Today 14 Aug 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

প্রসঙ্গ : বউ শ্বাশুড়ী সম্পর্ক এবং অন্যান্য…

লিখেছেন: এই মেঘ এই রোদ্দুর | তারিখ: ০৩/০১/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1412বার পড়া হয়েছে।

একটা মেয়ে ২৫-৩০ পর্যন্ত বাবা মায়ের বাড়িতে থেকে বড় হয় । যতটুকু আদর যত্ন, মায়া সব ওইখান থেকেই সংগৃহীত । সব মায়া কাটিয়ে সে যখন সম্পূর্ণ অচেনা একটা পরিবেশে এসে  ঠাঁই নেয় স্বভাবতই সেখানে খাপ খাওয়াতে একটু কষ্ট হবে বৈকি । তথাপিও মেয়েরা মায়ের জাত খুব সহজেই তারা পারে সম্পূর্ণ অচেনা একটি পরিবারকে আপন করে নেয় …… । যৌথ ফ্যামিলীতে হয়তো একটু বেশীই কষ্ট হয় খাপ খাওয়াতে । সবার মন মানসিকতা সমান হয় না । তারপরও স্বামীর সংসার আঁকড়ে পড়ে থাকেন ।

কিন্তু অনেক ফ্যামিলীতে দেখা যায় মা বাবা থাকেন গ্রামের বাড়িতে । তার পাঁচ ছয়টি ছেলে ঢাকায় বড় চাকুরী করার সুবাদে ঢাকা থাকেন তাদের ফ্যামিলী নিয়ে । আর মা বাবা পূর্ব পুরুষের ভিটা মাটি আঁকড়ে কষ্টেসৃষ্টে গ্রামের বাড়ি পড়ে থাকেন অবহেলায় ।

আর এদিকে ছেলের বউরা থাকেন তার স্ট্যাটাস সমাজ, ছেলেমেয়ের পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত ।

…… মা বাবা তার আদরের ছেলে সন্তানদের কষ্ট করে মানুষ করেন তার ছেলের উজ্জল ভবিষ্যতের আশায় । আর আশা শুধুই গুরে বালিতে পরিণত হয় । সবাই উচ্চ শিক্ষা নিয়ে শহরে চলে আসে চাকুরী নিয়ে । আর মা বাবা পড়ে থাকেন অবহেলায় । এই হল আমাদের ছেলে সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত ।

যাই হোক লেখা এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে । যাক ব্যপার না ………
এলোমেলো ভাবনা থেকেই লেখার সৃষ্টি…

**************
গ্রামের বাড়ি থেকে মা আসছেন শহরে ডাক্তার দেখাতে । তার আদরের বউমা তার শ্বাশুড়ি বলতেছেন… মা আপনি আসলেন আর দেখেন ঘরে বাজার টাজার কিছুই নাই । কি যে রান্না করব বুঝতেছি না ।
-ফ্রিজে দেখলাম মাংস আছে আর মাছও আছে । যা হয় একটা রেধে নাও
-না মা, এগুলো সব পাশের বাসার ওরা রেখে গেছে আমাদের ফ্রিজে ।
-আচ্ছা তোমার যা ইচ্ছা কর মা…… আমার একটা হলেই হবে
পাশে থাকা নাতি তার দাদুকে বলছে দাদু, মা মিথ্যা বলছে আমাদের ফ্রিজে কেউ কোনদিন কিছুই রাখে না । এসবই আমাদের ।

*************
মা আসছেন কয়দিন ঢাকা থাকবেন বলে । বয়স ৬০/৬৫ । তার বউমা পাতে তুলে দিচ্ছেন এক টুকরা হাড় ।
-আমার তো দাত নাই মা, খেতে পারবো না
-চিবিয়ে খেতে হবে না চুষে খান ।
কয়দিন থাকতে না থাকতেই বিরক্তি চরম পর্যায়ে । বাচ্চাদের পড়াশুনা নষ্ট হচ্ছে । ঘরে থাকার জায়গা নাই । হেন তেন আরো কত কিছু ।

**********
এক মা গ্রাম থেকে এসেছেন ছেলের বাসায় । ছেলের বউ বাসায় রান্না করছে পোলাও আর সাথে বেগুন দিয়ে মাংস ।
খেতে বসে তার ছেলেই মুখে ভাত তুলছে না । কারণ কি জানতে চাইলে বলে আমাদের বাসায় তো কখনো পোলাওর সাথে বেগুন মাংস খাওয়া হয়নি এরকম খাবার খাব কিভাবে?

*************
দেশের বাড়ি থেকে বুড়ো মাকে তার ছেলেই আদর করে নিয়ে এসেছে কয়দিন থাকবে বলে । তাই বলে তার ব্যবহৃত সব জিনিসই আলাদা ? প্লেট, গ্লাস সবই আলাদা । থাকার জায়গাও স্টোর রুমে ছোট খাট ফেলে । হায়রে কষ্টে বড় করা ছেলে । সে থাকবে এসি রুমে । মা থাকবে গরমে চিপা রুমে ।

***********
দেশের বাড়ি থেকে আসা বুড়ো মা এসেছেন কয়দিন ঢাকা শহর দেখবেন বলে । তাই বলে কি তাকে বসে খেতে হবে নাকি?
ছেলের বউ তার বাচ্চাদেরকে কোচিং এ নিয়ে যাবে আর শ্বাশুড়ী ভাত তরকারী রান্না করবেন । বাহিরের কাপড় এনে ভাজ করবেন আর ঘর ঝাড় দিবেন । কাজের বুয়া দেশে গেছে । কয়দিন বাসায় কাজের মানুষ নাই । এসব আদরের ছেলের মাকে বুঝতে হবে ।

*********
ছেলের বউয়ের মা এসেছে বেড়াতে তার মেয়ের বাসায় । কি হুলস্থুল কান্ড!!!!!! বাজার করতে হবে ব্যাগ ভর্তি । রান্না ঘর বুঝাই দেয়া মাছ মাংস সবজি দিয়ে ।
তার মা কি কি পছন্দ করেন তার তালিকা ইতিমধ্যে রেডি হয়ে গেছে । অপরপক্ষে ছেলের মা আসলে ছেলের বউয়ের মুখের কথা বন্ধ তার স্বামীর সাথে । কয়দিন থাকবেন যাবেন কোনদিন? বাসায় বাচ্চাদের নিয়ে সমস্যা হচ্ছে এ নিয়ে স্বামীর সাথে ঝগড়া লেগেই থাকে ।

একটা মেয়েই সব কিছু পারে…… একটা সংসারে সুখ দুখে সঙ্গী হয়ে থাকতে । সবার মাঝে আনন্দ কষ্ট ভাগাভাগি করতে ।
যে মেয়ে তার শ্বাশুড়ীর সাথে এমন ব্যবহার করছে/করে তারও কিন্তু একটা/দুইটা ছেলে আছে এবং সেও শ্বাশুড়ী হবে একদিন । সে এমন ব্যবহারই কিন্তু পাবে । দুনিয়া হচ্ছে ধার উদ্ধারের জায়গা ।

আসলে আজ লেখাটি এলোমেলো হওয়ার কারণ লিখতে বসেছি আর একটু পর পর আপারা আইস্যা কাছে বসে গল্প জুড়ে দিছে আর ডিপার্টমেন্টে ১৫২ জন এডি জয়েন করতেছে । পুরাই হযবরল অবস্থা । পুরা ডিপার্টমেন্ট গম গম করতেছে ।
অনেকগুলো পয়েন্ট মাথায় নিয়ে লিখা আর হল না । সব ভুলে গেছি । মনে হলে আবারও লিখে ফেলব ।

এতো গেলো মেয়েদের স্বার্থপরতা । এর মধ্যে অনেক শ্বাশুড়ীও আছেন যারা বউদের জ্বালিয়ে পুড়িয়ে জীবন ত্যানাত্যানা করে দিতেছেন আবার অনেক বজ্জাত জামাই আছে যারা বউকে সম্মান করে না । নিজের মারে সম্মান দেয় আর বউয়ের মারে দেখতেও পারে না । আজব আমাদের সমাজ আজব আমাদের  মনমানসিকতা ।

যাই হোক ভুল ত্রুটি মার্জনীয় ।

১,৪৯৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমি খুবই সাধারণ একজন মানুষ । জব করি বাংলাদেশ ব্যাংকে । নেটে আগমন ২০১০ সালে । তখন থেকেই বিশ্ব ঘুরে বেড়াই । যেন মনে হয় বিশ্ব আমার হাতের মুঠোয় । আমার দুই ছেলে তা-সীন+তা-মীম ==================== আমি আসলে লেখিকা নই, হতেও চাই না আমি জানি আমার লেখাগুলোও তেমন মানসম্মত না তবুও লিখে যাই শুধু সবার সাথে থাকার জন্য । আর আমার ভিতরে এত শব্দের ভান্ডারও নেই সহজ সরল ভাষায় দৈনন্দিন ঘটনা বা নিজের অনুভূতি অথবা কল্পনার জাল বুনে লিখে ফেলি যা তা । যা হয়ে যায় অকবিতা । তবুও আপনাদের ভাল লাগলে আমার কাছে এটা অনেক বড় পাওয়া । আমি মানুষ ভালবাসি । মানুষকে দেখে যাই । তাদের অনুভূতিগুলো বুঝতে চেষ্টা করি । সব কিছুতেই সুন্দর খুঁজি । ভয়ংকরে সুন্দর খুঁজি । পেয়েও যাই । আমি বৃষ্টি ভালবাসি.........প্রকৃতি ভালবাসি, গান শুনতে ভালবাসি........ ছবি তুলতে ভালবাসি........ ক্যামেরা অলটাইম সাথেই থাকে । ক্লিকাই ক্লিকাই ক্লিকাইয়া যাই যা দেখি বা যা সুন্দর লাগে আমার চোখে । কবিতা শুনতে দারুন লাগে........নদীর পাড়, সমুদ্রের ঢেউ (যদিও সমুদ্র দেখিনি), সবুজ..........প্রকৃতি, আমাকে অনেক টানে,,,,,,,,,আমি সব কিছুতেই সুন্দর খুজি.........পৃথিবীর সব মানুষকে বিশ্বাস করি, ভালবাসি । লিখি........লিখতেই থাকি লিখতেই থাকি কিন্তু কোন আগামাথা নাই..........সহজ শব্দে সব এলোমেলো লেখা..........আমি আউলা ঝাউলা আমার লেখাও আউলা ঝাউলা ...................... ======================== এটা হলো ফেইসবুকের কথা........ ========================== কেউ এড বা চ্যাট করার সময় ইনফো দেখে নিবেন এবং কথা বলবেন...........আর আইস্যাই খালাম্মা বলে ডাকবেন না । পোলার মা হইছি বইল্যা খালাম্মা নট এলাউড......... ================ এই পৃথিবী যেমন আছে ঠিক তেমনি রবে সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে ======================= কিছু মুহূর্ত একটু ভালোবাসার স্পর্শ চিত্তে পিয়াসা জাগায় বারবার এই নিদারুণ হর্ষ ....... ছB ========================= এই হলাম আমি........ =================
সর্বমোট পোস্ট: ৬৩৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৯০০৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-১৫ ০৪:৫২:৪০ মিনিটে
banner

১২ টি মন্তব্য

  1. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    আসলে দেখা যায় মেয়েরাই মেয়েদের বেশী ক্ষতি করে,
    শ্বাশুরী আর মায়ের মধ্যে তফাৎ করা অনুচিৎ।

  2. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    বউ শ্বাশুড়ীর সম্পর্ক আরো উন্নত হওয়া উচিত

  3. সাঈদ চৌধুরী মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লিখেছেন । পরিবারে মূল্যবোধের শিক্ষা চর্চাই হতে পারে বড় সফলতা । ধণ্যবাদ ।

  4. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    বেশ ভাল লিখেছেন । কিন্তু কে বুঝাবে এদেশের বউ শ্বাশুড়ীদের । আপনার লেখাটি পড়ে যদি কিঞ্চিৎ
    জ্ঞান ও ফিরে । শুভ কামনা ।

  5. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    বউ শ্বাশুড়ী দ্বন্ধ অভিজ্ঞতায় শোনা দেখা ।আসলে হয়তবা সব সম্পর্কে থাকে কিছুটা ভূল বোঝাবোঝি দ্বন্ধ।সবাই এভাবে ভাবি যে যার জয়গায় থেকে সঠিকভাবে তার দায়িত্ব পালন করলে সমস্যার উদ্ভব হয়না।ছেলে তার জায়গা থেকে মাকে যথোপযুক্ত সন্মান আর স্ত্রীকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দিলে সম্ভবত সংঘর্ষ এড়ানো যায়।বউকে মনে রাখতে হবে আমি ও একদিন শ্বাশুড়ী হব আর শ্বাশুড়ী মনে রাখবে আমার মেয়ে আরেকজনের সংসারে আছে।আমি যদি বউ এর যত্ন ঠিকমত না করি তবে আমার মেয়ে শ্বশুর বাড়ীতে সেই আদর পাবেনা।

    ভাল লাগল আপনার বউ শ্বাশুড়ীর সম্পর্ক নিয়ে বিশ্লেষনমূলক লেখাটি।ধন্যবাদ।

  6. আঃ হাকিম খান মন্তব্যে বলেছেন:

    বউকে মনে রাখতে হবে আমি ও একদিন শ্বাশুড়ী হব আর শ্বাশুড়ী মনে রাখবে আমার মেয়ে আরেকজনের সংসারে আছে।আমি যদি বউ এর যত্ন ঠিকমত না করি তবে আমার মেয়ে শ্বশুর বাড়ীতে সেই আদর পাবেনা।

    একমত।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top