Today 16 Oct 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে বৃক্ষের অবদান অপরিসীম

লিখেছেন: আমির ইশতিয়াক | তারিখ: ১৭/০৬/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1221বার পড়া হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের বৃক্ষরোপণ আন্দোলন অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। যার ফলে গত ১০ বছরে বনজ, ফলজসহ প্রচুর চারা সরকারি ও বেসরকারি ভাবে লাগানো হয়েছে। তবে আমাদের আরো বৃক্ষরোপণ করা উচিত। কারণ বৃক্ষ মানুষের তথা গোটা প্রাণী সমাজের পরম বন্ধু। দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে বৃক্ষের অবদান সবচেয়ে বেশি। বৃক্ষ আমাদেরকে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, আশ্রয়, ফল, ফুলসহ অসংখ্য উপকার করে থাকে। মানব জীবনে বৃক্ষের উপকারিতা অপরিসীম। বৃক্ষ থেকে তৈরি হয় ঘর-বাড়ি, আসবাবপত্র, নৌকা, ট্রাক, স্টীমার, লঞ্চ ইত্যাদি। তাছাড়া কাগজ, রেয়ন, দিয়াশলাই, প্যাকিং বক্স ইত্যাদি শিল্পের কাঁচামাল যোগান দেয় বৃক্ষ। বৃক্ষের কাছে অনেকভাবে আমরা ঋণী। কারণ বৃক্ষ আমাদেরকে জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেন দেয়। বৃক্ষ থেকে আমরা বিভিন্ন প্রকার ঔষধ পাই। আমাদের গ্রামাঞ্চালে জ্বালানি কাজে বৃক্ষের ব্যবহার অত্যাধিক। তাছাড়া পশু পাখির জীবন ধারণ নির্ভর করে বৃক্ষের উপর। বৃক্ষ পরিবেশ, আবহাওয়া ও জলবায়ুর ভারসাম্য বজায় রাখে। বৃক্ষ নদীর ভাঙ্গন থেকে ভূ-ভাগকে রক্ষা করে। মোট কথা বৃক্ষ আমাদের জীবন। বৃক্ষ না থাকলে আমরা এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারতাম না। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবন রক্ষাকারী বৃক্ষকে আমরা নানা কারণে কেটে ফেলছি। প্রাকৃতিক জ্বালানির অভাব, হাজার হাজার ইটের ভাটায় পোড়ানো বিপুল জনগোষ্ঠীর জ্বালানী ও আসবাবপত্রের চাহিদা মেটানো, চোরাচালান প্রভৃতি কারণে বৃক্ষ আমাদের কাছ থেকে উজাড় হতে চলেছে। যেভাবে গাছ কাটা হচ্ছে সেভাবে কিন্তু গাছ লাগানো হচ্ছে না। আমরা অনেকে হয়তো জানি না যে, কোন কারণবশত একটি গাছ কাটলে তার পরিবর্তে তিনটি গাছ লাগাতে হয়। তাই জীবন ধারণ ও জাতীয় স্বার্থে বৃক্ষ সম্পদ রক্ষার্থে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ‘ধবংস নয় সৃষ্টি’ এ মনোবৃত্তি নিয়ে প্রতিটি মানুষকে বনায়ন রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমান দেশের জনসংখ্যার চাপে ফসলের জমি, ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট, কলকারখানা, ব্যবসা, বাণিজ্যক প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। বৃক্ষ হ্রাস পাওয়ার ফলে পশুপাখি, বন্যপ্রাণী আজ বিলুপ্তির পথে।

১,৩৪৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমির ইশতিয়াক ১৯৮০ সালের ৩১ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ধরাভাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা শরীফ হোসেন এবং মা আনোয়ারা বেগম এর বড় সন্তান তিনি। স্ত্রী ইয়াছমিন আমির। এক সন্তান আফরিন সুলতানা আনিকা। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন মায়ের কাছ থেকে। মা-ই তার প্রথম পাঠশালা। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু করেন মাদ্রাসা থেকে আর শেষ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। তিনি লেখালেখির প্রেরণা পেয়েছেন বই পড়ে। তিনি গল্প লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করলেও সাহিত্যের সবগুলো শাখায় তাঁর বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। তাঁর বেশ কয়েকটি প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো- এ জীবন শুধু তোমার জন্য ও প্রাণের প্রিয়তমা। তাছাড়া বেশ কিছু সম্মিলিত সংকলনেও তাঁর গল্প ছাপা হয়েছে। তিনি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় গল্প, কবিতা, ছড়া ও কলাম লিখে যাচ্ছেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্লগে নিজের লেখা শেয়ার করছেন। তিনি লেখালেখি করে বেশ কয়েটি পুরস্কারও পেয়েছেন। তিনি প্রথমে আমির হোসেন নামে লিখতেন। বর্তমানে আমির ইশতিয়াক নামে লিখছেন। বর্তমানে তিনি নরসিংদীতে ব্যবসা করছেন। তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা একজন সফল লেখক হওয়া।
সর্বমোট পোস্ট: ২৪১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৭০৯ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-০৫ ০৭:৪৪:৩৯ মিনিটে
Visit আমির ইশতিয়াক Website.
banner

১২ টি মন্তব্য

  1. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    এই বর্ষাকালে আসুন আমরা প্রত্যেকে যার যতটুকু জায়গা আছে সেখানে অন্তত পক্ষে তিনটি করে গাছ লাগাই।

    • সম্পাদক মন্তব্যে বলেছেন:

      আমির ভাই, আপনি যে মন্তব্যটা করলেন সেটা আপনি লেখাতেই করতে পারতেন। তাতে লেখাটি আরও সুন্দর হত। একটা লেখার পর সেখানে যদি আপনার মন্তব্যই প্রথমে থাকে তবে সেটা লেখার সৌন্দর্য নষ্ট করে।

      • আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

        সুন্দর পরামর্শ দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে আর এমনটি হবে না। কিন্ত উপন্যাসের ক্ষেত্রে এরকম লেখা যদি পিছনে লাগিয়ে দেয় তাহলে লেখার সৌন্দর্য নষ্ট হবে বলে আমি মনে করি। তখন কি করব? তখন কি মন্তব্য করতে পারব?

        • সম্পাদক মন্তব্যে বলেছেন:

          তখন আপনি আপনার লেখার নিচে ব্রাকেটের ভিতরে ইটালিক করে লিখতে পারেন।

          • আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

            মাননীয় সম্পাদক- আমি লক্ষ্য করে দেখছি অন্য একজন লেখকও তার নিজের লেখায় এ ধরনের মন্তব্য করে যা লেখার সাথে একেবারেই মানানসই। ওনার একটি লেখা সর্বাধিক মন্তব্যের কারণে ইতিমধ্যে আলোচিত লেখা হিসেবে স্থান পেয়েছে। ঐ লেখার মধ্যে আলোচিত হওয়ার মতো তেমন কোন কিছু নেই। এখানে ৩০টি মন্তব্যের মধ্যে ২১ টি মন্তব্য ওনি নিজেই করেছেন! বাকী ৯ টি মন্তব্যের মধ্যে আপনি করেছেন ৫টি। অন্যরা ৩টি ও আমি নিজে ১টি। তাই মাননীয় সম্পাদক মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ঐ লেখাটি পড়ার জন্য এবং এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কোন নীতিমালা তৈরী করবেন কিনা। একজন লেখক তার নিজের লেখায় সর্বোচ্চ কয়টি মন্তব্য করতে পারবে? অন্যদের মন্তব্যের প্রতিউত্তরে কতটি মন্তব্য করতে পারবে? লেখার সাথে অসামাঞ্জস্য বা অপ্রাসঙ্গিক কোন মন্তব্য করা যাবে কিনা ইত্যাদি।

  2. সম্পাদক মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রিয় আমির ভাই
    আপনার মন্তব্য আমরা গ্রহন করলাম। কথার প্রতি উত্তরে কথা হতে পারে। তবে অহেতুক মন্তব্য করাকে আমরা নিরুৎসাহিত করছি। একই সাথে ২/১ টা শব্দে অনেকে মন্তব্য করে সেটাকেও নিরুৎসাহিত করছি। আমরা সবাই আশা করি অপরে একটু বিস্তারিত মন্তব্য করুক। অনেকেই অভিযোগ করেছেন যে কেউ কেউ না পড়েই মন্তব্য করছে। যদি কেউ সেটা করে থাকেন তবে সেটা অবশ্যই নিন্দনীয়, মনে রাখবেন তাদের দ্বারা সাহিত্য চর্চা হবে না।
    সবাই বিস্তারিত ভাবে বেশি বেশি মন্তব্য করুন, আমরা সবাই উৎসাহ পাব।

  3. রফিক আল জায়েদ মন্তব্যে বলেছেন:

    যদি প্রথম মন্তব্য লেখক নিজে করে, তাহলে ৫ নাম্বার কাটার বিধান করা হলে কেউ আর এমনটি করবে না।

  4. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    কথার প্রতি উত্তরে কথা হতে পারে।
    >> যদি বলতো তাহলে ৯টি মন্তব্যের প্রতি উত্তর ৯টি হতো ২১ হতো না।

  5. আজিম হোসেন আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল।

  6. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর লিখেছেন তো !
    অসংখ্য অসংখ্য ভাল লাগা জানিয়ে দিলাম ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top