Today 27 Apr 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner
লেখক সম্পর্কে জানুন |
সংক্ষিপ্ত পরিসরে সব বলা সম্ভব নয়। খুব খুব সাধারণ ছেলে আমি। মানুষের সাথে সহজে মিশতে পারি না, আর একবার মিশে গেলে সীমানা অতিক্রম করে একান্ত আপন করে নিই। আমি খুব চাপা স্বভাবের, নিরীহও বলতে পারেন। আনস্মার্ট, ইউজলেছ, ফুলিস, বইখোর, ঘরকুনো সহ অনেক গুণগত মানসম্মত নাম থাকলেও তেমন ভালো কোনো গুণ নেই; পুরাই বেগুন। রাগ খুব বেশি,,,জোরে চিৎকার চেঁচামেচি একদম শুনতে পারি না। সরাসরি সহজে কারও সাথে কথা বলতে পারি না, এমনকি ফোনেও না। তাই মোবাইল নাম্বারটা গোপন রাখাটাই সুবিধাজনক মনে হল। ডিটেক্টিভ বইয়ের পোকা হলেও উপস্থিত বুদ্ধি শূন্যের কোঠায়।তেলাপোকা বড্ড ভয় পাই। ইসলামী জীবনধারায় জীবন অতিবাহিত করতে ইচ্ছুক। লেখালেখি করতে বড্ড ভালো লাগে; কিন্তু তা একান্তই স্বআত্মার সন্তুষ্টি বিধানের নিমিত্তে। আঁতরের গন্ধ থেকে কবিতার প্রিয় ছন্দ সবই নিয়মিত আপডেট হয়।
সর্বমোট পোস্ট: ১৪ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৭৫ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৫-০৪-০৬ ১৫:৪৯:১৮ মিনিটে
Visit মুহম্মদ ওমর ফারুক Website.

অাত্মা হতে —
আজাদির কায়দা জানো কি?
আছে কি বীজমন্ত্র —
নিষ্ঠুর নিয়তির
ধীর দংশন দ্রুত করার?
ভূতগ্রস্ত বাঁশঝাড়ের তলে
যন্ত্রণার জ্বলন্ত হেঁসেলে
শুধু বুদবুদ তুলে
নিঃশব্দে লীন হয়ে যাওয়ার?

বিস্তারিত পড়ুন

আজব দেশের আজব মানুষ
আজব বাড়ি ঘর,
বিবেক নামের চতুর্ভুজে
মস্ত গহ্বর।

মানুষ নামের খোলসগুলো
ফাঁপা বরাক বাঁশ,
চিমসে যাওয়া চামড়া গায়ে
জিন্দা লাশের বাস।

সব খানেতে গন্ধ পঁচা
অন্ধ লোকের ঘর,
খাঁজ কাটা এক মনের ঘরে
কালবোশেখি ঝড়।

দেহের মতো মনে গন্ধ
রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিষ,
যুক্ত করে সন্ন্যাসী আর
গোপনে ইবলিশ।

সবখানেতে গন্ধবাসী
মন্দ লোকের বাস,
কেমনে

বিস্তারিত পড়ুন

এই প্রথম হাইকু লেখার দুঃসাহিসক অপচেষ্টা করলুমঃ

হাইকু—১
শব্দদেবতার
কোলাহল ছাপিয়ে আজ
আত্মার দীর্ঘশ্বাস।

হাইকু—২
দয়িতার ভালে
দয়িতের প্রলম্বিত
বিদায়ী চুম্বন।

হাইকু—৩
মধুমক্ষিকার
একরাশ সরস হাসি আর
ধূমায়িত চা।

বিস্তারিত পড়ুন

★স্বপ্ন★

আঁধার পটে স্বপ্ন আঁকা
সুখের সালাদ লঙ্কা মাখা,
স্বাদের সাথে
মন যে মাতে
স্বপন তরী তবু ফাঁকা।

বিস্তারিত পড়ুন

*বঙ্গে*
★★★
বিধাতার খুনসুটি সঙ্গে
কৃষকের ঘামে ভেজা অঙ্গে
হে বিশ্বস্বামী
ধন্য যে আমি
জন্মেছি তব এ বঙ্গে।

#জীবনে প্রথম লিমেরিক লিখলাম (যদিও লিমেরিক হয়েছে কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দিহান; বিজ্ঞদের প্রাজ্ঞ বিবেচনায় নিবেদন করলাম)

বিস্তারিত পড়ুন

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ
সবার সেরা নবী,
জগৎ মাঝে সবচে’ পাপী
আমি অধম কবি।

হিমালয়ের পাহাড় সমান
উঁচু আমার পাপ,
জানি না গো মাওলা আমার
করবে কিনা মাফ।

ছন্নছাড়া কাব্য ছড়া
লেখাই আমার হবি,
বুকের ভেতর বাজনা বাজে
বেনামাজি কবি।

ভব্য নামের কাব্য লিখে
পাইনা কেন সুখ,
মুয়াজ্জিনের আযান শুনেই
ভরে যে যায় বুক।

তাই তো প্রভু চাইছি

বিস্তারিত পড়ুন

বসুধার আর্দ্র মাটিতে মেটে মানুষের ঘামের ঘ্রাণ, শ্রমিকের ওম-তাপে ফুলে ফেঁপে উঠা ধনীর দালান। মানুষের মাঝে গজিয়া উঠেছে কত ব্যবধান, মুসাফির আমি খুঁজে যাই শুধু সমতার সমাধান। চাই না ক আমি বিলাসী জীবন অসম অবদান, দেখাবো না কোনো শব্দের ভুবন আবেগী আহ্বান। বিশ্ব ভুখার চিৎকারে শুধু কেঁদে যাক মোর প্রাণ, ধিক্কারে হোক

বিস্তারিত পড়ুন

আবার যদি হতাম ছোট শুতাম মায়ের কোলে, ছোট্ট ভুলে ঝড় উঠাতাম দুষ্ট দিদির চুলে। ষোল আনা দস্যিপানায় কাটতো আমার দিন, আজ কেন হায় সুখের ভেলা দুখের জলে লীন। সেদিনগুলো কোথায় গেল আজকে আমি বড়, হারানো স্মৃতি সিঁথি তুলে হয়েছে যে আজ জড়ো। মায়ের মায়া দিদির ছায়া থাকতো আমার পাশে, বাবার আদর পেয়ে

বিস্তারিত পড়ুন

রাতের আঁধারে মনের মিনারে
ব্যথা বুকে কাঁদি একা, জানে অন্তর্যামী কত পাপী আমি কপালে নাই ক্ষমা লেখা। সেকেলে রাত মিটে না যে স্বাদ বলছে যে চাঁদ কথা, হৃদয় চিতায় দাওগো চাপা মনের সকল ব্যথা। কলঙ্ক যে ভাই আমারো আছে চেয়ে দেখ মোর গায়, আছে কিগো বল ছিঁটেফোটা তার আমারই

বিস্তারিত পড়ুন

ঈশান কোণে কালো মেঘের শোকের মিছিল। বাংলার সুনীল সুবিশাল আকাশে মেঘবালিকাদের অবাধ ছুটোছুটি। কিছুক্ষণ পরই হয়তো তাদের যৌবন অমৃতরস হয়ে ঝরে পড়বে তৃষ্ণিত বসুধার বক্ষে। তাইতো বনের পাখিগুলোরনীড়ে ফেরার এত
তাড়া।তাড়া নেই শুধু তারুণ্য দাসের।পাহাড়ের গায়ে হাত-পা ছড়িয়ে আনমনে বনপানে তাকিয়ে

বিস্তারিত পড়ুন

দুনিয়া নামের আজবঘরে
টোকাই আজব জীব,
আজব আমার খাতার পাতা
নীল কলমের নিব।

ওদের কথা লিখতে বসে
পাই না প্রাণের সায়,
হৃদয় আমার যায় কেঁদে যায়
শব্দশূন্যতায়।

ভোরে উঠে বস্তা হাতে
যায় বেরিয়ে ওরা,
পার হতে কি পারবে ওরা
পাষাণ পাহাড় চূড়া।

দুরাশায় ওরা বাঁধেনি কভু
ওদের কচি বুক,
ক্লান্ত ওদের কোমল দেহ
ক্লিষ্ট করুণ

বিস্তারিত পড়ুন

তরুলতার ফাঁক ফোকরে
সূয্যিমামা ঝিলিক মারে,
কখনো বা গগন চিরে
নীল নীলিমার অশ্রু ঝরে।

দিনের বেলা আলোর খেলা
আঁধার পটে তারার মেলা,
নীল আকাশে বেড়ায় ভেসে
কালো মেঘের শোকের ভেলা।

বনফুলের স্নিগ্ধ সুভাস
ভালবাসার দেয় যে আভাস,
বাঁশবাগানের নিবিড় নিবাস
এ যেন এক ভ্রান্তি বিলাস।

অস্তাচলে সাগর তলে
যায় যে ডুবে দিবস রবি,
কাঁচা

বিস্তারিত পড়ুন
go_top