Today 18 Nov 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

স্মৃতির পাতা থেকে ( পর্ব——৪০/২ )

লিখেছেন: এস এম আব্দুর রহমান | তারিখ: ১০/০৮/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 389বার পড়া হয়েছে।

চিকিৎসার সুবিধা হয়তো হয়, কিন্তু সর্বপ্রকার চিকিৎসা শেষে যে রুগীকে কোন ডাক্তার রিলিজ করে দেয় , ঐ ডাক্তার ঐ নির্দিষ্ট রুগীর পূণ চিকিৎসার দ্বায়িত্ব নিবে বলে আমার মনে হয় না । এ কথাটা ভুলে যাবেননা যে, ডাক্তাররাও মানুষ । তারা রোবট নয় । প্রাচীন এক্সুগের হাতুড়ে ডাক্তাররা অনেক কিছুই করতো । কিন্তু আধুনিক যুগের দিগ্রীধারী ডাক্তারদের দ্বারা যা ইচ্ছে তাই করানো এতটা সহজ বলে আমার মনে হয় না ।
যাক সে কথা । আপনার এখন সত্যিই বিশ্রামের দরকার । আজকে অফিসে যোগ দিতে হবে কি ?
‘ না আগামী কাল কাজে যোগ দিব । ‘
তা হলে এখন লম্বা একটা গুম দিন । একদম সন্ধ্যায় উঠবেন । দরজা লক করে রাখুন । তা হলে কেহ ডিস্টার্ব করবে না ।
‘ আমাকে কেহ ডিস্টার্ব করবে বলে কি আপনার মনে হয় ?’
আমি যেহেতু আজ যেতে পারছি না , সেহেতু অন্য কেউ ডিস্টার্ব করবে বলে আমার মনে হয় না ।
‘ বা-বা । আপনি ছাড়া বুঝি এ দেশে আর কোন মানুষ নেই ?’
মানুষ আছে , কিন্তু হৃদয়বান মানুষ নেই । আপনিতো হৃদয় হীনা নন ।
‘ কি করে বুঝলেন ? ‘
কেন, একবার বলেছি না । হৃদয়ের খবর বুঝতে হয়না , অনুভব করতে হয় । আপনার হৃদয়ের ইমারতে মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে । মেরামতের কাজটা শেষ হলে একটু চুন কাম করতে হবে । তাহলেই একটি চকচকে, টগবগে হৃদয় পাওয়া যাবে । আমি মেরামতের পরের হৃদয়ের সন্ধ্যান করতে চাই ।
‘ বেশ, সেটাই করুন । আসছেন কবে ? ‘
দেখি, আমারতো ডিউটি ছাড়া যাওয়া মুশকিল । খুব কম সময়ের মধ্যেই আসবো আপনার কাজল ঘেরা নয়ন দুটি প্রাণ ভরে দেখতে ।
‘ জলদী চলে আসুন। এসেও কাব্য করা যাবে । ‘
‘ঠিক আছে রাখি এবার । খোদা হাফেজ ।
‘ খোদা হাফেজ । ‘
জেড়িনা ম্যাডাম কতটা অনুভব করে জানি না । তবে তারা যদি আগের জীবনে ফিরে যেতে পারে তা হলে খুবই ভাল হয় । তা না হলে জেড়িনা ম্যাডামের সামনে সমুহ বিপদ । তার ছেলেদের মনের মধ্যে তাদের মা যে তাদের উপকারের জন্যই বিদেশে পরে রয়েছে , এমন কোন ফিলিংগস জন্মায়নি । বরং তারা মনে করছে তাদের মা বাবার নিকট থাকলে তারা মা বাবা দুজনের কাছেই থাকতে পারতো । মাবাবার সাথে না থাকায় তারা না বাবাকে পাচ্ছে, না মাকে নিকটে পাচ্ছে । কাজেই মাকে যেহেতু ঘন ঘন কাছে পায় এবং বাবাকে কাছে পায় না , সেহেতু মায়ের চেয়ে বাবাকেই তাদের বেশী কাছে পেতে ইচ্ছে করে এবং এই বিচ্ছিন্নতার জন্য তাদের কাছে বাবাকে নির্দোষ মনে হয় । আর তাদেরকে মাতৃপিতৃহীন করে রাখার জন্য মাকেই দ্বায়ী মনে হচ্ছে তার পরো সব চেয়ে খারাপ উপসর্গ যেটি শুরু হয়েছে , সেটি হলো গোপনে বাবার সাথে দেখা করা । যদি সব সময় বাবার কাছে থাকতো তাহলে ভয়ের কিছু ছিল না । কারণ তাহলে মায়ের প্রতি ফিলিংগস থাক্তো বেশী । কিন্তু এখন যতবার বাবার সাথে দেখা করবে , তত বেশী বেশী মাকে দোষী মনে হতে থাকবে। আমি জানি না , সুদূর ভবিষ্যতে এই আগত দুর্যোগ জেড়িনা ম্যাডাম কিভাবে মোকাবেলা করবেন , না আদৌ করতে পারবেন না । আমি কতটুকুই বা সাহায্য করতে পারবো । আমি চাই তিনি যেন সব কিছু সামাল দিয়ে উঠতে পারেন ।

৩৮৯ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৩৩১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪৮৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৮ ১৩:৩৯:৪৭ মিনিটে
banner

২ টি মন্তব্য

  1. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো পড়ে

    সুন্দর লিখা

  2. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল এ পর্বও

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top