Today 14 Aug 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

প্রবঞ্চনা (ধারাবাহিক উপন্যাস-১)

লিখেছেন: জিয়াউল হক | তারিখ: ০১/০৭/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1481বার পড়া হয়েছে।

পথটা সরু। দু’পাশে গাছ-গাছালিতে ঘেরা। দু’তিন জায়গায় তার বক্রতা ঠিক ‌‌’দ’ এর মতো। দৈর্ঘ বেশি নয় বড় সড়কটা পর্যন্ত। তবে প্রস্থে দু’জনের বেশি এক সংগে যাওয়া মুশকিল। তবু গ্রাম থেকে বের হবার একমাত্র পথ।

পাড়ার সর্বশেষ বাড়িটার উঠানে পা দিয়েই সামনে দেখি, সরু পথটার সর্বশেষ বাঁক ঘুরে একটা মেয়ে আসছে এদিকে।লাল রংয়ের সালোয়ার কামিজ পড়া। সবুজের মাঝে লাল রং দৃষ্টি আকর্ষন করে। আসছে লম্বা লম্বা পা ফেলে। যদিও লম্বা পা ফেলে হাঁটা মেয়েদের মানায় না। তবু সে আসছে সারিবদ্ধ সবুজ কিশোর গাছ গুলোকে একের পর এক পিছনে ফেলে।

প্রথমে চিনতে পারিনি। পথের বাঁকটা পেরিয়ে আসার পর চিনতে পারলাম সে ‘জয়ন্তী’।

এক সময় যার ছায়া দেখে চিনতে পারতাম। হাঁটা দেখে চিনতে পারতাম। অনেক দূর থেকে গলার আওয়াজ শুনে চিনতে পারতাম। অথচ তাকে আজ কাছে না এলে চিনতে পারি না। নিজের ভিতকার এই অদ্ভুত পরিবর্তন কি করে সম্ভব হলো সেও এক রহস্য। একবার এক প্রতিবেশি মেয়ের বিয়েতে বরযাত্রীদের সংগে আসা একটি মেয়েকে পিছন থেকে অবিকল জয়ন্তীর মতো বেণী গাঁথা চুল আর বেগুনী রংগের জামা গায়ে দেখে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য পিছন থেকে হাত টেনে ধরে কি বোকাই না সেজেছিলাম ! সে কথা মনে হলে আজও আমার হাসি পায়। লজ্জা পায় ! আসলে তার জন্য সারাক্ষণ আমার মনটা আনচান করতো। দৃষ্টি থাকতো পথে পথে। তার বয়সী কোন মেয়েকে দেখলেই আমার কৌতুহল হতো তাকে আবিস্কার করার।

জয়ন্তী আমাদের গ্রামেরই চৌধুরী পাড়ার এক সাধারন কৃষক পরিবারের মেয়ে।

(চলবে)

১,৫২৬ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
জন্ম : ১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮১ । জন্মস্থান: গাইবান্ধা। লেখাপড়া : বি.এ । বর্তমান পেশা : ব্যবসা। সখ : লেখালেখি করা। প্রিয় লেখক : হুমায়ূন আহমেদ । নিজের এবং পাঠকের বিনোদনের জন্যই লেখালেখি করি। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি মনে করি সাহিত্য লিখে সমাজ পরিবর্তন করা যায় না, নির্মল বিনোদন দেওয়া যায়। যে বিনোদনের ভেতরেই থাকবে সমাজ পরিবর্তনের প্রেরনা। বিনোদনের মধ্য দিয়ে যে প্রেরনা পাওয়া যায়, প্রত্যেক মানুষ জীবনে তাই বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে।
সর্বমোট পোস্ট: ৩০ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১৫৭ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-১৪ ২০:২১:১৩ মিনিটে
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. প্রহেলিকা মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগা রেখে গেলাম।

  2. প্রহেলিকা মন্তব্যে বলেছেন:

    অভিভূত। অনুভুতির সুন্দর প্রকাশ।

  3. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    এক সময় যার ছায়া দেখে চিনতে পারতাম। হাঁটা দেখে চিনতে পারতাম। অনেক দূর থেকে গলার আওয়াজ শুনে চিনতে পারতাম। অথচ তাকে আজ কাছে না এলে চিনতে পারি না। নিজের ভিতকার এই অদ্ভুত পরিবর্তন কি করে সম্ভব হলো সেও এক রহস্য। একবার এক প্রতিবেশি মেয়ের বিয়েতে বরযাত্রীদের সংগে আসা একটি মেয়েকে পিছন থেকে অবিকল জয়ন্তীর মতো বেণী গাঁথা চুল আর বেগুনী রংগের জামা গায়ে দেখে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য পিছন থেকে হাত টেনে ধরে কি বোকাই না সেজেছিলাম ! সে কথা মনে হলে আজও আমার হাসি পায়। লজ্জা পায় ! আসলে তার জন্য সারাক্ষণ আমার মনটা আনচান করতো। দৃষ্টি থাকতো পথে পথে। তার বয়সী কোন মেয়েকে দেখলেই আমার কেৌতুহল হতো তাকে আবিস্কার করার।

    চমত্কার লাগল লিখা জিয়া ভাই। অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।

  4. আহমেদ রব্বানী মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগা জানবেন ভাই।চালিয়ে যান।

  5. সারমিন মুক্তা মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর হয়েছে৤

  6. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব সুন্দর উপস্থাপনা, ভাল লাগা জানিয়ে গেলাম।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top