Today 01 Dec 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

গল্পঃ কবির গাড়ি

লিখেছেন: তুষার আহসান | তারিখ: ১২/০৮/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1499বার পড়া হয়েছে।

চার মাথার মোড়ে এসে দিক ভুল করে ফেললেন আনিসুল।বুঝতে পারছেন না গাড়ি কোন রাস্তায় নিয়ে যাবেন।বিশ বছর আগে ফিরোজা আপার বিয়ের কনে যাত্রী এসেছিলেন এখানে । তখন অবশ্য বাড়িটা ছিল শহরতলীতে।এখন এই নতুন পাড়ায় বাড়ি করেছেন আপা।তাঁর মেয়ের বিয়ের সমন্ধ আসছে।আনিসুল সেখানে যাচ্ছেন প্রতিষ্ঠিত আত্মীয় হিসেবে। রাস্তার একপাশে গাড়ি থামালেন আনিসুল।পানের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটি এগিয়ে এল তাঁর জানালার কাছে।বলল,কোথায় যাবেন স্যার? —আলিফদের বাড়ি। —কোন আলিফ বলুন তো,মানে এ-পাড়ায় পাঁচজন আলিফ আছে,কোন আলিফের বাড়ি যাবেন ? —পাঁচটা আলিফ,আমি যাব যার বোনকে দেখতে আজ লোক আসছে,তাদের বাড়ি। —ওহ, আমি ভেবেছিলাম আমার বাড়িই যাবেন বুঝি।হতাশা ঝরে পড়ল তরুণের কন্ঠে। —আপনার বাড়ি,কেন বলুন তো? আনিসুল বেশ অবাক। —আপনার ঘড়ি দেখুন,দশটা বেজে গেছে, প্রতিদিন দশটা বাজলে আমি চারমাথার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকি।পাড়ায় পাঁচটা আলিফ,গাড়িটা যদি ভুল করে অন্য কারো বাড়ি চলে যায়, আমার চাকরীটা হবে না। —চাকরী? —হ্যাঁ স্যার চাকরী,লেখালেখির চাকরী,ওই চাকরী করব বলে অনার্স গ্যাজুয়েট হয়েও আমি এস-এস-সি পরীক্ষায় বসি না।প্রতিদিন ভোরে একশ রকম দোয়া-দরুদ পড়ি।দশটা বাজলেই এখানে এসে দাঁড়ায়,জানি,গাড়িটা একদিন আসবে। ফরসা রং,পোশাক-আশাক নিঁখুত।চুল পরিপাটি করে আঁচড়ানো।অথচ কথা বার্তা অসংলগ্ন।অস্বস্থি বোধ করছেন আনিসুল।এখন এই ছেলের হাত থেকে নিস্তার পাবেন কি করে ভাবছেন তিনি। পানের দোকানদার তার দোকানের সামনে দাঁড়ানো খদ্দেরগুলোকে কিছু একটা বলে হাসাহাসি করছে।সম্ভবত এই আলিফকে নিয়ে আলোচনা করছে তারা।আনিসুল যে বেকায়দায় পড়েছেন তা বেশ উপভোগ করছে তারা।পানের দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাছটির ডালে বসে একটা কাক তারস্বরে ডেকে চলেছে।সেও হয়তো আনিসুলকে কিছু বোঝাতে চাইছে।তিনি কোনরকমে বললেন,আলিফদের বাড়িটা,মানে ওর বাবা স্কুল মাস্টার ছিলেন, রোড-অ্যাক্সিডেন্টে মারা যান। —রোড অ্যাক্সিডেন্ট,ওহ তারমানে আপনি চশমা- আলিফের বাড়ি যাবেন? —চশমা-আলিফ? —হ্যাঁ,সবসময় চশমা পরে থাকে তো,তা ওতো এখনও মাধ্যমিক পাশ করেনি,ও আবার কবে লিখতে শুরু করল! —আমি যাচ্ছি ওর বোনের বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে। —বেশ চলুন,আমিও আপনার সঙ্গে যাব,আসলে গলি রাস্তার ঘুরপথে আপনি ঠিক খুঁজে পাবেন না।চলুন,আমিও যাই আপনার সঙ্গে। গাড়ির দরজা খুলে দিলেন আনিসুল।খুশিমনে তাতে উঠে বসল তরুণটি।বলল, চলুন স্যার।গাড়িতে স্টার্ট দিতে দিতে আনিসুল খেয়াল করলেন,পানের দোকানের সামনে যেন একটা হি-হি হাসির ঢেউ খেলে গেল।পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লাল রঙের কুকুরটি ঘেউ-ঘেউ করে উঠল। —আপনি স্যার ভোরের স্বপ্ন বিশ্বাস করেন? ওহ হ্যাঁ,এবার ডানদিকের গলি রাস্তাটা ধরুন। জানি স্যার আপনারা বিশ্বাস করলেও স্বীকার করবেন না,তবে আমি করি। আজ ভোরে কি স্বপ্ন দেখেছি জানেন? —কি স্বপ্ন? —দেখছি সাদা রঙের একটা গাড়ি আমার কাছে এসে,আমারই খোঁজ করছে।ভদ্রলোকের চেহারা মনে পড়ছে না,তবে তিনি আপনার মতই পাজামা,পাঞ্জাবি,চশমা,পরে ছিলেন। আনিসুল কৌতুকের সাথে কৌতুহল প্রকাশ করলেন,তারপর? —তারপর তার গাড়িতে চড়ে তাকে নিয়ে গেলাম আমার বাড়ি? —আমাকে কি তোমার বাড়ি নিয়ে যাচ্ছো? —না স্যার না,আপনাকে আমি চশমা-আলিফদের বাড়িই নিয়ে যাব। দেখি কার কপাল-কিসমত খোলে,হ্যাঁ স্যার এইবার ডাইনে। গলির পর গলি,মোড়ের পর মোড়,বাড়ি আর আসে না।শহরটা তো এত বড় নয়,তবে কি কোথাও ভুল হচ্ছে?বিরক্ত আনিসুল বললেন,আমরা ঠিক রাস্তায় যাচ্ছি তো? —হ্যাঁ স্যার,এবার বাঁয়ে ঘুরুন,রাস্তা নিয়ে আমার একটা ভয়ানক সুন্দর উপন্যাস আছে,এই পথ যদি না শেষ হয়। —কোন কাগজে বেরিয়েছিল? —এখনও বের হয়নি,তবে হবে একদিন,বই হবে,আমার চাকরী হবে,পুরস্কার হবে,সেদিন দেখলাম আমার বই সিনেমা হচ্ছে,ওটাও ভোরের স্বপ্ন।জানেন, ভোরের স্বপ্ন নিয়েও আমার একটা উপন্যাস আছে,আলোকিত রজনী। —আলোকিত রজনী? —হ্যাঁ,আলোকিত রজনী,কত কিছু নিয়ে বই লিখেছি আমি, জানেন? —জানি না বাপু,আসলে আমি ডাক্তারী করি তো,তাই বইটই নিয়ে খুব একটা ভাবার সময় পাই না। —আপনি চিকিৎসক? হ্যাঁ তাই তো,লেখক,কবি,সাহিত্যিক মানেই তো সমাজের চিকিৎসক, জানেন,এই চিকিৎসকদের নিয়েও আমার একটা উপন্যাস আছে,মৃত্যুদিনকে যারা জন্মদিন করে দেয়। নামটা শুনে হাসি পেয়ে গেল আনিসুলের,কোনরকমে বললেন,তোমার রাস্তাও দেখছি আমার মৃত্যুদিন করে দেবে আলিফ। —না স্যার সে সব কোন ভয় নাই,রাস্তা ঠিকই আছে,তবে একটু দেরী হচ্ছে এই যা।জানেন রাস্তা নিয়েও আমার উপন্যাস আছে,মেরামতির জন্যে তৈরী। মোবাইলের রিং বাজলো।নম্বর দেখলেন আমিনুল।হ্যাঁ,ফিরোজা আপা। —কি-রে এত দেরী হচ্ছে কেন তোর,রাস্তা ভুল করলি নাকি? —হতে পারে আপা,আলিফ নামের একটা ছেলে আমাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। —কি নাম বললি,আলিফ,ওর রং কি খুব ফরসা,চেহারাটা ভাল? —হ্যাঁ আপা। —সর্বনাশ তুই বসর-কবির পাল্লায় পড়ে গেছিস,আচ্ছা তোর আশেপাশে কি-কি দেখতে পাচ্ছিস বল তো? —কি আর দেখব,একই মোড় মনে হচ্ছে সাতবার ঘুরছি।সামনে দেখছি রংমহল পানের দোকান,তার পাশে একটা নিম গাছ। তার ডালে একটা কাক ডাকছে। –ব্যাস,ব্যাস,ওখানে তুই গাড়ি থামিয়ে বল,নেমে একটা সিগারেট খাই। —কিন্তু আমি যে সিগারেট খাই না। —বেকুব,বাঁচার জন্যে মদ খাওয়ারও অভিনয় করতে হয়।তুই নেমে পানের দোকানে দাঁড়া, আলিফ গিয়ে তোকে নিয়ে আসবে।আর বসর এখন যা বলবে তাই শুনিস,আমি ওর বাড়িতে খবর দিচ্ছি। মোবাইলের কথা বসর ওরফে কবি-আলিফ শুনেছে বোধয়।তাই সে বলল,মোবাইল নিয়েও আমার উপন্যাস আছে,সিমকার্ড তোমার,রিংটোন আমার।জানি,আপনি এখন সিগারেট খেতে নাববেন,তারপর আর উঠবেন না,তাই না স্যার? চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেছেন এমন ভাব করে আনিসুল বললেন,ধেৎ,তাই কখনও হয়, আসলে আমি সিগারেটই খাই না। —ভেরী গুড,জানেন ধুম-পান নিয়ে আমি একটা বই লিখেছিলাম,ধুমপানের চেয়ে ঘুম-পান ভাল। আনিসুল মনে মনে বললেন,হে আল্লাহ আমাকে এর হাত থেকে রক্ষা কর।প্রকাশ্যে বললেন,ঘুম-পান,সেটা আবার কি? –ঘুম পেলে ঘুমান,ভেরী সিম্পল।জানেন ডাক্তার বাবু, আমার না রাতে ঘুম হয় না। গাড়ি চলছে।ধীরে-ধীরে চালাচ্ছেন আনিসুল।তিনি বুঝতে পারছেন,এই মোড়টা পঁচিশ পাক দিয়ে সব কিছু চেনা হয়ে গেছে তাঁর।এখন বসর-কবি তাঁকে অন্য রাস্তায় না নিয়ে গেলে রক্ষা। মনেমনে বললেন,এই মুসিবত থেকে আমাকে রক্ষা কর মাওলা। —আচ্ছা ডাক্তারবাবু,আমাকে দেখে কি আপনার পাগল মনে হয়? আনিসুল মনে মনে বললেন,সত্যি বলে কি জান হারাবো নাকি? প্রকাশ্যে বললেন,ধেৎ, যে লোক অতশত বই লেখে সে কখনও পাগল হয়? — হয়,হয়,নজরুলও লিখতে-লিখতে পাগল হয়ে গেছিলেন।নজরুল,সিরাজ আর আমার মধ্যে মিল কোথায় জানেন? —সিরাজ,কোন সিরাজ,নবাব সিরাজ? — না নবাব নয়, সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ,আমরা তিন জনেই লেটোর দলে গান করেছি। সিরাজের ভাগ্য ভাল,চাকরীটা পেয়ে গেল,বাশারও পেয়েছে,আমার বেলায় শুধু গাড়ি আসছে না। —আসবে, তোমারও গাড়ি আসবে। —আপনার মুখে ফুলচন্দন পড়ুক,আপনিই প্রথম বললেন,আমার গাড়ি আসবে।আপনি খুব ভাল লোক।আপনাকে আমার চুমু খেতে ইচ্ছে করছে। বলে চকাস করে আনিসুলের গালে একটা চুমু খেল বসর-কবি।বলল,নজরুলের ন,সিরাজের সি আর আমার বসর নামের ব,তিন নিয়ে হয়,নসিব।তারমানে আমার ভাগ্য খুলে গেছে। এখন আপনি কি পুরস্কার নেবেন বলুন? পকেট থেকে রুমাল বের করে গাল মুছতে-মুছতে আনিসুল বললেন,একটা সিগারেট খেতে ইচ্ছে করছে। —মঞ্জুর। এখন আপনি আমার কাছে যা আব্দার করবেন সব মঞ্জুর।আজ অব্দি আমি কোন মেয়েকে চুমু খাইনি,আপনাকে খেলাম।আমি পুরস্কার পেলে আপনার হাত দিয়েই নেব। যান যত খুশি সিগারেট খান। গাড়ি থামিয়ে নামলেন আনিসুল। তার চারপাশে কৌতুহলী মানুষের ভিড় জমে গেল।পানওলা হেসে বলল,স্যারকে বোধয় খুব কষ্ট দিলে বসর-পাগলা? —না,না ওই আর কি। ভিড়ের মাঝে গুঞ্জন উঠল, —খুব ভাল ছাত্র ছিল গো, রাতদিন কবিতা লিখে মাথা খারাপ হয়ে গেল।কালকেই হোম থেকে পালিয়ে এসেছে।ওই দেখুন ওর ভাই। আনিসুল দেখলেন,তার ভাগনের হাত এসে দাঁড়ালো একটা মিষ্টি চেহারার ছেলে। সে আনিসুলের হাত ধরে বলল,আমার ভাইয়ের হয়ে আমি ক্ষমা চাইছি স্যার। —আরে না,না,তেমন কিছু কষ্ট হয়নি আমার।বাবা আলিফ,তোমার নামে আরো চারজন আছে তা তো কই বলনি? —না,স্যার,আমার ভাইয়ের আসল নাম বাসিরউদ্দিন,সকলে ওকে বসর বলে ডাকে।এখন বিখ্যাত হওয়ার জন্য ও এফিটেবিট করে নিজের একশ নাম নিয়েছে।আলিফ তার মধ্যে একটি। কিন্তু স্যার,আপনাকে যে আর একটু কষ্ট করতে হবে। —আবার? —হ্যাঁ, স্যার,ভাইয়ের হোমের গাড়ি এসেছে,গাড়িটা দেখলে ও ছুটে পালাবে,যেমন করেই হোক ওকে আপনি গাড়িতে তুলে দিন। আনিসুলের গাড়িতে চুপচাপ বসে আছে বসর-কবি।চোখে উদাস দৃষ্টি।আনিসুল বললেন, তোমার স্বপ্ন সত্যি হয়েছে কবি,তোমাকে নিয়ে যেতে গাড়ি এসেছে। —সত্যি বলছেন,কই দেখান আমাকে? উৎফুল্ল-স্বরে বলল বসর-কবি। —ওদের একটা ছোট্ট শর্ত আছে,তোমাকে চোখ বন্ধ করে গাড়িতে উঠতে হবে। —ও এই শর্ত,এটা আবার কঠিন কি।বলে পরনের পাঞ্জাবি খুলে চোখে বেঁধে ফেলল বসর-কবি।বলল,নিয়ে চলুন আমাকে গাড়ির কাছে। চোখ-বাঁধা অবস্থায় আনিসুলের হাত ধরে রাস্তা পার হল বসর-কবি।গাড়িতে চড়ে বসল। বলল, এবার চোখটা খুলি,নইলে আপনাকে টা-টা দেব কেমন করে। আনিসুলকে টা-টা দিতে দিতে হোমের গাড়িতে চলে গেল বসর-কবি।আশেপাশে সবাই হাসছে।আনিসুলের চোখ ভরে যাচ্ছে কেন,তা তিনি নিজেই জানেন না।আলিফের হাত ধরে তিনি বললেন,চল,তোদের বাড়ি যাই,অনেক দেরী হয়ে গেছে।

১,৬২৪ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমি পশ্চিমবঙ্গ,ভারবর্ষের মানুষ। ছোট বেলা থেকেই লেখালেখি করি। দৈনিক আনন্দবাহজার সহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় পত্রপত্রিকায় আমার লেখা প্রকাশ পায়। ইন্টারনেটের নেশা এখন এমন ভাবে ধরেছে, ব্লগ ছাড়া আর কোথাও লিখতে ইচ্ছে করে না।
সর্বমোট পোস্ট: ৫১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৮৪২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৭-১০ ১২:৪৪:৪৯ মিনিটে
Visit তুষার আহসান Website.
banner

১৩ টি মন্তব্য

  1. এ টি এম মোস্তফা কামাল মন্তব্যে বলেছেন:

    গল্পটি খুব ভালো লেগেছে। একেবারে অন্যরকম।

    ঈদ মোবারক।

  2. এ হুসাইন মিন্টু মন্তব্যে বলেছেন:

    গল্প পড়ে অনেক ভালো লাগল ।

  3. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    সতর্কতা:
    নতুন নিবন্ধিত লেখকেরা নীতিমালা,পয়েন্ট বণ্টন ও সেরা লেখক নির্বাচন পদ্ধতি পড়ে নিবেন। প্রথম পাতাতে একই লেখকের/ প্রদায়কের একাধিক লেখা থাকতে পারবে না।

    তুষার আপনার গল্পটি ভাল হয়েছে।

  4. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    তুষার আপনাকে ধন্যবাদ। আশা করি ণিয়মিত লিখবেন এবং মন্তব্য করবেন।

  5. গৌমূমোকৃঈ মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব ভাল লেগেছে। শুভকামনা রইল।

  6. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    চমৎকার গল্প।পড়তে পড়তে আবেগপ্রবন হয়ে পড়লাম।লেখককে ধন্যবাদ ইমোশনাল গল্পটি লেখার জন্য।

  7. আঃ হাকিম খান মন্তব্যে বলেছেন:

    তুষার ভাই, আপনার লেখা এখন আর আমরা পাই না কেন?

  8. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর গল্প

    ভালো লাগলো

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top