Today 25 May 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

স্মৃতির পাতা থেকে–(পর্ব–৮ )

লিখেছেন: এস এম আব্দুর রহমান | তারিখ: ২২/০৬/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 760বার পড়া হয়েছে।

জন শূন্য মরু ভূমিতে আমাদের আবাস স্থল হলে ও রাত্রি যাপনে কোন অসুবিধা নেই । চতুর্দিকে সকল ক্যাম্পে এত বড় বড় সব সার্চ লাইট লাগানো আছে যে , রাতকে রাতই মনে হয়না । দিনের আলোর মতো পরিস্কার চতুর্দিক । তাছারা আমাদের ক্যাম্পের অবস্থান ঠিক মাঝ খানে । অন্যান্য ক্যাম্পের অবস্থান আমাদের ক্যাম্পের চতুর্দিকে ঘেড়াও করা । এর পরও সকল ক্যাম্প ঘিরে একটা বাঁধ দিয়ে বাউন্ডাড়ী করা আছে । তার উপর কাটা তারের বেড়া দেওয়া । বাঁধের উপর সার্চলাইট লাগানো । সেই বাঁধের উপর তাবু খাটিয়ে সশস্র পাহাড়াদার থাকে ।প্রত্যেক ক্যাম্পের ও নিজস্ব ভিন্ন ভিন্ন কাটা তারের বেড়া আছে । একমাত্র গেইটে সার্বক্ষনিক
পাহাড়া আছে । বিনা অনুমতিতে কারও পক্ষেই ভিতরে াাসা বা বাহিরে যাওয়ার কোন উপায় নেই । কাজেই কোন কারণেই ভয় পাওয়ার কিছু নেই । তবু একটা অদৃশ্য বস্তু , যা ভীতু মানুষদের সর্বক্ষণ আচ্ছন্ন করে রাখে এবং তাড়া করে বেড়ায় । তাদের কাছে ভয়ের জন্য স্থান কাল পাত্রের কোন তফাৎ নেই ।আমি অবশ্য ভয় বলতে কিছু বুঝি না । সে আজ থেকে নয় ছোট সময় থেকেই । আমি যখন হাই স্কুলে পড়ি , তখন আমাদের এলাকায় গভীর বন ছিল । আমার বাড়ি টাংগাইল জেলার সখিপুর থানার একেবারে পূর্ব পাশে তক্তার চালা গ্রামে । এই এলাকাটি ভাওয়াল মধুপুর মালভূমির মধ্যে । এই এলাকা ঐ সময় গজাড়ী বনে ঢাকা ছিল । আসলে আমরা এ এলাকার আদি বাসিন্দা নই । এই এলাকা এক সময় শুধু বন ভূমি ছিল । কোন জন বসতি ছিল না বললেই চলে । মাঝে মাঝে দু এক ঘর আদি বাসীদের দেখা যেত । সে হয়তো ২/৩ শত বছর আগের কথা । আমাদের পূর্ব পুরুষেরা পশ্চিম দিক থেকে এসে এ এলাকায় বসবাস শুরু করে । শুনেছি তখন এলাকায় বিস্তর রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছিল । তখন কার লোকেরা এই বাঘের সাথে যুদ্ধ করেই বেঁচে থাকতো । তখনতো বন পরিস্কার করে করেই বনের মাঝে বসতি গড়ে তুলেছিল । আমাদের বাড়িও ছিল তেমনি বনের ভিতর এক ফাঁকা জায়গায় । একদিন আমার বড় চাচা রাখালদের নিয়ে বাড়ির পূর্ব পাশের বনের ধারের জমিতে হাল চষছেন । হালের গরুর মধ্যে একটি গাভী ছিল । গাভীটি দিয়ে হাল চষার কারণে তার বাছুরটি বনের ধার দিয়ে মনের আনন্দে দৌড়ে বেড়াচ্ছিল । হঠাৎ রাখাল দিল চিৎকার –
“ চাচাগো বাঘে বাছুর নিল । “চাচা তাকিয়ে দেখে বাঘ বাছুরটি ধরে নিয়ে বনের দিকে হাটা দিয়েছে । আর যায় কোথা । চাচা টএক দৌড়ে গিয়ে বাছুরের এক পা টেনে ধরে অন্য হাতে থাকা গরু তাড়ানো ছড়ি দিয়ে বাঘকে পিটাতে থাকলো । কিছুক্ষণ পিটানী খেয়ে সহ্য করতে না পেরে বাঘ বাছুরটি ছেড়ে দিয়ে লাফ দিয়ে বনে ঢুকে গেল । বাছুরটা জানে বেঁচে গেল । চাচা হাল ছেড়ে দিয়ে বাড়ি চলে এলেন । এদিকে বাড়ির পশ্চিম পাশের ঘুনিতে ১০/১২ জন কামলা নিয়ে দাদা রোপা ধান লাগাচ্ছিলেন । বাঘের মুখ থেকে চাচা শিকার রেখে দিয়েছেন সে কথাতো আর দাদা জানেন না ্ জানলে হয়তো সতর্ক হতে পারতেন ্বাঘতো শিকার হাড়িয়ে মনের রাগে বনের মধ্যে গর্জন করে বেড়াচ্ছে । দাদা নাকি বাঘের গর্জন শুনে বলেছেন যে , আজ মামা এন গর্জন করছে কেন ?কিন্তু লোক জন বেশী থাকায় তেন ভয়ও পাননি । ফলে বিষয়টির উপর তেমন গুরুত্বও দেননি । দুপুর গড়িয়ে গেলে কামলারা খেতে আসবে । কামলারা বলে –
“ চাচা চলেন খেয়ে আসি । “ তখন চাচার হাতে খানিকটা ধানের চারা ছিল ।ফলে তিনি বলেন —
“ তোমরা যাও , আমি আসছি । “
কামলারা যেই জমি থেকে উঠে রওয়ানা দিয়েছে অমনি সেই বাঘটি বন থেকে এক লাফে দাদার উপর চরাও হয়ে আক্রমন চালায় । কামলারা এ দৃশ্য দেখে ডাক চিৎকার শুরু করে । তখন বাঘ দাদাকে ছেড়ে দিয়ে লাফ দিয়ে ক্ষেতের আইলে বসে কাঁদা ক্ষেতে পড়ে থাকা দাদার দিকে তাকিয়ে থাকে । বাঘের ইচ্ছে শিকার যদি আবার নড়া চড়া করে তবে পূনরায় আক্রমন চালাবে । বিষয়টি বুঝতে পেরে দাদা সেই কাঁদার মধ্য থেকেই কামলাদের বলে—
“ তোমরা কয়েকজন দৌঁড়ে বাড়ি গিয়ে লাঠি শোটা নিয়ে টিন পেটাতে পেটাতে আস । “তখন কামলারা দৌঁড়ে বাড়ি গিয়ে আগুন জ্বালিয়ে টিন পেটাতে পেটাতে আসলে বাঘ বনের ভিতর ঢুকে যায় । বাঘেরা টিন পেটানোর শব্দ শুনলে এবং আগুন দেখলে ভয় পায় ।তখন সকলে মিলে দাদুকে বাড়ি নিয়ে আসে । শুনেছি বাঘ থাবা দিয়ে দাদার মাথার উপরের চামড়া ছিলে ঘারে নামিয়ে ফেলেছিল । তার পরও সুস্থ্য হয়ে দাদা অনেক দিন বেঁচে ছিলেন । পরবর্তী সময়ে দাদাকে এলাকার লোক জন বাঘু সরকার বলে ডাকতেন । আসলে দাদার নাম ছিল –শ্রী, শ্রী ,আছের উদ্দিন সরকার । শুনেছি সে কালে নাকি শিক্ষিত সম্মানী লোকেরা নামের আগে দুটো করে শ্রী লিখতেন । আমরা ছোট সময় কোথাও বেড়াতে গেলে বৃদ্ধ বয়সের লোকেরা আমাদেরকে “বাঘু সরকারের নাতি “ বলে পরিচয় করিয়ে দিতেন । মুরুব্বীরা বলেন—“ তখন বাঘের ডাকে মাটি কাঁপতো ।“
আমি যে সময়কার কথা বলছি—তখনও অবশ্য বন ছিল , কিন্তু বনে বাঘ কেউ দেখেছে বলে শোনা যায়নি । আমাদের এলাকায় সর্ব শেষ দুটো বাঘ দেখা গিয়েছিল তখন আমি সম্ভবত ক্লাশ থ্রিী অথবা ফোরে পড়ি । জঙ্গলে বাঘ দেখা গিয়েছে এই সংবাদে এলাকার শত শত লোক লাঠি শোটা নিয়ে নেমে গেল জঙ্গল তল্লাশীতে ।আমি তখন চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত । কিন্তু এলাকায় এতই শোরগুল পরেছে যে আমার মত রোগীরও ঘরে থাকা দায় । কাজেই আমি একটি নেকড়া ভিজিয়ে চোখ মুছতে মুছতে সেই দলের সাথে যোগ দিলাম । বনের একদিক থেকে লোক জনেরা টিন পিটিয়ে শব্দ করতে করতে হৈ চৈ রই রই শব্দে বন তল্লাশী শুরু করলো । অন্য দিকে এক বন থেকে অন্য বনে যাওয়ার মাঝ খানের ফাঁকা জায়গায় এলাকার বন্দুক ধারী লোকদের বসানো হলো ।মানুষের হৈ চৈ ও টিন পেটানোর শব্দে বেচারা বাঘ দম্পতি ভয়ে এক বন থেকে মাঝ খানের ফাঁকা জায়গা দিয়ে পরের বনে পারি জমানোর সময় ওৎ পেতে থাকা বন্দুক ধারী শিকারীদের গুলিতে একটি বাঘ মারা গেল । অপরটি পরবর্তী বনে আশ্রয় নিল । মরা বাঘ নিয়ে লোক জন যখন বনের বাইরে এল তখন বাঘ মারা পড়েছে এই খবর সারা এলাকায় চাউর হয়ে গেল । তখন চর্তুিদক থেখে বাঘ দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ ঝাপিয়ে পড়লো বাঘ দেখার জন্য । উপায়ান্তর না পেয়ে মানুষের দেখার সুবিধার জন্য সেই বাঘ সৈয়দ আলী চেয়ার ম্যানের বাড়ির পাশের একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখা হলো । চতুর্দিক থেকে আবাল বৃদ্ধ বণিতা , মহিলা সহ শত শত লোক বাঘ দেখতে আসতে লাগলো । বাঘ দেখতে দেখতে বেলা পড়ে গেল । তখন সিদ্ধান্ত হলো –রাতে মৃত বাঘটি গাছে ঝুলিয়ে রাখা হবে । এই বাঘের খুঁজে তার সাথী ফিরে আসতে পারে । আসলে সেটাও স্বীকার করা হবে । কিন্তু বাঘিনী হয়তো মানুষের নির্মম রুপ দেখে বুঝতে পেরেছিল যে, পূনরায় ফিরে এলে তার জীবন নিয়ে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই নেই । তাই সে আর ফিরে আসেনি ।শিকারীরা সারা রাত বন্দুক নিয়ে অপেক্ষা করলো , বকন্তু বাঘিনী ফিরে এলো না । ফলে তার জীবনটা বেঁচে গেল । বাঘিনী তার তার জীবন বিপন্নের কথা বুঝতে পেরে , সে নিজের জীবন বাঁো বটে , কিন্তু সে কিছুতেই বুঝতে পারো না যে, তারা যে বনে বাস করে, মানুষতো সে বনে বাস করে না ।তারাতো মানুষের জায়গা দখল করেনি , কোন ক্ষিও করেনি ।তাহলে মানুষ তাদের মারে কেন ?এই কেনর জবাব হয়তো সে কোন দিনও পাবে না ।যতদিন বেঁচে থাকবে এই প্রশ্ন হয়তো কুড়ে কুড়ে খাবে তার মনকে । আমরাও কি পাই ? সারা পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত কত মানুষ অন্য মানুষকে মারছে । কেন মারছে তার জবাব কি আধুনিক সভ্য সমাজের মানুষের কাছে আছে ?মানুষ মানুষকে মেরে উরালাশ করে । সে উল্লাশ দেখে বনের হিংস্র পশুরাও লজ্জায় মাথা অবনত করে, মানুষ করে না ।
আমাদের এলাকার মানুষ গুলো দুদিক থেকে এসে এ এলাকায় বসতি শুরু করেছে । আমাদের গ্রাম থেকে তিন কি, মি, পূর্ব দিকে একটি নদী আছে । নদীটি আমদের গ্রামের পরে আর একটি গ্রামের শেষ সীমানা ঘেসেই বয়ে গিয়েছে উত্তর থেকে দক্ষিণে । শুধু মাত্র গ্রামের সীমানা ঘেসেই নয় । উক্ত নদীটি নির্ধারণ করেছে আমাদের গ্রাম থানা ও জেলার পূর্ব সীমানা । আশ্চর্যের বিষয় এই যে, উক্ত নদীর দুই পারের লোক গুলোও দুটি ভিন্ন বংশ থেকে এসেছে । নদীর পূর্ব পারের লোকদের পূর্ব পুরুষেরা এসেছে পূর্ব দিক থেকে এবং পশ্চিম পারের জন গুষ্ঠি এসেছে পশ্চিম দিক থেকে ।আমাদের বংশের প্রবীণদের কাছে শুনেছি , আমার দাদার দাদার বাড়ি ছিলো পশ্চিমে সাওয়ালী মহেড়ার কাছে গবড়া গ্রামে । আমার দাদার তিন ভাই এবং তাদের পরবর্তী বংশদরেরা এখনও সেখানে বসবাস করছে ্ শুনেছি গবড়া গ্রামের পূর্বেতাদের বাড়ি ছিল পাবনা জেলার উলাডাবের চরে । তার আগে অবশ্য কোথায় ছিল তা আমি অনুসন্ধান করে দেখিনি । বয়োজৈষ্ঠদের নিকট শুনেছি আমার দাদারা যখন এই গ্রামে আসতেন তখন তারা গবড়া থেকে নৌকায় উঠতেন আর নামতেন এসে ভাওয়াল মধুপুর মালভূমির তীর ঘেসে পাতার ঘাটা, দরানীপাড়া,কামালীয়া চালা ইত্যাদি গ্রামে । এর মধ্যে পুরু এলাকাই ছিল পানির নীচে , জলমগ্ন । দিনে দিনে পশ্চিম দিকের এলাকা গুলোতে জন বসতি বাড়তে থাকে ।আর মানুষ তখন বসতি গড়ার জমির সন্ধানে ছুটে গিয়েছে পূর্ব দিকে । যে যেখানে পছন্দ মতো জমি পেয়েছে সে সেখানেই বসতি গড়ে তুলেছে এবং বংশ বিস্তার করেছে । শুধু আমাদের বংশই নয় , আমাদের মতো নদীর পশ্চিম পারের যত লোকজন আছে তাদের পূর্ব পুরুষেরা সকলেই পশ্চিম দিক থেকে জমির সন্ধানে দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে এসে এ সব এলাকায় বসবাস শুরু করেছে । এই রুপ উক্ত নদীর পূর্ব পারের লোকদের সম্পর্কে সংবাদ নিয়ে জানা গিয়েছে তাদের পূর্ব পুরুষেরা সকলেই পূর্ব দিক থেকে এসে বসতি শুরু করেছে । উচু ভূমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে বলে নদীটিকে একেবারে ছোট মনে করার কোন কারণ নেই ।এক সময় এই নদী ছিল খুবই খরস্রোতা । আমরা ছোট সময় নৌকা ভর্তি পাট নিয়ে এই নদী দিয়েই ফুলবাড়ীয়া হাটে যেতাম । সেতো খুব বেশী দিন আগের কথা নয় । বড় জোর ৩০/৩৫ বছর আগের কথা ।সেই নদী এখন মরে গেছে । থেমে গেছে তার প্রবাহ । মানুষ এখন শীত কালে তার তলদেশে ইরি ধানের চাষ করে । এ নদীরই বা দোষ কোথায় । বিখ্যাত নদী পদ্মা, মেঘনা, যমুনাও তাদের বুক জাগিয়ে দিয়েছে পানির উপর । মানুষ তাদের বুক চীরে চষে আনছে নানা জাতের ফসল । আমার বাবার কাছে শুনেছি এই বাজাইলের বংষাই নদী গিয়েছিল আমাদের বাড়ির পাশ দিয়ে । কৈশোরে, যৌবনে আমরা বছরের পর বছর ধরে মাছ ধরেছি এই নদীতে ।শুনেছি আমার দাদার আমলে এই শাখা নদীতেই কুমিড় থাকতো । কাজেই কেহ নদীতে নেমে গোসল করতো না । নদীর পারে খুটি পুতে কাঠ দিয়ে মাচাল তৈরী করে তার উপর বসে বসে কলসীর গলায় রশী বেঁধে পানি তোলে সেই পানি দিয়ে গোসল করতো । এখন সেই শাখা নদীর চিহ্ন পর্যন্ত নেই । নদী ভরাট হয়ে আবাদী জমিতে পরিনত হয়েছে । মূলত যুগের পর যুগ ধরে নদীর দুই পারের উঁচু ভূমি বৃষ্টির পানির সাথে মাটি ধুয়ে নদীতে পরে নদী ভরাট হয়ে গিয়েছে । তখনকার সময়ের প্রাণবন্ত জীবনও এখন আর নেই । আধুনিক সভ্যতা মানুষকে প্রাচুর্যতাদিয়েছে, হয়তো ভোগের জন্য, উপভোগের জন্যও অনেক কিছু দিয়েছে, কিন্তু সেই সাথে কেড়েও নিয়েছে অনেক কিছু । মানুষের জীবন থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে নিস্কলুশ ভাল বাসা । আত্মার প্রশান্তি । মানুষের প্রতি মানুষের মমত্ববোধ । মাঝে মাঝে মনে হয় মাত্র কয়টা বছরে এ আমরা কোন দুনিয়ায় এলাম ্কত পরিবর্তন জীব বৈচিত্রে ভরা এই পৃথিবীর । সে সব দিনের কথা মনে হলে দেহ, মন অবস হয়ে যায় ্ যতক্ষণ মনে থাকে ততক্ষণ এই যানিত্রক সভ্যতা আমাকে ফিরিয়ে আনতে পারে না তার নিয়ন্ত্রনে ।

৭৪০ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৩৩১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪৮৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৮ ১৩:৩৯:৪৭ মিনিটে
banner

২ টি মন্তব্য

  1. সাখাওয়াৎ আলম চৌধুরী মন্তব্যে বলেছেন:

    লেখাটা ভালো লাগলো। শুভকামনা রইল

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top