Today 15 May 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

ধর্ষণ

লিখেছেন: কল্পদেহী সুমন | তারিখ: ২৩/১০/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1773বার পড়া হয়েছে।

সব ধর্ষণের জন্য যে কেবল ধর্ষকেরা দায়ী তা নয়। অনেক ধর্ষণের জন্য ধর্ষিতারাই পরোক্ষ ভাবে দায়ী। আজকাল অনেক মেয়েদের পোশাকের যে নমুনা দেখা যাচ্ছে তাতে করে পোশাক পড়া আর না পড়ার মাঝে কোন পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায় না। বরং পোশাক পড়ে আরও বেশি নিজের দৈহিক অবয়ব ফুটিয়ে তুলছে তারা। আর এই সুযোগে কিছু লুতুরপুতুর ছেলে তাদেরকে প্রথমে চোখে ধর্ষণ তারপর সুযোগ পেলে দৈহিক ধর্ষণ করে। এইসব মেয়েরা যদি চোখের ধর্ষণের জন্য পোশাক পড়তে পারে তাহলে দৈহিক ধর্ষণে তাদের সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তাই বলি ধর্ষকের শাস্তি দেওয়ার আগে যাচাই করে দেখা দরকার এর ভিতরে ধর্ষিতার ভূমিকা কতটুকু।
কথাগুলো কটু শোনালেও এগুলো বাস্তব। এগুলোই ঘটছে আজ সমাজে।

১,৭৪১ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
খন্দকার মো: আকতার উজ জামান সুমন পিতা: মো: আবু সাদেক খন্দকার মাতা: ঝরনা বেগম বর্তমান ঠিকনা: মিরপুর, ঢাকা স্থায়ী ঠকানা: কুমিল্লা জন্ম তারিখ: ৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৪ ধর্ম: ইসলাম জাতীয়তা: বংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত শিক্ষা: বাংলাদেশ নৌবাহিনা কলেজ, ঢাকা থেকে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি উভয়টিতে জি.পি.এ ৫ পেয়ে উত্তীর্ন। বর্তমানে মানারত ইন্টার্ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী ডিপার্টমেন্টে অধ্যয়নরত। আমি যে রকম : কথা বেশি একটা বলিনা চুপচাপ থাকতে পছন্দ করি। সব সময় কল্পনা করি। কল্পনায় আমি সবসময় নিজের সাথে কথা বলি। আর সব সময় অন্যমনষ্ক থাকি। আমার আশেপাশে কে কি করছে না করছে তার দিকে আমার তেমন খেয়াল থাকে না। অনেক সময় কাউকে খুজতে যেয়ে নিজেই হারিয়ে যাই। আর একটা কথা হলো আমার পথ মনে থাকে না তাই আমি একা হাটতে গেলে প্রায়শই পথ ভুল করি। পথে হাটাহাটি করার সময় কত জনের সাথে ধাক্কা খেয়েছি এ পর্যন্ত, তার হিসাব নেই। আমার সমস্ত জীবনটাকে কল্পনা মনে হয় কারণ সব কিছুই যাই ঘটে আমার সাথে তাই আমার কাছে কল্পনা মনে হয়। যদি কোন অঘটন ঘটে তাহলে ভাবি কল্পনা ভেঙ্গে গেলাই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার এই অসম্ভব রকম কল্পনাসক্ত দিনকে দিন বেড়েই চলছে। নিজেকেই কখনও হারিয়ে ফেলি আমি। জানিনা জীবনের অনেক কিছুই হয়তো তবে যতটুকু আমি অর্জন করেছি তার সবটুকুই সত্য। মিথ্যা কিছু নিয়ে আমার বড়াই নেই। এক অদ্ভুত বিষয় সর্বদাই আমাকে ভাবিয়ে তুলে তাহল কেন যেন অন্য আট দশটা মানুষের মতো সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারিনা। কিছু বিষয় আমাকে বারবার স্পর্শ করে যাবেই। আমি যা বলি তার সবটাই গভীর অনুভূতি থেকে বলি তাই হয়তো আমার কথার জবাব অর্থপূর্ণ না হলে এক ধরনের অপমানবোধ কাজ করে। আমি ভাবনার অতলে প্রবেশ করে জটিল বিন্যাসে অনেক ছক আঁকি যার ফলে স্বাভাবিক দৃষ্টিকোণ হতে আমার বিষয়গুলো ভাবলে মানানসই হবে না। আমাকে ঠিক বুঝে উঠতে পারে এরকম খুব কম মানুষই আছে। আমিও নিজেকে কখনও কখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা, তাই হয়তো আমার মন খারাপের কারণ, রাগ করার কারণ অনেক সময় আমার অজানাই থাকে। আমি খুব বেশি একটা কথা বলা পছন্দ করিনা যদিও আমার ফেসবুকে পোস্ট দেখলে তা অনেকের বিশ্বাস হবেনা। বাস্তবে আমি বন্ধুদের আড্ডা, পরিবারের আলোচনায় কথা তেমন বলিনা বললেই চলে। আমি সব সময় বিভিন্ন ধরনের ভাবনায় নিমগ্ন থাকতে পছন্দ করি তাই হয়তো বাস্তব জীবনের সাথে আমার সম্পর্কটাও নড়বড়ে। আমি সহজেই মানুষকে অনুভব করে ফেলি যার ফলে খুব সহজেই কাউকে মনের গভীরতায় ঠাই দিয়ে বসি। আর এটাই কখনও কখনও আমার দুঃখের কারণ হয়ে বসে। আমি জানিনা আমার বর্তমান, জানিনা আমার ভবিষ্যৎ তবে এটুকুই বলতে পারি এক সময় সুখ আর দুঃখ দুটোই একই মনে হবে আমার কারণ আমার অনুভূতির জগতটি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। আর আমার অনুভূতি নিস্তেজ হয়ে যাওয়া মানে আমার কবিতা, গল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে আমার সৃজনশীল কর্মের তালিকা হতে। তবে আমি থাকব একজন অবাধ্য বন্ধু হয়ে সবার মাঝেই। প্রকাশিত বইঃ (১)সমন্বয়(কাব্য গ্রন্থ-সম্মিলিত সংকলন)
সর্বমোট পোস্ট: ২৯২ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৯৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২৯ ১৬:৩০:৩০ মিনিটে
banner

১৮ টি মন্তব্য

  1. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    এমন লেখায় মন্তব্য করা যায় কি ?

  2. কল্পদেহী সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    লেখার গুরু অর্থ বুঝলে একথা বলতেন না

  3. প্রহেলিকা মন্তব্যে বলেছেন:

    তাই বলি ধর্ষকের শাস্তি দেওয়ার আগে যাচাই করে দেখা দরকার এর ভিতরে ধর্ষিতার ভূমিকা কতটুকু।

    কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেলাম যেহেতু আমি নিজেকে পাগল মনে করি না, আমি জানি না কোন যুক্তিতে আপনি এই কথা বললেন, তারপরও কিছু বলতাম তবে হজরত সোলাইমান (আ) বলেছেন আহম্মকের কথায় প্রতিবাদ করো না শেষে তুমি নিজেই আহম্মক হয়ে যাবে, তাই আজ আর আমি কিছুই বলব না তবে এটুকু বুঝতে পারলাম আজ নারীরা কেন ধর্ষিত হচ্ছে! আপনার “সঙ্কা জাগে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে” লেখাটিতে মন্তব্য করেছিলাম কিন্তু জবাব পাইনি এবং আপনার ভাবনার গভীরতা কতটুকু তা বুঝা যায়।

  4. কল্পদেহী সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    পরোক্ষ ভাবে আহাম্মক বলাটা কতটা যুক্তিসংগত। আর আপনি পোস্টটির গুরু অর্থ না বুঝে এরকম প্রতিক্রিয়া করাটা ঠিক আছে বলে মনে করিনা। আর আমির চিন্তা শক্তির প্রখরতার কমতি আছে বুঝতে পারায় ধন্যবাদ।

    • প্রহেলিকা মন্তব্যে বলেছেন:

      গুরু অর্থ বলতে? কোন রেফারেন্সে আপনি বলছেন জানি না, হা একটি মেয়ের অবাধ চলাফেরা কখনো কখনো তা ঘটাতে পারে তবে একটি মানুষ হিসেবে কখনই তা সাপোর্ট করব না, সেখানে আপনি বলছেন ধর্ষকের বিচার করার সময় ভেবে চিনতে করার জন্য। তার মানে কি মেয়েরা বেপর্দা চলাফেরা করলেই ধর্ষিত হতে হবে?

  5. কল্পদেহী সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    আমি তো বলিনি বেপর্দা করলেই তাদের ধর্ষিত হতে হবে। তবে দিনকে দিন মেয়েদের ইচ্ছাকৃত ভাবে দেহ প্রদর্শনের মাত্রা যে হারে বাড়ছে তাতে দেশে ধর্ষণের মাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধর্ষণের বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণ যদি বেপর্দা হয় তবে কেন আমি বলতে পারবোনা বেপর্দানশীল মেয়েরা পরোক্ষ ভাবে ধর্ষণ ঘটানোর নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। ধর্ষকের তো বিচার হবেই সাথে ধর্ষিতা যদি বেপর্দানশীল হয় তাকেও বিচারের আওতায় আনা উচিৎ। বেপর্দার নমুনা হয়তো এ যুগে উদাহরন দিয়ে দেখানোর প্রয়োজনও নেই। আমি অবশ্যই নারী জাতিকে শ্রদ্ধা করি কারণ তারা মা জাতি, তবে বেপর্দানশীল, অসভ্য নারীদের তেমনি ভাবে ঘৃণা করি। আসলে গুরু কথা হলো বেপর্দার কুফল কি তা বুঝানোর জন্য এই লিখাটি লিখা হয়েছে।

    • প্রহেলিকা মন্তব্যে বলেছেন:

      ****ধর্ষণের বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণ যদি বেপর্দা হয় তবে কেন আমি বলতে পারবোনা বেপর্দানশীল মেয়েরা পরোক্ষ ভাবে ধর্ষণ ঘটানোর নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। *****

      উপরের লাইনটি কোটেড! আমি কিভাবে বলতে পারলেন ধর্ষণের মূল কারণ নারীদের বেপর্দা চলাফেরা? তাহলে শিশুরা কেন ধর্ষিত হচ্ছে? তাদেরতো বক্ষ পর্যন্ত উন্মেলিত হয়নি তারা কেন ধর্ষিত হচ্ছে? ধর্ষণ কি শুধু বাংলাদেশে হয় নাকি সারা বিশ্বে? লাইবেরিয়ায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয় শতকরা ৬৫জন শিশু? শিশুরা কি বেপর্দা চলাফেরা করে? ভারতে ছয় মাসে ধর্ষিত হয়েছে ৪৩১জন নারী যাদের মধ্যে শিশু পর্যন্ত রয়েছে এবং ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৪৫জনকে? বেপর্দা চলাফেরা করা আপনার মতে ধর্ষণ তাহলে ধর্ষণের পর হত্যা করার কারণ কি? পশ্চিমাদেশ্গুলোতেও ধর্ষণ হয়, তবে খেয়াল করলে দেখা যায় আমাদের দেশের চেয়ে কয়েকগুন বেশি খোলামেলা চলাফেরা করে সে দেশের নারীগুলো প্রায় সবাই বলা যায় কিন্তু তাদের মাঝে সবাই কেন ধর্ষিত হয় না?

      অফটপিক: কারাগারে পুরুষ কতৃক পুরষ ধর্ষিত হওয়ার ঘটনা কিন্তু নূতন নয়। পর্ণ মুভির বাহুল্যতা, অসামাজিক কার্যক্রমের উস্কানিদাতা, যত্রতত্র অবাধ মেলামেশা, আইনগত উদাসীনতা এগুলো কি কারণ হতে পারে না? শুধু বেপর্দা চলাফেরা উল্লেখ করা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতই তাছাড়া আপনি ধর্ষকের বোধ নিয়ে নিরব থেকেছেন সাথে একতরফা বেপর্দাকে দায়ী করেছেন।

  6. আযাহা সুলতান মন্তব্যে বলেছেন:

    হাঁ আপনার কথাতে অনেকটা সত্য আছে…তবে এমন মেয়েদের সংখ্যা এখনো মনে হয় বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে বেশি নয়….

  7. দেবাশীষ মল্লিক মন্তব্যে বলেছেন:

    হ্যা, ঠিক বলেছেন । আপনার ভাষ্যমতে খুন করাটা দোষের নয় বরং খুন হওয়াটাই দোষের । পাশ্চাত্য দেশগুলোতে নারীরা খোলামেলা জামা পড়ে । আবার তারা মুক্তি যৌন কার্যকালাপেও বিশ্বাসী । অপর দিকে বাংলাদেশ তাদের তুলনায় যথেষ্ট রক্ষণশীল তবুও তাদের তুলনায় এ দেশে ধর্ষনের সংখ্যা বেশি, এর কারণ কি ? যে ১১ বছরের মেয়ে ধর্ষিত হয় সেও কি খোলামেলা জামা পড়ার কারণে ধর্ষিত হয়েছিলো ?

  8. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    ইসলামী আইন অনুযায়ী পর্দা করা ফরজ।

    কিন্তু একঘেয়ে ভাবে নারীকে দোষ দিলে হবে না।

    তাই আমি বলতে চাই___
    ০১/ ঐ পুরুষ নামের কলঙ্কটা শিশুকে ধর্ষণ করছে কেন?
    ০২/ ঐ পুরুষ নামের কলঙ্কটা মাদ্রাসার ছাত্রকে বলাৎকার করছে কেন?
    ০৩/ ঐ পুরুষ নামের কলঙ্কটা গণিকা বাড়ি যাচ্ছে কেন?
    ০৪/ ঐ পুরুষ নামের কলঙ্কটা চোখের পর্দা করছে না কেন?
    ০৫/ ঐ পুরুষ নামের কলঙ্কটা নিজের মাংস নিজে খাচ্ছে কেন?
    ০৬/ ঐ পুরুষ নামের কলঙ্কটা মেয়েদেরকে পতিতা বলছে, কিন্তু নিজেদেরকে পতিত বলছে না কেন?
    ০৭/ ঐ পুরুষ নামের কলঙ্কটা হতে নিজের মেয়ে নিরাপদ নয় কেন কেন?

    পর্দাই যদি একমাত্র কারণ হবে, সিঙ্গাপুরে ধর্ষণ (ব্যতিক্রম বাদে) হয় না কেন?

    এখন হায়েনা নামের পুরুষের দ্বারা তো তার নিজের স্ত্রীও ধর্ষণ হতে পারে!

    যেমনঃ

    ৪ আগস্ট এডভোকেট মামুন মাহফুজ কর্তৃক ময়মনসিংহ জেলা বিজ্ঞ নোটারী পাবলিক সমক্ষে তারা উভয়স্বাক্ষরে ৪৩১১ নম্বরে এফিডেভিট করে ও একই দিনে ময়মনসিংহ সদর পৌর কাজী অফিসে গিয়ে সাক্ষীসম্মুখে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে বিবাহ রেজিস্ট্রি করে নেয়। স্বামী আরিফ মিয়ার কর্মস্থল ঢাকার মোহাম্মদপুরে প্রায় ১ মাস সুখী সংসার জীবন করে গত ১০ সেপ্টেম্বর অজানা কারণে স্ত্রী তামজিদা আক্তার বাসা থেকে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে আরিফ মিয়া বাদী হয়ে ঐ দিনই মোহাম্মদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করে। ডায়েরী নং ৮৫২, তারিখ ১০/৯/১৪। অতঃপর তামজিদা আক্তার পালিয়ে এসে পরিবারের প্রলোবনে গত ১২ সেপ্টেম্বর সে নিজেই বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ এনে ফুলবাড়ীয়া থানায় মামলা নং ১৭, তারিখ ১২/৯/১৪ একটি মামলা দায়ের করে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ তোলপাড় চলছে। মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে এলাকাবাসী।
    তথ্য সুত্রঃ http://aporadhshongbad.com/index.php/2013-10-05-11-30-18/39-2014-02-18-03-28-23/10545-2014-09-21-12-07-08

  9. কল্পদেহী সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    বেপর্দার কুফল: বিজ্ঞানের দৃষ্টি ভঙ্গিতে বলা হয় নারী দেহ অশ্লীয় ও চুম্বক ধর্মী এবং পুরুষের দেহ ক্ষারীয় ও বিদ্যুৎ ধর্মী। সাধারণত অম্লের সহিত ক্ষারের একটি স্বাভাবিক আকর্ষণ বা টান আছে। বিজ্ঞানের ভাষায় ইহাকে এফিনিটি বলা হয়। এই আকর্ষণ এত তীব্র ও কার্যকর যে ইহা রোধ করা কিছুতেই সম্ভব নয়। তাই কেউ অপরকে অম্ল বা টক খেতে দেখলে অনায়াসে অজ্ঞাত কারণে মুখ থেকে ক্ষার ধর্মীয় লালা বের হয়ে আসে। সুতারাং ইহা ধ্রুব সত্য যে ক্ষার ধর্মী দেহ ও অম্ল ধর্মী দেহের মধ্যে চুম্বকের মতো দুদর্মনীয় একটি প্রাকৃতিক আকর্ষণ আছে। ক্ষারের একট সাধারণ স্বভাব বা গুন আছে, ইহা অম্লের সংস্পর্শে আসলে অম্লের কার্যকরী গুন নষ্ট করে দেয়। যাকে রসায়ন শাস্ত্রের পরিভাষায় নিউটিলাইজেশন বা নিরপেক্ষী করণ বলা হয়। তাই অনাবৃত অম্ল ও চুম্বকধর্মী নারী দেহের উপর ক্ষার ও বিদ্যুৎ ধর্মী পুরুষের দেহের প্রতিফলন ক্রিয়া ঘন ঘন প্রতিফলিত হতে থাকলে নারী দেহের চুম্বকত্ব ও অম্লত্ব নষ্ট হয়ে ধীরে ধীরে অজ্ঞাত সারে নারীত্বের গুনাবলী লোপ পেতে থাকে। নানা জাতীয় পুরুষ দেহের ঘন ঘন প্রতিপলন নারী দেহের সুক্ষ কোষ গুলির উপর যে সংঘাত নিক্ষেপ করে, তাহা শরীরের প্রত্যেকটি কোষ এমনকী ডিম্ব কোষকে পর্যন্ত সুক্ষ আনবিক ক্রিয়া দ্বারা বিধস্ত করে ফেলে। ফলে নারী দেহের অম্লত্ব ও চুম্বকত্ব নষ্ট হয়ে নারী তার গন্ধ, কোমলতা, ও রূপ লাবন্যতা হারিয়ে ফেলে। আজকের ইউরোপ তার জ্বলন্ত প্রমাণ। তাইতো, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) পর্দাশীল নারীদেরকে পর পুরুষতো দূরের কথা বেপর্দাশীল নারীর নিকট ও মিষতে নিষেধ করেছেন। আমরা পরিসংখ্যান করলে দেখতে পাই অথবা নারী জাতির দিকে তাকালে দেখতে পাই এই পর্যন্ত যত নারী এসিড নিক্ষেপে জ্বলসে তাদের সবই বেপর্দা, পর্দা করে কিংবা বোরখা পরে এমন নারীকে এসিড মেরেছে এমন নজীর খুঁজে পাওয়া ও দুষ্কর। যত নারী আত্ম হত্যা করেছে কিংবা বখাটে ছেলেদের জ্বালায় নির্যাতিত হয়েছে। তার সবই বেপর্দা । ইভটিজিং তথা বখাটেপনা আজকে বেপর্দারই ফসল। আজকের ইউরোপ আমেরিকায় প্রতি ৪৬ সেকেন্ডে একজন নারী ধর্ষিত এবং ৪৩% এর বেশী মানুষ জারজ এসবই বেপর্দার ফসল। পর্দা প্রথা বলে নারী জাতিকে তার সৌন্দর্য ঢেকে রাখতে যা সাধারণত বিপরীত লিঙ্গকে বেশী আকৃষ্ট করে’, পর্দা করলে নারীর সম্মান বাড়বে, পর্দা প্রথা অর্থাৎ হিজাব যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত থাকতো এটা দ্বার্থহীন ভাষায় বলা যায়, যারা আজকে বখাটেপনার স্বীকার হচ্ছে তারা মুক্তি পেত। পর্দা না করার কারণে মেয়েদের ব্যহিক সৌন্দর্য, বখাটেদের বেশী মাত্রায় আকৃষ্ট করে। আমরা পরিসংখ্যাণ করলে দেখী আজ পর্যন্ত বখাটেপনার শিকার হয়ে যত নারী আত্মহত্যা কিংবা অকাল মৃত্যুতে পতিত হয়েছে তার অধিকাংশই পর্দাকে উপেক্ষা করছে। তারপর ও কী আমরা পৃথিবীর সভ্য জাতি হিসাবে পর্দা প্রথাকে প্রতিষ্ঠিত করে এমন সব অত্যাচার নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে চাই না? আমার প্রশ্ন আপনারা কী আধুনিকতার শির্ষে আমেরিকার মত বাংলাদেশ চান? যেখানে প্রতি ৪৬ সেকেন্ডে একজন নারী ধর্ষিত হচ্ছে। যেখানে নারী পুরুষ অবাধ মেলামেশায় ৪৩% এর বেশী মানুষ জারজ হচ্ছে।
    source :http://islamiebooks.wordpress.com

  10. কল্পদেহী সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    আল্লাহ তা‘আলা আরো ইরশাদ করেন :
    “(হে নবী!) আপনি আপনার পত্মীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, যখন কোন প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হয়, তখন তারা যেন তাদের চাদরের
    কিয়দাংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। (যেন পর্দার ফরজ লংঘন না করে। এমনকি চেহারাও যেন খোলা না রাখে। তারা যেন বড় চাদরের ঘোমটা দ্বারা নিজেদের চেহারাকে আবৃত করে রাখে।)
    ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না।
    আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। (সূরাহ
    আহযাব, আয়াত : ৬০)
    আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র ইরশাদ করেন :
    “মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের
    দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হিফাজত করে। এতে তাদের জন্য খুব
    পবিত্রতা রয়েছে। নিশ্চয় তারা যা করে, আল্লাহ তা অবহিত আছেন। আর ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের.দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের
    যৌনাঙ্গের হিফাজত করে। তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশমান – তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের ওড়না বক্ষদেশে দিয়ে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র,
    স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র,
    ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক, অধিকারভুক্তবাদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ ও বালক – যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য
    জোরে পদচারণা না করে।” (সূরাহ নূর আয়াত : ৩০ – ৩১)
    হাদীস শরীফে পর্দার নির্দেশ
    রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন –
    “যে সতর দেখবে এবং যে দেখাবে, তাদের উপর আল্লাহ লা‘নত করেন।” (বাইহাকী)
    রাসূলুল্লাহ (সা.) আরো ইরশাদ করেন –
    “স্ত্রীজাতির পর্দায় গুপ্ত থাকার সত্তা। কিন্তু যখনই তারা পর্দার বাহিরে আসে, তখন শয়তান তাদের দিকে ঝুঁকে।” (তিরমিযী)

    পর্দার উপকারিতা

    ইসলামে যে পর্দার বিধান দেয়া হয়েছে,
    সে সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করলে আমরা এর তিনটি উপকারিতা উপলব্ধি করতে পারি –

    প্রথমত এতে নারী ও পুরুষের নৈতিক
    চরিত্রের হিফাজত হয় এবং নর-নারীর
    অবাধ ও প্রতিবন্ধকহীন মেলামেশা পথ
    রুদ্ধ হয়।
    দ্বিতীয়ত নারী ও পুরুষের কর্মক্ষেত্র পৃথক হওয়ার দ্বারা প্রকৃতি নারীদের ওপর যে গুরুদায়িত্ব ন্যস্ত করেছে, তা তারা নির্বিঘ্নেও সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারে।
    তৃতীয়ত পারিবারিক ব্যবস্থা সুরক্ষিত ও সুদৃঢ় হয়। কারণ, পর্দার দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পরকিয়াবিহীন পবিত্র জীবন গঠিত হয় এবং চরিত্রহীনতা ও অবিশ্বাস তাদের থেকে বিদায় নেয়।
    পক্ষান্তরে বেপর্দা থেকে পরকিয়া ও চরিত্রহীনতার জন্ম হয়। আর এর দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিশ্বাস উঠে গিয়ে অশান্তির উদ্ভব হয়।

    পর্দাহীনতার ক্ষতি
    :

    পর্দাহীনতার দ্বারা পরিবারে অবিশ্বাস ও অশান্তি নেমে আসে তা পূর্বেই বলা হয়েছে। তেমনিভাবে বেপর্দেগীর দ্বারা পাশ্চাত্যের বল্গাহীন জীবনধারায় অভ্যস্ত
    হয়ে নারীরা তাদের দ্বীন ও ঈমান বরবাদ করে দেয়। বলতে কি, বল্গাহীন চলাফেরার ফলেই পাশ্চাত্যবাসীদের নৈতিক ও চারিত্রিক কাঠামো আজ চূড়ান্ত বিপর্যয়ের সম্মুখীন। তেমনিভাবে বেপর্দার দ্বারা সমাজে ইভটিজিং জন্ম নেয় এবং যৌন সন্ত্রাস প্রকট আকার ধারণ করে। এর বাস্তবতা আজ আমাদের নখদর্পণে।
    অনুরূপভাবে পর্দাহীনতার পরিবেশে নারীদেরকে তাদের নিজস্ব কর্মক্ষেত্র
    থেকে টেনে এনে পুরুষের কর্মক্ষেত্রে নামিয়ে দেয়া হয়। তখন নারী তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বাতন্ত্র্যকে বিসর্জন দিয়ে পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়। এর ফলে নানা অঘটনসহ ব্যক্তি ও
    পারিবারিক জীবন বিপর্যস্ত হয় – যার
    বাস্তব চিত্র পেপার-পত্রিকা খুললেই
    চোখে পড়ে।
    তদুপরি বেপর্দার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হল
    – এর কারণে হারাম ও কবীরা গুনাহ হয়
    এবং আল্লাহ ও রাসূল তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হন। যদ্দরুণ দুনিয়াতে অশান্তি ও দুর্ভোগের শাস্তিসহ পরকালে তারা কঠিন
    আজাবের সম্মূখীন হবে।
    পরিশেষে আমাদের মনে রাখতে হবে – নারীদের যেমন পর্দা করা ফরজ,
    তেমনি তাদেরকে পর্দামত চলতে সুযোগ দেয়া পুরুষের উপর ফরজ। আর যেসব পুরুষরা নারীদের অভিভাবক, তাদের জন্য ফরজ হল –নারীদেরকে পর্দায় রাখা।

    উৎস:
    লেখক: মাওলানা আব্দুস সালাম সুনামগঞ্জী
    মাসিক আদর্শ নারী তাত্ত্বিক প্রবন্ধ ::::: মে – ’১২ http://www.adarsha-nari.com

  11. প্রহেলিকা মন্তব্যে বলেছেন:

    এখানে আপনি যে যে রেফারেন্সগুলো দেখিয়েছেন তা কেবল কেউ যদি পর্দার বিপরীতে কথাবলত তাহলেই যথার্থ হত, কথা হয়েছিলো আপনি এক ঘেয়ে শুধু পর্দাকে ধর্ষণের মূল কারণ কিভাবে বললেন? অনেক রেফারেন্স দেখালেন তবে আসল টপিক এড়িয়ে গিয়ে। আর হ্যা তেতুল তত্ত্ব তাহলে আপনিও জানেন!! নারী আরো ধর্ষিত হবে যতদিন একটি নারীরে তেতুল হিসাবে দেখার মত মানুষ আমাদের সমাজে থাকবে। নারীকে তেতুল নয় মানুষ হিসেবে দেখতে হবে।

  12. কল্পদেহী সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনি বারবার পর্দাহীনতা যে নারী নির্যাতনের কারণ হতে পারে তাকে এড়িয়ে যাচ্ছেন কেন? আমি নারীদের সম্মান করি অনেক তবে সেসব নারীদের যারা সুস্থ মন মানসিকতার অধিকারী তাদের। যারা পর্দা করে তাদের শ্রদ্ধা করি। তবে কিছু নারীদের ঘৃণা করি যারা বেপর্দা হয়ে চলাফেরা করে তাদের। পর্দা যে শুধু নারীদের জন্য তা নয় ছেলেদের জন্যও, ছেলেদেরও কিন্তু আজকাল পোশাক আশাকে ঠিক মতো হিজাব মানা হচ্ছে না। আপনি যেনে হয়তো অবাক হবেন কিছু সংখ্যক নারী আমার এইসব পোস্ট সাপোর্ট করে। হ্যাঁ তারা সাপোর্ট করে কারণ তারা পর্দা ও ইসলামের বিধিমালা মেনে চলে তাই। যদি পর্দা ইসলামে ফরজ করা হয় তবে আমি বাধ্য পর্দাহীন নারীদের ঘৃণা করতে। কিছু সংখ্যক নরপশু আছে যারা নারী দেখলেই হয়তো জৈবিক চাহিদা পূরন করতে চায় তবে এর সংখ্যা অনেক কম। কোন নারী বা পুরুষ জন্ম থেকে বখাটে হয়ে জন্মায় না। যখন কোন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের সামনে কোন নারীর স্পর্শকাতর অঙ্গ লোভনীয় ভাবে ফুটে উঠে তখন সেই পুরুষ অতি ভদ্র হলেও মনে সামান্য কুবাসনা পোষণ করবেই। এভাবে বারবার বেপর্দা নারীদের রূপ দেখতে দেখতে এক সময় সে বখাটে হয়ে যেতে পারে। এরপর একদল বখাটের সাথে মিশে। এভাবে করে সমাজে যখন বখাটে যুবকের বৃদ্ধি ঘটতে থাকে তখন নিঃসন্দেহে বেপর্দায় থাকা নারী কিংবা অন্য কোন নারী ধর্ষিত হওয়ার হার বাড়তে থাকবে। তবে অনেক ছেলে একদম খারাপ হয়ে না গেলেও বেপর্দার নারীদের দেখে জৈবিক উন্মাদনায় একটু হলেও সাড়া প্রাপ্ত হয়। ইসলামে পর্দা করা এজন্যই ফরজ। বেপর্দায় নারী না থাকলে সমাজটা অনেক সুন্দর হতো। সমাজে এতো অসভ্যতা থাকতো না।

  13. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    বাপরে এখানে দেখি রক্তারক্তি অবস্থা…………

  14. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনার ভাবনা খুবই ভাল লাগলো
    ,,,,,,,,
    চমৎকার লিখনী
    শুভ কামনা
    শুভ সকাল

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top