Today 19 Sep 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক

লিখেছেন: সীমান্ত পারভেজ | তারিখ: ২৩/০৪/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 649বার পড়া হয়েছে।

যদি এমন হয়, আপনি খাঁচার ভিতরে আর পশুপাখিরা খাঁচার বাইরে। তাহলে ব্যাপারটা কেমন হয়। বিষয়টি আশ্চর্যকর হলেও এমন অনুভূতি পাওয়া যাবে। আর এমন রোমাঞ্চকর অনুভূতি পেতে হলে যেতে হবে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে।

পার্কটি  বাংলাদেশের গাজিপুর জেলায় অবস্থিত। ২০১০ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে এটি উদ্বোধন করা হয়। পার্কটির আয়তন ৩৬৯০ একর। ঢাকা থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাঘের বাজার থেকে ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে সাফারি পার্কটির অবস্থান। সাফারি পার্কটিতে বন্যপ্রাণী উন্মুক্ত করে রাখা হয়। এখানে আসলে বাঘ, সিংহ, ভাল্লুক ইত্যাদি হিংস্রপ্রাণীকে উন্মুক্ত অবস্থায় বিচরণ করতে দেখা যায়। তবে এইপার্কে গাড়ি ছাড়া কোনও পর্যটক প্রবেশকরতে দেয়া হয়না। দর্শনার্থীদের জন্য পার্কটিতে রয়েছে দু’টি জিপগাড়ি ও দু’টি মিনিবাস। নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করে জিপে বা মিনিবাসে করে প্রাকৃতিক পরিবেশে ছেড়ে রাখা বন্যপ্রাণী দেখা যায়। এ সময় কেউ চাইলে গাড়ির ভিতর থেকে বাঘ, সিংহ, জিরাফ কিংবা হাতিকে ক্যামেরা বন্দি করা যায়। সাফারি পার্কটিতে দেখা যাবে আফ্রিকা নচিতা, সাম্বার ও গয়াল, ওয়াল্ডিবিস্ট, অরিক্স, ভাল্লুক, ব্ল্যাকবাক, ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী। এছাড়া এখানে আছে মায়া ও প্যারাহরিণ।

1

পার্কটিতে সাফারি কিংডম নামে একটি অংশ আছে। ৫৫৬ একরের মধ্যে তৈরি করা এখানে আছে, সবুজ ম্যাকাও, নীল-সোনালিম্যাকাও, টিয়া, পেলিকেন, আফ্রিকান গ্রেপ্যারট, লুটিনোরিং নেকপ্যারট সহ প্রায় ৩৪ প্রজাতির পাখি। এর সব গুলোই আফ্রিকা থেকে আনা।

সাফারি কিংডমের পাশে অবস্থিত ম্যাকাওল্যান্ডে আছে মেরিন অ্যাকুরিয়াম। যেখানে রয়েছে প্রায় ২০ প্রজাতির মাছ। চিকলেট নামে একটি মাছ আছে ওই অ্যাকুরিয়ামে যা ২০ সেকেন্ড পরপর রং পরিবর্তন করে। এছাড়া আছে ক্রোকোডিলফিস, লুকিয়ে থাকা ব্ল্যাকগোস, টাইগার ফিস ইত্যাদি। সাফারি কিংডমে আছে আইল্যান্ড, বোটিং ওলেইকজোন। এখানে সবচে আকর্ষণী হচ্ছে হাতিশো গ্যালারি। সাফারি কিংডমের পশ্চিমে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল তিনটি পাখি শালা।

সাফারি কিংডমের পরেই আছে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার নামে আরেকটি অংশ। এখানে আছে আকর্ষণীয় মুরাল ও মডেল সহপ্রধান ফটক, ফোয়ারা, জলাধার ও লেক। পার্কঅফিস, ডরমিটরি, বিশ্রামাগার, মিউজিয়াম ইত্যাদি। এছাড়াও রয়েছে দুটি বিশাল আকার পর্যবেক্ষণ রেস্তোরাঁ, একটির নাম টাইগার রেস্তোরাঁ অপরটি সিংহ পর্যবেক্ষণ রেস্তোরাঁ।

প্রবেশফি

পার্কে প্রবেশ করতে টিকেট লাগে। ৫০ টাকা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। আর ১৮ বয়সের নিচে হলে প্রবেশ ফি ২০ টাকা। গাড়িতে করে পার্ক পরিদর্শন করতে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিট ফি১শ’  টাকা করে।অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০টাকা।

যাতায়াত

গাজীপুরের চৌরাস্তা থেকে বাঘের বাজার গেলেই চোখের পড়বে সাফারিপার্কের বিশাল সাইনবোর্ড। এরপর সেখান থেকে সাফারি পার্কের দরজা পর্যন্ত যেতে রিকশাও অটোরিকশা পাওয়া যায়। ভাড়া নিবে ৫০ থেকে ৭০টাকা।

৬৪০ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ২৫ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-২৫ ১১:৪৬:৫১ মিনিটে
banner

৩ টি মন্তব্য

  1. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব সুন্দর তথ্য।
    শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

  2. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল ভাবনার প্রকাশ
    তথ্য পেয়ে ভালো হলো
    ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,শুভ কামনা রইল

  3. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    তথ্য জেনে ভালো লাগলো ! ভাবছি শীঘ্রই নিজেকে খাঁচায় পুরে মুক্ত পশুপাখি দেখতে যাব ! 😛 ধন্যবাদ আপনাকে ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top