Today 18 Oct 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

স্বপ্নের মৃত্যু ও আন্দোলনের যাত্রা ।

লিখেছেন: নিঃশব্দ নাগরিক | তারিখ: ২৫/১২/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 265বার পড়া হয়েছে।

মানুষ মানুষকে এমন বিপদে ফেলতে পারে তা আমার কল্পনায়ও ছিল না ।  ষোল কোটি মানবের দেশে প্রার্থীর অভাবে আমি আমার নগদ ভোটখানার কোন বিকিকিনি করতে পারবো না এমন অসম্ভব সম্ভব চিন্তা আমাকে বিস্তর বিপদে ফেলে দিয়েছে । বছর পাঁচ বসে থেকে যখন বড় দাও মারার ধান্ধায় নিজেকে উপযুক্ত করে তুলেছি ঠিক সেবারই এমন অকল্যান হবে তা শয়ন স্বপনেও ভাবিনি । গত পাঁচটি বছর কত স্বপ্ন দেখেছি এই  নির্বাচনে বেশ কামান কামাব । চায়ের পর চা গিলব বিনে পয়সায় । সাথে সমুসা সিঙ্গারা । ভোট মুলো ঝুলিয়ে নানান দলের নানান কিসিমের মানুষের কাছ থেকে বিরাট অংকের নগদ টাকা হাতিয়ে নিব । কিন্তু তা আর হলো না । নির্দিষ্টভাবে বললে আওয়ামীলীগ আর বিএনপির নিষ্ঠুর ষড়যন্ত্রে আমার পাঁচ বৎসর লালিত গোপন স্বপ্নের সলিল সমাধি হলো । এর দায়ভার কে নেবে ?

 

এখন আমার দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে । আমি’তো আমার স্বপ্নের এমন সমাধি সহজে মেনে নিতে পারি না । ভাবছি আন্দোলনে যাবো । বড়সড় এক আন্দোলন করে দেশ ও জাতিকে দেখিয়ে দেব । আমার ভোট নিয়ে ছিনিমিনি খেলার যে দুঃসাহস দু’দল দেখিয়েছে তার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেব । বাঙ্গালী বীরের জাতি । তারা জানে আন্দোলন ছাড়া তাদের কোন অধিকার আজো প্রতিষ্ঠিত হয়নি । আমার ভোট বিক্রি করার অধিকারও যে আন্দোলন ছাড়া আদায় হবে না তা আমি বেশ বুঝে গেছি ।

 

আমার মনে হয় না আমার দলে লোকের অভাব হবে । বরং বেশ কিছু খাঁটি ঈমানদার লোক যে আমার দলে ভীর করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই ।

 

আমার জেলার পাঁচটি আসনের সবকটিতে বিনে প্রতিদ্বন্ধিতায় প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে যাওয়ায় আমি আমার ভোট বিক্রি করার স্বাধীনতা থেকে ব্যাপকভাবে বঞ্চিত হয়েছি । আমি এমন অন্যায় কর্মের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি । এবং শীঘ্রই আন্দোলনে যাচ্ছি ।

 

 

 

……………….নিঃশব্দ নাগরিক ।

৩৭৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
an impossible one with the maximum possibility to be a possible one.
সর্বমোট পোস্ট: ১২৬ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩১৬ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৭-৩১ ১৭:৪৬:৩৭ মিনিটে
banner

১৬ টি মন্তব্য

  1. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    হা হা বাঘ নাই বনে শিয়াল রাজা। আমি ভোট দেই না

  2. আহসান হাবীব সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    আমিও না ।

  3. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    আমার মনে হয় না আমার দলে লোকের অভাব হবে । বরং বেশ কিছু খাঁটি ঈমানদার লোক যে আমার দলে ভীর করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই ।
    আমি আছি আপনার দলে।কখনও ভোট দেইনা।তবে এবার দিব আপনাকে।কেননা আমি একজন ঈমানদার ব্যাক্তি।

    ধন্যবাদ বরাবরের মত মজার লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।

  4. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব ই গুরুত্বপূর্ণ কথা লিখেছেন ।

  5. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    কখনও ভোট দেন না এটা যথার্থ সিদ্ধান্ত নয় । আমার ভোট আমি কেন সাভাবিক ভাবে দিতে পারবো না সেটা খুঁজা দরকার ।
    তার জন্য আন্দোলন করা দরকার । আশা করি আমরা সফল হবো । শুভ কামনা ।

  6. আবদুল্লাহ আল নোমান দোলন মন্তব্যে বলেছেন:

    ৫বছর পর পর এমন একটা সুযোগ আসে।তাও যদি এমন করে কেড়ে নেয়া হয় তাহলে কেমন লাগে?আমিও আপনার আন্দোলনের সহিত ঐকমত পোষণ করলাম।আপনি এগিয়ে চলুন আমি পিছনে আছি।

  7. নিঃশব্দ নাগরিক মন্তব্যে বলেছেন:

    মুনিম রহমান নামে এক ভাই এই লেখাকে রাজনৈতিক লেখা বলে স্হির করায় দুঃখ পেয়েছি । এই বিষয়ে একটা পোষ্ট দেওয়ার চেষ্টা থাকবে ।

  8. সম্পাদক মন্তব্যে বলেছেন:

    পুরনো একটা গল্প বলি-
    একবার এক রাজা রাজ্যজুড়ে ঘোষণা দিলেন ” সাত সাগর তের নদী পাড়ি দিয়ে প্রথম যেই বিশাল পাহাড় আছে, তার গুহায় থাকে এক দৈত্য যার মুখ থেকে আগুনের গোলা বের হয়; এর মাথা থেকে মুকুট টা নিয়ে এসে আমার মেয়েকে যে দিতে পারবে আমি তার সাথেই আমার মেয়ের বিয়ে দিবো । ” তিনি এও বলে দিলেন,”দৈত্যটা ছয় মাস ঘুমায়, ছয় মাস জেগে থাকে।” এ ঘোষণা শুনে রাজ্যের বুড়ো-জোয়ান অনেকেই রাজসুখের আশায় সেই মুকুট উদ্ধারে রওনা দিল, কেউ আর ফিরে আসলো না।এক রাজকুমার আবার সেই রাজকন্যাকে পছন্দ করতো, সে ভাবল, আমি তো রাজকুমার, আমি পারবো ই। এই বলে সেও রওনা দিলো , গুহা পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেখে দৈত্যটা বেঘোরে ঘুম। সে তো হাসিমুখে তাজ টা নিয়ে উল্টো দিকে ফিরে হাটা শুরু করলো। সব ঠিক ই ছিলো , শুধু সেই রাজা কিন্তু একটা জিনিস বলে নাই, সেটা হলো, “দৈত্যটা ২ মুখো, এক মুখ সামনে আরেক মুখ পিছনে। যখন এক মুখ ঘুমায় তখন আরেক মুখ জেগে থাকে ।” আর কি ! সেই দ্বিতীয় মুখের আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে গেলো সেই রাজকুমার আর বাকিদের মতো !
    কেনো বললাম এ গল্প?
    গণতন্ত্র হল সেই দু-মুখো দৈত্য যার একমুখ দেখে আমরা খুশিতে বেহুশ হবার উপক্রম হয় আর দ্বিতীয় মুখ সেই বেহুশের সময় তার কর্ম সিদ্ধি করে। আর আমরা হলাম সেইসব বুড়ো-জোয়ান দের মত যারা একটু আশ্বাস পেয়েই পাগলের মতো ভোট দিয়ে রাজারূপী শাসক শ্রেনীকে ক্ষমতার স্বাদ সারাজীবন পাইয়েই রাখি, আর তারা রাজকন্যা পাওয়ার মতো লোভ দেখিয়ে আমাদের সামনে সারাজীবন মূলা ঝূলিয়ে রাখেন,
    সবাই হয়তো ভেবেছিলেন গল্পের শেষে রাজকুমারের জয়-জয়াকার থাকবে, কিন্তু বাস্তবতা টা ই এরকম, খুব কম দেশ আছে যারা গণতন্ত্রের সুফল পাচ্ছে।
    আমরা জানি যে রাজকন্যা পাওয়া সম্ভব না, তারপর ও আশায় বুক বাধি আর ভোট দেই…………

  9. মিলন বনিক মন্তব্যে বলেছেন:

    ভোট দিতে না পেরে মর্মাহত…দিতে পারলে ভালো লাগতো….

  10. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নামে দেশে একটা তামাশা হচ্ছে। ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৪ আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। এমন আজগুবি নির্বাচন এর আগে আমরা প্রত্যক্ষ করিনি। এর মধ্যে ১২৭ আসনে আ.লীগ, ২১ আসনে জাপা, ৩ আসনে জাসদ, ২ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টি ও ১ আসনে জেপির প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কলঙ্কের নতুন ইতিহাস গড়ছে। এর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ৪৯ জন প্রার্থী, ১৯৮৮ সালে চতুর্থ সংসদ ১৮ জন পার্থী, ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ জন পার্থী ও ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচনে ১১ জন প্রার্থী। সমস্ত রেকর্ড ভঙ্গ করে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এটা একটা হাস্যকর নির্বাচনে পরিণত হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top