Today 01 Dec 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বর্ষা ঋতু এবং বাংলা সাহিত্য

লিখেছেন: মুহাম্মদ দিদারুল আলম | তারিখ: ২২/০৯/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1935বার পড়া হয়েছে।

বাংলা ঋতু বৈচিত্র্যের এক প্রভাবশালী ঋতু ‘বর্ষা’। আষাঢ়-শ্রাবণ এই দুই মাস বর্ষাকাল। গ্রীষ্মের খরতাপের যন্ত্রণা প্রকৃতিকে যখন অস্থির করে তোলে ঠিক তখনি রিমঝিম বৃষ্টির ফোঁটা নিয়ে আকাশ জুড়ে আসে বর্ষা। আকাশে কালো মেঘ কিংবা কখনো হালকা মেঘের ভেলা পেঁজা পেঁজা তুলোর মতো ভেসে বেড়ায় মাথার ওপর। ঘরবাড়ির আঙিনা আর গাছপালার সবুজ শরীর জুড়ে জমেছিলো যে ধূলোবালি তা নিমেষেই ধুয়ে মুছে নিয়ে গেল বর্ষা। বিবর্ণ হয়ে যাওয়া মাঠের সবুজ ঘাসগুলো ফিরে পেলো প্রাণ। বনে বনে কদম কেয়ার সমাগম ঘটে এ সময়। সবাই খুশিতে উৎফুল্ল হয়ে স্বাগত জানায় বর্ষাকে। থেমে থেমে কখনোবা ঝড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টি এসে ভরে দেয় শুকনো খালবিল। শুকিয়ে চৌচির হয়ে যাওয়া বিস্তীর্ণ মাঠ বৃষ্টির ফোঁটার স্পর্শ পেয়ে সজীব হয়ে ওঠে। ব্যাঙেরা বেরিয়ে আসে গর্ত থেকে। তারা সমস্বরে আহ্বান জানাতে থাকে বর্ষাকে। সুর ওঠে টিনের চালে,গাছের ডালে,পুকুরে। মনে হয় নতুন যৌবন জেগেছে প্রকৃতিতে।
বর্ষার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি আবেগাপ্লুত হন কবি সাহিত্যিকরা। তাদের কলম তখন ছুটে চলে উঁচু পাহাড় থেকে নেমে আসা পরিষ্কার ঝর্ণার মতো। কতো ছন্দে কতো বর্ণনায় কবিরা চিত্রায়িত করেন বর্ষাকে তা তাঁদের রচনা পড়লেই অনুভব করা যায়। আষাঢ়ে গল্পের কথা সবার জানা।
‘মনসা মঙ্গল’ কাব্যের রচয়িতা মহাকবি কালিদাস ‘আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে’ প্রবেশ করেন এক নতুন জগতে। সে জগৎ বর্ষার সকল উপাদান দিয়ে সাজানো। আকাশ সাজে মেঘলা রূপে। মেঘেদের দল ভেসে বেড়ায় বাতাসে। ইচ্ছে হলেই ঝরে পড়ে যখন তখন। নতুন প্রাণের সঞ্চিত রসে ভিজিয়ে দেয় বিবর্ণ প্রকৃতিকে। ধানের ক্ষেতে পানি জমে ঢেউ দুলিয়ে যায়। ঝরে অবিরাম বর্ষার ধারা। এসময় বয়সীরা ছোটদের ঘরে বাইরে যেতে বারণ করেন।
বর্ষার চিত্রকল্প ধরা পড়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুভূতিতে। তিনি লিখেন, ‘নীল নবঘনে আষাঢ় গগণে তিল ঠাঁই আর নাহিরে,/ওগো আজ তোরা যাসনে ঘরের বাহিরে/বাদলের ধারা ঝরে ঝরো-ঝরো,আউষের ক্ষেত জলে ভরো ভরো,/কালিমাখা মেঘে ওপারে আঁধার ঘনায়েছে দেখ চাহিরে/ ওগো আজ তোরা যাসনে ঘরের বাহিরে’। কবিতা ও ছড়ার পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের প্রচুর গানেও বর্ষাকে আমরা দেখতে পাই। বর্ষা এসেছে কবিতায়, গানে, উপন্যাসে, চলচ্চিত্রে, ছড়ায় এবং রূপকথায়। কাব্যিক মনে নতুন ভাব জাগিয়ে তোলে বর্ষা। প্রাচীন কবি জয়দেব এবং তারপর ধারাবাহিকভাবে সকল কবিরাই কম বেশি আবেগ তাড়িত হয়েছেন বর্ষার প্রভাবে। বর্ষার ছোঁয়া কখনও রিমঝিম কখনও কোলাহল কখনও এনে দেয় এক ধরণের নির্জনতা। কেউ কেউ অনুভব করেন অনন্ত বিরহ। আবার কেউবা অনুভব করেন বেদনাবিধূরতা। বৃষ্টি ধারার বিষাদ করুণ সুর কবিকে নিয়ে যায় অন্য এক জগতে। প্রিয়া বিহনে বিরহী কবির মন গেয়ে ওঠে, ‘আমার প্রিয়ার ছায়া আকাশে আজ ভাসে। আমার প্রিয়া ঘন শ্রাবণ ধারায়/আকাশ ছেয়ে মনের কথা হারায়’। কখনও গভীর ভাবাবেগে আপ্লুত হন কবি। ভাবনা তখন এলোমেলো হয়। কবি গেয়ে ওঠেন, ‘আমি কি গান গাবো যে ভেবে না পাই/মেঘলা আকাশে উতলা বাতাসে/খুঁজে বেড়াই (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)। কবি মেঘের রূপ দেখে উতলা হন। প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে তখন কবি অন্য এক ভুবন রচনা করেন।কবি-মন ইচ্ছে মতো ঘুরে বেড়ায় এখানে সেখানে,অসীম শূন্যতায় আকাশে ডানা মেলে পাড়ি দেয় নিঃসীমতায়। গান হয়ে সুরে সুরে বেজে ওঠে,‘মন মোর মেঘের সঙ্গী। উড়ে চলে দিক দিগন্তের পানে/নিঃসীম শূণ্যে/ শ্রাবণ বর্ষণ সঙ্গীতে/রিমিঝিমি রিমিঝিমি রিমিঝিম (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)। কিংবা ‘এমন দিনে তারে বলা যায়/এমন ঘন ঘোর বরিষায়।’
এমন বৃষ্টিঝরা দিনে কবি অনেক কথা বলতে চান। সে কথা মরমের। যিনি বলেন, আর যিনি শোনেন-সে কথা শুধুই দু’জনের। এর বাইরে কথার পংক্তিমালা সাজিয়ে সে অনুভূতি প্রকাশ সম্ভব নয়। শুধুই হৃদয়ের অনুভব। কথা নয় কাজ নয় যেন শুধুই চঞ্চলতা। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কাছেই আসতে হয় বার বার। তাঁর অনুভূতি এরকম-‘আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে/জানিনে জানিনে-কিছুতে যে মন লাগেনা।’ বর্ষার অনুভূতিকে প্রকাশ করতে গিয়ে কবি পাগল হাওয়ার কথা বলেন। বাদল দিনে যে হাওয়া বয় তাকে কবি বলছেন ‘পাগলা হাওয়া’। এই পাগলা হাওয়ার করুণ আবেগে কবি আপ্লুত হন। তাইতো তাঁর লেখায় পাই, ‘পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে/পাগল আমার মন জেগে ওঠে/চেনা জানার কোন বাইরে/সেখানে পথ নাই নাইরে।’ বর্ষা এমনই এক ঋতু যার প্রভাবে মানব মন প্রেমময় রসে ভরে ওঠে। প্রেমিক মন প্রেমিকার সাহচর্য পেতে তখন ব্যাকুল। রবীন্দ্রনাথ ছাড়াও বাঙালি কবিদের অনেকেই তাদের রচনায় বর্ষাকে ফুটিয়ে তুলেছেন সুন্দর মনোরমভাবে। বিদ্রোহী ও প্রেমের কবি কাজী নজরুল ইসলামের বর্ষা বিষয়ক অনুভূতি এরকম ‘বর্ষা ওই এলো বর্ষা/ অঝোর ধারায় জল/ ঝরঝরি অবিরল/ ধূসর নীরস হলো সরসা।’ কবি আরো লিখেন, ‘বধূ আমি ছিনু বুঝি বৃন্দাবনে রাধিকার আঁখি জলে/বাদল সাঁঝে জুঁই ফুল হয়ে আসিয়াছি ধরাতলে।’ এপার বাংলা ওপার বাংলার জীবন্ত কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী ফিরোজা বেগমের গাওয়া এই গান এখনও ভক্ত হৃদয়ে বর্ষার শীতল বারিধারা সিঞ্চন করে চলেছে নিরন্তর। কাজী নজরুল ইসলামের আরও অনেক গানের মধ্যে উল্লেখ করা যায়-‘রিমঝিম রিমঝিম নামিল দেয়া/বুঝি শিহরে কদম বিদরে কেয়া’ কিংবা ‘শাওন আসিল ফিরে সে ফিরে এলো না/বরষা ফুরায়ে গেল আশা তবু গেলোনা’। শাওন রাতে যদি/স্মরণে আসে মোরে/বাহিরে ঝড় বহে/হৃদয়ে বারি ঝরে।’ আজও তন্ময় করে রাখে লক্ষ কোটি শ্রোতার হৃদয়।
ষাটের দশকে ভারতের সঙ্গীত জগতের বিস্ময়; কণ্ঠশিল্পী লতা মুঙ্গেশকারের গাওয়া সেই গান ‘আষাঢ় শ্রাবণ মানেনা তো মন/ঝরো ঝরো ঝোরো ঝরো ঝরেছে/তোমাকে আমার মনে পড়েছে’ আজও চির অমলিন। মঙ্গল কাব্যের অনেক কবিকেই বর্ষার প্রভাব নিয়ে রচনা করতে দেখা যায় কবিতা,ছড়া ইত্যাদি। কবি কালিদাস এভাবে ব্যক্ত করেন তার বর্ষার অনুভূতি,‘হৃদয়ে আজ ঢেউ দিয়েছে খুঁজে না পাই কূল। সৌরভে প্রাণ কাঁদিয়ে তোলে ভিজে বনের ফুল/আঁধার রাতে প্রহরগুলি/কোন সুরে আজ ভরিয়ে তুলি/কোন ভুলে আজ সকল ভুলি হয়ে আছি আকুল’। কবিরা আকুল হবেন এবং আঁধার রাতের প্রহরগুলো সুরে সুরে ভরিয়ে তুলবেন-এমনটি বর্ষার কারণেই। কবির বর্ণনায় বর্ষা সরস করা ঋতু। অবিরল ধারায় বৃষ্টি ঝরিয়ে যাওয়ার ঋতু।
যখন শুনি ‘মুক্ত মালার ছাতা মাথায় বর্ষা এলোরে/সারা গায়ে গোলাপ পানি ছিটিয়ে দিলোরে’ তখন বর্ষার এক আদি চিত্র ভেসে ওঠে চোখের সামনে। কদম ফুল, কেয়া, কাশবন এসে ভীড় জমায় চারিধারে।
কবি গোলাম মোস্তফা বর্ষার অনুভূতি ব্যক্ত করেন এভাবে, ‘আবার আসিল বর্ষা/ আশ্র“ সলিল সরসা/ ঘনাইয়া এলো কাজল মায়া তরু-পল্লব পরশা’।
এছাড়া ষোড়শ শতকের প্রথমার্ধের কবি জ্ঞান দাস, বেগম সুফিয়া কামাল রায় শেখর, বুদ্ধ দেব বসু, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত প্রমুখ কবিদের রচনায় বর্ষার চিত্র প্রাণবন্ত হয়ে ফুটে ওঠেছে।
পল্লী কবি জসীম উদ্দিন বর্ষার চিত্র এঁকেছেন তাঁর অনেক কবিতায়। কবি রচিত ‘সুচয়নী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘পল্লীবর্ষা’ তেমনি একটি হৃদয়কাড়া কবিতা। এখানে বর্ণনা আছে বর্ষায় পল্লী মানুষের জীবন যাত্রার। বর্ষায় এদেশে অনেক অঞ্চলের মানুষের হাতে কাজ থাকেনা। এরা তখন নারী-পুরুষ মিলে দীর্ঘ অবসরকে ভরে তোলে নানা কাজের আনন্দে। অবসরে বসে বসে কেউ রশি পাকায়, কেউ বা খারি চাঁচে, কেউ বাঁশের লাঠিতে ফুল তোলে কেউ কাঠ কেটে সারিন্দা বানায়, ডাববা হুক্কা সাজিয়ে কেউ তখন পাশে বসে গুরুত গুরুত টানে, বধূরা বসে বসে রঙ্গিন কাঁথা বোনে, সে কাঁথায় যে নকশী তারা ফুটিয়ে তোলেন তা বাংলা সাহিত্যে এক বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে।
অদ্বৈতময় বর্মণের কালজয়ী উপন্যাস ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি। তিতাস নদীর পাড়ের জেলেদের সংগ্রামী জীবন নিয়ে এই উপন্যাসটির চিত্ররূপ দিয়েছেন স্বনামধন্য চিত্র পরিচালক ঋত্বিক ঘটক। বাংলাদেশে বর্ষার প্রকৃত রূপের পরিচয় পাওয়া যায় উপন্যাসটি পাঠ করলে ও নির্মিত চলচ্চিত্রটি দেখলে। মানিক বান্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ এমনই একটি মনকাড়া উপন্যাস। এটিরও চলচ্চিত্ররূপ দান করেছেন।
বর্ষা মানে আষাঢ়-শ্রাবণ এই দুই মাস। কিন্তু, বুঝে ওঠা মুশকিল প্রকৃত অর্থে কখন শুরু হয় বর্ষা কিংবা কখন হয় শেষ।
বর্ষা বিচিত্র রূপিনী। একদিকে সে তার বাহারি আকর্ষণীয় রূপ যৌবন আর মন মোহিনী শোভা দিয়ে যেমন মানুষকে আকর্ষণ করে অন্যদিকে ঠেলে দেয় অবর্ণনীয় দুঃখ কষ্টের দিকে। বাংলা সাহিত্যের দুটো রূপই স্পষ্ট। দুঃখ কষ্ট নিয়েই যেহেতু মানুষের জীবন সেহেতু বর্ষাকেও আমরা তেমনি বরণ করব সমানভাবে। শত দুঃখ কষ্ট জরা বুকে নিয়েও আজ আমরা বলব, ‘হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে ময়ুরের মতো নাচেরে/হৃদয় নাচেরে। শত বরণের ভাব উচ্ছ্বাস/কলাপের মতো করেছে বিকাশ/আকুল পরাণ আকাশে চাহিয়া/উল্লাসে কারে যাচেরে। হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে ময়ুরের মতো নাচেরে।’

১,৯২২ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৭৭ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১০১ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৮-২৮ ১১:৫৮:৪৮ মিনিটে
banner

১২ টি মন্তব্য

  1. বিএম বরকতউল্লাহ্ মন্তব্যে বলেছেন:

    খুবই সময়োপযোগী লেখা। পড়ে ভালো লাগল। আমার ধন্যবাদ নিন।

  2. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    ঝড়ে জলে বন্যায়
    ভেসে যাওয়া নদী
    কত দিন যে দেখিনি
    কতদিন……………….।
    মন কাঁদে
    ছুটে যেতে ইচ্ছে করে
    জলের কাছে
    নদীর কাছে
    সোনার দেশে…………….
    একটু বৃষ্টিতে ভিজতে চাই যে মন
    কারো ভেজা শড়ীর আঁচল ধরে ।

    কেন যে এলাম বিদেশে?

  3. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    উপরের কমেন্টটি কে
    কবিতা করে পোস্ট করলাম
    পড়ুন: “আজ বৃষ্টিতে”

  4. এ টি এম মোস্তফা কামাল মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রথমেই শুভেচ্ছা সুন্দর লেখাটির জন্য। বর্ষাকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আমাদের সাহিত্যের পেক্ষাপটে।

    তবে এতে তথ্যগত কিছু ভুল আছে। যেমন “ ‘মনসা মঙ্গল’ কাব্যের রচয়িতা মহাকবি কালিদাস ‘আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে’ প্রবেশ করেন এক নতুন জগতে।”

    মহাকবি কালিদাস মনসামঙ্গল লেখেননি। কালিদাস মেঘদূতম, কুমারসম্ভবম্‌, রঘুবংশম, ঋতুসংহার, শৃঙ্গাররসাষ্টক, শৃঙ্গারতিলক, পুষ্পবাণবিলাস নামক কাব্য, নলোদয় ও দ্বাদশ-পুত্তলিকা নামে দুটি আখ্যানকাব্য এবং অভিজ্ঞানশকুন্তলম্‌, বিক্রমোর্বশীয়ম, মালবিকাগ্নিমিত্রম নামে তিনটি নাটক রচনা করেন। মনসামঙ্গলের আদিকবি কানা হরিদত্ত। এছাড়া বিজয়গুপ্ত, নারায়ন দেব, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, বিপ্রদাস পিপলাই মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন। মহাকবি কালিদাসের মেঘদূতম বর্ষার অনন্য রূপায়নের জন্য বিখ্যাত।

    তবে কোন কোন গুনী বলেছেন, বর্ষার বর্ণনায় রবীন্দ্রনাথ কালিদাসকে অতিক্রম করেছেন।

    সুন্দর লেখাটি উপহার দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

  5. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    অসংখ্য ভাল লাগা জানালাম ।

  6. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    বর্ষা মানে আষাঢ়-শ্রাবণ এই দুই মাস। কিন্তু, বুঝে ওঠা মুশকিল প্রকৃত অর্থে কখন শুরু হয় বর্ষা কিংবা কখন হয় শেষ।
    বর্ষা বিচিত্র রূপিনী।
    সুন্দর লেখা

    ধন্যবাদ।

  7. তুষার আহসান মন্তব্যে বলেছেন:

    আর সেই বরষা নাই,আর সেই ভরসাও নাই।

    লেখায় ভাল লাগা।

  8. তাপসকিরণ রায় মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর,সাবলীল একটি নিবন্ধ পড়লাম–বর্ষার বহুমুখী রূপটি এখানে প্রকাশ পেয়েছে।

  9. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    বর্ষা নিয়ে অনেক কবিই কবিতা লিখেছেন। আমিও লিখেছি।

  10. সাঈদুল আরেফীন মন্তব্যে বলেছেন:

    বর্ষা নিয়ে ছোট্ট পরিসরে সুন্দর সমৃদ্ধ প্রবন্ধ। লেখক অবশ্যই ধন্যবাদ পাবার যোগ্য । শুভেচ্ছাভিনন্দন লেখক মুহাম্মদ দিদারুল আলম।

  11. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    বেশ তথ্যবহুল লেখা
    ভাল লাগল

  12. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো সুন্দর পকাশ

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top