Today 02 Aug 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

ধারাবাহিক উপন্যাস “নিয়োগ পত্র” – নবম পর্ব

লিখেছেন: মিলন বনিক | তারিখ: ২১/১০/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 858বার পড়া হয়েছে।

নবম পর্ব
(দশ)
দু’দিন ধরে অনন্তদা বাসায় নেয়।
খবর পেয়ে মেঝ বোনের বাড়ীতে গেছে। তিমির ঘড়ি দেখল। রাত নয়টা বাজে। অনন্তদা না থাকলে রান্না করতে ইচ্ছা করে না। বিছানায় মাথা এলিয়ে দিয়ে শুয়ে আছে। ললিতাকে খুব মনে পরছে আজ। খাবারও তেমন ইচ্ছা নেয়।
পর্দা সরিয়ে মফিজ ঘরে ঢুকে জিজ্ঞাসা করে-
– -অসময়ে শুয়ে আছিস যে।
তিমির বিছানায় উঠে বসে। মফিজের পেছনে আরও দু’জন বন্ধু। আগে কখনও দেখেনি। তিমিরের সাথে নতুন পরিচয়। মাথার চুলগুলো এলোমেলো। মনে হচ্ছে চিরুনীর কাজটা হাতে সাড়া হয়। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। ক’দিন শেভ করা হয়নি। পরনে জিন্স প্যান্ট আর টি শার্ট। একজনের গলায় মোটা চেইন। অনেকটা লোহার শিকলের মত। চোখ দু’টো উদাসীন। একজন সহাস্যে বলল-
– অসময়ে বিরক্ত করতে এলাম। কিছু মনে করবেন না বলে দুজনেই চৌকির একপাশে বসল।
– না, আর বিরক্ত কি। আমারও মনটা ভালো নেই। বরং কিছুক্ষন বসে গল্প করা যাবে। ভদ্রতার সহিত বলল-
– বসুন।
মফিজ চেয়ারটা টেনে বলল,
– অনন্তদা ফেরেনি।
– না।
– তোর সাথে তো পরিচয় হয়নি। ওরা আমার বন্ধু। একজন হ্যান্ডশেক করে বলল-মামুন। অন্যজন সোহেল।
– কি খাবি বল । তিমির মফিজের দিকে তাকিয়ে বলল।
– কিছু না। তোকে একটু ডিসটার্ব করতে এলাম। কোথাও জায়গা পাচ্ছিনা। শালার সব বাসা গুলো হাউজফুল।
– তোদের বাসায় আবার কে এলো।
– বড় খালা খালুজান।
– শারমিন আসেনি। তিমির কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞাসা করল।
– না। আসলে কি আর এখানে বসে থাকতাম।
– ওসব ভাসা ভাসা প্রেম বাদ দে। কোন লাভ নেয়। পারলে বিয়ে করে ফেল। মামুন কথা বলল।
– শালা। বলছিসতো বিয়ে করতে। খাওয়াবো কি। বাদ দে ওসব। মফিজ তিমিরের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করে দোস্ত চলবে তো।
– কি।
– তুইতো আবার সাধু মহাপুরুষ। ওসব খাস না।
– তুইও কি আজকাল ওসব খাচ্ছিস নাকি ? জানতাম না তো। তিমির অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করে।
– হ্যাঁ। খাচ্ছি-ই তো। মফিজ কুন্ঠাহীনভাবে জবাব দেয়।
তিমির আর কিছুই বলতে পারলো না। বালিশের নীচে থেকে ষ্টার সিগারেটের প্যাকেটটা বের করে বলল,
– সস্তাদামী সিগারেট। অসুবিধা নেই তো।
মামুন হাত বাড়িয়ে প্যাকেটটা নিয়ে বলল-
– এই বয়সে অসুবিধা বলে কিছু নেয়। আপনি খাবেন না।
– এই মাত্র খেয়েছি।
– নেন একটা। মামুন প্যাকেট থেকে বেনসন বের করে একটা এগিয়ে দিল।
তিনজনের মুখেই সিগারেট। ধোঁয়াগুলো জমাট বেঁধে আছে। এক কামড়ার ঘর। কোন জানালা নেয়। উপরে চালের সাথে দু’টো ছোট ভেন্টিলেটর। তাতে যেটুকু আলো বাতাস আসা যাওয়া করে। দরজা বন্ধ করলে দম বন্ধ হয়ে আসে। প্রথম প্রথম খুব কষ্ট হয়েছিল। এখন অভ্যাস হয়ে গেছে। মাসের পাঁচ তারিখের মধ্যে পাঁচশো টাকা গুনে দিতে হয় জমিদারকে। নয়তো বলে বাসা ছেড়ে দাও। ব্যাচেলর পোলা পাইনের অভাব নাই।
সোহেল একটা বিশেষ ভঙ্গিতে সিগারেটের ছাইটা মেঝেতে ঝেড়ে ফেলে চাপা গলায় বলল-
– মামুন, আজকের অপারেশনটা।
– দশটার পর।
– ফিফটি ফিফটি। মফিজ বলল।
– এনি প্রবলেম। মামুন গম্ভীর গলায় বলল।
তিমির এসব কথাবার্তা যতটা ধারনা করতে পারছে ততটা বিশ্বাস করতে পারছে না। মফিজ অনেকবার বলেছে-
– কি হবে এসব টিউশানি দিয়ে। কোন সামাজিক স্বীকৃতি আছে। চাকরী যখন হচ্ছে না, বসে থেকে কারও বোঝা হয়ে লাভ কি। কিছু একটা তো করতে হবে। সেটা ভালো হোক আর মন্দ হোক। একজন শিক্ষিত বেকার যুবক যখন সৎ ভাবে বাঁচতে চায়, তখন সমাজ উপহাস করে। আর যখন লাঠি নিয়ে দাঁড়ায় তখন সালাম করে, বুঝলি।
– বুঝছি। কথাটা একেবারে মিথ্যা নয়। বিবেক বলে কথা। নিজেকে অপরাধী মনে হয়। মনে হয় এ অন্যায়, এ অপরাধ। তিমির দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল।
– তিমির। তুই অপরাধ বলছিস কাকে। যারা আমাদের দিয়ে এসব করায় তাদের কাছে সেটা একান্তই গর্বের। তুই দেখিসনি একজন রাজনীতিবিদ কিভাবে একজন ছাত্রের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়? নয়তো একজন খুনী কিভাবে জেল থেকে বেকসুর খালাস পেয়ে যায়।
– কিন্তু যে খুনি সে আগে থেকেই ছাড়া পাওয়ার পথ তৈরী করে রাখে। প্রতিবাদ করল মফিজ।
– ভুল বললি। এ পৃথিবীতে খুনিদেরও কদর আছে। তোর আমার মত বেকারের কোন কদর নেয়। জাত খুনিরা জেল থেকে ছাড়পত্র পায়। এবং সেটা বড় ভাইদের অদৃশ্য ইঙ্গিতে। বড় ভাইয়েরা তাদের ব্যবহার করে। নিরপরাধ যুবকদের দিয়ে স্বার্থ হাছিল করে নেয়। আর ত্ইু বলছিস অন্যায়, অপরাধ। মফিজ ব্যাঙ্গ করে হাসল।

মফিজের চোখে মুখে নিষ্ঠুুরতা খেলা করছে। স্বাভাবিক জীবন যেন সে আর চায় না। এ জীবন দুর্বিসহ।
পরিবারের বড় ছেলে মফিজ। পাশ করে চাকরীর জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছিল। সেই সময় বাবা মারা যায়। টাকার অভাবে ভালো চিকিৎসা করাতে পারে নি। তারপর থেকে জীবনের গতি পাল্টে যায়। কেউ সদুপদেশ দিলে হেসে উড়িয়ে দেয়। তারপর কাঁপা কাঁপা গলায় বলে-আমি তো কারও দয়া চায়নি। একটা চাকরি চেয়েছিলাম। সেদিন আমার আয় থাকলে আমার বাবা এত তাড়াতাড়ি মরতো না। অন্ততঃ আরও কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখতে পারতাম। একজন ছেলের কাছে এর চেয়ে দুঃখের আর কি হতে পারে।
সেই মফিজ এখন দু’ঠোটের ফাঁকে বেনসান হেজাজ লাগিয়ে কথা বলে। সামান্য পুরানো পোষাকে তার মন ভরে না। সবসময় নতুন পোষাক চাই। নিত্য নতুন দামী জুতা না হলে মনে হয় পথ চলতে বেমানান। আর সে কি না বলে বিয়ে করে বউকে খাওয়াবো কি।
অথচ সে জায়গায় তিমিরকে ভাবতে হচ্ছে এ মাসের বেতন পেলে মূল্যহ্রাস থেকে একজোড়া বাটা জুতা নিতে হবে। জুতোটা অনেকদিন টিকে। জুতোর তলাটা ক্ষয়ে গেছে অনেকদিন। আর সাড়ানো যাচ্ছে না। নয়তো নতুন রাবার সোল লাগাতে হবে। অফিস আদালতে গেলে একটা ষ্ট্যান্ডার্ট বজায় রাখতে হয়। নয়তো বড় কর্তাদের পছন্দ হয় না। নিজের হাতে সেলাই করা শার্টের বোতামগুলো কেমন বিশ্রি দেখায়। স্যান্ডেল পরে অফিসে যেতে কেমন লাগে। একজোড়া সু হলে ভালো হয়। দরজার সামনে একটা পাপোষ দরকার। ছালার চট দিয়ে আর চলে না। ভালো একটা শেভিং রেজার দরকার। আরও টুকি টাকি নিজের জন্য কত কি প্রয়োজন।

মফিজ এসব দেখে প্রায়ই বিদ্রুপ করে।
তিমিরের ইচ্ছা করে জীবনটাকে পাল্টাতে। অন্য রকম একটা জীবন হাতছানি দেয়। যে জীবনের নিরাপত্তা নেয় অথছ সাময়িক নিশ্চয়তা আছে। যে কোন মুহুর্তে যে কোন রকম অঘটন ঘটে যেতে পারে। তার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। ভীষন ভয় হয়। তখন হয়তো আর ভোরের পাখির গান শোনা যাবে না।
এখনও যৌবন আছে। উদ্দামতা ফুরিয়ে যায় নি।

কোমল মনটাকে যে কোন মুহুর্তে পাষান করা যায়। অথচ কিছুতেই সত্য আর ন্যায়ের বিরুদ্ধাচরন করতে পারে না। যে যুবক রাতে শরৎ কাহিনী আর জীবনানন্দের কবিতা না পড়লে ঘুমাতে পারে না সে কি করে এত নিষ্ঠুর হতে পারবে। বিবেকের সাথে যুদ্ধ করে কিভাবে নির্ঘুম রাত কাটাবে।

সোহেল প্যান্টের পকেট থেকে দু’টো ঔষধের শিশি বের করে টেবিলের উপর রাখে। লাল লেভেল করা শিশিগুলো আকারে খুব বড় নয়। তিমির বুঝতে পারে এগুলো ফেনসিডিল। স্থানীয় ভাষায় ডাইল। গাঁজার সিগারেটকে বলে সলিতন।

মফিজ দরজাটা ভিজিয়ে দেয়। তিমিরের ভালো লাগছে না। বাসায় এরকম কখনও বসা হয়নি। কিছু বলতেও পারছে না। অনন্তদা থাকলে কোন ভাবে ম্যানেজ করে নিত। নতুন বন্ধুদেরও তেমন কোন সংকোচ বোধ হচ্ছে বলে মনে হয় না। মফিজ একটা শিশি হাতে নেয়। ছিপি খুলে কিছুটা মুখে ঢেলে দেয়। তারপর মামুন। ঢোক গিলে শিশিটা সোহেলকে দিতে যাচ্ছিল। কি ভেবে তিমিরের দিকে ফিরে হাত বাড়িয়ে বলল-নিন।
– থ্যাংকস ভাই। আমার অভ্যাস নেই। তিমির একটা বেনসন সিগারেট জ্বালায়।

তিমিরের লোভ হয়। একবার খেয়ে দেখলে কেমন হয়। ক্ষতি কি। আমি তো আর নিয়মিত খাচ্ছি না। তাছাড়া স্বাদটাও বুঝা যাবে। মামুন বিলম্ব না করে সোহেলের হাতে দেয় শিশিটা। সোহেল লুফে নিয়ে বাকীটুকু এক ঢোকে শেষ করে। এই শিশিটা শেষ। বাকী শিশিটাও মফিজকে দিয়ে শুরু। একই ভাবে শিশিটা শেষ হয়। ওদের চোখ গুলো ক্রমশঃ লাল হয়ে আসছে। হিংস্রতার ছাপ ফুটে উঠছে।
বাবার কথা মনে পরে তিমিরের। বাবা প্রায়ই বলতেন-সৎ ভাবে জীবন যাপন করলে তাকে কখনও কষ্ট পেতে হয় না। কিন্ত এই যে বেকারত্বের কষ্টটা তিমির বাবাকে বুঝাবে কি করে।

মফিজ পকেট থেকে বেনসানের নতুন প্যাকেট বের করে। আবারও সবাই সিগারেট ধরায়। সোহেল আবার সময়টা মনে করিয়ে দেয়। দশটা বেজে গেছে। মামুন উঠে দাড়িয়ে বলল-আজ চলি ভাই। ডিস্টার্ভ করলাম। তিমির আচ্ছা বলে বন্ধুদের বিদায় দিল। ওরা সামনের রাস্তা ধরে হেটে যাচ্ছে। পা গুলো টলছে। এলোমেলো পা ফেলছে সবাই।

মাধবপুর গ্রামের নলিনী কাকার কথা মনে পরে। তিমিরের পাশের বাড়ী। একদিন মদ খেয়ে ভর দুপুরে জাল নিয়ে বেরিয়েছিল। চিৎকার করে বলছে পুকুরে নাকি অনেক মাছ। পা দু’টো টলছে। জাল নিয়ে হাটতে পারছে না। এক পা এক হাত বাঁয়ে পরে তো আর এক পা এক হাত ডানে। জালের ভারটাও সইতে পারছিল না। নলিনী কাকা আর পুকুরে জাল ফেলতে পারেনি। পুকুরের পাড়ে বড় একটা কাটা গাছের গুড়ি ছিল। জালটা কোন রকমে সাজিয়ে ঐ গাছের গুড়ির উপর মেরে দিল। ব্যাস। তারপর সে কি আনন্দ। জোরে জোরে টানছে আর চিৎকার করে বলছে—মাছ পরেছে মাছ—বড় রুই মাছ।

পাড়ার বেশ কিছু লোক জড়ো হয়েছে। মহিলারা দেখছে দূর থেকে। কেউ কেউ উস্কে দিয়ে বলল-খুব বড় মাছ গো, খুব বড় মাছ। আরও জোড়ে টানো। নইলে পালিয়ে যাবে। নলিনী কাকার বউ এসে রেগে আগুন। এত লোকের সামনে না গিয়ে পিছন থেকে বলছে-জালটা তো যাচ্ছে। আমার বাপের শ্রাদ্ধ করছে। ওসব ছাই পাশ না খেলে কি হয়। মান সম্মান তো গেল। ছেলে মেয়েরা বড় হয়েছে সে খেয়াল আছে।

নলিনী কাকার মাতাল জবাব। ঐ মাগী—বাপের নাম ধরবি না। আর একবার বলবি তো লাথি মেরে পাছা ভেঙ্গে দেবো। নলিনী কাকার কথা আটকে যাচ্ছিল। মদ মানুষকে কিভাবে অমানুষ করে তোলে। শেষ পর্যন্ত জালের ঘাঁইটা সীসার গুলি সহ গাছের গুড়ির সাথে রয়ে গেল। উপরের চুট্টাটা শুধু হালকা ভাবে টানের সাথে উঠে এলো।

তিমির হাসল। একবার খেয়ে দেখলে মন্দ হতো না। এই নলিনী কাকার দু’বেলা ভাত জুটত না। অথচ মদের পয়সা ঠিকই জুটে যেত। প্রতিদিন এক দু’প্যাগ না হলে নলিনী বাবুর দিন কাটত না।
ওরা চলে যাওয়ার পর তিমির অনেক্ষন বাইরে এস দাড়ায়। খাওয়ার ইচ্ছা নেই মোটেও। রাতের আকাশটা খুব সুন্দর লাগছে। পাশের বাসার অনুপম এসে জিজ্ঞাসা করল-কি ভাই মেহমান এসেছিল মনে হয়। তিমির শুধু হ্যাঁ বলে চুপ করে থাকলো। আকাশে কোন মেঘ নেয়। স্বচ্ছ নীল আকাশ ভরা তারা। এক ফালি চাঁদ আকাশের বুকে উকি মারছে। সপ্তমী বা অষ্টমীর চাঁদ হবে। শহরের কোলাহলটাও ধীরে ধীরে কমে আসছে। আর দাড়িয়ে থাকতে পারছে না। বুকের ব্যাথাটা যেন ক্রমশঃ বাড়ছে।
চলবে……………

৯৪২ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
একজন চাকরিজীবি। অবসরে লেখালেখি। সামাজিক দায়বদ্ধতাও আছে অনেকটা। তারই মধ্যে কিছু বিচ্ছিন্ন ভাবনার যোগফল এই প্রচেষ্টা। ভ্রমন, বই পড়া, গান শোনা প্রিয় শখগুলোর অন্যতম। আপনাদের ভালো লাগা, মন্দ লাগা, পরামর্শ, গঠনমূলক সমালোচনা সবই মন্তব্য হিসাবে পেতে ভালো লাগে। মন্তব্য পেলে আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো অনেক বেশী।
সর্বমোট পোস্ট: ৭০ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৬৯১ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৫-২৮ ০৩:৪৬:৩৪ মিনিটে
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    বাহ বেশ ভাল লাগলো ধারাবাহিক উপন্যাসটি।আগের পর্ব গুলি পড়িনি তবে এখন অবশ্যই পড়ব।

  2. মিলন বনিক মন্তব্যে বলেছেন:

    প্লিজ…পড়ে দেখার অনুরোধ করছি…মন্তব্য পেলে খুব ভালো লাগবে….

  3. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    মিলন ভাই,

    ঈদ মোবারক
    ঈদ ও পূজোর ছুটি কেমন কাঠালেন?

    ভালই তো লিখে যাচ্ছেন।

    ভাল থাকুন ।

  4. মিলন বনিক মন্তব্যে বলেছেন:

    কাশেম ভাই,
    ভালোই..গ্রামের বাড়ীতে ছিলাম…আপনাকেও ঈদ মোবারক…

  5. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    সঙ্গে আছি। চলতে থাকুক।

  6. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগা জানালাম ।
    সাথেই আছি ।

  7. মিলন বনিক মন্তব্যে বলেছেন:

    শান্ত ভাই, খুব ভালো লাগছে…ধন্যবাদ…

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top