Today 14 Dec 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

স্ট্রাটোস্ফিয়ার থেকেই মহাকাশযান!

লিখেছেন: অনিরুদ্ধ বুলবুল | তারিখ: ২০/০৮/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 495বার পড়া হয়েছে।

Space Lift

আর মাটি থেকে নয় এবার বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার থেকে উৎক্ষিপ্ত মহাকাশযানে করেই নভোচারীরা মহাকাশে গমন করতে পারবেন। ব্যয়বহুল এই প্রজেক্টগুলোর পেছনে খরচ হয় মোটা অঙ্কের টাকা। সেই খরচ কমাতেই কি না, কানাডার একটি প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দিল যে তারা এমন এক টাওয়ার তৈরি করবে, যা লিফটের মাধ্যমে নভোযাত্রীকে পৌঁছে দেবে বায়ুমণ্ডলের অনেক ওপরের স্তরে, সেখান থেকে সহজেই মহাকাশযাত্রা করতে পারবেন নভোচারীরা। এরই মধ্যে নতুন এই প্রজেক্টের পেটেন্ট পেয়েছে তারা। ব্রিটেনভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট উইয়ার্ডের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

‘তথ টেকনোলজি’ নামে কানাডীয় প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা করেছে, প্রায় ২০ কিলোমিটার (সাড়ে ১২ মাইল) উচ্চতার এই টাওয়ার থেকে নভোচারীরা বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার থেকেই নভোযাত্রা শুরু করতে পারবেন। ফলে শুধু জ্বালানি বাবদই প্রচলিত নভোযাত্রার তুলনায় ৩০ শতাংশের মতো খরচ কম পড়বে এতে।

উদ্যোক্তারা তো রীতিমতো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনাও জুড়ে দিয়েছেন এই টাওয়ারের মাধ্যমে। প্রজেক্টটির মূল গবেষক ব্রেন্ডান কুইনি বলেন, ‘প্রথমে একটি বৈদ্যুতিক এলিভেটরের মাধ্যমে নভোযাত্রীকে টাওয়ারের শীর্ষে নিয়ে যাওয়া হবে, সেখান থেকে সরাসরি মহাকাশযানের মাধ্যমে তাঁরা কক্ষপথে যাত্রা করবেন। টাওয়ারটি এমনভাবে তৈরি করা হবে যেন তাতে মহাকাশযানগুলো পুনরায় ফিরে এসে পরবর্তী অভিযানের প্রস্তুতি গ্রহণেরও সুযোগ পায়।’ অর্থাৎ পুরো মহাকাশ অভিযানটিই চালানো হবে টাওয়ারের শীর্ষ থেকে।

টাওয়ারটির উচ্চতা সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে বলা হয়েছে, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু অট্টালিকা বুর্জ খলিফার উচ্চতার চেয়েও প্রায় ২০ গুণ বেশি। ১০ টন পরিমাণ ওজন বহনে সক্ষম টাওয়ারটির এলিভেটর মালামাল পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হবে।

প্রচলিত রকেট, যেগুলো মহাকাশ অভিযানে ব্যবহৃত হয়, সেগুলো বিপুল পরিমাণে বিষাক্ত ধোঁয়া উদগিরণ করে, পাশাপাশি এতে খরচ হয় প্রচুর অর্থ। অভিনব এই টাওয়ার নির্মিত হলে মহাকাশে যাতায়াত অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তথ টেকনোলজির কর্ণধার ক্যারোলাইন রবার্টস।

তথ্যসূত্র: http://www.now-bd.com/2015/08/19/427977.htm

৪৯৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
কৈফিয়ত - তোমরা যে যা-ই ব'ল না বন্ধু; এ যেন এক - 'দায়মুক্তির অভিনব কৌশল'! যেন-বা এক শুদ্ধি অভিযান - 'উকুন মেরেই জঙ্গল সাফ'!! প্রতিঘাতের অগ্নি-শলাকা হৃদয় পাশরে দলে - শুক্তি নিকেশে মুক্তো গড়ায় ঝিনুকের দেহ গলে!! মন মুকুরের নিঃসীম তিমিরে প্রতিবিম্ব সম - মেলে যাই কটু জীর্ণ-প্রলেপ ধূলি-কণা-কাদা যত। রসনা যার ঘর্ষনে মাজা সুর তায় অসুরের দানব মানবে শুনেছ কি কভু খেলে হোলি সমীরে? কাব্য করি না বড়, নিরেট গদ্যও জানিনে যে, উষ্ণ কুসুমে ছেয়ে নিয়ো তায় - যদি বা লাগে বাজে। ব্যঙ্গ করো না বন্ধু আমারে অচ্ছুত কিছু নই, সীমানা পেরিয়ে গেলে জানি; পাবে না তো আর থৈ। যৌবন যার মৌ-বন জুড়ে ঝরা পাতা গান গায় নব্য কুঁড়ির কুসুম অধরে বোলতা-বিছুটি হুল ফুটায়!! ভাল নই, তবু বিশ্বাসী - ভালবাসার চাষবাসে, জীবন মরুতে ফুটে না কো ফুল কোন অশ্রুবারীর সিঞ্চনে। প্রাণের দায়ে এঁকে যাই কিছু নিষ্ঠুর পদাবলী: দোহাই লাগে, এ দায় যে গো; শুধুই আমার, কেউ না যেন দুঃখ পায়।
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪২২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৫-০২-১৪ ০২:৫৯:৫৩ মিনিটে
banner

৪ টি মন্তব্য

  1. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    বেশ ভালো ভাবনার প্রযাস
    সুন্দর

    ভালো লাগলো কবি

  2. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    কত বছর লাগবে বানাতে

    ধন্যবাদ আপনাকে

    • অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

      এ জাতীয় পরিকল্পনাগুলো একে তো বিশাল খরচ সাপেক্ষ তার উপর নানান বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে পূর্বাপর অনেক কিছুই ভাববার বিষয় থাকে। সব কিছু মিলিয়ে লাগসই মনে হলে তবেই প্রকল্পে হাত দিয়ে থাকেন। আর একবার হাত দিলেও তো তা অনেক ভেবে চিন্তে ঠিকঠাকমত করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন বৈকি।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top