Today 23 Apr 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

স্মৃতির পাতা থেকে ( পর্ব–১১ )

লিখেছেন: এস এম আব্দুর রহমান | তারিখ: ২৯/০৭/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1256বার পড়া হয়েছে।

ক্যাম্পে অবস্থান করছি আর খেয়ে ধেয়ে অলস দেহে দিন কাটাচ্ছি । আমরা যেন রাজার বাগের ঘোড়া । খাও দাও আর ঘুমাও । রাজার বাগের ঘোড়াদের তবু একটা অসুবিধা আছে । তারা শুয়ে ঘুমুতে পারে না । আমদের সে অসুবিধাও নেই । আমাদের এখন কোন ডিউটি নেই । কারণ এখানে ডিউটি করার জন্য ইউ এন থেকে আই ডি কার্ড প্রদান করা হয় । আই ডি কার্ঢ ব্যতীত ক্যাম্পের বাইরে যাওয়াও নিষেধ । অলস দিন কাটছে একান্তই । মরু অঞ্চলের মানুষ পশু পালন করে জীবিকার্জন করে ।তার মধ্যে উট, গরু, দুম্বা, ভৈড়া ও ছাগলই প্রধান । গাধা বাহন হিসেবে প্রায় সকলেরই আছে । আর আছে স্বল্প সংখ্যক ঘোড়া । অবশ্য এ অঞ্চলের ঘোড়া গুলো বেশ বড় ও শক্তি শালী । আমরা যারা বাংলা দেশে বাস করি , আমার ধারণা তারা সকলেই কম বেশী দুম্বা সম্পর্কে একটা ধারণা নিয়ে বড় হয়েছি । তা হলো , আরব দেশের দুম্বার পাছায় অনেক বারতি মাংস থাকে । আরব দেশীয় লোকেরা জীবন্ত দুম্বা থেকে সেই মাংস কেটে রান্না করে খায় । দুম্বা বেঁচে থাকে এবং পূনরায় পাছায় মাংস গজায় ।বাস্তবে দুম্বা না দেখলে বুঝাই যাবে না যে আমাদের শুনা গল্প কতটা অমূলক । আসলে দুম্বা একটি নিরীহ প্রাণী । আকারে ছাগল অথবা ভেড়ার মত । তবে দুম্বার দেহের গঠন প্রকৃতি ছাগল বা ভেড়া থেকে কিছুটা আলাদা ।দুম্বার গায়ে ভেড়ার মতই পশম আছে । কিন্তু ভেড়ার মত লেজ খাটো নয় । দুম্বার লেজ লম্বা । প্রায় মাটিতে ছুয়ে ছুয়ে যায় । লেজের লোম বড় বড় বলে রেজ মোটা দেখায় । অবশ্য লেজ একটু মোটাও বটে । আমাদের দেশের ভেড়া গুলো একটু মোটা , পেটের দিকটা ফুলা ফুলা, গোল গাল দেখায় । কিন্তু দুম্বার দেহের গঠন ছাগলের মতো । তবে পিছনের দিকটা একটু মোটা । গায়ের লোম দেখে মনে হয় , ভেড়ার বংশ ধর । আধুনিক বিঞ্জানের জগতে দুটি প্রজাতির পশুকে শংকরায়ণ করে দুম্বা নামে এক নতুন প্রজারি উদ্ভাবন করা যায় । দুম্বা দেখে মনে হয় , ছাগল ও ভেড়া প্রজাতিকে শংকরায়ণ করে দুম্বা নামে এক নতুন জাতির উদ্ভাবন করা হয়েছে । যদিও হাজার হাজার বছর ধরে এই দুম্বা মরু ভূমিতে চড়ে বেড়াচ্ছে । যে যুগে বিঞ্জান এত উ কর্ষ সাধিত হয়নি , সে যুগেও দুম্বা ছিল । তবে ছাগল ও ভেড়ার মিলনের ফলেও দুম্বা প্রজাতির উদ্ভব ঘটে থাকতে পারে । যাই হোক যে কারণে কথা গুলি বলা – পাছায় বাড়ি মাংস এ এলাকার দুম্বা গুলোতে নেই ।অন্য কোন দেশের দুম্বায় আছে কিনা আমার জানা নেই । তবে এদেশের দুম্বার পাছায় বাড়তি মাংস থাকুক আর নাই থাকুক ,এ দেশের মহিলাদের নিতম্বে যে বাড়তি মাংস আছে তা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই । মহিলাদের নিতম্বে বাড়তি মাংস শুধু মাত্র সুদানী মহিলাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয় ।বরং আফ্রিকান দেশ গুলোর সব মহিলাদেরই নিতম্বে বাড়তি মাংস আছে । কারণ আমাদের চর্তুপার্শে নাইজেড়িয়া , ইথিওপিয়া ,সেনেগাল এই সব দেশের ক্যাম্প আছে । সে সব ক্যাম্পে যে সকল মহিলা সদস্য এসেছে । তাদের সবার নিতম্বেই বাড়তি মাংস আছে । কাঝেই কেহ দুম্বার পাছার বাড়তি মাংস দেখতে চাইলে এ দেশীয় কোন মহিলার নিতম্বের দিকে তাকালেই তার সন্ধান পাবেন । তাই বলে ভাববার কোন কারণ নেই যে , এই বাড়তি মাংস নিয়ে এ দেশীয় মহিলারা কোন প্রকার লজ্জাবোধ করে , তা নয় । বরং তারা গর্ববোধ করে থাকে । অবশ্য বাংলা দেশেও সম্প্রতি কালে কিছু কিছু মহিলার নিতম্বে বাড়তি মাংস দেখা যায় । কাজেই একই খাদ্য খেয়ে একজনের নিতম্বে মাংস বেড়ে যায় , আবার অন্য জনের নিতম্বে কেন বাড়ে না , তা একান্তই গভেষণার বিষয় । গভেষকরা এ বিষয় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে পারেন । পারেন বলছি কেন অবশ্যই গভেষণা করবেন । কারণ আফ্রিকান দেশ সমূহে অধিকাংশ মহিলারই এক অবস্থা । তারা এটাকে তাদের দেহের সৌন্দর্যের অংশ হিসেবে ধরে নেয় বৃহদাকার নিতম্বের জন্য অনেকেই গর্ববোধ করে থাকেন । বাংলাদেশে কিন্তু তা নয় । বাংলাদেশেও কতিপয় কতিপয় মহিলাদের এ রুপ দেখা যাচ্ছে । তারা এখনও এ অবস্থাকে স্বাভাবিক হিসেবে নিতে পারে নি । আমার পরিচিত এক মহিলা আছেন , যিনি পেশায় ডাক্তার । বয়স খুব বেশী নয় , ৩০/৩২ বা তারও দু এক বছর বেশী । বিয়ে হয়েছে সাত/ আট বছর হয় । ছাত্রী অবস্থায় তিনি খুবই সুন্দরী ছিলেন । তার মুখটা এতই সুন্দর যে , এখনও দেখলে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে । ছাত্রী অবস্থায় স্বাস্থ্য ছিল ছিম ছাম ।তখনস নিতম্বে সামান্য বর্ধিত মাংস যেন তার সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছিল । কিন্তু এখন সে বেশ মুটিয়ে গিয়েছে । দেহের তুলনায় তার নিতম্বের মাংস এতই বেড়েছে যে, সে নিজে এখন কোথাও বেড়াতে যেতেও লজ্জাবোধ করে । একান্তই যদি কোথাও যেতেই হয় , তাহলে নিজেকে চাদরে মুড়িয়ে নিতম্ব আড়াল করে যান । এ রকম নিতম্বওয়ালা আরও দু এক জন মেয়ে আমি দেখেছি, তারা সকলেই নিজেকে মানুষের মধ্যে নিয়ে যেতে লজ্জাবোধ করে থাকেন । আমার ধারণা মেয়েদের নিতম্বে মাংস বেড়ে যাওয়া বর্তমানে একটি ব্যধি হিসেবে দেখা দিয়েছে । এ বিষয়টি নিয়ে বিঞ্জ জনদের ভেবে দেখা দরকার ।

১,২০১ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৩৩১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪৮৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৮ ১৩:৩৯:৪৭ মিনিটে
banner

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top