Today 14 Aug 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner
লেখক সম্পর্কে জানুন |
জন্মঃ প্রকৃত নাম সরকার শহিদুর রহমান। ছদ্ম নাম দ্বীপ সরকার। জন্ম ১৯৮১ইং, ১লা মার্চ। মুসলিম পরিবারে। বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানাধীন গয়নাকুড়ি গ্রামে। পিতা,মৃত হাবিবুর রহমান। দশ/বারো বৎসরে পিতাকে হারাই।  মাতা মোছাঃ আছিয়া বেওয়া। চার ভাই। পাঁচ বোন। ভাইদের মধ্যে ৩য়। শিক্ষাঃ গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শিক্ষায় হাতে খড়ি। তারপর ওখান থেকে একই এলাকার দাড়িগাছা দারুসসালাম দাখিল মাদ্রাসায় ৩য় শ্রেণীতে ভর্তি করে দেয়া হয় । এখানেই শিক্ষার মুল ধারা শুরু।  ৪র্থ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত বরাবরই ক্লাস ফার্স্ট এবং গোটা স্কুলের মধ্যে সর্বোচ্চ নাম্বার অর্জন করি। দিন রাত সমান করে পড়ার টান ছিলো। পড়া থেকে উঠিনি কোন সময়।স্কুল থেকে এসেই বই হাতে।শতবার ডেকে ডেকে ভাত খাওয়ানো। সেজন্য অনেকের বকা খেয়েছি। মাগরিব থেকে ফজর পর্যন্ত একটানা রাত জেগে পড়েছি। এরকম কত রাত কাটিয়েছি বইয়ের ওপরে  তার গননা করা মুশকিল। তকে খেলাধুলার প্রতি কোন আকর্ষন ছিলোনা এখনো নেই। স্কুলের সকল ছাত্র ছাত্রী,শিক্ষক,এলাকার সকলেই মেধাবি ছাত্র ভাবতো, এবং সম্মান করতো। একবার ৯৯% ভোট পেয়ে এজিএস নির্বাচিত  হয়েছিলাম। এদিকে গান গজল হামদ নাত গাইতাম, কবিতা লিখতাম বলে সকলে শিল্পী এবং কবি বলে ডাকতো। গান গেয়ে মন জয় করতাম সকলের । বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমাকে দিয়ে গান,হামদ নাত গেয়ে নিতো স্যারেরা। ৬ষ্ট/ ৭ম শ্রেণী থেকে কবিতা, গান, গজল রচনা করে অনুষ্ঠানে বলতাম। এখান থেকেই ১৯৯৫ ইং সালে ১ম বিভাগে দাখিল ( মেট্রিক) পাশ করি। আশানুরুপ রেজাল্ট হয়নি বলে স্কুলের শিক্ষকগন মন ভিজাতে পারেনি। আরো বড় স্বপ্ন ছিলো তাদের। প্রতি বৎসরে আমাকে চারটি করে পুরস্কার দিতো। ক্লাসের প্রথম,সমগ্র স্কুলের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর, গান গাওয়া, রেগুলার স্কুলের জন্য। এর পর নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজ থেকে ১৯৮৭ইং সালে জেনারেল সেকশনে ৩য় বিভাগে এইচ এস সি পাশ করি। কিন্ত কাঙ্খিত ফলাফল না হওয়ায় চলমান স্বপ্নের ছন্দপতন ঘটলো। পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমে গেলো। তারপর সংসারে কিছুটা অর্থের দ্বৈন্যতা দেখা দিলো সংসারের ঝামেলা মাথা নিয়ে গাইবান্ধা জেলার কামদিয়া নুরুল হক ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হই এবং ১৯৯৯ইং সালে এখান থেকে ২য় বিভাগে গ্রাজুয়েশন সম্পুন্ন করি। এর পর আর পড়াশোনার দিকে যেতে পারিনি। অদম্য সাহস এবং মেধা থাকার পরেও অর্থ দ্বৈন্যতা আর সামনের দিকে এগুতে দেয়নি। তার পর ২০০১ ইং সালে একই গ্রামের তহমিনা খাতুনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই । বর্তমানে এক মেয়ে এক ছেলে। মেয়ে,শান্তা মারিয়া শানু এবং ছেলে, মেশকাত। সাহিত্যে আগমনঃ ছোটবেলা থেকে একটু একটু করে লিখলেও তা বড়সড়ো করে রুপ নেয় বগুড়া লেখক চক্রের সাথে যোগ দিয়ে। মুলত এখানেই অনেকের সঙ্গে পরিচয় ঘটে এবং স্থানীয় পত্র পত্রিকায় নিয়মিত লেখা বের হতে থাকে। এসময় " কুয়াশা" নামে এক লিটিল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেছিলাম। কবিতার ফোল্ডারও বের করেছিলাম দুটি। এর পর ধীরে ধীরে ব্লগ ফেসবুক,অনলাইন অনেক সাইটে পদচারনা। অভিজ্ঞতাঃ গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২০০৫ ইং সালে একটি বেসরকারী সংস্থায় মনিটরিং এবং অডিট অফিসার পদে চাকুরিতে যোগদান করি। এখানে প্রায় আট বৎসর চাকুরি করার পর শারিরিক অসুস্থতার কারনে আর চাকুরিতে যেতে পারিনি। এই দীর্ঘ আট বৎসর চাকুরির চাপে সাহিত্য থেকে দুরে ছিলাম। কিন্ত সয়নে স্বপনে জাগরনে তিলে তিলে কবিতাকে ভালবেসেছি এবং মাথা থেকে তাড়িয়ে দিতে পারিনি একেবারে। প্রকট ইচ্ছা শক্তি আমাকে দীর্ঘ আট বৎসর পর হলেও কবিতার কাছে নিয়ে এসেছে। চাকুরির সুবাদে দেশের প্রায় ৬০টি জেলাসহ অনেক থানা,গ্রাম,ঐতিহাসিক স্থান,পর্যটন এলাকা ভ্রমন করার সুযোগ হয়েছে।
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৮ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৭২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৯-৩০ ১৫:১৩:৩৮ মিনিটে
Visit দ্বীপ সরকার Website.

চোখে চোখে রেখে নদী হয় অরণ্য
অরণ্যের সাপ হয় জলপ্রপাত
তিলক পড়া ঘুঙৃরের নিচে ফুলটা কি বন্য?
বুকের নিচে আমার কি যে অপঘাত।
~
কিঞ্চিত অবশিষ্ট থেকে ডুবে যায় সন্ধ্যা
তখন কে যেনো ডেকে যায় পূবালীতে
এক নারী ; গুনিয়াকুড়ি গ্রামের বন্ধ্যা
আনচান করে মন, পুড়ে খই হই

বিস্তারিত পড়ুন

তুমি যতোটা ক্ষত দেখ পিচ সাঁটা সড়কে
তৃষ্ণার্ত বুক পোড়ে কাঠ খড়ি নরকে
নিস্তবদ্ধ সুনসান হৃদয়, বিষণ্ন ঠোঁট
ও ঠোঁটে উষ্ণতা ভরা নক্ষত্রের নোট;
পিদিমহীন আঁধার,চিলেকোঠার রাত
বিরক্তিকর প্রশ্নে থেমে যায় করাত।

খরচহীন ধ্যান নিয়ে ভ্যালেন্টাইন খুঁজি
ছকে বাঁধা প্রেম! সহজেই যেনো বুঝি।
মিমাংসিত তীরচোখে ভুল তুমি
দাগটানা খাতার

বিস্তারিত পড়ুন

বৈদ্যুতিক খুঁটি বেয়ে নেমে আসা দয়িতার শীত
দরিদ্রদের উঠোনে নামাচ্ছিলো কুয়াশার প্লেন,
আমি দারিদ্রতা ভুলে প্লেট ভর্তি শীতকে
সেঁক দিতে শুরু করি উনুনে।

সিমের মাচানে যে রৌদ্র সাংসারিক হচ্ছিলো
বলে আমি মনে করেছিলাম-
অক্ষরের সমীকরণে তাকে ভাবতেই পারি রোদ্দুরের ট্রেন,
ভাবতেই পারি রক্ষণশীল বুনো নক্ষত্র
গোধূলী নামাচ্ছে বলে
সে

বিস্তারিত পড়ুন

আমার মৃত্যুরা অন্য রকম….

ক্ষত থেকে ক্যান্সার না হয়ে
হয় কবিতার পান্ডুলিপি,
হয় শীতকালীন এ্যলোভেরার ঘ্রাণ,
ওরা যখনই এসে ঘারে বসে
প্রশ্ন তোলে ঈশ্বরের,
তখন আমার চোখে জন্ম নেয় আয়নার বীজ;
সে আয়নায় আমার মৃত্যুরা ভাসে আর ভাসে।

আমার মৃত্যুরা অন্য রকম….

শকুনের পায়ে যখন কিংবদন্তির মহাকাশ
জড়োসড়ো হয়ে আসে
তখন

বিস্তারিত পড়ুন

অতঃপর
গোটা পৃথিবীশুদ্ধ রক্তপাত হলো,
গরু দুম্বার শরীর জেনে গেলো সওয়াব
আত্নশুদ্ধিতে মুখস্থ্য করি ত্যাগ আর তিতিক্ষা।
.
দীঘল ভ্রমণে ফেরেস্তাদের নেমে আসার
শব্দে ঘুম ভাঙ্গে নিরেট আত্নার
উৎসর্গে নামি হাঁটুজল চিন্তায়
একেকটা চাকুতে মেরে ফেলি পশুত্ব
নামক মহার্ঘ।
.
একটা উৎসব চাঁদকে ধরে নিলো মুঠোয়।
.
লেখাঃ১৪/৯/১৬ইং

বিস্তারিত পড়ুন

আমি পাথর হতে চাইলে
তুমি এসে বল্লে হতেই পারো,
অতঃপর আমি পাথর হয়ে গেলাম
নিরেট, নিখাদ দগদগে নীলচে পাথর।
ইদানিং ক্রীমলেপ্টানো ব্রাশে
ক্র্যাশ করে ফেলি পাহাড়
কারন,আমি যে পাথর
অথবা পাথরের মতই।
.
আমার পিটের অপোজিটে
এখন ক্ষয়ে যায় ভিসুভিয়াস
আগুণলেপ্টানো গিরি বলে যাকে,
আমার অন্তরে গিরগিটের পেশাবে জন্মে গাঁজা
চোখ ছুঁয়ে জন্মে

বিস্তারিত পড়ুন

সময় আসে সময়ের গর্ভ থেকে খুঁড়ে খুঁড়ে
এক বাটি ইতিহাসের সওদা নিয়ে
কথা হয়, গল্প হয়,প্রেম হয়,প্রনয় হয়,
অতঃপর খোসা পড়ে রয় শেষে।
সময়গুলো বিলীন হতে থাকে জ্যামিতির কাছে ;
কারন জ্যামিতিও ইদানিং সময় চিনে
সরল রেখায় হাঁটে।

দিনকে দিন মুখস্থ্য করি ন্যানো সেকেন্ডের
গতিবিদ্যা,
কি যে স্টাইলে

বিস্তারিত পড়ুন

বস্তা বস্তা নীল, কষ্টদের মিমাংসিত
অধ্যায়ের চিঠি পড়ে থাকে হলুদ খামে,
কেউ ছুঁয়েও দেখেনি বলে
বিভৎস দেখে ছায়াহীন রোদ,
ওপাশে পুরনো কষ্টের চাকু উন্মুখ থাকে,
কেটেকুটে পার হওয়া চাকু কখনো
আত্নীয় হতে পারেনা।
তবু সহ্যের আলোয় নিজেকে বিকশিত করি।

আমি আকাশ। চারপাশ দুরন্ত নীল।
আর কত বিষ ঢাললে নীলগুলো

বিস্তারিত পড়ুন

কথাটা ওভাবে নিওনা
যে  আমি তোমাকে ভুলেই গেছি ;
রাত্রীর ভুলোমনে ঝুলে থাকা ভোর
তবুও দিনকে প্রসব করে
তবুও খুঁড়ে খুঁড়ে আসে দিন
কেবল রাতগুলো দিনের ভিন্নরুপ।
তাই বলে রাত ছাড়া দিন নেই।
.
পাহাড় ছেনে যেভাবে মরুতাপ
লোকালয়ে এসে ধারাপাত শুনোয়
অনুগত হবার,
আসলে কতজনই অনুগত হতে পেরেছে বলো,
ভুলপথে এসে ভিখিরির

বিস্তারিত পড়ুন

নাম কি তোর?
রোয়ানু
কাজ কি বাপু?
ধোয়ানু,
.
যাইবা কই?
উপকূলে,
নদী সাগর
হেলে দুলে।
.
খিদে পেলে
শোয়ানু
গাছ পালা
ক্ষোয়ানু।
.
করলা কি এই?
ধ্বংশলীলা,
টিনের চালে
বজ্রশীলা।
.
কেবা কারা?
দৌড়ে পালা
গোয়াল ঘরে
দিয়ে তালা।
.
লেখাঃ২৪/৫/১৬ইং

বিস্তারিত পড়ুন

আরো একবার দেখা হলে

দ্বীপ সরকার

আরো একবার দেখা হলে
নির্ভুল একটা কিস ছুঁয়ে দেবো কপালে,
তারপর কথার মাখামাখি।

আরো একবার দেখা হলে
এই নয়নাভিরাম সবুজদের বলে দেবো
এটিই আমার মগজের ভেতর গুছিয়ে রাখা ধ্যান,
অতঃপর ব্যাকুল চোখাচোখি।

যতক্ষণ না তুমি বলবে
প্রকৃতি হবে বলে স্তনস্থ্য পর্বত পাল্টে গেছে
এই সব

বিস্তারিত পড়ুন

প্রতি বৈশাখ –
এসে ফের চলে যায়
ঢেকে যায় দুঃখ ফেরত খামে…

খোলস থেকে বেরিয়ে এসেছে
প্রত্যয়ের মুকুট
সাদার ভেতরে লাল-লালের ভেতরে সাদা রঙা।

পিছনে দুঃখ ভোলার স্লোগান
সমূখে দিন বদলের প্লেকার্ড
যেতেই হবে -যদ্দুর পারা যায়
যেখানে গন্তব্য লেখা থাকে।

হালখাতার কার্ড হাতে পেলে
জড়তা ভাঙে সবুজদের,
ভুলে যাবো বলে
শোধবোধ লিখি
শুদ্ধতা

বিস্তারিত পড়ুন
go_top