডিড করে নিবেন ।

  6. বিএম বরকতউল্লাহ্ মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো

  7. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল গল্প

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top