Today 19 Oct 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner
লেখক সম্পর্কে জানুন |
কর্মজীবনে আমি একজন সফটওয়্যার প্রকৌশলী। শ্রমিক হিসাবে কাজ করছি পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের জন্য। লেখালেখি করছি ১২ বছর যাবৎ। প্রথম ছাপার অক্ষরে লেখা প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে প্রথম আলোর "ছুটির দিনে" নামক একটি সাপ্তাহিকীতে "বেপরোয়া" ছদ্মনামে। অনলাইন লেখালেখিতে পদার্পণ করি ২০০৯ সালে "প্রথম আলো ব্লগ" এর হাত ধরে। সেখানেও আমি লেখালেখি করেছি "বেপরোয়া" নামে। একই সাথে লিখতে থাকি ফেসবুকে আমার পাতাতে ওই একই সময়ে। এরপর যুক্ত হই "মুক্ত ব্লগে" ২০১০ সালে "সুমনাস'শ" নাম ধারণ করে। সর্বশেষ যুক্ত হই "ঘুড়ি ব্লগ"-এ ২০১৪ সালে "সুমন সাহা" নামে এবং এখন থেকে চলন্তিকার সাথে যুক্ত হলাম ওই একই নামে। বেশ আগে একজন বলেছিলো, টেক পাবলিক হয়েও কিভাবে এমন লিখতে পারেন আপনি। আমি বলেছিলাম, "লেখারা নিজে থেকে এসে শব্দোৎপাত করলে কি করবো বলুন । অন্য কেউ হয়তো তাঁর কথাগুলো আমাকে দিয়ে লিখিয়ে নিচ্ছে। আমি লিখছি না, আমাকে দিয়ে খোদাই করানো হচ্ছে এই যা।" এই দেখুন লিখে দিলাম, "এ আমার আপন সত্ত্বা, মিলেমিশে একাকার হয়ে তোমার প্রাচীন নিশ্বাস মিশে, অন্ধকারের মাঝে এ আমি কাকে খুঁজি?..." অবশেষে এই অলেখক অবলেখনে বলছে, এই হিজিবিজি অংশখানি পুরোটুকু সময় দিয়ে পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। পাশে থাকুন, ভালো থাকুন, ভালো রাখুন।
সর্বমোট পোস্ট: ৭৬ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৯৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৫-০১-০৩ ০২:৫৪:৩১ মিনিটে

সেই একইভাবে ফিরে যাওয়া
একই পথ ধরে ফিরে যাওয়া
চোখে মুখে ভিক্ষুকের মত দুঃখ
পথে পড়ে আছে মিহিন কাঁচের মত জ্যোৎস্না
বুকের বামপাশে ছেঁড়া পকেট, হলুদ খাম
ভেতরেই চিরকুটখানা…
ছিঁড়তে

বিস্তারিত পড়ুন

এমন হাভাতের দিনে পৃথিবীতে তবু তোমার বুক
ফসলের মতো, পাহাড়ের মতো জেগে থাকে যেন
নিচে অনেক কালো
স্তন ক্রীড়া, বৃক্ষ
যেন অনেক খুশির সম্ভাবনা।
আমি পান করি এমন কালো সন্তানহীন খরাকালে
আর স্মরণ করি,
পথে পড়ে আছে, আগুন-পয়সা
একটি নদীকাহিনী
সড়কপথে মৃত পাখি, ঘাস
দ্বিধাদ্বন্দিত মনে আমরা ফসলের দিকে তাকাই
এমন

বিস্তারিত পড়ুন

এ কাকে দেখছি আমি?
এ কেমন হয়ে গেছ তুমি?
যে চোখে জ্যোৎস্নার বসবাস ছিলো একদিন
সেখানে একি ঘোর অমাবস্যা দেখি আজ,
তোমার সেই দিব্য বিভা নেই, শাড়িতে কোন
কুচি নেই, সেখানে আঁচলের পাখিগুলো
আর খেলে না, মুখের পাশে;
যেখানে নীল ডানার প্রজাপতি উড়তো একদিন
সেখানে আজ শ্মশানের কাকেরা

বিস্তারিত পড়ুন

মাথায় বাঁধা গামছা, তাতে গুজে দিয়েছি ফুলপাতা-
পাখির পালক, বনের রাজপুত্তুর মনে হচ্ছে!
আসলে গরুর পাল নিয়ে মাঠের বিস্তৃতি ভেঙ্গে
ছুটে যাচ্ছি বালক।

ওই মাঠের কি নাম? নিয়তি?
নামে কি আসে যায়, পায়ের তলায় যত রাঙ্গাধুলো
পায়ে বাঁধা গাছি।
আমাকে ছুটতে হবে দিনভর, সুর্যাস্তের আগে………..।

সামনে শুধু পথ

বিস্তারিত পড়ুন

তবু ডুব সাঁতারে পেয়েছি কিছু পিচ্ছিল কাঁদা
আপনি আমাকে বলেছিলেন একদা;
সে জল ছুঁলেই নাকি আমি প্রেমে পড়বো।
এটা নিশ্চিত!

বস্তুতঃ প্রেম আত্ত্বিক অর্থে আমাকে একজন
প্রেমিকার মুখ মনে করিয়ে দেয়,
সে জানে বহু ডুব সাঁতার কেটেছে ওই দীঘল কালো জলে;
তবু নদী খুঁজে পায়নি বিস্তার।

আপনি আমাকে

বিস্তারিত পড়ুন

অথবা প্রেম ও নিষেধ আমাকে সত্যই
বিভাজিত করে রেখেছে,
তবু,
আরো বহুকাল আগে থেকে নিজেকে গুছিয়ে রেখেছি;
তোমাকে সব কিছু সঁপে দেবো বলে।

আমি হেঁটে গেছি
তুমি ফিরে গেছো।

তোমার কি মনে পড়ে;
আমরা প্রেম করতে চেয়েছিলাম প্রবীর বৃক্ষের উপরে বসে,
কিছু ছায়া থাকবে নিচে
আমরা উপর থেকে নিচ
নিচ থেকে

বিস্তারিত পড়ুন

সে দেহ ছেড়ে এসেছিলো রাতে।

তখনও বাতাসে গ্রহণের সুর বাজেনি ঠিক;
ছাদের স্বপ্নেরা অবস্থান নিলো-
ধীরে ধীরে অজানা রাস্তায়।

সময় ঠিক অসময়।

এখন বেহায়া লতা- গুল্মের দল;
সিঁদুরে রাঙ্গিয়েছে হাত,
অজস্র গল্প ঠোঁটে ঠোঁটে
রাত্রির বুক চৌচির করে;
উসখুশ শব্দেরা খেলা করে।

এক যে ছিলো সূর্য্য;
সে গিলে খেয়ে নিলো সব
এক

বিস্তারিত পড়ুন

টের পাইনি আমার চোখ ধুয়ে বৃষ্টি এভাবে ঝরে যাবে একদিন,
বুঝিনি হৃদয় নিঙড়ে নিয়ে উড়ে যাবে এমনি করে এক বৃশ্চিক,
জ্যোৎস্না পেরিয়েও যে গাঙ্গে নামেনি কোন গাঙ্গচিল,
একদিন সে গাঙ্গেও উঠবে তুফান;
উপচে পড়া জলে ভাসবে দু’কুল।

ভাবিনি- একদম বুঝিনি।

তবু নেশা সাঁতার কেটে গেছি,
চোখে মুখে

বিস্তারিত পড়ুন

ওরা আড়াল খোঁজে
শহর ছেড়ে শহরতলীর দিকে
চলে যায় আড়াল খুঁজতে,
কিছু বন-গাছপালা, আধছেঁরা পাতারা;
ওদেরকে তবু পূর্ণ আড়াল দিকে পারে না।

ওরা একসাথে সিনেমা হলের-
অন্ধকারেও আড়াল খোঁজে,
পর্দার আবছায়া আলো;
তবু ওদের পূর্ণ আড়াল দ্যায়নি কখনো
আমি দেখেছি।

অবশেষে ওরা এক একটা পেইন্টিং হয়ে ঝুলে গেছে!

কফিশপেও ওরা খুঁজেছে

বিস্তারিত পড়ুন

নাহ, এখন আর তার চোখ চেয়ে নেই আমার দিকে।
আমি তো দেখিনা।

যে বিকাল আসার কথা ছিলো রিকশা করে;
তার চোখে রোদ-চশমা;
সে বিকেল দ্যাখে না।

ভুলেই গেছে।

ইদানিং সে ভুলে যায়;
আমাকে ফোন করার কথা,
ইথারেই বিলীন হয় সদ্য জন্মগ্রহণ-
করা কথারা গুমরে কাঁদে’
বাতাস শোনে,
সে আর শোনেনা।

তার আর

বিস্তারিত পড়ুন

এখনো কিসের ত’রে
কি আশায়,
তুমি দিব্যি
বসে আছো ঠায়।

অপেক্ষায়?

মনের ব্যাকরণ;
কি বোঝে সবাই
ঈশ্বরও তায়!

বরং তুমি কাঁদো
একটি একটি করে-
সব কথা ভুলে;
হৃদয় নিয়ে ওঠো,
অহেতুক এ মজলিশে;
নিজেকে আর টেনে এনো নাকো।

তারপরও যদি থাকে তোমার
কোন হৃদয় উপচানো-
দুঃখ ব্যথাভার,
তুমি তার দাও ভাসান
আমার স্রোতের দিকে,

আমি পুরাতন ব্যথা ভারবাহী
মানুষ অথবা

বিস্তারিত পড়ুন

‘সাদা স্রোতে বয়ে যাওয়ার হয়েছে সময়’
বলে দাড়িওয়ালা বুড়ো মাঝি হঠাৎ নতুন হাতে
তুলেছে করাত নৌকোর মাঝামাঝি।
যাত্রা হবে শুরু অনিশ্চিতের উদ্দেশ্যে
এতকাল কেবল রবীন্দ্রনাথের বজরা-বিহার।

“ ”

তবু

বিস্তারিত পড়ুন
go_top