Today 17 Sep 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner
লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৪ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৮ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৭-১৬ ০৭:৪৭:৪৬ মিনিটে

সূরা বাকারার ৬৫ নং আয়াতে মহান আল্লাহ পাক বলেন –

” তোমরা তো ভাল করেই জানো , তোমাদের মধ্যে যারা শনিবার (আল্লাহর আদেশের সীমা) লংঘন করেছো , অতপর আমি তাদের (শুধু এটুকুই) বলেছি , যাও এবার তোমরা সবাই অপমানিত বানর (এ

বিস্তারিত পড়ুন

একটা সময় অনেক গল্প লিখতাম । ২ টা সম্পূর্ন উপন্যাস , প্রায় ৯ টার মত ছোট গল্প , ২৫ টার মত কবিতা লিখেছি । প্রচলিত ধারায় যেহেতু লিখেছি , তাই স্বভাবতই আমার লেখায় নর-নারীর বিবাহ পূর্বক প্রেম ভালবাসা ইত্যাদি উঠে

বিস্তারিত পড়ুন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহানায়ক এডলফ হিটলারের দুটি বানী নিম্নরুপ –

1. THE VICTOR WILL NEVER BE ASKED IF HE TOLD THE TRUTH .

2. HISTORY IS WRITTEN BY THE VICTORS .

অকাট্য সত্য ও শুনতে অপ্রিয় হলেও সত্যিই বাস্তবিক দুটি বাক্য !

বিস্তারিত পড়ুন

তিনি অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে বসে আছেন । ইদানিং আলো তার অসহ্য লাগে । চোখে আলো গেলে চোখ কটমট করে এবং চোখ থেকে অনবরত পানি পড়তে থাকে । বিষয়টা নিয়ে তিনি ডাক্তারের সাথে দেখা করেছেন । ডাক্তারের প্রেসক্রাইব করা ওষুধও খাচ্ছেন নিয়মিত । তবে সমস্যার কোন সমাধান হচ্ছে না । তার ধারনা সমস্যা আরো বাড়ছে । তার চোখ থেকে এখন পানি পড়ছে । দেখে মনে হতে পারে তিনি কাঁদছেন ।

তিনি বসেছেন বারান্দায় পাতা রকিং চেয়ারে । চেয়ারের হাতলের ওপর একটা নীল রংয়ের টাওয়েল রাখা । তিনি টাওয়েলটা হাতে নিয়ে চোখ মুছলেন ।

আলো অসহ্যবোধ হওয়ায় তিনি খানিকটা লজ্জিত এবং বিষন্ন বোধ করছেন । মানুষ অন্ধকারের চেয়ে আলো পছন্দ করে বেশি । প্রাচীন কালে আদি মানবেরা রাতের অন্ধকারে আগুন জ্বালিয়ে আগুনকে ঘিড়ে বসে থাকতো । মানুষ বিপদে পড়লে আলোর দিকে তাকিয়ে থাকতে পছন্দ করে । আলো তাদের মনে খানিকটা হলেও আশার সঞ্ঝার করতে পারে । আর আলো কি না তার অসহ্য লাগছে !

অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে তিনি ঘোড়ের মধ্যে চলে গেলেন । তিনি দেখতে পেলেন একটি কুয়াশাঘেড়া বিরানভূমি থেকে কি যেন ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে । গাঢ় কুয়াশা সত্বেও স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে একটি শিশু হামাগুড়ি দিতে দিতে সামনে আসছে । হঠাত্‍ কুয়াশা বিলীন হয়ে গেল । কুয়াশার পরিবর্তে ঠাই নিল অপরূপ জোছনা । রূপালী জোছনা গায়ে মাখতে মাখতে শিশুটি আসছে । শিশুটি অবিকল বাবুর মত করছে । কিছুক্ষণ হামাগুড়ি দিয়ে সোজা হয়ে বসে থাকে । তারপর চারপাশ দেখে আবার হামাগুড়ি দেয় । শিশুটি দেখতেও বাবুর মত । তিনি এবার কাঁপতে লাগলেন । তার হাত পা সবই কাঁপছে ।

শিশুটি বসে আছে । তার দিকে তাকিয়েসে খুব মধুর ভঙ্গিতে হাসি দিল । যেমন হাসি কেবল শিশুরা তাদের বাবার দিকে তাকিয়ে হেসে থাকে । এবার তিনি আঁতকে উঠলেন । শিশুটির হাসিও বাবুর হাসির মত । তিনি ছটফট করছেন  । শিশুটি তার একেবারে কাছে এসে পড়লো । এইতো সে বসে তারদিকে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে । যেন কোলে উঠতে চাচ্ছে ।
তিনি বিকট এক চিত্‍কার দিয়ে উঠলেন ।

রাহেলা বেগম রাহা ধড়মড় করে বিছানায় উঠে বসলেন । তিনি শফিক সাহেবের গায়ে হাত রেখে বললেন ,
‘এই তোমার কি হয়েছে ?তুমি এমন করছো কেন ?’
শফিক সাহেব কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যালকরে তাকিয়ে থেকে বললেন ,
‘কিছু হয়নি ।এক গ্লাস পানি দিতে পারবে রাহা ?’

-তুমি উঠে বস ।আমি পানি দিচ্ছি ।

রাহেলা বেগম রাহা টেবিলের ওপর রাখা ল্যাম্পটা জ্বাললেন । তারপর এক গ্লাস পানি এনে শফিক সাহেবের কাছে গেলেন । শফিক সাহেব যন্ত্রের মত হাতে গ্লাসটা নিলেন । পানিতে এক চুমুক দিয়ে গ্লাসটা রেখে দিলেন । তার হাত পা এখনও কাঁপছে ।

-এই তুমি কি দুঃস্বপ্ন দেখেছো ? ভয় করছে ?

-কই না তো ।

-তাহলে এরকম করছো কেন ?

-আর করবো না । রাহা এক কাজ করতো । ল্যাম্পটা নিভিয়ে দাও । চোখে আলো লাগছে ।

রাহেলা বেগম রাহা হাত বাড়িয়ে ল্যাম্পটা নিভিয়ে দিলেন । তারপর শফিক সাহেবকে বললেন ,
‘এদিকে আসো তো । তোমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিই ।’

শফিক সাহেব বাধ্য ছেলের মত কাছে এগিয়ে গেলেন ।

রাহেলা বেগম রাহা তার মাথায় পরম মমতায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন । তিনি চোখ বন্ধ করলেন । এবং প্রায় সাথে সাথেই ঘুমিয়ে পড়লেন । ঘুমের মধ্যেও তিনি তার মাথায় হাতের পরশ টের পেলেন  । তিনি আরো গভীর ভাবে ঘুমিয়ে পড়লেন । হঠাত্‍ তিনি শিউরে উঠলেন ।ওই তো অন্ধকারের দিখে মুখ করে থাকা লোকটাকে দেখা যাচ্ছে ।. . . . . .

বিস্তারিত পড়ুন
go_top