Today 01 Dec 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বিড়ালের পেটে ইঁদুরের নাচ

লিখেছেন: বিএম বরকতউল্লাহ্ | তারিখ: ০৩/১০/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1456বার পড়া হয়েছে।

‘বাহ্, বাহ্ কি চমৎকার নাচ! এমন নাচ আমি জীবনেও দেখিনি! হ্যা, নাচো ইঁদুর ভাই, নাচো। ফাঁকে দাঁড়িয়ে এতক্ষণ তোমার নাচই দেখছিলাম। কী সুন্দর নাচ তোমার! নাচের তারিফ না করে পারলাম না,’ এক বুড়ো বিড়াল ঝোপের ফাঁক দিয়ে মাথা বের করে হাসিমুখে বলল নাচের ইঁদুরটিকে।

বিড়ালের কথা শুনে নাচ থামিয়ে দিল ইঁদুর। তারপর ডান-বাও তাকিয়ে মলিন হাসি দিয়ে ইঁদুরটি বলল, ’তোমাকে দেখে তো আর নাচানাচি হবে না, হবে কাঁপাকাঁপি। এই দেখো না কেমন কাঁপছি আমি, থত্থর! আজকে তো আমি ঠিক মতো নাচি নি; শরীরটা একটু নাড়াচাড়া করছিলাম আর কি। আর এতেই তুমি এত্ত খুশি, যখন ঠিকমতো শরীর দুলিয়ে নাচবো, তখন!’

’বলো কি নাচনেওয়ালী! এরচেয়েও সুন্দর নাচতে পারো তুমি!’ বিড়াল কপালে চোখ তুলে বলে, ‘যদি সত্যি বলে থাকো তবে মনে রেখো, তোমার ওই নাচ না দেখা পর্যন্ত মুখে খাবার তুলছি না আমি বলে দিলাম, হু।’

বিড়ালের প্রশংসায় ইঁদুর আনন্দে টগবগ করতে লাগল। ’এখন যাই,’ বলে ইঁদুরটি নেচে-গেয়ে তিড়িং-বিড়িং করে চলে গেল বাড়ি।

বিড়াল আজ কোনো সুবিধে করতে পারল না। সে বলে, ’ক্ষুধায় পেট চুঁ চুঁ করছে। আমাকে আজও উপোস করতে হবে। ইচ্ছে করলেও ওঁৎ পেতে আর শিকার ধরে খেতে পারি না। বয়সের ভারে কতটা অসহায় হয়ে পড়েছি আমি! নইলে ইঁদুরটা বুঝি এভাবে নেচে-গেয়ে চলে যেতে পারে আমার সামনে থেকে!’ বুড়ো বিড়ালটা পেটে ক্ষুধা নিয়ে ভাবছে এসব। সে মনে সাহস এনে বলল, ‘বুঝেছি, আমাকে রাগ করে বসে থাকলে হবে না আর হতাশ হলেও চলবে না। অনেক ধৈর্য ধরতে হবে। শিকারের সাথে রীতিমত খাতির করতে হবে, চালাকি করতে হবে আর মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে ইঁদুরের মন ভোলাতে হবে। আচ্ছা, আমি যাই না কেনো ইঁদুরের বাড়ি?’

দুই.
বিড়াল অনেক খোঁজ-খবর নিয়ে ইঁদুরের বাড়ির সন্ধান পেল। সে ইঁদুরের বাড়ির কাছে গিয়ে লেই মেরে শুয়ে গড়াগড়ি খাচ্ছে। শুকনোপাতার খচখচানিতে ইঁদুরের কান খাড়া হয়ে গেল। ইঁদুরেরা গর্ত থেকে বেরিয়ে উঁকি মেরে চারদিক দেখে নিল। হঠাৎ একটা ইঁদুর চিৎকার করে বলল, ‘ওই যে দেখো, দেখো, একটা বিড়াল কেমন গড়াগড়ি করছে। আমাদের ধরার জন্য ও ফাঁদ পেতেছে মনে হয়। সাবধান হয়ে যাও সবাই, সাবধান!’

‘আরে না, আমি ওই বুড়ো বিড়ালটাকে চিনি। ও অতোটা ভয়ংকর নয় যতোটা তোমরা মনে করছ। ও আমার নাচের খুব ভক্ত, সে অনেক প্রশংসা করে আমার।’ বলল নাচের ইঁদুর।

‘ও বিড়াল ভাই, ব্যাপার কি? নাচ দেখতে চলে এসেছ বুঝি?’ নাচের ইঁদুরটি হাসি মুখে বিড়ালকে স্বাগতঃ জানিয়ে বলল।

বিড়াল গদগদ করে বলে, ‘কী করে বুঝলে ইঁদুর ভাই, আমি যে সত্যিই তোমার নাচ দেখতে চলে এসেছি!’
বিড়াল চেহারাটা মায়া মায়া করে, নানা কথার ছলে আরো কাছে চলে এলো। অন্য একটা ইঁদুর সতর্ক করে বলল, ‘দেখো, দেখো বিড়ালটা একেবারে আমাদের কাছে চলে এসেছে! বিড়াল কখনো আমাদের বন্ধু নয়-অনেক বড় শক্র। ওর সাথে আবার কথা কিসের? চলো পালাই।’

চোখের পলকে ছুটে পালালো ইঁদুরেরা। শুধু ওই ইঁদুরটাই রয়ে গেল যার নাচ দেখে বিড়াল অনেক প্রশংসা করেছিল।

ইঁদুর হাসি মুখে বলে, ‘তো আমার বাড়িটা চিনলে কেমন করে, বিড়াল ভাই?’
‘তোমার এতই সুনাম যে তোমার বাড়ি চিনতে আমার মোটেও অসুবিধা হয়নি।’ বিড়াল বলল, ‘আমি নিজেকে বোকা মনে করেছিলাম এই ভেবে যে, একটা ইঁদুরের নাচে এমন কি যাদু থাকতে পারে যে আমি এর জন্য রীতিমত পাগল হয়ে গেছি! কিন্তু এখানে আসার পথে দেখলাম, সবাই তোমাকে চেনে, সবাই তোমার নাচের প্রশংসা করে, তোমাকে নিয়ে এই বনের সবাই গর্ব করে। জানো, আমি নিজেকে বড় বুদ্ধিমান ও ভাগ্যবান মনে করছি। জীবনে এমন গুণী বন্ধু পাওয়া মানেই তো অনেক কিছু পাওয়া, কি বলো তুমি?’

বিড়ালের মুখে এত প্রশংসা শুনে ইঁদুরের মুখটা আনন্দে চিকচিক করে উঠল। সে বিড়ালকে আদর-আপ্যায়নে খুশি করার জন্য মহাব্যাস্ত হয়ে উঠল।

দূরে থেকে একটা ইঁদুর ছুটে এসে নাচের ইঁদুরের কানে ফিসফিস করে বলল, ‘একি করছো তুমি? আগুন নিয়ে খেলা করছো যে! বিড়াল তো আমাদের জাতশক্রু! তার সাথে এত খাতির কিসের? চলো পালাই, এখানে তুমি মোটেও নিরাপদ নও।’

‘আমি ওকে বিশ্বাস করি। সে আমার বন্ধুর মতো, যে কোনো লাভ ছাড়াই আমার এমন প্রশংসা করতে পারে, সে কখনও কারো তি করতে পারে না। যদি বিশ্বাস না করো তবে পালিয়ে যেতে পারো তোমরা; আমি পালাবো না, যাও।’ বিরক্ত হয়ে বলল নাচের ইঁদুর।
ইঁদুরটা মন খারাপ করে চলে গেল।

তিন.
বিড়ালের প্রশংসার তোড়ে ইঁদুর শুরু করে দিল নাচ। নাচের একটা তাল উঠল। ডিডিডি ডিরিং- ডিডিডি ডিরিং, ডিরিং ডিরিং টুস-টাস। বিড়াল নাচের সাথে তাল মিলিয়ে হাততালি দিয়ে, গুণগুণিয়ে গান গেয়ে, মাথা ঝাকিয়ে, শীষ মেরে, শুকনো পাতায় লেজ পিটিয়ে ইঁদুরকে উৎসাহ দিচ্ছে। ইঁদুর নাচতে নাচতে কাহিল হয়ে গেল। কিন্তু বিড়াল তাকে থামতে দিচ্ছে না। বিড়াল তালি দিতে দিতে বলে, ‘থেমো না বন্ধু, থেমো না, থামার সময় না এটা। এত সুন্দর নাচ আগে কখনও দেখিনি আমি, আমাকে উপভোগ করতে দাও। কী চমৎকার নাচ, উফ্ নাচ যে কতটা আনন্দ আর শান্তি দিতে পারে, না দেখলে বুঝতেই পারতাম না আমি!’

নাচতে নাচতে কান্ত হয়ে গেল ইঁদুরটি। আর পারছে না সে। তার পা দুটো কাঁপছে। ইঁদুরটি নাচতে নাচতে পাক খেয়ে পড়ে গেল বিড়ালের সামনে। খুব হাঁপাচ্ছে সে। বিড়াল কান্ত ইঁদুরের হাত, পা ও লেজ হাতিয়ে প্রশংসা করে বলে, ‘কত সুন্দর হাত-পা আর লেজের ছন্দ-তাল!’ ইঁদুর হাসিমুখে তার আদর নিচ্ছে। বিড়াল তার ঘাড়ে হাত দিয়ে বলে, ‘ইশ্ তোমার ঘাড়ে তো দেখছি এক রত্তি হাড় নেই, কী তুলতুলে নরম! এ জন্যেই তো নাচের সময় সহজেই মাথাটা চারদিকে ঘোরাতে পারো তুমি।’
বিড়াল এসব বলে বলে হঠাৎ চেপে ধরল ইঁদুরটাকে। আর যায় কই। ছোট্ট ইঁদুর চিঁ চিঁ করে বলে, ‘কী করছো, কী করছো, আমার শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ছাড়ো আমাকে।’ মিনমিনে বিড়ালটি দেখতে দেখতে লোম ফুলিয়ে অসম্ভব হিংস্র ও বড় হয়ে উঠল! ইঁদুর নড়তেও পারছে না। বিড়াল ফোঁসফাস করে একটা কামড়ে ইঁদুরের ঘাড়টা ভেঙ্গে দু‘হাতের মাঝখানে ফেলে রাখল। ইঁদুর কাৎরাতে কাৎরাতে কোনোমতে বলল, ‘আমি তোমাকে বিশ্বাস করে নেচে নেচে আনন্দ দিলাম, আর তুমি…!’

বিড়াল বলে, ‘ুধার পেটে নাচ আর ভালো লাগে কতণ বন্ধু? নাচের মত তোমাকেও তো পছন্দ করি আমি। তবে আফছুছ এ জন্য যে, আমি এখন একটা ইঁদুরের সাথে তার নাচটাও খেয়ে ফেলবো। পারলে আমি নাচটা আলাদা করে রাখতাম পরে উপভোগ করার জন্য।’

আহত ইঁদুর চিৎকার করে জীবন ভিা চেয়ে বলল, ‘আমি তো তোমার কোনো তি করিনি তবে আমাকে কেন খাবে তুমি?’
‘যে শক্রুর কথা বিশ্বাস করে এবং শক্রুকে বন্ধু মানে সে তো নিজেই নিজের মৃত্যু ডেকে আনে।’ বিড়ালটি বলল, ‘আর যে নিজের প্রশংসার কথা শুনে খেই হারিয়ে ফেলে সে তো মস্ত বড় বোকা। বোকারা চালাকদের মত বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না।’ বিড়াল জিহ্বা চাটিয়ে বলল, ‘তুমি যে শুধু নাচেই ভালো তা নয়, মনে হচ্ছে, তোমার হাড়, মাংস হবে তুলতুলে নরম ও সুস্বাদু।’

বিড়াল গপাস গপ করে ইঁদুরটাকে আস্ত গিলে ফেলল।

ইঁদুরটি বিড়ালের পেটে যাওয়ার আগে বলে গেল, ‘আমি তোমার পেটে গিয়েও নাচব, মনে রেখো তুমি।’

চার.
বিড়াল ইঁদুরটিকে খেয়ে মনের আনন্দে গাছতলায় বসে আরাম করছে। কিন্তু নাচের ইঁদুরের শেষ কথাটা মনে হতেই বিড়াল চোখ গোল করে লাফিয়ে উঠল। ‘আমি তোমার পেটে গিয়েও নাচব, মনে রেখো তুমি।’
বিড়াল কয়েকবার তার পেটের ডানে-বামে হাত দিয়ে দেখে নিল। তার ভয়, না জানি বোকা ইঁদুরটা পেটের ভেতরে গিয়েও শুরু করে তিড়িং বিড়িং নাচ! কি বিপদের কথারে বাবা!

বিড়ালের ভয় সত্যি হলো। ইঁদুরটি বিড়ালের পেটে নাচ শুরু করে দিয়েছে। ডিডিডি ডিরিং- ডিডিডি ডিরিং, ডিরিং ডিরিং টুস-টাস। বিড়ালটি পষ্ট শুনতে পাচ্ছে ইঁদুরের নাচের শব্দ। ইঁদুরটা নাচানাচি করছে এবং বিড়ালের পেট একেক সময় একেক দিকে মার্বেলের মত ফুলে উঠছে। ‘ওরে বাপরে‘ বলে বিড়াল উল্টা-পাল্টা দৌড়াতে লাগল এবং একটা গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়ে রইল।

যতই দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে বিড়ালের কষ্ট। বিড়ালের পেটে নাচের ইঁদুর! কোথাও আরাম নেই বিড়ালের, শরীর ফুলে গেছে তার, মুখ বেয়ে লোল পড়ে আর পেটটা ঝুলে মাটির সাথে প্রায় লেগে গেছে। বিড়াল এ কঠিন বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য চারিদিকে বেদম ছোটাছুটি করতে লাগল। যেভাবেই হোক নাচপাগল দুষ্টু ইঁদুরটাকে পেট থেকে বের করতে হবে। পেট কেটে হলেও।

বিড়াল যার কাছে যায় সে-ই বলে, ‘তোমার পেট থেকে ইঁদুরটা বের করতে হলে যেতে হবে ইঁদুরেরই কাছে, আমরা তোমাকে কোনো সাহায্য করতে পারবো না বিড়াল ভাই।’

দিনে দিনে বিড়াল খুব কাহিল হয়ে পড়ল। অবশেষে বিড়ালটি ইঁদুরের বাড়ি এসে সবাইকে ডেকে আনল। বিড়াল হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, ‘ইঁদুর ভাইয়েরা শোনো, নাচের ইঁদুরের মত তোমরাও আমার মহান বন্ধু। আমি নাচের ইঁদুরকে বড়ো ভালোবেসে আমার পেটে তুলে রেখেছিলাম। পেটে নাকি তার ভালো লাগছে না একটুও। সে আমার পেটের ভেতরে সারাদিন ছটফট করছে।’ বিড়াল চোখের জলে বলে, ‘তোমরা তোমাদের চিকন আর ধারালো দাঁত দিয়ে পেট কেটে ইঁদুরটাকে বের করে নিয়ে আসো বন্ধুরা!’

ইঁদুরেরা কিছুই বলল না, পিটপিট করে তাকিয়ে রইল বিড়ালের মুখের দিকে।

বিড়ালের ঝুলে যাওয়া পেট, মুখের লোল আর চোখের পানি দেখে একটা ইঁদুর পাশের ইঁদুরকে ঠেস মেরে বলে, ‘দেখ্ দেখ্ আমাদের মহান বন্ধুর কি অবস্থা! মনে হয় তার পিশাব-পায়খানা সব আটকে গেছে!’ তার কথা শুনে একটা ইঁদুর ফিক করে হাসি দিতেই সবার মুখে খলখলিয়ে হাসির খই ফুটে উঠল। হাসি আর থামে না। হাসির সাথে যোগ হয়েছে কাশি। কয়েকটা ইঁদুর হাসি আর কাশিতে ধনুকের মত বাঁকা হয়ে গেছে।

ইঁদুরের এমন রসিকতা দেখে বিড়াল রাগে কাঁপতে কাঁপতে বলে- ‘নাচের ইঁদুরকে বাঁচানোর পরিবর্তে তোমরা আমার সামনে হাসি-তামাশা করার সাহস পেলে কোথায়?’

একটি ইঁদুর তেড়েমেড়ে গিয়ে বিড়ালের সামনে দাঁড়িয়ে বলে, ‘এটা সাহসের কথা নয় দোস্ত, তোমার নাচপাগল বন্ধুটি তোমার পেটেই নিরাপদ। আমরা এত বোকা নই যে তোমাকে বিশ্বাস করে বিপদ ডেকে আনি! তুমি যা করেছ, এতেই তুমি আমাদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তুমি বজ্জাত-মিথ্যাবাদী ও দুষ্ট একটা বিড়াল। এখন পরাণ ভরে তুমি তোমার বন্ধুর নাচ উপভোগ করো গিয়ে, যাও।’
ইঁদুরের কথায় মন খারাপ করে চলে গেল বিড়াল।
বিড়ালের পেটে নাচের ইঁদুর! যখন-তখন নেচে উঠে ডিডিডি ডিরিং- ডিডিডি ডিরিং, ডিরিং ডিরিং টুস-টাস। এখন বিড়াল আছে দৌড়ের ওপর।

১,৫২০ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
@ লেখালেখি করি সেই ছোটোবেলা থেকেই। বাবার কাছে হাতেখড়ি। বাবা লিখে আমাকে পড়াতেন। আর আমি লিখে বাবাকে দেখাতাম। তালে তালে তালাতালি! জাতীয় দৈনিকে, রেডিওতে আর্টিকেল, ফিচার, রম্য ও ছড়া লিখতাম একসময়। তারপর শিশুতোষ গল্পের প্রতি ঝুকে পড়ি। ছড়া লিখি মাঝে মধ্যে। @ প্রকাশিত গ্রন্থঃ ছয়টি। @ প্রাপ্ত পুরষ্কারঃ জাতিসংঘ (ইউনিনসেফ) কর্তৃক আয়োজিত দেশব্যাপী বড়োদের গ্রুপে গল্পলেখা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে "মীনা মিডিয়া এ্যাওয়ার্ড ২০১১" লাভ করি। @ পেশাঃ চাকরি। @ পেশাগত কারণে ব্যস্ততার মধ্যেই কাটে সময়। এরই মধ্যে সময় করে লেখালেখি করার চেষ্টা করি। প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়াতে নিয়মিত লিখছি। লেখায় গতানুগতিক চিন্তা-চেতনার পরিবর্তে স্বকীয়তার ছাপ রাখার চেষ্টা করি। ব্লগে লিখে অনেক আনন্দ পাই। প্রিয় পাঠকদের মন্তব্য, পরামর্শ ও উপদেশ আমার লেখালেখির মতো সৃজনশীল কাজে শুধু অণুপ্রেরণাই যোগায় না; নিজেকে পরিশুদ্ধ ও লেখার উৎকর্ষ সাধনে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।
সর্বমোট পোস্ট: ২৮ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১৬৭ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৫-২৯ ১১:৫১:৫৪ মিনিটে
banner

৯ টি মন্তব্য

  1. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    অসাধারন ভাল একটি গল্প
    অনেক ভাল লাগা।

  2. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    শিশুতোষ গল্প। ভাল লাগল।

  3. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    অদ্ভূত লাগলো গল্পটা
    ঠিক বুজতে পারছিনা কি কমেন্ট করব
    আমি বিড়াল এর মত নাচের ঘোরে আছি
    ডিডি ডিডি দিড়িং ঢুস ঢাস

  4. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    অন্য রকম গল্প ।
    মজাই লাগল ।

  5. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    শিশুতোষ গল্প। ভাল লাগল।

  6. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    শিশুদের গল্প, ভাল লাগলো ভাল থাকুন ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top