Today 01 Dec 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে ৬ বছরে নিহত তিন সহস্রাধিক শ্রমিক

লিখেছেন: মুহাম্মদ দিদারুল আলম | তারিখ: ২২/১১/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1062বার পড়া হয়েছে।

গত প্রায় ছয় বছরে বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে তিন হাজার ২৯৬ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বিগত ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত একাধিক ঘটনায় এসব শ্রমিক মারা যান। এর মধ্যে শুধু চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে ২১৭টি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ২৬০ জন শ্রমিক। এর মধ্যে অগ্নিকাণ্ডে ১২ জন।
সেফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটি ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) তাদের এক প্রতিবেদনে একথা জানায়। শনিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তারা এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত পাঁচ বছরে (২০০৯-২০১৪) পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় তিন হাজার ৩৬ শ্রমিক নিহত হন। যার মধ্যে অগিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন ২৪৭ জন। এতে বলা হয়, চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ২১৭টি কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ২৬০ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন ১২জন। সংবাদ সম্মেলনে গার্মেন্টসের মতো প্রতিটি সেক্টরে নিরাপত্তা কার্যক্রম বর্ধিত এবং রাজউক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরসহ আইন বাস্তবায়নকারী অন্যান্য সংস্থার দক্ষাতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধি করাসহসহ ছয়টি সুপারিশ করা হয়।

১,০৪২ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৭৭ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১০১ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৮-২৮ ১১:৫৮:৪৮ মিনিটে
banner

৩ টি মন্তব্য

  1. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    সমস্যা হল-
    – আমরা সেফটি রুলস মানিনা।
    – আমাদের শিল্প কারখানায় যথোপযুক্ত সেফটি নাই।
    – আইন ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কঠিন আইন নাই।
    – সর্বোপরি আমর যেন দিন দিন নৈতিকতা হারিয়ে ফেলতেছি।

  2. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    মালিকরা শুধু পারে শ্রমিকদের রক্ত চুষতে, পারেনা শ্রমিকদের নিরাপত্তার কােন ধার ধারেনা। এটা সত্যিই দুঃখজনক।

  3. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    দু:খজনক খবর

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top