Today 17 Sep 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

স্মৃতির পাতা থেকে ( পর্ব ৩৮/২ )

লিখেছেন: এস এম আব্দুর রহমান | তারিখ: ৩০/০৬/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 702বার পড়া হয়েছে।

বাস বাস , এবারের মতো ক্ষমা পাওয়া গেল তা হলে ।
‘ আমার রাগ আর ক্ষমায় আপনার কি আসে যায় । আমি তো জানি , যে আগুন আমি নিজে জালিয়েছি সে আগুনেই আত্মাহতি দেওয়া ছাড়া আমার মুক্তির আর কোন পথ নেই । আমাকে একটু আদর ও শান্তনা দিতেই আপনার এত কষ্ট । আমার মতো অবস্থায় যদি আপা পরতো তা হলে এত দিন কোন খোঁজ না নিয়ে থাকতে পারতেন ? ‘
আরে শালীকা, তোমাকে রিং না করেও তো থাকতে পারবো না । তোমার কন্ঠ শুনার সাথে সাথেই তোমার সুন্দর মুখ খানা ভেসে উঠে । যার ছোঁয়া লেগে নিষ্ঠুর মরুর বুকেও গজীয়ে উঠে সবুজ বীজ পত্র ।
‘ আচ্ছা আপনাকে নিয়ে কি করি বলুন তো ? ‘
সেটাই জান না । আমাকে নিয়ে হয় সমূদ্রে ঝাপ দিতে হবে , না হয় পালিয়ে যেতে তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে ।
‘ যাবেন আপনি ?’
কেন নয়? তোমার জন্য পারি দিতে পারি সাত সমুদ্দুর তের নদী ডুব সাতারে । উঠতে পারি এভারেষ্ট চূড়ায় । হাড়িয়ে যেতে পারি মেরু অঞ্চলে । তোমার——
‘ থাক থাক , আমার জন্য আর কোথাও যেতে হবে না । সুধু জানতে চাই এত দিন ফোন করতে কি সমস্যা ছিল ।
সমস্যা–?
আমার মনেরই আঙ্গিনায় সুখের ফাগুন এল বুঝি,
পড়ন্ত বেলায় আমি সুধু তারে খুঁজি।
হৃদয় মন্দিরে যার অহোরাত্রি বাস,
তারে খুঁজে বেড়ানো মোর শুধুই সময় নাশ । তোমাকে খুঁজে আমি সময় নষ্ট করবো কেন ? চোখ দুটো বন্ধ করলেই যার নাগাল পাই , তাকে ফোনে খুঁজার প্রয়োজন আছে কি ?
‘ আপনার হয়তো নেই । কিন্তু তাই বলে আর কার ও থাকবে না এমন্তো কোন কথা নেই । আচ্ছা আমি মরে গেলে আপনি বেঁচে যান বুঝি ?
সাগরের তলদেশ থেকে যে মানিকের পূনরুদ্ধার আমি করেছি , তাকে তো এত সহজে হাড়াতে পারি না সুরুপা ।
‘ সুরুপা আবার আসলো কোথা থেকে ? ‘
ও মা , তুমি সুধু সু মনের মানুষই নও , তোমার রুপ্টাও যে সুন্দর, তা ঐ সন্ত্রাসীটা তোমাকে বলেনি বুঝি ?
‘ সন্ত্রাসীটা আবার কে ? ‘
বারে , আমার কাছ থেকে তোমাকে ছিনিয়ে গেল , তার পরো সে সন্ত্রাসী নয় ?
‘ আজ তো সুধু ছিনিয়ে নিয়েছে , আপনি এভাবে ডুব দিয়ে থাকলে , কয়দিন পর তাকে গায়েব করে ফেলবে । শত চেষ্টা করেও আর তার সন্ধানও করতে পারবেন না । যাই হোক ফোন কেন করেন নি , তা কিন্তু এখন ও বলেননি । ‘
ও বাবা । এখন ও দেখি আমি কাঠ গড়াতেই আছি । হে দেবী , তব পদ তলে যদি ঘৃতাহতি দেই তবু কি ক্ষ্মিবে না মোরে ?
থাক আপনার বলতে হবে না ।মানুষ চিনতে একবার ই ভুল করেছি , আর করতে চাই না । ‘
ঠিক ঠিক , একদম ঠিক । আর ভুল করার কোন উপায়ই নেই । কারণ আমাকে না জানিয়ে একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে তুমি তোমার নিজের এবং সেই সাথে আমার যে ক্ষতি করেছ সেই একই ভুল তো দ্বিতীয় বার করতে পার না । কারণ তুমি আমাকে দ্বিতীয় বার কথা দিয়েছ তুমি আর কোন সিদ্ধান্তই আমাকে না জানিয়ে নিতে পারবে না ।
‘ জানি , সবই জানি । কিন্তু মানুষ অথৈ সাগরে ডুবে যেতে থাকলে হাতের কাছে যা পায় তাই ধরেই জীবন বাঁচাতে চায় । আর আমি লোহার তৈরী জাহাজ ধরেও বাঁচতে পারছি না , তলিয়ে যাচ্ছি দিনের পর দিন । ‘
আমি কোন বিপদে না পড়লে এত দিন তোমাকে রিং করবো না সে কথা তুমি ভাবলে কি করে সুমনা ? তুমিতো জান না , আমি এখন কেমন এক খান দেশে আছি । এখানে একটি চালু কাজ যদি একবার বন্ধ হয় , তবে সেটা পূন চালু করতে জান বেড়িয়ে যাওয়ার জোগার হয় । আমি তোমাকে তোমার আপার নম্বর দেই , তুমি বাসায় রিং করে জান যে, আমি এই পনের দিন বাসায় রিং করেছিলাম কি না ।
‘ থাক যাচাই করার দরকার নেই । আমি এমনি বিশ্বাস করলাম । কিন্তু কি হয়েছিল ?
আর বলনা । একটা বড় আকারের মরু ঝড়ে এখান কার টাওয়ার বিকল করে দিয়েছিল । আমরা এই ১৫ দিন পৃথিবীর মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলাম । তা তোমার বর কই ?

৭০০ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৩৩১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪৮৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৮ ১৩:৩৯:৪৭ মিনিটে
banner

৭ টি মন্তব্য

  1. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    fine

    বেশ ভালো

    ভালো লাগলো পড়
    শূভ কামনা রইল

  2. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    অনেক ভাল লাগা নিয়ে গেলাম।
    ধন্যবাদ।

  3. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    অরে বাপ্স কি কাহিনীরে

    রোমান্টিক পর্বগুলো ভাল লাগে বেশি

  4. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    চমৎকার লিখে চলেছেন দিনের পর দিন ! বেশ রসদও থাকে কাহিনীতে । প্রতিটা পর্বই নতুন কিছুর অভিজ্ঞতা দেয় !

    শুভেচ্ছা জানবেন ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top