Today 19 Jun 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

জগৎ ভাবনা: এলিয়েনের ‘সুস্পষ্ট’ প্রমাণ ! কিসের ইঙ্গিত ?

লিখেছেন: শওকত আলী বেনু | তারিখ: ১৭/০৪/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1113বার পড়া হয়েছে।

খবর বেরিয়েছে খুব শীঘ্রই এলিয়েনদের খুঁজে পাওয়া যাবে। এলিয়েন মানে ধরে নেয়া হয় এরা ভিন গ্রহের বাসিন্দা। এই খুঁজে পাওয়ার বিষয়টি নাকি এখন হাতের মুঠোয়। অনেকটা দ্বারপ্রান্তে। বড় জোর ১০ বছর কিংবা এক যুগের হিসাব।নাসার প্রধান বিজ্ঞানী অ্যালেন স্টেফান এমনটিই আভাস দিয়েছেন।তিনি জোর দিয়ে বলেছেন নাসা তা প্রমাণ করেই ছাড়বে। এবং প্রমান  করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে !

নিঃসন্দেহে এটা একটা দুর্দান্ত খবর। যে খবরে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। রয়েছে কল্পকাহিনীকে বাস্তবে রূপ দেয়ার দৃঢ়  শপথ। এক সময় এটিকে  বৈজ্ঞানিক কল্প-কাহিনী বলেই মনে করা হতো। এই নিয়ে গল্প-উপন্যাস রচিত হয়েছে। নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র।চলচ্চিত্রের এই কল্পকাহিনী যদি বাস্তবে দেখতে পাওয়া যায় তবে এটা হবে মহাবিশ্বের  আর এক বিস্ময়কর আবিষ্কার। উল্টে-পাল্টে যাবে পুরনো অনেক হিসাব।

হলিউডে নির্মিত এলিয়েন বিষয়ক মুভিগুলোর দুর্দান্ত অ্যাকশন কল্পনাকেও হার মানায়। সেখানে দেখা যায়   এরাও মানুষের উপর গবেষণা চালায়। পৃথিবী কে ধ্বংস করতে চায়। ধ্বংস করতে চায় মানব সভ্যতাকে। আক্রমনকারী হিসেবে এরাও ব্যবহার করে থাকে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি।

বিষয়টি নতুন নয়। অনেক পুরনো হলেও এই নিয়ে সংশয় ছিল। ছিল নানা বিতর্ক। মহা-বিশ্বে মানুষ ছাড়া অন্য প্রাণ-সত্তার অস্তিত্ব থাকবে এমনটি কল্পনাতেই ছিল। আর সেই কল্পনাকে হার মানিয়ে বিজ্ঞানীরা বলছে সৌর-দুনিয়া এবং মিল্কীওয়ে গ্যালাক্সিতে রয়েছে প্রাণ-সত্বার বাসযোগ্য পরিবেশ। সৌরজগতে শুধু আমরাই  নই, আমাদের বাইরে অন্য কেউ রয়েছে।যারা হয়তো আমাদের চেয়েও বুদ্ধিসম্পন্ন এবং অতিমাত্রায় গতিশীল।

এলিয়েন। এক অজানা রহস্যময়ী প্রাণী। বলা হয় ভিনগ্রহের বাসিন্দা। ধরে নেয়া হয় এরাও মানুষের মতো। বা তাঁর চেয়েও বেশি বুদ্ধিসম্পন্ন।কোন গ্রহে তাঁদের বসবাস? এই নিয়ে রহস্যের কোনো শেষ নেই। চলছে বিস্তর গবেষণা। খুঁজে বের করার চলছে প্রানান্ত চেষ্টা। এমনটাই আভাস দিলেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তাঁদের দাবি এঁদের  কোথায় পাওয়া যাবে, কিভাবে খুঁজে বের করা যাবে এর সব প্রযুক্তিই রয়েছে এখন নাসার হাতে।

গবেষকেরা  দাবি করেছেন, তাঁরা এক জটিল গাণিতিক নকশার রেডিও সংকেত ধরতে পেরেছেন যা এই ভূপৃষ্ঠের মানব সৃষ্ট কোনো রেডিও সংকেত নয়। এই নিয়ে আবার বিভ্রান্তিও রয়েছে।আর তাই রহস্যপূর্ণ হয়ে উঠছে বিষয়টি।রহস্য যতই দুর্বোধ্য হোক  গবেষকরা বলছে তাঁরা এর কিনারা ঘেঁষে হাটছে এখন।

রহস্য এবং অলৌকিকতা নির্ভর এই ধারণা এক সময় ভূতের গল্পের মতোই মনে হতো। সাধারণ মানুষের মধ্যে ভূতের রহস্য নিয়ে রয়েছে এখনও  প্রচন্ড আগ্রহ। আর ভূতের অস্তিত্বের কথা বিজ্ঞানীরা ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন অনেক আগেই। কিন্তু এলিয়েনদের প্রসঙ্গে বিজ্ঞানীরা আশা ছাড়েননি। আর তাইতো তাঁরা জোর দিয়ে বলছেন আমরা সঠিক পথেই হাঁটছি।

ইউএফও। যার অর্থ হলো আন আইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট। যেটিকে ধরা হয় ভিনগ্রহ থেকে আসা এলিয়েন স্পেসক্র্যাফটের অস্তিত্ব হিসেবে।এদের নিয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখায় বিতর্ক আছে। এই নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা ও গবেষণা।নাসার প্রধান বিজ্ঞানী অ্যালেন স্টেফান এর আভাস যদি সত্যি হয় তবে কী শীঘ্রই দেখা মিলবে এলিয়েনদের?

কে জানে? এমনটি তো হতেই পারে, মহাকাশের বিশাল শূন্যতার মাঝে বিরাজ করছে  মানব সভ্যতার চেয়েও জ্ঞানভিত্তিক বিশাল এলিয়েন সভ্যতা। হয়তো তাঁদের কোলাহলে মুখরিত আছে বিশাল অজানা মহাশূন্য। আর তাঁদের সাথেই শেষ যুদ্ধে লিপ্ত হবে মানব সভ্যতা। ধ্বংস হবে এই সৌরজগত সহ অজানা মিল্কীওয়ে গ্যালাক্সি।

এমনটিও হতে পারে তখন হয়তো মানুষে-মানুষে ভুলে যাবে সব বিবাদ।সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ এবং আঞ্চলিকতা সবই হবে তুচ্ছ।জেগে উঠবে নতুন বৈশ্বিক জাতীয়তাবাদ। থেমে যাবে মনুষ্য-সৃষ্ট এই পৃথিবীর সব যুদ্ধ। আবার শুরু হবে নতুন এক যুদ্ধ। যে যুদ্ধের কাহিনী লেখা হবে মহা-বিশ্বে নতুন করে। সেই যুদ্ধে মানুষ আর মানুষের প্রতিপক্ষ থাকবে না। প্রতিপক্ষ হবে ভিনগ্রহের এলিয়েন !! যাদেরকে খুঁজছে নাসা।

১,১০৪ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
লেখালেখি করি।সংবাদিকতা ছেড়েছি আড়াই যুগ আগে।তারপর সরকারী চাকর! চলে যায় এক যুগ।টের পাইনি কী ভাবে কেটেছে।ভালই কাটছিল।দেশ বিদেশও অনেক ঘুরাফেরা হলো। জুটল একটি বৃত্তি। উচ্চ শিক্ষার আশায় দেশের বাইরে।শেষে আর বাড়ি ফিরা হয়নি। সেই থেকেই লন্ডন শহরে।সরকারের চাকর হওয়াতে লেখালেখির ছেদ ঘটে অনেক আগেই।বাইরে চলে আসায় ছন্দ পতন আরো বৃদ্বি পায়।ঝুমুরের নৃত্য তালে ডঙ্কা বাজলেও ময়ূর পেখম ধরেনি।বরফের দেশে সবই জমাট বেঁধে মস্ত আস্তরণ পরে।বছর খানেক হলো আস্তরণের ফাঁকে ফাঁকে কচি কাঁচা ঘাসেরা লুকোচুরি খেলছে।মাঝে মধ্যে ফিরে যেতে চাই পিছনের সময় গুলোতে।আর হয়ে উঠে না। লেখালেখির মধ্যে রাজনৈতিক লেখাই বেশি।ছড়া, কবিতা এক সময় হতো।সম্প্রতি প্রিয় ডট কম/বেঙ্গলিনিউস২৪ ডট কম/ আমাদেরসময় ডট কম সহ আরো কয়েকটি অনলাইন নিউস পোর্টালে লেখালেখি হয়।অনেক ভ্রমন করেছি।ভালো লাগে সৎ মানুষের সংস্পর্শ।কবিতা পড়তে। খারাপ লাগে কারো কুটচাল। যেমনটা থাকে ষ্টার জলসার বাংলা সিরিয়ালে। লেখাপড়া সংবাদিকতায়।সাথে আছে মুদ্রণ ও প্রকাশনায় পোস্ট গ্রাজুয়েশন।
সর্বমোট পোস্ট: ২০৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৫১৯ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-১৭ ০৯:২৪:৩১ মিনিটে
banner

৪ টি মন্তব্য

  1. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    বৈজ্ঞানিক ভাবনার প্রকাশ
    বেশ ভাল লাগলো
    সুন্দর
    মুগ্ধ

  2. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    অপেক্ষায় রইলেম …
    তারা কি আসবে বন্ধু না শত্রুবেশে …

  3. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    শুনতে ভালোই লাগে । তবে বিশ্বাস হবার মতো মনে হয়না কখনোই ।
    সুন্দর লিখেছেন ।

  4. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    অবাক করা খবর

    দেখা যাক

    আমার মনে হয় না সম্ভব হবে

    ধন্যবাদ আপনাকে

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top