Today 05 Feb 2023
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

দাঁড়ানো উচিত পানি বন্দি মানুষের পাশে

লিখেছেন: গোলাম মাওলা আকাশ | তারিখ: ০২/০৯/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1888বার পড়া হয়েছে।

34
নদীমাতৃক বাংলাদেশে বর্ষা মৌসুমে বন্যা একটি নৈমিত্তিক বেপার আমাদের দেশে।সেই প্রাচীন কাল হতেই তা সাহসের সাথে মোকাবেলা করে আসছে বাঙালি জনগণ।কক্ষনো কক্ষনো এই বন্য মাত্রা অতিক্রম করেছে, কিন্তু সব কিছু মোকাবেলা করে আজও আমরা টিকে আছি এবং সামনেও থাকব।

বন্যার কারনঃ আমাদের নদী গুলি ভাটির দিকে বলে উজান হতে লাখ লাখ টন পলি প্রতিবছর আসে জমা হচ্ছে নদী গুলির তলদেশে ফলে একটু একটু করে নদী গুলির গতি পথে আসছে পরিবর্তন এবং নদীর পানি ধারণ ক্ষমতা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এর ফলে উজান হতে নেমে আসা পানিই বন্যার সৃষ্ঠি হচ্ছে।

এই বন্যায় আমাদের কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়। সেই ক্ষতিকে প্রতিবছর মুখ বুজে হাসিমুখে মেনে নেন বন্যাত এলাকার মানুষ। কিন্তু বন্যা এবার বন্যার সময় সিমা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি বন্দি মানুষ গুলির ক্ষতির পরিমাণ ও দুর্ভোগ ও বহুগুণ বেড়েছে। বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে বন্যাত্ত এলাকায়। ফলে শিশু ও মহিলারা সহ অনেকে পানিবাহিত রোগে হচ্ছেন আক্রান্ত। এই পানি বন্দি মানুষ গুলির পাশে আমাদের দাঁড়ানো এখন একান্ত প্রয়োজন। তাই দেরি না করে যে যে ভাবে পারেন সরকারী ত্রানেত পাশা পাশী ব্যক্তিগত বা দলগত ভাবে সাহায্যে এগিয়ে আসুন।
আসুন দেখে নিই পানি বন্দি মানুষের চিত্র:

শেরপুর:
বন্যায় জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ১০টি গ্রাম—বনগাঁও, চতল, বাগেরভিটা, ফাকরাবাদ, কাংশা, দড়িকালিনগর, সারিকালিনগর, পাগলারমুখ, আয়নাপুর ও বগাডুবি প্লাবিত হয়েছে। পাঁচ দিন ধরে চলা টানা বর্ষণের মধ্যে ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী উপজেলাটিতে এই বন্যা দেখা দিয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ওই সব গ্রামের কয়েক শ পরিবার।
1
নীলফামারী:
ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে ধেয়ে আসা পাহাড়ি ঢলে ফুঁসে উঠেছে তিস্তা। এতে শুক্রবার রাত থেকে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার অনেকটা ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগের দিনই পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে। পানি উপচে ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১৫টি গ্রামের পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সূত্রমতে, তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি শুক্রবার সকাল ছয়টায় বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও রাতে ৩৫ সেন্টিমিটার ওপরে উঠে যায়।
3

লালমনিরহাট:
পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে এ জেলার প্রায় আট হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের দক্ষিণ বালাপাড়া গ্রামে প্রায় এক কিলোমিটার ক্রসবাঁধ (মাটির বাঁধ) বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে গেছে। গত দুই দিনে বন্যায় তাঁর ইউনিয়নের আট শর মতো পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
এ ছাড়া বন্যায় গত দুই দিনে হাতীবান্ধা উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের এক হাজার ৮১টি পরিবার পুরোপুরি ও পাঁচ হাজার ৩৪৫টি পরিবার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
4

কক্সবাজার:
পূর্ণিমার ভরা জোয়ারে গত শুক্রবার সাগরদ্বীপ কুতুবদিয়ায় পাউবোর পাঁচ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বিলীন হয়ে গেছে। ডুবে গেছে অর্ধশতাধিক গ্রামের কয়েক হাজার ঘরবাড়ি। আটকা পড়েছে ৬০ হাজার মানুষ। এর আগে জলোচ্ছ্বাস ও জোয়ারে প্রায় ১১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বিলীন হয়ে যায়। প্রায় ৪০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ১৬ কিলোমিটারই বিলীন হয়ে যাওয়ায় এ উপজেলার দেড় লাখ মানুষ বাস করছে দারুণ ঝুঁকির মুখে।
6

কুতুবদিয়াঃ
সম্প্রতি এ দ্বীপের বেড়িবাঁধ ভেঙে ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দী জীবন কাটাচ্ছে।
7

সন্দ্বীপঃ
ভারী বর্ষণ ও সামুদ্রিক জোয়ারে দ্বীপাঞ্চল সন্দ্বীপের ৮ ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে দ্বীপের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বেড়েছে মানুষের দুর্ভোগ। আবহাওয়া অফিস জানায়, গতকাল ১৬ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয় ৯৮ মিলিমিটার। বৃষ্টিপাতের সাথে পাল্লা দিয়ে দক্ষিণ সন্দ্বীপের মগধরা, সারিকাইত ও কালাপানিয়া ইউনিয়নের সংস্কারকৃত উপকূলীয় বেড়িবাঁধের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে সামুদ্রিক জোয়ারের পানি প্রবেশ করে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠসহ রাস্তাঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে। এতে সন্দ্বীপের মাইটভাঙ্গা, মুছাপুর, আজিমপুরসহ ৮টি ইউনিয়নের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের মধ্যে পড়ে।
8

সীতাকুন্ডঃ
সীতাকুন্ডে টানা বর্ষণে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। ইতিমধ্যে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে উপকূলীয় ২০টি গ্রামের অর্ধলক্ষ মানুষ। তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর ফসলি জমির ধান ও সবজি।
9
রংপুর:
তিস্তা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ও লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের সাতটি গ্রাম বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। কোলকোন্দ ইউনিয়নে প্রায় দেড় হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। লক্ষ্মিটারী ইউনিয়নে পাঁচ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

বগুড়া:

বগুড়ার ধুনটে যমুনার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যমুনার পূর্ব পাশে চরাঞ্চলের পাঁচটি গ্রাম—বৈশাখী, রাধানগর, আটার চর, বথুয়ারভিটা, ভুতমারি প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে।
এদিকে সারিয়াকান্দির রয়াদহ এলাকার দুটি স্থানে প্রায় ৪০০ মিটার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে গেছে। বালুর বস্তা ফেলে বেড়িবাঁধ দিয়ে আরও ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে পাউবো।

সুনামগঞ্জঃ
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতে পাহাড়ীঢলে উপজেলার ৫ ইউনিয়নের দুই সহস্রাধিক মানুষ এখন পানিবন্দী হয়েপড়েছেন। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসাধিত হয়েছে সদ্য রোপা আমন ও চারার।
11
কুড়িগ্রামঃ
ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় তলিয়ে গেছে নিন্মাঞ্চলের শতাধিক চর ও দ্বীপচর। বসতভিটায় পানি প্রবেশ করায় এসব এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে ১০ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ও সবজি ক্ষেত।
ভোলা:
ভোলার মনপুরায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভঙ্গে উপজেলার দক্ষিন সাকুচিয়া ইউনিয়নের ২টি গ্রামের ২০ হাজার মানুষ পানি বন্ধী হয়ে পড়েছে। সাড়ে ৩ কিলোমিটার বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে গিয়ে জোয়ারের পানি গ্রাম গুলোতে প্রবেশ করছে।
এই লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ পানি বন্দি, এদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের উচিত। আসুন দাড়ায় পানি বন্দি মানুষের পাশে। নিশ্চিত করি তাদের বিশুদ্ধ খাবার পানি ও নিত্য খাদ্য দ্রব্যের।

১,৮৭৫ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমি খুব সাধারণ।
সর্বমোট পোস্ট: ১৩৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৯৭৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২২ ১৬:৩০:৪৭ মিনিটে
banner

২৭ টি মন্তব্য

  1. আজিম মন্তব্যে বলেছেন:

    বন্যার্ত মানুষের চরম দু:খ-কষ্ট উপস্থাপনের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
    আমাদের যার যার সাধ্যমতো দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য যে আহ্বান জানিয়েছেন, সে আহ্বানের সাথে সহমত জ্ঞাপন করি।
    আসলেই আমাদের আর এক মুহূর্ত দেরী করা উচিৎ নয় এঁদের পাশে দাঁড়াতে।

  2. মনির হোসেন মমি মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব ভাল লাগল পোষ্টটি পড়ে।

  3. মিলন বনিক মন্তব্যে বলেছেন:

    মানবিক কষ্টের নিদারুণ ভোগান্তি…মানুষ মানুষের জন্য…সাধুবাদ এই পোষ্টের জন্য…

  4. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    মানব উন্নয়নেৱ অন্তৱায় ভাল লাগলো

    • গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

      ঘাস ফড়িং ধন্যবাদ, বাংলাদেশে এই বন্য প্রতি বছর

      প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গত ১২ বছরে দেশের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এ সময় বিপর্যয়ের সূচকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় পঞ্চম স্থানে ছিল বাংলাদেশ। জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বিশ্ব ঝুঁকি প্রতিবেদন ও জার্মানওয়াচের জলবায়ু ঝুঁকি সূচক (সিআরআই) প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
      ইউএনডিপির বিশ্ব ঝুঁকি প্রতিবেদন-২০১২ সূত্রে জানা যায়, ২০০০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের সাড়ে ৭ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৫৮০ কোটি ডলার (প্রায় সাড়ে ৪৫ হাজার কোটি টাকা)। এ হিসাবে দেশে প্রতি বছর গড়ে পৌনে ৪ হাজার কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়েছে।
      প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, গত দুই দশকে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) বার্ষিক গড়ে ১ দশমিক ৮ শতাংশ ক্ষতি হয়েছে। এমনকি একটি বড় ধরনের সাইক্লোন জিডিপির ২ দশমিক ৪ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি করতে পারে। অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব ও দুর্যোগ ঝুঁকির দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৭৩টি দেশের মধ্যে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। একই ধরনের কথা বলা হয়েছে জার্মানিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জার্মানওয়াচের প্রতিবেদনেও।

  5. ছাইফুল হুদা ছিদ্দিকী মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রতি বৎসর বন্যা আমাদের দেশের একটি বড় সমস্যা ।
    বিশেষ করে বাধ ভেঙ্গে বন্যা হয় আমাদের জনগনের অসচেতনতা ও সরকারের যথা সময়ে পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে। সহযোগীতা সবাই করা উচিৎ। তবে সেটা কিভাবে করা যায়?
    ছবিসহ আপনার এই লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    • গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

      আমি ভেবে অবাক হই —- এই বন্য নিয়ন্ত্রনে বা খয় ক্ষতি কমাবার জন্য আমাদের সকারের পাশাপাশি জনগণের নেই কোন আগাম প্রস্তুতি।

      বন্যার আগেই বন্য নিয়ন্ত্রণের প্রস্তুতি নিতে হবে সমন্বিত ভাবে ধন্যবাদ

  6. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    বন্যাৱ ক্ষতি অধিকাংশেই বেশী

  7. সোহেল আহমেদ পরান মন্তব্যে বলেছেন:

    দেশের বিভিন্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি ও মানুষের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরায় ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    আমাদের এগিয়ে আসা উচিত সহযোগিতায়

  8. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ ।সকলের জার যাত টুকু সাধ্য তা নিয়ে পাশে দাঁড়ান বন্যাত মানুষের পাশে।

  9. সাঈদুল আরেফীন মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ মুখর বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য েএকটা সময়োপযুগী লেখা ।তাও তাৎপর্যপূর্ণ । লেখক অবশ্যই সাধুবাদ পেতেই পারেন।

    • গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

      ধন্যবাদ, আমাদের সকলের উচিত বন্যত্যদের পাশে এসে দাঁড়ানো। ধাকায় বিভিন্ন জন ে ব্যপারে সাহয্য তুলছে। আপনারা ইচ্ছে করলে সাহায্য করতে পারেন।

  10. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    নদী নিয়ে লেখা অনেক ভাল লাগলো

  11. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    সচেতনতা পাৱে কিছুটা ৱুদ কৱতে

  12. আরজু মূন জারিন মন্তব্যে বলেছেন:

    চমৎকার এক মানবিক পোস্ট করেছেন মাওলা ভাই। অনেক আবেগ। ভাললাগা পোস্ট এ। ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।

  13. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    বন্যা নিয়ে প্ৰতিভেদন লিখতে ইচ্ছে হয় কিন্তু দুর্ভাগ্যবসত তা আৱ লিখতে পাৱিনা

  14. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    কেবল সৱকাৱ নয় আমাদেৱও উচিত এসব ম্যাজৱ প্ৰবলেম সভাধানে এগিয়ে আসা

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top