Today 14 Aug 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

আমাদের সময় স্কুল আর এখনকার স্কুল

লিখেছেন: এই মেঘ এই রোদ্দুর | তারিখ: ০৩/১১/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1007বার পড়া হয়েছে।

আমাদের সময় স্কুল ছিল দুরে… সকাল নয়টা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত ক্লাস ছিল….. সারাদিন না খেয়ে স্কুল করে বাড়ি ফিরতাম…. সেই সময় স্কুল ব্যাগ ছিল না, ব্যাগে নাস্তার ব্যবস্থা ছিল না, নাস্তার বক্স দিতে হবে! সেইটা তখনকার মা বাবা জানতেনই না মনে হয় না …… বগলে করে বই নিয়ে স্কুলে যেতাম …..তাও খালি পায়ে । খালি পায়ে কেন যে যেতাম মনে পড়ছে না । টিফিনের সময় সবে মিলে কত কিছু খেলতাম খিদা পেটেই । কখনো যদি আম্মা সাথে একটা টাকা দিয়ে দিতেন তা দিয়ে আইসক্রিম খেতাম চার আনা দিয়ে একটা আইসক্রিম পাওয়া যেত । চারদিন খেতাম এক টাকা দিয়ে । আট আনা দিয়ে খেতাম নারিকেলযুক্ত দুধে ভরা আইসক্রিম ।আহা সেই স্বাদ এখনো মুখে লেগে আছে যেন ।

ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পাকায় বসে ক্লাস করতাম । ফাইভে একটা ব্রেঞ্চ ছিল মাত্র । এখনো মনে হলে হাসি পায় । আগে কে বসেবে সে নিয়ে ছেলেরা আর মেয়েরা পিট দিয়ে ধাক্কাধাক্কি করে ফেলে দিতাম । যাদের শক্তি ছিল তারা জিতত । আমরা মেয়েরা বেশী ছিলাম তাই তারা পারত না । আহারে কি মজার দিনগুলো ছিল ।

আমরা পরীক্ষা দিছি সেন্টারে । অনেক দুরে গিয়ে পরীক্ষা দিছি । পুলিশ প্রহরায় । এখন আবার সেই সিস্টেমে এসে গেছে দেশ ।

আর এখন বাড়ির ধারে স্কুল, শিফটিং এ ক্লাস হয়…. মা বাবারা অনেক সচেতন, ব্যাগে টিফিন ব্যাগ দিতে ভুলেন না, তাছাড়া আমাদের কোন গৃহশিক্ষক ছিল না, নিজের ইচ্ছেয় পড়াশুনা করতাম… এখন সাবজেক্ট ওয়াইজ শিক্ষক রাখা হয়….. আর কত আদর যত্নে বাচ্চাদের ভবিষ্যত চিন্তায় মা বাবা সচেতন থাকেন…… বাচ্চাদের চেয়ে মা বাবাদেরই বেশী টেনশন দেখতে পাই পরীক্ষার আগে ।

মা বাবারা অনেক কষ্ট করেন বাচ্চাদের জন্য বিশেষ করে মাদের কষ্ট হয় বেশী । সেই যে সকালে এসে স্কুলে দিয়ে ঘাসের উপর গরমে বসে থাকেন দেখলে মায়া লাগে । আমার ছেলে কলোনীর স্কুলে পড়ে তাই তাকে দিয়ে বসে থাকতে হয় । আল্লাহর কাছে শুকরিয়া …… ।

সব কথার বড় কথা হল…. এত্তগুলা সুযোগ সুবিধা পাওয়ার পরও বজ্জাত পোলাপাইন পড়তে চায় না…. কত বাহানা, কত আবদার, আল্লাইদ্যা আব্দারের শেষ নাই…. বদের হাড্ডিগুলান্তে সারাদিন রাত ফেসবুকায় পড়াশুনা থইয়া..

সব গুলারে কানের গুরায় চটকনা লাগাইতে মুঞ্চায়….
বদের বদ পোলাপাইন….. পড়াশুনায় মন দেও……আর মা বাবার কথা শুন…….

 

১,০৮৬ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমি খুবই সাধারণ একজন মানুষ । জব করি বাংলাদেশ ব্যাংকে । নেটে আগমন ২০১০ সালে । তখন থেকেই বিশ্ব ঘুরে বেড়াই । যেন মনে হয় বিশ্ব আমার হাতের মুঠোয় । আমার দুই ছেলে তা-সীন+তা-মীম ==================== আমি আসলে লেখিকা নই, হতেও চাই না আমি জানি আমার লেখাগুলোও তেমন মানসম্মত না তবুও লিখে যাই শুধু সবার সাথে থাকার জন্য । আর আমার ভিতরে এত শব্দের ভান্ডারও নেই সহজ সরল ভাষায় দৈনন্দিন ঘটনা বা নিজের অনুভূতি অথবা কল্পনার জাল বুনে লিখে ফেলি যা তা । যা হয়ে যায় অকবিতা । তবুও আপনাদের ভাল লাগলে আমার কাছে এটা অনেক বড় পাওয়া । আমি মানুষ ভালবাসি । মানুষকে দেখে যাই । তাদের অনুভূতিগুলো বুঝতে চেষ্টা করি । সব কিছুতেই সুন্দর খুঁজি । ভয়ংকরে সুন্দর খুঁজি । পেয়েও যাই । আমি বৃষ্টি ভালবাসি.........প্রকৃতি ভালবাসি, গান শুনতে ভালবাসি........ ছবি তুলতে ভালবাসি........ ক্যামেরা অলটাইম সাথেই থাকে । ক্লিকাই ক্লিকাই ক্লিকাইয়া যাই যা দেখি বা যা সুন্দর লাগে আমার চোখে । কবিতা শুনতে দারুন লাগে........নদীর পাড়, সমুদ্রের ঢেউ (যদিও সমুদ্র দেখিনি), সবুজ..........প্রকৃতি, আমাকে অনেক টানে,,,,,,,,,আমি সব কিছুতেই সুন্দর খুজি.........পৃথিবীর সব মানুষকে বিশ্বাস করি, ভালবাসি । লিখি........লিখতেই থাকি লিখতেই থাকি কিন্তু কোন আগামাথা নাই..........সহজ শব্দে সব এলোমেলো লেখা..........আমি আউলা ঝাউলা আমার লেখাও আউলা ঝাউলা ...................... ======================== এটা হলো ফেইসবুকের কথা........ ========================== কেউ এড বা চ্যাট করার সময় ইনফো দেখে নিবেন এবং কথা বলবেন...........আর আইস্যাই খালাম্মা বলে ডাকবেন না । পোলার মা হইছি বইল্যা খালাম্মা নট এলাউড......... ================ এই পৃথিবী যেমন আছে ঠিক তেমনি রবে সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে ======================= কিছু মুহূর্ত একটু ভালোবাসার স্পর্শ চিত্তে পিয়াসা জাগায় বারবার এই নিদারুণ হর্ষ ....... ছB ========================= এই হলাম আমি........ =================
সর্বমোট পোস্ট: ৬৩৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৯০০৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-১৫ ০৪:৫২:৪০ মিনিটে
banner

১২ টি মন্তব্য

  1. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    আমাদের সময় স্কুল আর এখনকার স্কুল— অনেক তফাৎ

  2. জিয়াউল হক মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনার বদেৌলতে আজ আবার শৈশবে ফিরে গেলাম। শৈশবের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!

  3. পাঠক ও সমালোচক মন্তব্যে বলেছেন:

    শৈশবের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহিত একালের সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্যের যথেষ্ট স্মৃতি চারণ বিষয় ফুটে তুলেছেন ।
    ভাল লাগল ।

  4. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    শৈশব মনে করিয়ে দিলেন ।

  5. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল আপনার শৈশব স্মৃতিচারনমূলক প্রবন্ধ।ধন্যবাদ।

  6. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    শৈশবর স্মৃতি বিজড়িত প্রবন্ধ, খুব ভালো লাগলো, ধন্যবাদ আপু ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top