Today 01 Jul 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

হঠাৎ একদিন (গোয়েন্দা কাহিনী)

লিখেছেন: আরজু মূন জারিন | তারিখ: ০৯/০৫/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1393বার পড়া হয়েছে।

sherlock holmes watson

(পর্ব-পাঁচ)

যখন  পড়বেনা মোর  পায়ের চিহ্ন এই বাটে

আমি বাইবনা

বাইবনা  মোর খেয়াতরী  এই ঘাটে

চুকিয়ে দিব  লেনা দেনা

বন্ধ হবে  আনা গোনা

এই প্রাতে

তখন আমায়  নাইবা মনে  রাখলে।

তারার পানে  চেয়ে চেয়ে

নাইবা তুমি  আসলে।

পাশের বাড়ী  থেকে ভেসে  আসা গানের  শব্দে আলিম  মাথা নাড়াচ্ছে  তার সাথে  দোলাচ্ছে পা।আনোয়ারকে দেখে  মনে হচ্ছে সে এই  জগতে নাই।  কম্পাস হাতে  নিয়ে গভীর  চিন্তায় মগ্ন।

কি বন্ধু  খাওয়া দাওয়া  হবে?আলিম কৌতুকে  বন্ধুকে লক্ষ্য করতে  থাকে।বন্ধু এখনও  আরেক জগতে  অবস্থান করছে।  কিচেনে এসে  আলিম ডিম  পোচ করল  ব্রেড গরম  করে কলা  সহ নিয়ে  আসল ভিতরের  রুমে।বন্ধুর সামনে  একটা প্লেট এনে রাখল।

খাও খাও  বন্ধু বন্ধুর  কাধ ধরে  নেড়ে দিল।আনোয়ার এখনও  চিন্তার অতলে  অবস্থান করছে  দেখে আর  না ঘাটিয়ে  নিজে খেতে  শুরু করল।

আচ্ছা বলতো  লোকটার উদ্দেশ্য  ছিল কি?

সতর্ক করা  শুধু?

আহত করা  নিশ্চয়ই নয়।  ছুরিটা যেভাবে  চক্রাকারে ঘুরে  আমাদের সামনে  পড়েছে তাতে  বলাবাহুল্য ছুরি  চাকু চালনায়  অভ্যস্ত।সে চাইলে  আমাদের  আমাদের আহত  করতে পারত।  তার উদ্দেশ্য  অবশ্য তা  ছিলনা।

নীরবতা ভেঙ্গে  হঠাৎ উঠে  দাড়িয়ে গড়গড়  করে একসঙ্গে  সবকথা বলে  উঠল আনোয়ার। হঠাৎ কথায়  মনোযোগ দিতে  গিয়ে বিষম খেয়ে নাভিশ্বাস উঠল আলিমের।বন্ধুর মাথায়  হালকা চাপড়  দিয়ে স্বাভাবিক  অবস্থায় আনানোর চেষ্টা করল আনোয়ার।

ছোট পেন্সিল কাটা ছুরি  দেখে যদি  নিশ্বাস বন্ধ  হয় বন্ধু  যখন ড্যাগার  নিয়ে তাড়া করবে কি  করবে বন্ধু?  কৌতুক করে  বলে আনোয়ার।

হাত মাথার উপর তুলে  মাপ চাওয়ার  ভঙ্গিতে বলল  আলিম যদি  ও এখন  কেশে যাচ্ছে  আমারে মাপ কর বন্ধু ।

আমি এসবে নাই।সিনেমার গোয়েন্দার  সহকারী সাজতে  আমি রাজী বন্ধু।আমি শিওর ডিরেকটর আমার জান বাচাবে ভয়ন্কর খুনী ছুরির তলা থেকে কাকতালীয়ভাবে।কিন্তু তোমার এই বাস্তব সিনেমায় আল্লাহ ডিরেকটর  গুন্ডা র ছুরির তলা

থেকে বাচাবে সেই সম্ভাবনা তো দেখিনা ।যেভাবে কানের পাশে দিয়ে ছুরি গেল আমি নিশ্চিত বন্ধু পরবর্তী সময়ে ঐ ছুরি আমার অজান্তে কান নিয়ে উধাও হবে।তখন আমি কি করব চিলের পেছনে ছুটতে থাকব।আলিমও হাসতে হাসতে কৌতুক ভরে জবাব দেয়।এতক্ষনে সে একটু স্বাভাবিক হয়েছে।

তাড়াতাড়ি নাস্তা শেষ কর বন্ধু।আসাদকে দেখতে যাব হাসপাতালে।আনোয়ার এক গ্রাসে দুইপিস পাউরুটি মুখে পূরে উঠে দাড়াল।

হতাশায় মাথা নাড়তে থাকে আলিম।বাবা মার দেওয়া জানটা বেঘোরে যাবে দেখছি।বন্ধু আমি এখন ও বিয়ে করিনি।খুব শখ সংসার আন্ডা বাচ্চা পালনের।আমার সেই শখ বুঝি পূরন হলনা কৃত্রিম দীর্ঘনিশ্বাস ছাড়ে আলিম।

যথাসময়ে তোমাকে বিয়ে দেওয়া হবে বন্ধু।এখন তুমি আমার আজ্ঞা পালন কর তো ।

সাব্যস্ত হল আলিম যাবে হসপিটালে আসাদকে দেখতে আর আনোয়ার যাবে আহসান মন্জিলে পুনরায়।দুপুর একটায় পরস্পরের সাথে দেখা করবে তাদের পরিচিত পুরান ঢাকার মোগলাই পরোটার দোকানে।

আনোয়ার অনেকক্ষন আহসান মন্জিলের বাহিরে গেটের কাছে দাড়িয়েছে।সে ইচ্ছে করে ভিতরে না ঢুকে দাড়িয়াছে।ভাবখানা এমন যেন কার ও জন্য অপেক্ষা করছে।অপেক্ষা সে ঠিকই করছে তবে কোন বন্ধুর না।তার পিছনে অজ্ঞাত অনুসরনকারীর পরবর্তী পদক্ষেপ কি হয় তা দেখার জন্য।

ঠিক তখনই তাকে চমকে দিয়ে একটা পাথর এসে মাথার উপর দিয়ে ওই পাশে গিয়ে পড়ল।বুঝতে পারল কেও একজন তার উদ্দেশ্যে ছুড়ে মেরেছে।কে সে এদিক ওদিক তাকাতে দেখল হেলমেটের আড়ালে কেও একজন হোন্ডায় উঠে চোখের পলকে উধাও হয়ে গেল।

পাথরের টুকরায় বাধা কাগজে একই মেসেজ লেখা সকালর মত।

এফডিসিতে চলে যাও

মান্নার শূন্যস্থান দখল কর

আমাদের কোন কর্মখালি নাই।

বেশী ঝামেলা করলে কি করব জান?(জিহ্বা বের করা কার্টুন এর ছবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে)

আলিম ও এসে পৌছল ঠিক সেই সময়টাতে।

(পরবর্তীতে)

 

 

 

 

 

১,৫২২ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে বললে সবসময় বিব্রত বোধ করি। ঠিক কতটুকু বললে শোভন হবে তা বুঝতে পারিনা । আমার স্বভাব চরিত্র নিয়ে বলা যায়। আমি খুব আশাবাদী একজন মানুষ জীবন, সমাজ পরিবার সম্পর্কে। কখনো হাল ছেড়ে দেইনা। কোনো কাজ শুরু করলে শত বাধা বিঘ্ন আসলেও তা থেকে বিচ্যুত হইনা। ফলাফল পসিটিভ অথবা নেগেটিভ যাই হোক শেষ পর্যন্ত কোন কাজ এ টিকে থাকি। জীবন দর্শন" যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ " লিখালিখির মূল উদ্দেশ্যে অন্যকে ভাল জীবনের সন্ধান পেতে সাহায্য করা। মানুষ যেন ভাবে তার জীবন সম্পর্কে ,তার কতটুকু করনীয় , সমাজ পরিবারে তার দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানুষের মনে তৈরী করতে চাই সচেতনার বোধ ,মূল্যবোধ আধ্যাতিকতার বোধ। লিখালিখি দিয়ে সমাজে বিপ্লব ঘটাতে চাই। আমি লিখি এ যেমন এখন আমার কাছে অবাস্তব ,আপনজনের কাছে ও তাই। দুবছর হলো লিখালিখি করছি। মূলত জব ছেড়ে যখন ঘরে বসতে বাধ্য হলাম তখন সময় কাটানোর উপকরণ হিসাবে লিখালিখি শুরু। তবে আজ লিখালিখি মনের প্রানের আত্মার খোরাকের মত হয়ে গিয়েছে। নিজে ভালবাসি যেমন লিখতে তেমনি অন্যের লিখা পড়ি সমান ভালবাসায়। শিক্ষাগত যোগ্যতা :রসায়নে স্নাতকোত্তর। বাসস্থান :টরন্টো ,কানাডা।
সর্বমোট পোস্ট: ২২৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৬৮৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৫ ০১:২০:৩৫ মিনিটে
banner

১১ টি মন্তব্য

  1. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    কাহিনী ভাল লাগছে । লিখতে থাকুন অবিরত । শুভ কামনা । ভাল থাকুন ।

  2. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    রহমান ভাই এতদিন পরে কোথা হতে?

  3. জসীম উদ্দীন মুহম্মদ মন্তব্যে বলেছেন:

    এফডিসিতে চলে যাও

    মান্নার শূন্যস্থান দখল কর

    আমাদের কোন কর্মখালি নাই।—– দুর্দান্ত ডায়ালগ আপু !! শুভেচ্ছা নিবেন ।

  4. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ জসীম ভাই মন্তব্যের জন্য।শুভকামনা রইল।

  5. জসীম উদ্দীন মুহম্মদ মন্তব্যে বলেছেন:

    আসুন, আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রিয় চলন্তিকাকে আবার প্রাণবন্ত করে তুলি —- ।।

  6. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    আসুন, আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রিয় চলন্তিকাকে আবার প্রাণবন্ত করে তুলি

    কিভাবে?আমি যখন চলন্তিকা লগইন হই কেও নাই। আমি একা। ধন্যবাদ জসীম ভাই।তোমার এই উদ্যোগ যেন সবার মন স্পর্শ করে।সবাই যেন চলন্তিকায় ফিরে আসে এই কামনা করি।

  7. তাপসকিরণ রায় মন্তব্যে বলেছেন:

    লেখা ভাল লেগেছে–কবিতার প্রথম লাইন অপূর্ণ আছে–। বা=বাটে হবে–তাই তো?ধন্যবাদ।

  8. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালোই লিখেছেন ,

  9. সারমিন মুক্তা মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লেগেছে। অপেক্ষায় রইলাম পরবর্তী লেখার জন্য।

  10. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    আগের পর্ব পড়ি নাই মনে হয়।

    দেখি পড়ে।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top