Today 02 Dec 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

ঘৃনিত মানবতা

লিখেছেন: আহমেদ ফয়েজ | তারিখ: ০৬/০৭/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1267বার পড়া হয়েছে।

থিয়েটারের ক্লাশ শেষে একদিন খুব রাত করে বাসায় ফিরছিলাম, খুব কাছেই ভিশন থিয়েটারের দ্বিতীয় প্রযোজনা ‘আওয়াজ’ মঞ্চে উঠতে যাচ্ছে। আর এ কারনে প্রতিদিনই বেশী রাত করে মহড়া হচ্ছিল। রাত করে বাসায় ফিরলে আমার সেজো ভাই খুব বকে বলব না, তবে ঘরের ভেতরে সম্ভবত তার পায়চারী খুব বেড়ে যায় এবং -আমি কি রাস্তা ফেল করলাম, আমাকে কি হাইজেকারে ধরল? এসব ভাবতে ভাবতে রীতিমত হাঁফিয়ে উঠেন। তবে নাটকের প্রতি আমার আগ্রহটা নতুন নয়। আর তাই চাপ প্রয়োগ না করে বরং প্রতিদিনই ঐ একটা কথাই বলেন, -‘রাত নয়টার আগেই বাসায় ফিরতে চেষ্টা করবে।’
ভাইয়ার একথাটিই ভাবছি, আর ভাবনাটার বি¯তৃতির সাথে সাথে আমার হাঁটার গতির কেমন যেন একটা মিল খুঁজে পেলাম। (ইস্কাটন গার্ডেন স্কুল থেকে শ্যামলী পর্যন্ত বাসে করে আসবার পর) এদিকে নির্জনতার ছাপ নিয়ে রাতের নিস্তব্দতা বেড়েই চলছে। ব্যস্ত রাজপথ গুলো দিয়ে দুএকটি বেবী টেক্সীকে কত বার যে পুলিশের মুখুমুখিহয়ে আসতে হয়েছে তা কে জানে। ফাঁকা রাস্তা দিয়ে খুব গতি নিয়েই ছুটে চলেছে তারা। কোনটার শেষ ট্রিপ আবার কোনটা সারাদিনের ক্লান্তি ঝাড়তে বাসায় যাচ্ছে। হেডলাইটগুলো থেকে আলো শুন্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ছে যেন -কোথায় গিয়ে থামবে তার ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছে না, অবশেষে মেঘের কাছে আশ্রয় মাঙছে। বায়ুমÐল প্রদক্ষিণ করা কয়েকটি মেঘের টুকরা হেডলাইটের আলোতে লজ্জায় ঠিক এখনই পাশের বিল্ডিংয়ের আড়ালো মাথা গুঁজবে। কয়েকটি রিক্সা সামনে দিয়ে আসছে যাচ্ছে ঝড়ের কবলে পড়া কাকের মতো তাকিয়ে তাকিয়ে। দু’একজন যে- ‘কই যাইবেন ভাই’ বলেনি তা বললে ঢাসা মিথ্যে কথা হবে। কেবল এরাই নয় বাস ট্রাক রেল স্টেশনে যাত্রীদেরকে যে হাত, জামা-কাপড় ধরেও টানাটানি হয় তা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে বোধ করি। কবে নাগাদ যে বিমান বন্দরেও এসব শুরু হয়ে যায় তাই ভাবছি।

s1.reutersmedia.net

শ্যামলী সিনেমা হল থেকে শেখেরটেক নয় নম্বর রোড পর্যন্ত আসলে রিক্সাকে ছয় টাকা ভাড়া দিতে হয়। বাসা থেকে যাবার সময় মেইন রোড থেকে রিক্সা নিতে হয়, কিন্তু আসবার সময় একই ভাড়াতে একেবারে ৪৬ নম্বর বাসার গেইট পর্যন্ত আসা যায়। সেদিন পকেট ছিল শূণ্য, সঙ্গত কারনেই পায়ের উপর ভরসা করেই পারি জমাতে হল বাসার পথে। একা একা হাটা বা একা থাকাটা অনেক দিন আগে থেকেই সহনীয় এবং উপভোগ্যও বটে। একা একা ভাবনার বি¯তৃটা যতটুকু বৃহৎ হয় অন্য সময়ের তুলনায় তা অনেক বেশী।
সিনেমা হলটা পার হতেই আশে পাশের সমস্ত কোলাহল ভেঙ্গে গেল একটা মৃদু কানটানা শব্দে। দেখলাম রাস্তার ডান পাশ দিয়ে একটা পরিণত বয়সের মেয়ে হাটছে স্যাÐেল পিচের সঙ্গে ঘসিয়ে ঘসিয়ে। তাকে দেখে বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না যে এ জগতে সে-ই একজন যার মাথায় কোনপ্রকার চিন্তা বাসা বাধেনি। পায়ের ঘর্ষনে সে যে একটা তীক্ষè শব্দের শ্রোত তৈরি করেছে তা সমস্ত দিনের কোলাহল ভেদ করে বার বার আমার মস্তিস্কে আঘাত হানছে। রাস্তার দু’পাশের ক্লান্ত দোকানীরা এখন ঘুমের রাজ্যে পাড়ি জমাতে ব্যস্ত। পৃথিবীর নাট্য মঞ্চে সারাদিন সত্য মিথ্যার ডায়লগ ছুড়ে যা আয় করেছে মালিক তার হিসাব মিলাচ্ছেন। কেউ কেউ দোকানের সামনেই শরীরে সারাদিন যে ময়লা আবর্জনা জমেছে তা ফেলে যাবার চেষ্টা করছেন। তাদের মাঝ থেকেই এক যুবকের চোখ এড়াতে পারেনি মেয়েটি, তার উপর কু দৃষ্টি রেখে বলল সে-
ঃ এখনো বুঝি কেউ করেনি?
ঃ কেউ করলে করুন না করলে না করুক তুমার কি? তুমি করলে কইরা লও।
আশ্চর্য হবেন না, স্ব সাহসে মেয়েটি কিন্তু প্রতি উত্তর করলো। মনে হলো যেন তারা অনেক দিনের পরিচিত, একে অপরের সম্পর্কে রয়েছে বিরাট অভিজ্ঞতা। তাদের উত্তর প্রতি উত্তর বুঝেনিতে অসুবিধা হবেনা পৃথিবীতে বসবাস করে এমন কোন মানুষের কারন, এটাই জীবন আর এর জন্যই বোধ করি পৃথিবীর শুরু থেকেই মানুষ শত দুঃখ কষ্ট সহ্য করেও বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে, পরিশ্রম করে, ঝূঁকি নেয়, ঝুঁকিকে সামনে রেখে জীবন গড়ে তুলতে চায় এর জন্যই। মেয়েটি হাটছে, কিন্তু তার সাথে কথোপকতনের লোকটি যেন তার কথা কিছুই বুঝতে পারেনি। অবুঝের মত প্রশ্ন করল-
ঃ কি কইরা লামু?
ঃ তুমি যা বুঝ তাই।
আর কোন কথা নেই। আগেকার রেলের মত সময়ের মূল্য দিয়ে মেয়েটি পথ চলতে শুরু করল। আমি তাদের উত্তর প্রতিউত্তরের সাথে দৃষ্টি দিয়েও অংশ গ্রহণ করতে চাইনি তখনো। পাশের ডাস্টবিনটা থেকে উপছে পড়া ময়লা আবর্জনার দুর্ঘন্ধ জানিয়ে দিচ্ছে তার উপস্থিতি। যাতায়াতের মঙ্গলার্থে সদর  রাস্তা থেকে ছোট ছোট গলি অনেক দুর গন্তব্যে চলে গেছে। এখনো একদম ফাঁকা হয়ে উঠেনি গলিগুলো। দুর থেকে গাড়ির হর্ন আর রিক্সার টুন টুন শব্দ রাতের নিস্তব্ধতাকে কাটাবার চেষ্টা করছে। ভাবলাম আশেপাশের কোন গলিতেই তার আশ্রয়। দু’পাশে অনেক গলি ছিল। কিন্তু চার থেকে পাঁচ মিনিট হাটার পরও দেখলাম সে সদর রাস্তা দিয়েই হাটছে। হাটছে আর বিড়বিড় করে গান গাইছে। আশ্চর্য, একটা পুরুষ হয়েই রাস্তা থেকে নিজেকে ছাপিয়ে নিবার চেষ্টা করছি আর মেয়েটি কিনা। অনধিকার নামক শব্দটির কথা ভুলে গিয়ে ভাল করে তার দিকে একবার তাকাতে চেষ্টা করলাম। মেয়েলি বৈশিষ্ট্যের লজ্জা-শরম, ভয়-ভীতি এর কোনটাই তার মাঝে পরিলক্ষিত হল না।
কাল বর্ণের মেয়েটির যৌবনের মাঝে মনে হল এই কিছুদিন আগে বসন্তের ছোঁয়া লেগেছে। পরিপক্ক হয়ে উঠার আগেই সে বেছে নিয়েছে জীবনের পথ। লালচে ধরনের চুল মাথা ভর্তি; যতেœর ভালাই নেই একটুও। পরনে ময়লা কামিজ, হলুদ রংয়ের ওড়নাটি দিয়ে বক্ষযুগল ঢেকে রাখার চেষ্টায় ব্যর্থ হচ্ছে বার বার। পুরুষ জাতটাকে আকৃষ্ট করার জন্য এটা তার একটা কৌশলও হতে পারে। বার বার ফিরে ফিরে তার দিকে তাকচ্ছি। তার সাথে কথা বলার ইচ্ছে হচ্ছে, জানতে ইচ্ছে করছে তার সম্পর্কে। রাস্তায় বার বার থামছি যাতে করে তার সাথে আমার দুরত্ব কমে।
গতকাল নাটকের মহড়ার সময় আমাদের পরিচালক ফিরোজ আহমেদ ঠিক এ সম্পর্ক তার একটা অভিজ্ঞতার কথা বলেছিলেন। -তিনি একজন সাংবাদিক এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক। চার পাঁচটি চাকরী ছেড়ে (তার কথানুযায়ী অবশ্য ১৭টি) দিয়ে এখন সাংবাদিকতার সংগে জড়িত আছে। একবার নাকি একটা বিশেষ রিপোর্ট তৈরি করার কাজে তাকে নারায়নগঞ্জের টান বাজার নামক স্থানে যেতে হয়েছিল। টান বাজার সম্পর্কে আমি অনেক আগেই একটু জেনেছিলাম, তার কাছ থেকে আর একটু পরিস্কার হলো ব্যাপারটা। এত ঘৃন্য ও জঘন্য পরিবেশ থেকে লোকটা নাকি কোন রকমে প্রাণ নিয়ে ফিরে এসেছিলেন। গল্পটা যেন আমার চিন্থিত হৃদয়কে ছোট্ট একটা ঝাঁকি মেরে ডানা জাপটে উড়ে গেল শূন্য আকাশের ঠিকানায়। মস্তিস্ক এখন দুটি সমস্যায় ভিষণ ভাবে আক্রান্ত। এক, আমাকে খুব তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে হবে। দুই, যথা সম্ভব মেয়েটিকে জানতে হবে কারন তাকে জানার চরম আগ্রহ আমার ভেতরে কাজ করছে আবর ভয় হচ্ছে -তার সাথে কথা বলে যদি ফিরোজ ভাইয়ের মত ফেঁসে যাই!
হার্ডবিট দুমরে মুচরে দিবার চেষ্ট চালাচ্ছে সুযোগ সন্ধানীরা। প্রকৃতি বিদ্রæপের হাসি হাসছে আর লেলিয়ে দিচ্ছে তার সমস্ত উপকরণকে অংশ গ্রহনের জন্য। একটা কুকুর অনেক দুর থেকে দৌঁড়ে এসে একটা দোকানের সামনে লেপ্টে বসে পরল, তার নেই কোন সমস্যা নেই চিন্তা করার সময়, সে এখন বিশ্রাম করবে। উপহাসের সুরে সুরে সেও আমাকে দেখে জিহŸা বেড় করে হাসছে। দুর থেকে ভেসে আসছে দরজা জানালা বন্ধ করার ঝাপটা শব্দ, এখন বিশ্রামের সময়, কাউকে নিয়ে চিন্তা করার সময় নয় এটা।
শেষে দু’টি সমস্যার সাময়িক অবসান ঘটাবার লক্ষ্যে পাশের দোকানে চকলেট কিবন বলে দাঁড়িয়ে পরলাম। কিনলামও। একটা দীর্ঘশ্বাস টেনে সমস্ত সমস্যাকে এক করে নিতে চাইলাম, আমাকে এখন আর খুব ব্যস্ত মনে হচ্ছে না। মেয়েটি হেড লাইটের আলোতে সৃষ্ট হালকা ছায়া ভেদ করে এগিয়ে আসছে। আমার মত আরো অনেক পথিক হাটছিল রাস্তার উপর দিয়ে তবে, তাদের মাঝে কোন মেয়ে ছিল না। না, রাস্তার কোন পুরুষেরই দৃষ্টির বইরে নয় মেয়েটি। অবশ্য দৃষ্টিটা সহানুভূতির হলে প্রতিদিনই পত্রিকাতে পুরুষ কর্তৃক মেয়ে লাঞ্চিত হতে হতো না। আসলে পুরুষ জাতিটাকে আমার কোন কিছুর সাথেই তুলনা করতে ইচ্ছে হলো না তখন। পাশের দোকানে তিনজন লোক বসা ছিল, চা খাচ্ছে, কেউ বা বিড়ি। দোকানী তার সতীর্থকে বল্লে-
ঃ ভাই আপনি ঐ ‘নডিটারে’ ডাক দেনতো, হের সাথে আমার কথা আছে।
কি কথা তার সাথে আর তার নামকরণও হয়ে গেল? বৃদ্ধ লোকটি বয়সের ব্যবধান ভুলে গিয়ে ডাক দিলেন ‘নডি’ বলেই। নাটকের ডায়লগের মত ভুল হলো না তার ডাকে। কেচিংও ঠিকই মিলল। কিন্তু কেউ কি কখনো চিন্তা করে দেখেছে তাদের নাম কেন ‘নডি’ হলো? কে তাদের পেছনে এই নামটা জুড়ে দিয়েছে? কেন দিয়েছে?
সেখানে দাঁড়িয়ে থাকাটা আমার আর সম্ভব হলো না। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে ভ্রæ কুচকে গেল, অনেক বাজে! প্রায় মধ্যরাত। নিজেকে প্রশ্ন করারও সময় পেলাম না যে কেন মেয়েটিকে নিয়ে এত সময় পার করলাম। মেয়েটির কাছ থেকে কি আমি আমার কাঙ্কিত কোন তথ্য পেতাম, জানা যেত কি তাদের জীবন ধারা? প্রশ্নগুলি বার বার উচ্চারিত হয়ে আমাকে বিদ্ধ করতে থাকল। কোন উত্তর খুঁজে পেলাম না। ব্যর্থ এবং দায়িত্বহীন পথিকের মত হাটতে থাকলাম পথ ধরে। বৃদ্ধ লোকটির ডাকে মেয়েটি আসছিল ঠিকই। আসবেই, কারন এরকম একটা ডাকের জন্যইতো তার এত অভিনয়, সাজগোছ এবং এই ভয়ঙ্কর সময়েও রাজপথে পদভ্রমণ।
তাদের মাঝে কি ধরনের কথা বার্তা হয়েছে, কি ধরনের লেনদেন হয়েছে তা জানার প্রয়োজনীয়তা মনে না করে আগের চেয়ে দ্বিগুণ গতি নিয়ে বাসার দিকে এগুতে থাকলাম। ডাস্টবিনের নাক ভরে দেওয়া দুর্গন্ধ, খোলা মেনহোল কোনটাই আমার গতি রোধ করতে পারল না।
কাকে দায়ী করব আমরা? ঐ মেয়েটিকে, যে সন্ধ্যা হলেই বেড় হয়ে যায় জীবিকার সন্ধানে, পুতুলের মত নিজেকে সাজায়, -চোখে কাজল, কপালে টিপ আর বাজার থেকে অতি সস্তায় কেনা চুন আব্রæ মেখে। সাজিয়ে আকৃষ্ট করতে চায় কোন ধনবৃত্ত বিবেকহীন পুরুষকে? নাকি আমাদের মত পুরুষদেরকে যারা অতি উৎসাহে তাদেরকে ভোগ করছি; নিজের ইচ্ছেটা পূর্ণ হলে ধরিয়ে দিচ্ছি দশ বিশটি টাকা। একটুও কি চিন্তা করি আমরা, এই কয়েকটা টাকার মাধ্যমে যে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তার, তাদের জীবন, স্বাভাবিক বেড়ে উঠা। ব্যগ্র বাঘের মত ঝাঁপিয়ে পরে ধ্বংস করাই আমাদের ব্রত কারন এটিই আমাদের ক্ষমতা। আমরা সৃষ্টি করতে জানি, কিন্তু লালসার তাড়নায় পরে কি সৃষ্টি করতেছি তা-ই জানি না।

১,৩৪৪ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
লেখালেখির জন্য কাজ করি। পড়ি। লিখি। লেখা হয় কিনা জানি না। কাজ করছি একটি এনজিওতে। এছাড়া পাক্ষিক সময়ের বিবর্তন’র সহকারি সম্পাদক হিসেবে কাজ করছি প্রায় ১০ বছর ধরে।
সর্বমোট পোস্ট: ৩০ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৭৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৭-০৫ ১৩:২০:৫৮ মিনিটে
banner

৯ টি মন্তব্য

  1. কাউছার আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল মান সম্মত লেখা।

  2. শাহরিয়ার সজিব মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাই আপনার লেখা অনেক ভালো হয়েছে । আরও লিখবেন আশা করি ।

  3. এ হুসাইন মিন্টু মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনাকে অভিনন্দন, আশা করছি নিয়মিত লেখবেন ও পড়বেন,,

  4. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকার নতুন ভুবনে আপনাকে স্বাগতম। আপনার জীবনের গল্প ভাল লাগল। আপনার গল্পটি পড়তে গিয়ে অনেক জায়গায় ইংরেজি অক্ষর দেখলাম। ভবিষ্যতে ঠিক করে নিবেন।

  5. আঃ হাকিম খান মন্তব্যে বলেছেন:

    ফয়েজ ভাই, আপনাকে আর দেখি না কেন?

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top