Today 20 May 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

ডানা মেলার দিন

লিখেছেন: গোলাম মাওলা আকাশ | তারিখ: ০৫/১০/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1108বার পড়া হয়েছে।

বইঃ ডানা মেলার দিন (Little Women)
লেখকঃ লুইসা মে অলকট
অনুবাদঃ মুশতারি বানু
প্রকাশনীঃ পালক পাবলিশার্স/১৯৯৪
মূল্যঃ ১২০{কিনেছি ৪০ টাকায়}

লেখক পরিচিতি
লুইসা মে অলকটের (১৮৩২-১৮৮৮) উপন্যাসগুলো উনিশ শতকের নিউ ইংল্যান্ডের শান্ত নিরাপদ আর ব্যস্ত জীবনের প্রতিচ্ছবি। কোনই সন্দেহ নেই যে, তিনি বোস্টনের এক সুখি পরিবারের চারবোনের একবোন হিসেবে তাঁর নিজস্ব অভিজ্ঞতার কাহিনীই লিখেছেন। আট বছর বয়সে তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে কনকর্ডে চলে আসেন। শত দরিদ্রতা সত্ত্বেও জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় এখানেই এমার্সন আর হর্থনদের বন্ধু হিসেবে কাটান। অলকটদের বাড়িটা ছোট্ট কুটির হলেও মেয়েরা প্রতিবেশীদের সাথে যেভাবে হেসে খেলে দিন কাটিয়েছে তা লেখিকার লেখায় সার্থক ভাবেই ফুটে উঠেছে।
বিশেষ যত্নে বাড়িতেই পড়াশুনা করে তিনি বোস্টনের স্কুল শিক্ষিকার কাজ করেন এবং বিশ বছর বয়সে বোস্টনের সংবাদপত্রে তার প্রথম গল্প ছাপার অক্ষরে দেখতে পান। এর ঠিক দুই বছর পর তাঁর প্রথম বই ‘ফ্লাওয়ার লেবেলস’ প্রকাশিত হয়। গৃহযুদ্ধের সময় ওয়াশিংটন হাসপাতালে নার্সের কাজ করার জন্য তিনি তাঁর শিক্ষকতা আর লেখার কাজে
যুদ্ধের পর তাঁর বিখ্যাত বই লিটল উওম্যান’ (১৮৬৯) ও তার পরিশিষ্ট উপন্যাস লিটল মেন’ (১৮৭১) এর জনপ্রিয়তা তাঁর পিতামাতার জীবনে স্বাচ্ছল্য এনে দেয়। পরবর্তী জীবনের বেশির ভাগ সময় তিনি তার প্রিয় কনকর্ডের বাগান বাড়িতে কাটান এবং সেখানেই তিনি লেখেন এইট কাজিনস (১৮৭৫), ‘রোজ ইন বুম’ (১৮৭৬), আন্ডার দি লাইলাকস’ (১৮৮৬) এবং ‘জো’স বয়েজ (১৮৮৬)। তিনি যেভাবে তাঁর জীবন যাপন করেছেন, যে চোখে এই পৃথিবীটাকে দেখেছেন, ঠিক সেই রকম প্রত্যাশাহীন ভালবাসা, হাস্যরস আর করুণা ফুটে উঠেছে তাঁর প্রতিটি লেখায়।

>> ডানা মেলার দিন (Little Women)

লিটল উওম্যান’ উপন্যাসটি লুইসা মে অলকটের কৈশোর কালের আত্মজীবনী ১৮৬৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হবার সাথে সাথেই নিউ ইংল্যান্ডের পারিবারিক জীবনের হৃদয়স্পর্শ বর্ণনার জন্য আমেরিকান ক্ল্যাসিক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। উপন্যাসটিতে মার্চ পরিবারের নিউ ইংল্যান্ডের বাড়িতে সুন্দরী মেগ, টমবয় জো, লাজুক বেথ আর শিল্পী এমির বাল্যকাল কৈশোর আর প্রাক যৌবনের দিনগুলোর কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। বাবা যুদ্ধে চলে যাবার পর মেগ গভর্ননেস হিসেবে, আর জো বদমেজাজী বুড়ি আন্ট মার্চের সঙ্গিনী হিসাবে কাজ করে। বাবা যুদ্ধ ক্ষেত্রে আহত হলে মা যখন তাঁর সেবার জন্য চলে গেলেন তখন থেকে শুরু হলো তাঁদের ধৈর্য আর কর্তব্যনিষ্ঠার পরীক্ষা। বেথ মায়ের স্থান গ্রহণ করে দরিদ্র প্রতিবেশীকে সাহায্য করার চেষ্টা করলো আর স্কারলেট জুরে আক্রান্ত হলো । মেয়েরা বড় হয়ে উঠলো। মেগ বিয়ের জন্য তৈরী হলো, জো নিউ ইয়র্কে লেখিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠালাভের চেষ্টা করতে লাগলো, এমি ইউরোপে পেন্টিং শিখতে গেলো আর বেথ ঘরের কোণে বসে থেকে বোনদের স্বপ্লকে সফল করার জন্য উৎসাহ দিতে লাগলো। মিস অলকট বেড়ে ওঠার দিনগুলোর আনন্দ আর বেদনার কাহিনী এমন অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে আজও তাঁর এই উপন্যাস ছেলে বুড়ো সবার কাছেই প্রিয়।

১,১০২ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমি খুব সাধারণ।
সর্বমোট পোস্ট: ১৩৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৯৭৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২২ ১৬:৩০:৪৭ মিনিটে
banner

২ টি মন্তব্য

  1. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল। অনেক বই পড়েন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top