Today 08 Aug 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

কষ্ট বীজের গল্প লেখতে চাই!

লিখেছেন: কল্পদেহী সুমন | তারিখ: ১৫/১০/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1295বার পড়া হয়েছে।

একটা গল্প লেখতে যেয়ে বারবার থেমে যাই,
একটা স্মৃতিকে আঁকতে যেয়েও বারবার থেমে যাই।
হয়ে যাই দিক হারিয়ে কোন নিরুদ্দেশ পথিক,
নতুবা বিমর্ষ হয়ে নিরুপায় চিত্তে ছুটে চলি দিগ্বিদিক।

গল্পটি যে লেখতেই হবে আমাকে আমারই জন্য,
স্মৃতিটাকে যে ধরে রাখতেই স্মৃতিচারণ যে অগ্রগণ্য।
না হয় হারাতে হবে কাঙ্খিত স্বপ্নযাত্রার জটিলতা,
হারাতে হবে একগুচ্ছ ভালোবাসার মায়ামতা।

অনেক কিছুই ঘটে যায় অগোচরে, আনমনে,
কখনো কষ্টের না হয় দুঃখের স্মৃতির স্মরণে।
হৃদয়ে অনুরণিত হয় ঘটনাচক্রের দিন কিংবা রাত,
সুখের হাসিতে কখনো মত্ত না হয় দুঃখে হয়ে কাত।

পুনঃপুনঃ আবিষ্কার একই কষ্টের হুংকার,
দুমড়ে-মুচড়ে অকস্মাৎ নিঃশেষ হওয়ার ঝংকার।
এই গল্পরা, এই স্মৃতিরা সব কি বৃথা?
নাকি তারাই কষ্ট বীজে গজায় নতুন জীবিকা।

এই জীবিকা বেঁচে থাকার আর টিকে থাকার ক্ষমতা,
খাপ খাওয়ানো শত কষ্টে জীবনে আসুক যতোই রুক্ষতা।
গল্প লেখতে চাই এই কষ্ট বীজের অঙ্কুরোদগম নিয়ে,
এরপর জীবিকা, বেঁচে থাকার, জীবন সংগ্রাম নিয়ে।

গল্পটি লেখতে চাই আমি, লেখতে চাই,
একটা সুযোগ চাই কলম চালিয়ে যাওয়ার।
ক্লান্তি কিংবা অবসাদ সব ঠেলে সামনে যেতে চাই,
স্মৃতি সব একসূত্রে জড়সড় করে রাখতে চাই।।

১,২৮৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
খন্দকার মো: আকতার উজ জামান সুমন পিতা: মো: আবু সাদেক খন্দকার মাতা: ঝরনা বেগম বর্তমান ঠিকনা: মিরপুর, ঢাকা স্থায়ী ঠকানা: কুমিল্লা জন্ম তারিখ: ৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৪ ধর্ম: ইসলাম জাতীয়তা: বংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত শিক্ষা: বাংলাদেশ নৌবাহিনা কলেজ, ঢাকা থেকে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি উভয়টিতে জি.পি.এ ৫ পেয়ে উত্তীর্ন। বর্তমানে মানারত ইন্টার্ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী ডিপার্টমেন্টে অধ্যয়নরত। আমি যে রকম : কথা বেশি একটা বলিনা চুপচাপ থাকতে পছন্দ করি। সব সময় কল্পনা করি। কল্পনায় আমি সবসময় নিজের সাথে কথা বলি। আর সব সময় অন্যমনষ্ক থাকি। আমার আশেপাশে কে কি করছে না করছে তার দিকে আমার তেমন খেয়াল থাকে না। অনেক সময় কাউকে খুজতে যেয়ে নিজেই হারিয়ে যাই। আর একটা কথা হলো আমার পথ মনে থাকে না তাই আমি একা হাটতে গেলে প্রায়শই পথ ভুল করি। পথে হাটাহাটি করার সময় কত জনের সাথে ধাক্কা খেয়েছি এ পর্যন্ত, তার হিসাব নেই। আমার সমস্ত জীবনটাকে কল্পনা মনে হয় কারণ সব কিছুই যাই ঘটে আমার সাথে তাই আমার কাছে কল্পনা মনে হয়। যদি কোন অঘটন ঘটে তাহলে ভাবি কল্পনা ভেঙ্গে গেলাই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার এই অসম্ভব রকম কল্পনাসক্ত দিনকে দিন বেড়েই চলছে। নিজেকেই কখনও হারিয়ে ফেলি আমি। জানিনা জীবনের অনেক কিছুই হয়তো তবে যতটুকু আমি অর্জন করেছি তার সবটুকুই সত্য। মিথ্যা কিছু নিয়ে আমার বড়াই নেই। এক অদ্ভুত বিষয় সর্বদাই আমাকে ভাবিয়ে তুলে তাহল কেন যেন অন্য আট দশটা মানুষের মতো সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারিনা। কিছু বিষয় আমাকে বারবার স্পর্শ করে যাবেই। আমি যা বলি তার সবটাই গভীর অনুভূতি থেকে বলি তাই হয়তো আমার কথার জবাব অর্থপূর্ণ না হলে এক ধরনের অপমানবোধ কাজ করে। আমি ভাবনার অতলে প্রবেশ করে জটিল বিন্যাসে অনেক ছক আঁকি যার ফলে স্বাভাবিক দৃষ্টিকোণ হতে আমার বিষয়গুলো ভাবলে মানানসই হবে না। আমাকে ঠিক বুঝে উঠতে পারে এরকম খুব কম মানুষই আছে। আমিও নিজেকে কখনও কখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা, তাই হয়তো আমার মন খারাপের কারণ, রাগ করার কারণ অনেক সময় আমার অজানাই থাকে। আমি খুব বেশি একটা কথা বলা পছন্দ করিনা যদিও আমার ফেসবুকে পোস্ট দেখলে তা অনেকের বিশ্বাস হবেনা। বাস্তবে আমি বন্ধুদের আড্ডা, পরিবারের আলোচনায় কথা তেমন বলিনা বললেই চলে। আমি সব সময় বিভিন্ন ধরনের ভাবনায় নিমগ্ন থাকতে পছন্দ করি তাই হয়তো বাস্তব জীবনের সাথে আমার সম্পর্কটাও নড়বড়ে। আমি সহজেই মানুষকে অনুভব করে ফেলি যার ফলে খুব সহজেই কাউকে মনের গভীরতায় ঠাই দিয়ে বসি। আর এটাই কখনও কখনও আমার দুঃখের কারণ হয়ে বসে। আমি জানিনা আমার বর্তমান, জানিনা আমার ভবিষ্যৎ তবে এটুকুই বলতে পারি এক সময় সুখ আর দুঃখ দুটোই একই মনে হবে আমার কারণ আমার অনুভূতির জগতটি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। আর আমার অনুভূতি নিস্তেজ হয়ে যাওয়া মানে আমার কবিতা, গল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে আমার সৃজনশীল কর্মের তালিকা হতে। তবে আমি থাকব একজন অবাধ্য বন্ধু হয়ে সবার মাঝেই। প্রকাশিত বইঃ (১)সমন্বয়(কাব্য গ্রন্থ-সম্মিলিত সংকলন)
সর্বমোট পোস্ট: ২৯২ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৯৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২৯ ১৬:৩০:৩০ মিনিটে
banner

২ টি মন্তব্য

  1. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    লিখে ফেলেন গল্প। কবিতা সুন্দর হয়েছে

  2. শাহানারা রশিদ ঝর্ণা মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালোই লাগল

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top