Today 16 Oct 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

তিন নারী-পুরুষের ‘আইভিএফ’ সন্তান!

লিখেছেন: অনিরুদ্ধ বুলবুল | তারিখ: ২৫/০৪/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 892বার পড়া হয়েছে।

birth

এমন শিরোনাম দেখে অবাক হওয়ার কিছু নেই! বস্তুতঃ এমনই ঘটতে চলেছে। বিস্তারিত পড়ুন:

একজন পুরুষ ও দুই নারীর শুক্রাণু-ডিম্বাণু ব্যবহার করে সন্তান জন্মদানকে বৈধতা দেওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্যরা। ভোটাভুটির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমনসে ৩ ফেব্রুয়ারী এই ভোটাভুটিতে ৩৮২ জন এমপি ‘থ্রি পারসন ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ)’ নামের এ পদ্ধতিকে আইনি বৈধতা দেওয়ার পক্ষে মত দেন। আর ১২৮ জন এমপি বিপক্ষে ভোট দেন। খবর বিবিসির।

হাউস অব অর্ডসের অনুমোদন পেলেই যুক্তরাজ্য হবে এ পদ্ধতিকে অনুমোদন দেওয়া প্রথম দেশ। আর এ পদ্ধতিতে প্রথম শিশুটি জন্ম নিতে পারে আগামী বছরই।

ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ প্যানেলের অভিমত অনুযায়ী, এ প্রক্রিয়ায় শিশুর দূরারোগ্য ব্যাধি নিয়ে জন্মগ্রহণ ঠেকানো সম্ভব হবে। জিনগত ত্রুটির কারণে যেসব দম্পতি সন্তান নিতে ভয় পাচ্ছেন, তাদের ভীতিও অনেকটা দূর হবে। এই পদ্ধতি বহু পরিবারের জীবনে ‘আশার আলো’ জাগাবে বলে মত দেন হাউস অব কমনসের বিতর্কে অংশ নেওয়া মন্ত্রীরাও।

অন্যদিকে এর বিপক্ষে অবস্থানকারীরা বলছেন, এ পদ্ধতি চালুর বিপক্ষে তারা লড়াই চালিয়ে যাবেন, কেননা নিরাপত্তার পাশাপাশি নৈতিকতার বিষয়গুলোও এর সঙ্গে জড়িত বলে তাদের বিশ্বাস। তারা আশঙ্কা করছে, ‘থ্রি পারসন আইভিএফ’ পদ্ধতি শেষ পর্যন্ত বাবা-মায়ের চাহিদা মাফিক শিশু ‘তৈরির’ দিকে নিয়ে যাবে।

তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন তাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, আমরা খোদার ওপর খোদকারি করছি না। বাবা-মায়েরা যাতে একটি সুস্থ্য সবল সন্তান পান সে বিষয়টা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি মাত্র।

তথ্য সূত্রঃ  http://www.bd-pratidin.com/features/2015/02/05/60977

৮৮৫ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
কৈফিয়ত - তোমরা যে যা-ই ব'ল না বন্ধু; এ যেন এক - 'দায়মুক্তির অভিনব কৌশল'! যেন-বা এক শুদ্ধি অভিযান - 'উকুন মেরেই জঙ্গল সাফ'!! প্রতিঘাতের অগ্নি-শলাকা হৃদয় পাশরে দলে - শুক্তি নিকেশে মুক্তো গড়ায় ঝিনুকের দেহ গলে!! মন মুকুরের নিঃসীম তিমিরে প্রতিবিম্ব সম - মেলে যাই কটু জীর্ণ-প্রলেপ ধূলি-কণা-কাদা যত। রসনা যার ঘর্ষনে মাজা সুর তায় অসুরের দানব মানবে শুনেছ কি কভু খেলে হোলি সমীরে? কাব্য করি না বড়, নিরেট গদ্যও জানিনে যে, উষ্ণ কুসুমে ছেয়ে নিয়ো তায় - যদি বা লাগে বাজে। ব্যঙ্গ করো না বন্ধু আমারে অচ্ছুত কিছু নই, সীমানা পেরিয়ে গেলে জানি; পাবে না তো আর থৈ। যৌবন যার মৌ-বন জুড়ে ঝরা পাতা গান গায় নব্য কুঁড়ির কুসুম অধরে বোলতা-বিছুটি হুল ফুটায়!! ভাল নই, তবু বিশ্বাসী - ভালবাসার চাষবাসে, জীবন মরুতে ফুটে না কো ফুল কোন অশ্রুবারীর সিঞ্চনে। প্রাণের দায়ে এঁকে যাই কিছু নিষ্ঠুর পদাবলী: দোহাই লাগে, এ দায় যে গো; শুধুই আমার, কেউ না যেন দুঃখ পায়।
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪২২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৫-০২-১৪ ০২:৫৯:৫৩ মিনিটে
banner

৪ টি মন্তব্য

  1. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    আরো কত কিছু যে শুনতে হবে আল্লাহই জানেন।

    শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।

  2. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    অবাক করা তথ্য ! এভাবে সন্তান জন্মদানে সন্তানের প্রকৃত সুখ কি পাবেন বাবা-মা ?
    শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ কবি ।

  3. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    এটা তো মনস্তাত্বিক প্রশ্ন।
    বিজ্ঞানীরা মনস্তত্ব নিয়ে ভাববে কেন?
    তারা তাদের গবেষণায় নিরন্তর অগ্রগতি সাধন করতেই চাইবে।
    ধন্যবাদ কবি। ভালবাসা ও শুভেচ্ছা জানবেন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top