Today 18 Jan 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

সিধল, একটি গ্রামের খাবার

লিখেছেন: গোলাম মাওলা আকাশ | তারিখ: ২২/০৯/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 737বার পড়া হয়েছে।

 

df

আজ গ্রামের একটা মজার খাবারের নাম আপনাদের বলব। আর তা হল সিধল।সিধলও একপ্রকার শুঁটকি। কি নাম শুনেছেন ? মনে হয় কেও কেও শুনেও থাকবেন এবং খেয়েও থাকবেন। সাধারণত গ্রামে মাছ সংরক্ষণ করার একটা ভাল পদ্ধতি হল এই সিধল। বর্ষা মৌসুমে প্রচুর মাছ ধরা হয় গ্রাম গুলিতে। রেফ্রিজারেটর না থাকায় ৩ পদ্ধতিতে মাছ সংরক্ষণ করে গ্রামের গৃহ বধূরা।

১। টাকি, কই, মাগুর , শিং এই মাছ গুলি জ্যান্ত পাতিলে অনেক দিন সংরক্ষণ করা হয়।

২। শুঁটকি করে

৩। সিধল প্রক্রিয়ায়

>>> প্রক্রিয়া: যে মাছ সংরক্ষণ করা হবে তাকে সেদ্ধ করে পেস্ট বা শীল পাটায় বেটে ভর্তা বানানো হয়। এর পর এর সঙ্গে কচুর কাণ্ড( যাকে কচুর বই বলে) সিদ্ধ করে তারও পেস্ট বানানো হয়। এর পর এই দুই পেস্ট কে একত্রে মিশিয়ে ছোট ছোট আকারের পাতলা গোল গোল পিঠের মত আকার দিয়ে রৌদ্রে শুকানো হয়।

>> পরিমাণ: দুই পেস্ট এর মিশ্রণ অনুপাত হবে—মাছ : কচু = ২ : ১

er

>> পরবর্তী কার্যক্রম: খুব ভাল করে শুকিয়ে এই গোল গোল পিঠে আকৃতির সিধল গুলিকে তুষের ছায়( ধানের কুড়ে পুড়িয়ে যে ছায় হয়) এর মধ্যে ২-২.৫ মাস রেখে আবার রৌদ্রে শুকিয়ে নিতে হয়। এর পর এই গোল গোল সিধল গুলির ওপর হতে কাল একটা আস্তরণ তুলে ফেলে বা চেঁচে ফেলে এগুলিকে কাঁচের বয়ামে সংরক্ষণ করা হয়।

>> খাওয়া: এই গুলি কে খেতে হলে সুন্দর করে রান্না করে আপনার প্রয়োজন মত সবজি যা মাছের সংগে যায়, তা দিয়ে বা এমনি রান্না করে খেতে পারবেন। এত সুন্দর গন্ধ। ওহ খুব ভাল লাগে যদি ভাল করে প্রক্রিয়া মত করা যায়। আহ জীবে জল আসার মতই, তবে তৈরি প্রক্রিয়া তা একটু কঠিন এই যা। তবে এখন অনেকে সহজ প্রক্রিয়ায় এটি তৈরি করা যায়।

৭২৪ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমি খুব সাধারণ।
সর্বমোট পোস্ট: ১৩৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৯৭৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২২ ১৬:৩০:৪৭ মিনিটে
banner

১১ টি মন্তব্য

  1. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    গ্ৰামে কয় হিদল, ওগো গোলাপিৱ বাপ পাঁচ টাকাৱ হিদল আনিও

  2. কামাল উদ্দিন মন্তব্যে বলেছেন:

    বিষয়টা আজই প্রথম জানলাম, এমন ভাবে আমরা যদি আমাদের সারা দেশের আনাচে কানাচে যা আছে তা তুলে ধরি তাহলে আমাদের আরো অনেক কিছুই জানা হবে, ধন্যবাদ মাওলা ভাই।

  3. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    খেতে মুঞ্চায়,
    পামু কোথায়?

    শুভ কামনা সব সময়।

  4. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ। শুভকামনা।

  5. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    Apnar lekha porhe onek kichhu Jana jay
    share korar jonyo dhonyobad

  6. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো দেখে পড়ে

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top