Today 19 Nov 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

স্মৃতির পাতা থেকে ( পর্ব—-৪২/১ )

লিখেছেন: এস এম আব্দুর রহমান | তারিখ: ০২/০৯/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 528বার পড়া হয়েছে।

দারফোর মিশনেরই এক অফিসার গেল বছর ছুটিতে যাবে । বিমান বন্দর গিয়ে বিমান পেয়েছে । কিন্তু সকলের লাগেজের ওজন বেশী হওয়ায় লাগেজ রেখেই যেতে হয়েছে । পরদিন সকাল বিকেল খোঁজ নিয়েছে , তার লাগেজ যায়নি । তার পরদিন সন্ধ্যায় ফ্লাইট । সকাল বিকাল খোঁজ নিয়ে জানা গেল তার লাগেজ খারতুম পৌঁছেনি । এদিকে তার ছুটির সকল প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে । বাধ্য হয়ে তিনি এক বুক দুঃখ নিয়ে শূন্য হাতে বিমানে উঠলেন । দেশে গিয়ে ছুটি শেষে আবার খারতুম এসে দেখেন তার লাগেজ তত দিনে খারতুম এসে পৌঁছেছে । তিনি লাগেজ উত্তোলন করে পূনরায় বিমান যোগে তার লাগেজ সহ আলজেনিনা এসে পৌঁছেন । কাজেই বর্ত্মানে যারা কর্মরত আছেন তারা ছুটি যাওয়ার সময় কেহই আর এই যুকি নেন না । বরং লাগেজ সি এম আর করে পাঠিয়ে দেন এক সপ্তাহ আগেই । যাতে ঐ যাত্রীর মতো ভোগান্তিতে পরতে না হয় । আমরাও তার ব্যতিক্রম করিনি । ছুটি যাবো ১১ তারিখ থেকে । এখান থেকে যাব ৯ তারিখ । লাগেজ সি এম আর করে পাঠিয়ে দিয়েছি ১ তারিখেই । কাজেই এখানে ছুটি যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে যারা বসে আছি তাদের দেহটাই এখানে পড়ে আছে , মনটা কিন্তু মোটেই নেই । তাহলে বলুন ছেলে বেলাকার ঈদের চেয়ে আজকের এই প্রস্তুতি কম কিসে ? এই সকল অর্থহীন চিন্তা করছি আমি অনেক্ষণ ধরে । আসলে মন যদি একবার কোন চিন্তার তরীতে পাল তুলে দিতে পারে , তা হলে সে তরী চলতে থাকে অনির্দিষ্টের ঠিকানায় । যতক্ষণ বাধা না পায় ততক্ষণ অন্তত পালে বাতাসের অভাব হয়না । আমিও ভেসে চলছিলাম অতিতের স্মৃতির নৌকায় পাল তোলে । হঠাৎ স্বপ্ন ভঙ্গ হলো মোবাইল ফোন বেজে উঠায় । এখানকার মোবাইলে ভেসে উঠা নম্বর দেখে বুঝার উপায় নেই যে, কে রিং করেছে । কারন যে নম্বর থেকেই রিং করা হোক না কেন এ দেশে ঐ নম্বর সো হয় না । বরং এই দেশীয় যে কোন একটি নম্বর ভেসে উঠে । কাজেই ফোন ধরার আগ পর্যন্ত কন ভাবেই জানার কায়দা নেই যে, কে ফোন করেছে । আমার মোবাইল বেজে উঠলেই আমি কলটা কেটে দিয়ে আবার রিং করি । কারণ আমার মোবাইলে দেশ থেকে এক মাত্র আমার স্ত্রী মাঝে মাঝে রিং করে । তার ফোন ধরে যদি কথা বলি তাহলে অনেক টাকা কেটে নেয় । কিন্তু আমাদের খরচ হয় অনেক কম । সুদানের এম টি এন মোবাইল কোম্পানী আমাদেরকে একটি প্যাকেজ দিয়েছে । সেটা ব্যবহার করে ফোন করলে অনেক অর্থ সাশ্রয় হয় । তাই কল কেটে দিয়ে আমি আবার কল করি । সেই রীতিতেই আজো কল কেটে দিয়ে আবার রিং করে জিজ্ঞেস করলাম —-
রিং করেছ কেন ? আমার স্ত্রী বললো—-
রিং করেছি মানে? তুমিই তো প্রথম রিং করলে । আমিতো কোন রিং করিনি ।
কিন্তু আমি তো একটি কল পেয়ে সেটা কেটে দিয়ে তুমি রিং করেছ ভেবে পূনঃ রিং করলাম । আমার স্ত্রী টিপ্পনী কেটে বলে —-
ভূতেতো আর রিং করেনি । দেখ কোন নাইজেড়িয়ান মহিলা ফোন করেছে কিনা । সেটা হয়তো অসম্ভব নয় । কিন্তু আমি যে আর রিং ব্যাক করতে পারবো না ।
কেন ? তোমার রিং ব্যাক করতে অসুবিধা কোথায় ?
আছে, অসুবিধা আছে । আমি তো তার নম্বরটাই আর ট্রেস করতে পারবো না । বাংলাদেশ থেকে কেহ রিং করলে তো আমাদের মোবাইলে সে নম্বর সো হয় না । কাজেই কল ব্যাক করার কোন কায়দা নেই । দুঃখিত কলারের কোন উপকার করতে না পারার জন্য । ঠিক আছে রাখি তা হলে । খোদা হাফেজ ।
খোদা হাফেজ , ফি আমানিল্লাহ , আল্লাহর হাওলা ।

৫২৭ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৩৩১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪৮৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৮ ১৩:৩৯:৪৭ মিনিটে
banner

৩ টি মন্তব্য

  1. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    বরাবরের মতো ভালো লাগলো

  2. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য । শুভ কামনা ।

  3. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top