Today 28 Sep 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বাবার বনাম স্বামীর

লিখেছেন: মোঃ ওবায়দুল ইসলাম | তারিখ: ০৯/১২/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1126বার পড়া হয়েছে।

বাবার বনাম স্বামীর
– মোঃ ওবায়দুল ইসলাম।

শেখ হাসিনার বাবার দেশ
খালেদা জিয়ার স্বামীর,
মামার দেশে মামা নাই আজ
জোর বেড়েছে মামীর।

পথে ঘাটে আমরা পুড়ি
ওনাদের কি তাতে,
ওনারা আছেন মহা সুখে
আমরা মরি ভাতে।

দুই জানোয়ার টেনে ছিড়ছে
আমার মায়ের বুক,
আমরা (অবোধ) ছেলেরা আজ
বলল কারে সে দুখ!

দেশটা কারো স্বামীর নয়
নয়তো কারো বাবার,
তোমাদের আজ মহা ঘৃনা
দেশ আমাদের সবার।

থু থু ভরে রব উঠেছে
আজ তোমাদের ‘পরে,
দুর হ সব শয়তানের দল
এই বাংলা দে ছেড়ে।

১,১৮৮ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
নাম : মো: ওবায়দুল ইসলাম শিক্ষাগত যোগ্যতা : এল এল. বি ; বি.এ (১ম ); এম.এ (বাংলা) । পেশা : সহকারী ব্যবস্থাপক (বানিজ্যিক) , বেঙ্গল ইন্ডিগো লি: ভাই বোন : ২ ভাই, ৩ বোন। ঠিকানা: সুখালয়, নিমহাওলা, ঝালকাঠী - ৮৪১০। ইমেইল : obayedtanubd@gmail.com
সর্বমোট পোস্ট: ৪৫ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৭-২৭ ১১:৫৪:৫৭ মিনিটে
banner

১৬ টি মন্তব্য

  1. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    কঠিন হইছে

  2. আবদুল্লাহ আল নোমান দোলন মন্তব্যে বলেছেন:

    দূর হ শয়তান

  3. মিলন বনিক মন্তব্যে বলেছেন:

    সাধারন মানুষ অতিষ্ঠ হলে হয়তো এমনি করেই সবাই বলবে..দূর হ…ভালো লাগলো…সাহসী উচ্চারণ….

  4. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    ছড়াটি ভাল হয়েছে । তবে মাত্রা বিভ্রাট হওয়াতে ছন্দ পতন ঘটেছে । শুভ কামনা । ভাল থাকুন ।

  5. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    থু থু ভরে রব উঠেছে
    আজ তোমাদের ‘পরে,
    দুর হ সব শয়তানের দল
    এই বাংলা দে ছেড়ে

    ঠিক বলেছেন আমার ও ওদের মুখের সামনে গিয়ে এভাবে বলতে ইচ্ছে করে।আসলে এদের কান্ড দেখলে মনে হয় যেন দেশ তাদের বাবার আর স্বামীর ।

    চমৎকার সাহসী প্রতিবাদী এবং সমসাময়িক উচ্চারন।অনেক ভাল লাগল।আল্লাহ্ আপনার হেফাজত করবেন নিসঃন্দেহে।ভাল থাকবেন।

  6. তাপসকিরণ রায় মন্তব্যে বলেছেন:

    উচ্চারণ ভাল লেগেছে–প্রতিবাদি ভাব ভাল ধরা পড়েছে।

  7. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    ওফ ফাটাফাটি হইছে কবিতা

    দেশটা তোদের বাবারও না স্বামীরও না

    সবগুলারে সাগলে ভাসাই দিমু কইলাম

    খুব সুন্দর অনেক অনেক ভাল লাগা রইল

  8. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    এমন বাংলাদেশ কখনো চায়নি সাধারণ জনগণ। জনগণ মরছে গুলিতে, বোমায়, আগুনে, দুর্ঘটনায়। তাদের শরীর আগুনে পুড়ে কয়লা হচ্ছে। সাধারণ জনগণ পড়েছে ভয়াবহ সংকটে। এত মৃত্যু, এত ধ্বংস, এত আগুন, এত হিংসা, এত জীবনহানী ও জীবিকার ওপরে এমন নিষ্ঠুর আঘাত স্বাধীনতার পর আর কখনো জনগণ দেখেনি। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। কৃষি, শিল্প, ব্যবসা, শিক্ষা, চাকরি—প্রতিটা ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এর কোন সমাধান দেখছে না জনগণ। এভাবে দেশ চলতে পারে না। এভাবে চলতে থাকেলে দেশ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা কল্পনা করা যায় না। জনগণের সামনে সিডরের মতো ধেয়ে আসছে রক্তাক্ত হানাহানি, জ্বালাও পোড়াও, প্রাণহানি, সম্পদহানির আশঙ্কা। রাজনৈতিকভাবে এদেশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে আর্ন্তজাতিক অঙ্গন থেকেও। একঘরে হয়ে যাচ্ছে সরকার। যেখান থেকে বেরোনোর উপায় আমাদের জানা নেই। মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। ২০১৩ সাল যেন মৃত্যুর এক বছর পার করছে বাংলাদেশ। দেশের রাজনীতি যেন দিনে দিনে মানবিক চেহারা হারিয়ে নির্দয়, নির্মম ও হিংস্র চেহারায় রূপ নিচ্ছে।
    আমরা দেখেছি কিভাবে ‍মানুষকে পিটিয়ে বা কুপিয়ে বা জবাই করে বর্বরভাবে হত্যার করা হয়। কিন্তু এবছর দেখছি জ্যান্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করতে। মৃত্যু কত ভয়ঙ্কর, মৃত্যু কত যন্ত্রণাদায়ক তা হারে হারে টের পেয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন মানুষগুলো। তাদের কান্না ভারি হয়ে উঠছে বাংলার আকাশ বাতাস। ক্ষমতালিপ্সুদের হত্যার রাজনীতিকে অভিসম্পাত করা ছাড়া আর কিছুই তাঁদের করার নেই। তারা এ নোংরা রাজনীতিকে অসুস্থ্য রাজনীতি আখ্যা দিয়েছে। এ নোংরা রাজনীতির শিকার হয়ে যারা যন্ত্রণায় কাতর হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে তাদেরকে উপলব্ধি করতে পারেনি এসব ক্ষমতালিপ্সু রাজনীতিবিদরা।
    রাষ্ট্রের কাছে সাধারণ জনগণের প্রশ্ন এই জন্যই কি ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এদেশে স্বাধীন হয়েছিল? স্বাধীনতার ৪৩ বছরেও কি জনগণ প্রকৃতপক্ষে স্বাধীন হতে পেরেছে? এই ৪৩ বছরে কোন না কোন দলের কাছে জনগণ পরাধীন হয়ে আছে। বিশেষ করে আওয়ামীলীগের কাছে দেশ একরকম পরাধীন হয়ে আছে। কারণ তারা মনে করে এদেশ তারা স্বাধীন করেছে। তাদের এদেশের সম্পদ লুটপাট করে খাবার অধিকার বেশী। তারা ছাড়া অন্যকোন দল এদেশে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও অন্তরে স্বৈরতন্ত্র লালন করে। তাই যেন সরকার তেনভাবে নির্বাচন করে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করছে।

  9. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    আপামর জনতার মনের কথা – বাস্তব কথামালা কবিতায় উঠে এসেছে।
    কবিকে ধন্যবাদ ও ফাল্গুনী শুভেচ্ছা জানাই। এবার পড়ুন –

    [দুনো দোঁহার প্রিয়ে]

    লঙ্কার বনে রাবণ রাজা
    ঘটছে কি ভাই সব!
    রাজ্য জুড়ে তুমুল লড়াই –
    ভাগাভাগির হট্ট-কলরব।

    হনু’র দাবী বন কিনেছে স্বামী
    সুগ্রীব বলে কিনেছে তার বাপ
    ফাঁকে বসে পিঁপড়া দেখে
    দু’টোই কেমন চরম বেয়াদপ।

    শেয়াল মামার হুক্কাহুয়া
    ক্ষণে ক্ষণে ফোটে
    কোলে বসেও বারে বারে
    তড়-বড়িয়ে উঠে।

    কখনো যায় হনু’র কাছে
    ভাগের কলা খেতে
    সুগ্রীবেরও পিছ ছাড়ে না
    আপনা পিঠ বাঁচাতে।

    পিঁপড়ার তরে মায়া কান্নায়
    নেই পিছিয়ে কেউ
    বাঁকা নদী পার হলেই যে
    পিঁপড়ারা হয় ফেউ।

    বনের দখল রাখতে হনু’র
    নেইকো কোন ত্রুটি
    সুগ্রীব তবু পিছ ছাড়ে না
    ধরতে টিপে হনু’র টুঁটি।

    এই না লড়াই চলছে যত
    পিঁপড়া বিনাশ পিষে
    সুগ্রীব হনু’র নাটক দেখে
    হারায় সবাই দিশে।

    এমন লড়াই চলছে নিতুই
    পিঁপড়ার দোহাই দিয়ে
    তারাই দেখি ফাঁসলে ফাঁদে
    দুনো দোঁহার প্রিয়ে।

  10. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    বেশ জটিল লিখা

    ভালো লাগলো পড়ে

    বাস্তব

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top