Today 30 Nov 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বই পড়া এবং বই মেলা নিয়ে কিছু স্মৃতি কিছু কথা

লিখেছেন: আরজু মূন জারিন | তারিখ: ০৮/০৯/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1486বার পড়া হয়েছে।

বই পড়া বা বই মেলার কথা বলতে গেলে যে  কথা টা প্রথমে চলে আসে তা আমার পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড এর কথা। আমার জন্ম হয়েছে খুব রোমান্টিক আর নভেল পড়ুয়া মা বাবার ঘরে। বাবা একইসঙ্গে ছিলেন যেমন ধার্মিক মনের তেমনি ছিলেন সংস্কৃতি মনা। সকাল এ ফজর নামাজ না পড়লে যেমন শাসন করতেন, তেমনি বিকাল গানের ওস্তাদ এসে আমাদের গান শিখাতো  বাবা মায়ের ইচ্ছেতে। কিনে দিতেন প্রচুর গল্পের বই। সব মহামানব মানবীদের  দের জীবনী যেমন কিনে দিতেন একইসময়ে বাবা মায়ের সাথে বসে উত্তম সুচিত্রার ছবি ও দেখতাম। আমার মাকে দেখতাম সংসার এর সব কাজ শেষ করে রাত তিন টা চার টা পর্যন্ত গল্পের বই পড়তেন ।

 

পরবর্তিতে আমাদের সব ভাই বোনের মধ্যে পর্যায় ক্রমে এই বই পড়ার অভ্যাস চলে এসেছিল। কত রাত পার করে দিয়েছি আমি আর আমার পরের বোন্ বই পড়তে পড়তে । মনে আছে আমার মাস্টার্স পরীক্ষার ইনর্গানিক  কেমিস্ট্রি বই এর ফাকে রেখে দিতাম শীর্ষেন্দু, বাণী বসু এর  বই। আমার বোন্ মেডিকেল  হার্ড পরীক্ষা র প্রফ এর সময় পড়ত  সুনীল এর “সেই সময় ” বুদ্ধ দেব গুহ র “মাধুকরী।

 

সর্ব প্রথম যেই বই টি পড়ি তা ছিল ” লাল পরী নীল্  পরী  ‘ নাম এ ছোটদের রূপকথার বই যা আমি পেয়েছিলাম দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়াকালীন কবিতা আবৃত্তির প্রথম পুরস্কার। আমার দ্বিতীয় বই ছিল “মুসলিম রেনেসায় নজরুল এর অবদান” কোরান আবৃত্তির প্রথম পুরস্কার।

 

শরত্চন্দ্রের ‘পরিনীতা’ ছিল আমার পড়া প্রথম বড়দের বই। তখন পড়ি আমি ক্লাস ফাইভ এ।  পরিনীতা পরে  শেখর এর জন্য বুকের ভিতর হু হু করতে লাগলো। কল্পনায় নিজেকে মনে  হলো ললিতা আমার  প্রাইভেট টিউটর কে মনে হলো শেখর। ঐসময়ে আমাদের চার ভাই বোন্ কে পড়াতে আসতেন একজন হিন্দু শিক্ষক। ওনার নাম ছিল তপন চাটার্জী,পড়তেন ক্লাস টেন এ,আর  আমি ফাইভ এ একেবারে রোমান্টিক  কম্বো যাকে বলে। উনি সবসময় আমাদের বাসায় আসতেন হাতে এক টা লাল গোলাপ নিয়ে। উনি সেই ফুলের গন্ধ শুকতে শুকতে আমাদের পড়াতেন। আমার ললিতা অস্তিত্বে ওনাকে মনে হলো শেখর। একদিন আম্মার একটা শাড়ী পরে চুলে বিনুনি করে স্যারের কাছে পড়তে গেলাম। ওই রাতে স্যারের বেত এর মার খেয়ে আমার  ইচড়ে পাকা প্রেমের ইতি ঘটেছিল। উনি অবশ্য বেত মেরেছিলেন ট্রান্সলেশন ভুল হওয়ার জন্য।

 

এর পরে বই পড়ার সেই যে নেশা হলো সেটা এখন পর্যন্ত আছে। তখন আমাদের দেশের বই এর বাজার ছিল ইন্ডিয়ান রাইটার দের দখলে। ক্রমে আমার আম্মার কালেকশন এ সব বই আশুতোষ,,ফাল্গুনী, নিহার রঞ্জন, এমনকি দস্যু বনহুর পড়ে শেষ করতে লাগলাম। দস্যু বনহুর এর সাথে ঘোড়ায় চড়ে মাস্ক পরে অভিযান এ  বের হতাম কল্পনায়। সবচেয়ে স্মরণীয় যে সময়টা আমার বই পড়া বা বই মেলা ৮৯ অথবা  ৯০ সম্ভবত ,সন  টা ঠিক মনে করতে পারছিনা। তার আগে প্রথম বাংলদেশী রাইটার এর  বই পড়েছিলাম হুমায়ুন আহমেদ এর  শঙ্খ নীল্ কারাগার,শহীদুল্লাহ কায়সার এর সংসপ্তক, জাহির রায়হান এর হাজার বছর ধরে।

 

তখন  ও শারদীয়া পূজা সংখা, আনন্দ বাজার,আনন্দ লোক,সবাই বেশি পড়লে ও ঈদ এর সময় আসলে  একই সঙ্গে দেশের পত্রিকা বিচিত্রা কিনতাম আগ্রহ নিয়ে।.হুমায়ুন আহমেদ, শামসুল হক,,জসিম মল্লিক,মইনুল  আহসান সাবের এরা ক্রমে বাংলাদেশী বই এর বাজার এত ভালো করলো আমরা ক্রমে বাংলাদেশী রাইটার এর বই এর দিকে বেশি ঝুকে গেলাম। সবসময় শীর্ষেন্দু এর বই না পড়ে তখন  হুমায়ুন আহমেদ পড়তাম ,সুনীল না পড়ে জসিম মল্লিক এর বই পড়তাম , সুমিত্রা ভটচার্য না  পড়ে তসলিমা নাসরিন এর বই বেশি পড়তাম ।অর্থাৎ  একটা কম্পারিসন আসতে সুরু করেছিলাম  আমাদের  পাঠকদের  মধ্যে ।মনে হলো আমাদের রাইটার রা বেশ ভালো লিখছে ,তো  আমাদের  মনে এ ভাব চলে আসলো আগে আমার দেশের বই ,পরে অন্য বই। এইভাবে আমাদের রাইটার রা অনেক  বেশি জনপ্রিয় হয়ে পড়ে আর  প্রবল আগ্রহে ঝুকে পড়ি বই মেলার দিকে। বই মেলা মানে বিপুল আয়োজন ব্যাপক উদ্দীপনা। বই মেলা আসলে আনন্দ,,ভালোবাসার স্রোতে ভাসতে থাকা। কোনো কোনো বই মেলায় প্রতিদিন যাওয়া হত,প্রতি দিন কোনো কোনো বই কিনা হত। বই মেলায় এলে সুধু  বাংলাদেশ এর রাইটার এর বই কিনতাম।

 

জীবনের অন্নেষণে একদিন  চলে আসি কানাডায় ২০০৪ এ। প্রথম যে প্লেস এ থাকতে সুরু করি তা হচ্ছে লরেন্স এন্ড ভিক্টোরিয়া পার্ক এ, যেটা আরাবিয়ান দের এরিয়া হিসাবে পরিচিত। ওখানে বাঙালি মাছ ,সিনেমা ,বই কিছু পাওয়া যেতনা। আমার সব প্রিয় গল্পের বই,বাংলা বই আর বাংলা ফুড এর জন্য মন টা হাহাকার করতে লাগলো। আসার বেশ কয়েক মাস পর প্রথম বার এর মত আসলাম ডানফোর্থএ। আহ এসে যে কি ভালো লাগলো। চারিদিকে মনে হলো সেই ঢাকা বাংলাদেশ। দেশের মানুষ ,দেশের মাছ তরকারী,সর্বপরি সব বাংলা নাটক,সিনেমা। কোথাও বাংলা নভেল ,গল্পের বই খুঁজে পেলামনা। আমি জানতামনা কোথায় পাওয়া যায় বাংলা বই। এরপর আরো দুইবার বাসা  চেঞ্জ করার পর ফাইনালি আমি চলে আসি বাঙালি অধুষিত ডান ফোর্থ এর নিকটস্থ টিস ডেল এ বর্তমানে আমি যেখানে আছি। এখানে এক বাঙালী ভাবী র কাছে শুনলাম অন্যমেলা বুক ষ্টোর এবং সাদী ভাই এর কথা। .সঙ্গে সঙ্গে চলে আসি ওনার বই এর দোকানে  বই কিনার জন্য। ওনার কাছে শুনলাম টরন্টো বই মেলার কথা। শুনে আমি খুব উত্তেজিত। সেবার প্রথম গেলাম বই মেলায় টরন্টো আসার পর। এটা সত্যি বাংলাদেশ এর মত ব্যাপক আকারে বই মেলা করা সম্ভব হয়না নানারকম সীমাবদ্ধতা আর প্রতিবন্ধকতার কারণে। মেলায় জড়িত সবার মধ্যে  টেনশন কাজ করে স্পন্সর নিয়ে,টাকা পয়সা র অপ্রতুলতা  নিয়ে। তারপর ও  বই মেলা বলে কথা। বছর এর দিনে অধীর আগ্রহ নিয়ে সবাই অপেক্ষা করি আমাদের প্রানের আনন্দ,মনের অনন্দ আর আত্মার খোরাক এর জন্য। অনেক সীমাবদ্দতার মধ্যে প্রতিবার প্রানের বইমেলা কে খুঁজে পাই এই সুদুর পরবাসে থেকে। সেইজন্য ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার অন্নমেলার কর্ণধার এবং বই মেলার সঙ্গে জড়িত আর সকল কলাকুশলীরা।.আমার হৃদয়ের অন্তরস্থল থেকে জানাই অসীম  কৃতজ্ঞতা বইমেলার সঙ্গে জড়িত সকল কলাকুশলীদের প্রতি বছর সফল বইমেলা উপহার দেওয়ার জন্য। আশা করছি এবার ও সমপরিমাণ সফল হবে টরন্টো বইমেলা। আসুন  সকলে শ্লোগান মুখরিত হয়ে বলি “সফল হোক সপ্তম টরন্টো বইমেলা।

,

১,৬১৬ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে বললে সবসময় বিব্রত বোধ করি। ঠিক কতটুকু বললে শোভন হবে তা বুঝতে পারিনা । আমার স্বভাব চরিত্র নিয়ে বলা যায়। আমি খুব আশাবাদী একজন মানুষ জীবন, সমাজ পরিবার সম্পর্কে। কখনো হাল ছেড়ে দেইনা। কোনো কাজ শুরু করলে শত বাধা বিঘ্ন আসলেও তা থেকে বিচ্যুত হইনা। ফলাফল পসিটিভ অথবা নেগেটিভ যাই হোক শেষ পর্যন্ত কোন কাজ এ টিকে থাকি। জীবন দর্শন" যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ " লিখালিখির মূল উদ্দেশ্যে অন্যকে ভাল জীবনের সন্ধান পেতে সাহায্য করা। মানুষ যেন ভাবে তার জীবন সম্পর্কে ,তার কতটুকু করনীয় , সমাজ পরিবারে তার দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানুষের মনে তৈরী করতে চাই সচেতনার বোধ ,মূল্যবোধ আধ্যাতিকতার বোধ। লিখালিখি দিয়ে সমাজে বিপ্লব ঘটাতে চাই। আমি লিখি এ যেমন এখন আমার কাছে অবাস্তব ,আপনজনের কাছে ও তাই। দুবছর হলো লিখালিখি করছি। মূলত জব ছেড়ে যখন ঘরে বসতে বাধ্য হলাম তখন সময় কাটানোর উপকরণ হিসাবে লিখালিখি শুরু। তবে আজ লিখালিখি মনের প্রানের আত্মার খোরাকের মত হয়ে গিয়েছে। নিজে ভালবাসি যেমন লিখতে তেমনি অন্যের লিখা পড়ি সমান ভালবাসায়। শিক্ষাগত যোগ্যতা :রসায়নে স্নাতকোত্তর। বাসস্থান :টরন্টো ,কানাডা।
সর্বমোট পোস্ট: ২২৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৬৮৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৫ ০১:২০:৩৫ মিনিটে
banner

১৪ টি মন্তব্য

  1. তুষার আহসান মন্তব্যে বলেছেন:

    “সর্ব প্রথম যেই বই টি পড়ি তা ছিল ” লাল পরী নীল্ পরী ‘ নাম এ ছোটদের রূপকথার বই যা আমি পেয়েছিলাম দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়াকালীন কবিতা আবৃত্তির প্রথম পুরস্কার। আমার দ্বিতীয় বই ছিল “মুসলিম রেনেসায় নজরুল এর অবদান” কোরান আবৃত্তির প্রথম পুরস্কার।

    দারুন স্মৃতি,নিজের অর্জিত পুরস্কারে,পড়ার সুযোগ।
    শ্রদ্ধা।

  2. তুষার আহসান মন্তব্যে বলেছেন:

    “উনি সেই ফুলের গন্ধ শুকতে শুকতে আমাদের পড়াতেন। আমার ললিতা অস্তিত্বে ওনাকে মনে হলো শেখর। একদিন আম্মার একটা শাড়ী পরে চুলে বিনুনি করে স্যারের কাছে পড়তে গেলাম। ওই রাতে স্যারের বেত এর মার খেয়ে আমার ইচড়ে পাকা প্রেমের ইতি ঘটেছিল। উনি অবশ্য বেত মেরেছিলেন ট্রান্সলেশন ভুল হওয়ার জন্য”
    অকপট সত্য। মজার।
    আহারে!

    ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা জানবেন।

  3. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লেগেছে স্মৃতিচারণমূলক প্রবন্ধ

  4. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা তুষার/শান্ত ভাই আপনাদের মেসেজ এ

  5. এ টি এম মোস্তফা কামাল মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনার বই পড়ার ইতিবৃত্ত পড়ে বেশ ভালো লাগলো। আমিও আপনার সমসাময়িক কালের পাঠক। নীহাররঞ্জন, ফাল্গুনীর বই। বনহুর,বাহরাম,কুয়াশা,মাসুদরানা সিরিজ গিলেছি গোপ্রাসে। সাথে অবশ্য আমাদের ক্লাসিক লেখা যেমন- বঙ্কিম, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎ, মানিক,বিভূতি,মুজতবা আলী,সুকুমার রায়,তারাশংকর,জীবনানন্দ এসবও চলেছে।

    আপনার বর্ণনার সব লেখককে জানি, শুধু জসীম মল্লিককে জানি না।

  6. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    জসিম মল্লিক হুমায়ুন আহমদ ইমদাদুল হক মিলন মইনুল আহসান সাবের আসিফ নজরুল এরা ৯০ থেকে ৯৭ সওমভবত বিসিত্রা উইকলি এগুলোতে নীয়ম করে লিখত। এরা সবাই তখন জনপ্রিয় সিল। তবে জসিম মল্লিক ইমদাদুল হক মিলন একটু ভালগার লিখত।মইনুল আহসান সাবের আসিফ নজরুল লিখত কিসুটা রাজনীতি ঘেষা সিরিয়াস লিখা। তবে এদের মধ্যে হুমায়ুন আহমেদ বেশি জনপ্রিয় হওয়ায় সবাই তার বই বেশি কিনত ।টরন্টো তে জসিম মল্লিক ওনার আটলান্টিক পরের উপাখ্যান অনেক জনপ্রিয় বই। উনি এখানে টরন্টো বই মেলার সাথে জড়িত । আমারএ লিখা টা বই মেলার জন্য লিখা।
    আপনি সম্ভবত ঈদ সংখা বিসিত্রা পড়তেন না তাইনা। যাই হোক আপনাকে মত প্রকাশের জন্য অনেক ধন্যবাদ মোস্তফা ভাই আপনি অনেক ভালো লিখেন আপনার জন্য অনেক শুভকামনা ।

  7. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    আর ও পড়ুন
    পড়তে পড়তে শিখুন

    • আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

      জি ভাই
      বেশি বেশি করে পড়ব
      বেশি বেশি করে শিখব।
      পড়া আর শিখা র
      নাই কোন শেষ।

      সুকুমার রায়ের এই কবিতা টি পড়েছেন ? এটা আমার অসম্ভব প্রিয় একটা কবিতা

      আকাশ আমায় শিক্ষা দিল উদার হতে ভাই রে
      কর্মী হওয়ার মন্ত্র আমি বায়ুর কাছে পাইরে
      পাহাড় শিখায় মৌন মহান
      হই যেন ভাই তার ই সমান।
      ইঙ্গিতে তার শিখায় সাগর
      অন্তর হোক রত্ন আকর

      এই কবিতা টা সুধু যে আমার প্রিয় কবিতা তা নয় এটা আমার জীবন এ পালনকারী দর্শন এর পর্যায়ে চলে গেছে আমি যখন খুব ডাউন ফিল মনের দিক থেকে (স্বাভাবিক আমরা হিউমান কখনো হতাশায় আক্রান্ত হই রাগ হয় ঈর্ষা চলে আসে তখন বারবার এই কবিতা আবৃত্তি করি

      খোলা মাঠে র উপদেশে দিল খোলা হই ভাইরে

      আপনার পড়ার আর শিখার কথা যা বললেন তা আমি এইভাবে দেখি এই কবিতার শেষ দুই লাইন এর মত

      এই বিশ্ব জোড়া পাঠশালা মোর
      সবার আমি ছাত্র
      নুতুন করে সকল জিনিস
      শিখছি দিবারাত্র

      কখনো আমি আপনার কাছে শিখছি আবার কখনো আমার কাছে থেকে শিখবেন
      আপনি ভালো থাকবেন

  8. ওয়াহিদ উদ্দিন মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল বই অমানুষকে মানুষ বানায়। বই সংক্রান্ত পোস্টটি খুব ভাল লাগল।

  9. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ ওয়াহিদ উদ্দিন

  10. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    বই পড়া আমার প্রিয় সখ।

  11. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো বই পড়া নিয়ে লেখা,আমার পড়া ও প্রিয় অনেক বইয়ের নাম পেলাম, বিশেষত মাধুকরী ও পরিণীতার কথা না বললেই নয়।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top