Today 01 Jul 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

প্রাণের প্রিয়তমা(র্পব-৯)

লিখেছেন: আমির ইশতিয়াক | তারিখ: ২০/০৬/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1302বার পড়া হয়েছে।

(পূর্বে প্রকাশের পর)
সবোর্চ্চ মার্ক পেয়ে সাকিব বি.এসসি পাশ করল। কিছুক্ষণ পূর্বে রেজাল্ট বের হয়। রেজাল্ট পেয়ে সাকিব সোনিয়ার জন্য মিষ্টি নিয়ে আসে। সোনিয়াও রেজাল্টের খরব পেয়ে দ্রুত তার বাসায় চলে আসে।
পাশাপাশি নয়- সামনাসামনি দু’জনে বসে। সাকিব একটা মিষ্টি হাতে নিয়ে বলল, হা কর।
সোনিয়া সাকিবের এই সাফল্যে খুবই গর্বিত। তাই কোন দ্বিধা না করে মিষ্টি খাওয়ার লোভে হা করল। সোনিয়া মনে মনে দাঁতে ঠোঁট কেটে একটা মতলব এঁটে নিল।
সাকিব মিষ্টিটি তার মুখে দিচ্ছে এমন সময় সে মিষ্টিতে কামড় না দিয়ে সাকিবের আঙ্গুলে বসিয়ে দেয় একটা ভালবাসার কামড়।
উহু! বলে সাকিব হেচকা টান দিয়ে হাতটি সরিয়ে নেয়।
সোনিয়া হেসে বলল, ব্যথা পেয়েছ বুঝি?
নাহ্।
তারপর সাকিব নিজেও কয়েকটি মিষ্টি খেল আর সোনিয়াও নিজ হাতে তাকে খাইয়ে দেয়।
সাকিব কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর সোনিয়ার মোলায়েম হাত খানা চেপে ধরে বলল, আচ্ছা সোনিয়া আমাদের প্রেম কি তোমার বাবা জানে?
সোনিয়া বলল, না।
ওনাকে জানানো প্রয়োজন না?
না।
কেন?
কেন এর উত্তর দিতে গেলে অনেক সময় লাগবে। তবে এতটুকু জেনে রাখ আমার বাবা লোকটা খুবই খারাপ। তোমার আমার প্রেম কখনো মেনে নিবেন না। বরং তোমাকে খুন করতেও দ্বিধাবোধ করবে না। তাছাড়া তিনি একজন চরিত্রহীন।
সোনিয়ার মুখে তার বাবা সম্পর্কে শুনে তার গা ছম ছম করতে লাগল। ভয়ে সে বলল, তাহলে এখন উপায়।
ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তোমাকে কখনো আমার বাবার সামনে যেতে হবে না। আমি চাই না তুমি আমার চরিত্রহীন বাবাকে দেখ।
তাহলে কীভাবে কি করব?
কোট ম্যারেজ করব।
এটা কি ঠিক হবে?
ঠিক বেঠিক পড়ে বুঝব। একথা বলেই আবার বলল, সাকিব, কিভাবে আমি এই চরিত্রহীন বাবার সংসারে দিন রাত কাটাচ্ছি তা কি তুমি জান? তুমি তাড়াতাড়ি আমাকে এ আজাব থেকে রক্ষা কর।
ধৈর্য্য ধর। পাশতো করলাম। এখন একটা চাকরী হলেই তোমাকে বিয়ে করবো।
সন্ধ্যা হয়ে গেছে তাই সোনিয়া চলে গেল।
কিছুদিনের মধ্যেই সাকিবের একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরী হয়ে গেল।
চলবে…
প্রাণের প্রিয়তমা(পর্ব-১)পড়ুন।
প্রাণের প্রিয়তমা(পর্ব-২)পড়ুন।
প্রাণের প্রিয়তমা(পর্ব-৩)পড়ুন।
প্রাণের প্রিয়তমা(পর্ব-৪)পড়ুন।
প্রাণের প্রিয়তমা(পর্ব-৫)পড়ুন।
প্রাণের প্রিয়তমা(পর্ব-৬)পড়ুন।
প্রাণের প্রিয়তমা(পর্ব-৭)পড়ুন।
প্রাণের প্রিয়তমা(পর্ব-৮)পড়ুন।

১,৪১৭ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমির ইশতিয়াক ১৯৮০ সালের ৩১ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ধরাভাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা শরীফ হোসেন এবং মা আনোয়ারা বেগম এর বড় সন্তান তিনি। স্ত্রী ইয়াছমিন আমির। এক সন্তান আফরিন সুলতানা আনিকা। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন মায়ের কাছ থেকে। মা-ই তার প্রথম পাঠশালা। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু করেন মাদ্রাসা থেকে আর শেষ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। তিনি লেখালেখির প্রেরণা পেয়েছেন বই পড়ে। তিনি গল্প লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করলেও সাহিত্যের সবগুলো শাখায় তাঁর বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। তাঁর বেশ কয়েকটি প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো- এ জীবন শুধু তোমার জন্য ও প্রাণের প্রিয়তমা। তাছাড়া বেশ কিছু সম্মিলিত সংকলনেও তাঁর গল্প ছাপা হয়েছে। তিনি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় গল্প, কবিতা, ছড়া ও কলাম লিখে যাচ্ছেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্লগে নিজের লেখা শেয়ার করছেন। তিনি লেখালেখি করে বেশ কয়েটি পুরস্কারও পেয়েছেন। তিনি প্রথমে আমির হোসেন নামে লিখতেন। বর্তমানে আমির ইশতিয়াক নামে লিখছেন। বর্তমানে তিনি নরসিংদীতে ব্যবসা করছেন। তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা একজন সফল লেখক হওয়া।
সর্বমোট পোস্ট: ২৪১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৭০৯ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-০৫ ০৭:৪৪:৩৯ মিনিটে
Visit আমির ইশতিয়াক Website.
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. আজিম হোসেন আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল।

  2. কাউছার আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল।

  3. আরিফুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল। চালিয়ে যান অবিরত . . . .

  4. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল। চালিয়ে যান… এই ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন।

  5. এ হুসাইন মিন্টু মন্তব্যে বলেছেন:

    কেউ কেউ পয়েন্টের জন্য মন্তব্য করে, আবার কেউ পড়ে ও বুঝে মন্তব্য করে….আমার মনে হয় শুধু পয়েন্টের জন্য মন্তব্য না করে আমাদের সবার উচিত পড়ে বুঝে শোনে গঠনমূলক মন্তব্য করা,, ধন্যবাদ

  6. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    এ হুসাইন মিন্টু ভাই একমত।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top