Today 25 Sep 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

মুক্তি যুদ্ধের গল্প (৮ম পর্ব )

লিখেছেন: এস এম আব্দুর রহমান | তারিখ: ১৭/০১/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1041বার পড়া হয়েছে।

সকাল হতেই তাড়া হুড়া শুরু হলো যার যার মতো সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছে অপারেশণের জন্য । সংবাদ এসেছে বংশাই নদী দিয়ে একটি লঞ্চে করে পাক-সেনারা উত্তর দিকে আসছে । লঞ্চটি আসবে আমাদের গুপ্তচর এসে আগের দিন সংবাদ দিয়ে গিয়েছে। ৩০ থেকে ৫০ জন সৈন্য থাকবে লঞ্চটিতে । লঞ্চটি আক্রমন করে দখল করতে পারলে আমাদের হাতে বেশ কিছু অস্র এসে যাবে । তখন বর্ষা কালের শেষ ভাগ । মাঠের পানি মাঠ ছেড়ে নেমে এসেছে । কিন্তু নদী পানিতে টই টম্বুর । মাছেরা যেমন পানি কমে গেলে মাঠ ছেড়ে তাদের আপন কোলায় জায়গা নেয়, তেমনি পানিরাও যেন জীবন্ত । পানি যখনই কমতে থাকে তখন কয়েক দিনের মধ্যেই মাঠ ঘাট ছেড়ে দিয়ে নদীতে নেমে আসে । মাঠের কোন নিচু জায়গায় মাছেরা আটকা পড়লে, রোদের তাপে পানি শুকিয়ে মাছেরা মারা যায়, সেই ভয়েই পানি কমার সাথে সাথেই তাদের পালানোর তাগিদ শুরু হয় । ভয় এটাই যে যদি কম পানিতে আটকা পরে তাহলে মারা যাবে ।পানিরাও যেন একে অন্যকে সংবাদ দেয় । কেহই দল ছেড়ে থাকতে চায় না । তাই সারা দেশে যেন সংবাদ দিয়ে এক যোগে কমতে থাকে । দৌড়ে চলে যায় সবাই ভাটির দিকে । এখন জেলেদের সুদিন । এখন মাছ ধরার জন্য কোন নির্দিষ্ট জায়গার দরকার হয়না। বাংলাদেশের যে কোন নদীতেই তখন মাছ পাওয়া যায়।

আচ্ছা অনিরুদ্ধ, তোমরা কি বর্ষা কালের গ্রাম বাংলা অর্থাৎ বর্ষা কালে যে সব এলাকা বন্যার পানিতে ঢুবে যায়, বর্ষা কালে সে সব এলাকায় কখনো গিয়েছ?

না মামা । আমরা কেউ যাইনি। আমাদের দাদু বাড়ি এবং নানু বাড়ি, কোন বাড়িতেই বর্ষা কালে পানি আসে না।

বলো কি? তাহলে তো তোমরা বাংলার আসল রুপই দেখ নি। বাংলা দেশের নিচু

এলাকা গুলো শীত কালে শুকিয়ে যায় । তখ সবুজে সবুজে মাঠ ভরে যায়। সারা

মাঠে ফসল আর ফসল । আবার যখনই আষাঢ় মাস আসে তখনই নদীর পানি বারতে থাকে । এক সময় নদীর দুকুল ছাপিয়ে মাঠে পানি ঢুকে পরে। মাঠ ঘাট ডুবে যায় । তখন মনে হয় বাংলা দেশের নিচু এলাকা গুলো যেন এক একটা সাগর । আর সেই সাগরের মাঝে জেগে আছে ছোট ছোট ঘর বাড়ি । তোমাদের মা দেশে ফিরে আসুক। তখন বর্ষা কালে একবার আমি তোমাদের সেই সব জায়গা দেখাতে নিয়ে যাব । আচ্ছা তোমাদের যে কথা বলছিলাম-

তখন নদী ভরা জল । সকল নদীতেই জেলেরা নৌকায় করে মাছ ধরতে ব্যস্ত। আমরাও জেলেদের সাঝে কয়েকজন নৌকায় করে নদীতে যাওয়ার পরিকল্পনা করলাম । সংবাদ মোতাবেক সকাল ১০ টার দিকে একটি লঞ্চে করে পাক-সেনারা দাড়িয়াপুর অতিক্রম করবে । আমরাও সেই হিসেবেই প্রস্তুতি নিলাম । আমরা ভোরে নদীর পার ধরে হেটে সুবিধাজনক জায়গা খুঁজতে খুঁজতে দাড়িয়া পুর পৌঁছলাম । দাড়িয়াপুর নদীর ধারে একটি জায়গা নির্বাচন করা হলো । সেখানে নদীর পার দিয়ে বাঁধ দেওয়া আছে । আমরা সেই বাঁধে আর নিয়ে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত হলো । নদীটি পাহাড়ীয়া এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে । নদীর পশ্চিম পারে ফাঁকা মাঠ । পাক-সেনারা যদি লঞ্চ নদীর পশ্চিম পারে নিয়ে যায় তবে তারা নদীর পার পর্যন্ত লঞ্চ নিতে পারবে না । উপারে চর পরেছে । কাজেই তারা লঞ্চ থেকে লঞ্চ ছাড়া আর কোন আর পাবেনা । তাহলে চরের মধ্যে ব্যঘাতে পরে মারা যাবে। যে স্থানে লঞ্চ আক্রমন করা হবে তার এক কি, মি, দক্ষিনে আর একটি পার্টি রাখা হলো । আক্রান্ত হয়ে যদি পাক-সেনারা ভাটির দিকে পালিয়ে যেতে চায় তাহলে ঐ পার্টি তাদের আক্রমন চালাবে । আর যদি কোন পাটি পাক-সেনাদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে তাহলেও ঐ পার্টিই তাদের ঠেকাবে।কারণ সাহায্যের জন্য আসলে তো ভাটির দিক থেকেই আসতে হবে। নদী পথে ঘুরে আসতে চাইলে ঐটাই একমাত্র রাস্তা । সব কিছু আট ঘাট বেঁধেই আমরা অপেক্ষা করতে থাকলাম । পাক- সেনারা রওয়ানা হয়েছে এ সংবাদ আমরা আগেই পেয়েছি । কিন্তু দূর থেকে কোন লঞ্চ আসতে দেখছি নাভরা পানির নদী । কাজেই স্রোত একটু বেশীই হওয়ার কথা । আর তারা আসছে উজান বেয়ে । সে কারনেই হয়তো দেরী হচ্ছে । আমাদের সামনে নদী, আর পিছনে পাহাড়ীয়া এলাকা । কাজেই পাক-সেনাদের যেমন পালানোর কোন জায়গা নেই, তেমনি আমাদের পিছনে পালানোর বিস্তর জায়গা পরে আছে । কাজেই রন ক্ষেত্রটি সর্ব দিক থেকেই আমাদের অনুকোলে । সবার মন উত্তেজনায় ভরপুর । আজকের যুদ্ধে বিজয় নিশ্চিত । আমরা যুদ্ধে জিতে গেলে বেশ কিছু অস্র হাতে পাবো । তাছারা এই যুদ্ধে জিতে গেলে নদীটা আমাদের দখলে এসে যাবে । এই নদী দিয়ে পরবর্তীতে আর কোন ফোর্স বা গুলি বন্ধুক পাঠাতে সাহস করবে না । ফলে উত্তর দিকের যত ক্যাম্প আছে তা অতি সত্তর ক্লোজ করে আনতে হবে । আমরাও চাচ্ছিলাম মফস্বল এলাকায় যত ক্যাম্প আছে তা জেলা শহরে ক্লোজ হয়ে থাক । তাহলে পাক-সেনাদের অত্যাচারের মাত্রা একটু কমে যাবে । পাক সেনারা মুসলমান । কিন্তু বাঙ্গালী মহিলাদেরকে তারা যুদ্ধ ক্ষেত্রে পাওয়া গনিমতের মাল মনে করতো । আর সারা বাংলাদেশই এখন যুদ্ধ ক্ষেত্র। ফলে তাদের মতে সকল বাঙ্গালী মহিলাই গনিমতের মাল । আমাদের দেশের মওলানাদেরকে ঐ সময় নারী ধর্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তারা তখন এই ব্যাখ্যাই দিত । কারণ ইসলাম প্রচারের গোড়ার দিকে মুসলমানদের সাথে বিধর্মীদের যুদ্ধ বাঁধলে মুসলমানরা যে সব যুদ্ধে জয়ী হয়েছে সেই সব যুদ্ধে বিধর্মীদের যে সকল মালামাল এবং যে সকল মহিলা বন্দী হতো তাদেরকে সকল সৈন্যদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করে দেওয়া হতো গণিমতের মাল হিসেবে । আমাদের মওলানারাতো এই সকল হাদিসের বাইরে আর কিছু জানেনা। তাদের কাছে মানবতা বোধ বলতে কিছু নেই । তাদের মতে মানুষ রোবটের মতো বাস করবে কিছু নীতির মাধ্যমে, তার বাইরে কিছু করবে না। তোমার বিবেক যাই বলুক না কেন নীতি বোধ তা দমন করে রাখবে। এই যুগেও দেখনা হেনার মতো কিশোরী বল পূর্বক ধর্ষীতা হলো আবার তাকেই মোল্লাদের সামাজিক বিচারে দোররা মেরে হত্যা করা হলো। কোন মওলানার বিবেক এই পশুত্বকে বাঁধা দেওয়ার প্রয়োজন মনে করলোনা । তখনকার মওলানারাও তার ব্যতিক্রম ছিলনা ।

যাই হোক আমরা যুদ্ধের জন্য নির্ধারিত স্থানে অপেক্ষা করতে থাকলাম। অপেক্ষা করতে করতে এক সময় আমাদের অপেক্ষার পরিসমাপ্তি ঘটল। দূর থেকে একটি ইন্জিন চালিত ছোট লঞ্চ আসতে দেখা গেল। আমরা নিশ্চিত হতে চেষ্টা করলাম, এটা সেই লঞ্চই তো? কোন প্যাসেন্জার লঞ্চ নয় তো? কারণ লঞ্চ সনাক্ত করণে ভুল হলে নিরীহ বাঙ্গালী মারা যাবে। সকল সৈন্যরাই লঞ্চের ভিতর ছিল।ফলে কাওকেই দেখা যাচ্ছিল না। আমরা আমাদের নদীতে থাকা পার্টির সিগনালের অপেক্ষায় ছিলাম। এক সময় সিগনাল পাওয়া গেল। আমরা নিশ্চিত হলাম যে, ঐ লঞ্চে পাক-সেনা আছে। আমরা ফায়ার ওপেন করলাম। কিন্তু প্রথম গুলি লঞ্চকে টার্গেট করে করলাম না। কারণ-যদি ভুল বশত এটি প্যাসেন্জার লঞ্চ হয়, তাছারা প্রথম গুলির শব্দ পেলেই বাঙ্গালী মাঝি মাল্লারা নদীতে ঝাপিয়ে পরে আত্ন রক্ষা করতে পারে। প্রথম গুলির সাথে সাথেই বাঙ্গালী কর্মচারীরা নদীর পানিতে ঝাপিয়ে পড়ল। তার পর আর কারও কোন নড়া চড়া দেখতে পাচ্ছিলামনা ।সঙ্গত কারনেই আমরা ধরে নিলাম এটাই পাক-সেনাদের লঞ্চ । তখন লঞ্চ টার্গেট করে গুলি ছুড়া শুরু হলো। সাথে সাথেই কাউন্টার গুলি শুরু হলো।  সকাল ১০ টার পর থেকে গুলি বিনিময় শুরু হল, বেলা একটা নাগাদ বিরতি দিয়ে দিয়ে গুলি বিনিময় চলতে থাকলো । লঞ্চের বাঙ্গালী চালকেরা পানিতে ঝাপিয়ে পরে সাঁতার কেঁটে অপর পারে উঠে পালিয়ে যাওয়ায় লঞ্চ এসে আমাদের পারে ভিরে আটকে গেল । কিন্তু লঞ্চ থেকে কোন পাক-সেনা নামল না । তারা সামান্য বিরতি দিয়ে দিয়ে গুলি চালিয়ে যেতে থাকলো । আস্তে আস্তে দিন প্রায় শেষ হয়ে আসতে লাগল । ইতোমধ্যে উভয় পক্ষের গুলি প্রায় শেষ । পাক-সেনারা আক্রান্ত হয়েছে এ খবর তাদের হেড কোয়াটারে চলে গেল । কাজেই হানাদারেরা তাদের আক্রান্ত সেনাদের বাঁচানোর জন্য নৌ-পথে লঞ্চ যোগে অধিক সৈন্য ও অস্র গুলি পাঠাল। পাক সেনাদের সাহায্যে এগিয়ে আসা লঞ্চটি আমাদের এ্যাডভাঞ্চ পার্টি ঠেকিয়ে দিল । ফলে উক্ত সাহায্যকারী পার্টির সাথে আমাদের এ্যাডভাঞ্চ পার্টির রীতিমত যুদ্ধ বেঁধে গেল।এদিকে আমাদের এমন সময় হাজির হলো যে, আমাদের কাছে আর কোন গুলি রইল না । ওদিকে পাক-সেনাদের সাহায্যকারীরাও তাদের নিকট গুলি সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে তাদের কাছেও আর কোন গুলি আছে বলে মনে হচ্ছিল না । লঞ্চ থেকে পাক-সেনারা আর কোন গুলি করছিল না । আমাদের নিকট যেহেতু গুলি নেই সেহেতু আমাদের ফিরে আসা উচিৎ। কিন্তু আমাদের মুক্তি যুদ্ধারা তখন এতই উত্তেজিত ছিল যে হানাদারদের নিকট থেকে অস্র কেড়ে না নিয়ে কেহই ফিরে আসতে রাজি হলনা। তারা সিদ্ধান্ত নিল যেহেতু পাক-সেনারা আর গুলি করছে না সেহেতু  ধরে নেওয়া হলো তাদের নিকটও আর গুলি নেই। সবাই সিদ্ধান্ত নিল বেয়নেট ফাইটে যাবে।

শুভ। তোমরা কি বেয়নেট ফাইট কি তা বুঝ?

না মামা বেয়নেট ফাইট কিভাবে করে তাতো জানি না।

বেয়নেট ফাইট হল, যখন কোন দলের হাতে আর অস্র চালানোর মত গুলি না থাকে তখন মুখামুখী যুদ্ধ । আগেকার যুগে যে যুদ্ধকে মল্ল যুদ্ধ বলতো অনেকটা সে রকম । তখন সবাই ছিল উত্তেজনায় ভরপুর । যেই সিদ্ধান্ত সেই কাজ । সাথে সাথেই কয়েক জন নদীতে নেমে পড়ল । লঞ্চের পিছন দিক থেকে লঞ্চের মধ্যে উঠে পরার জন্য। একটি দল সামনের দিক থেকে এগিয়ে গেল পাক-সেনাদের ব্যস্ত রাখার জন্য ।সামনের দিকের আক্রমন প্রতিহত করার জন্য ব্যস্ত থাকার ফাঁকে পিছনের দিক থেকে কয়েক জন মুক্তি যোদ্ধা লঞ্চে ঢুকে গেল । তখন দুই দিক থেকেই হাতা হাতি মারা মারি শুরু হয়ে গেল । এর মধ্যে দেখা দিল এক দুর্ঘটনা । পাক সেনাদের সাহায্যের জন্য একটি হেলি কপ্টার লঞ্চের উপর এসে চক্কর দিতে লাগল এবং গুলি ছুর‍্তে লাগল । আমাদের যে গ্রুপটি পাক-সেনাদের লঞ্চ ঠেকিয়ে রাখছিল হেলিকপ্টার গিয়ে তাদের উপর গুলি বর্ষণ করতে লাগল । ফলে আমাদের মুক্তি যোদ্ধার দল পাক-সেনাদের সাহায্যকারী লঞ্চটি ঠেকিয়ে রাখতে পারল না । কিছুক্ষণ পরই সাহায্যকারী লঞ্চটি বাঁদ্ধা মুক্ত হয়ে দূর থেকেই গুলি ছুরতে ছুরতে এগুতে লাগল। ফলে বাধ্য হয়ে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা যে যমন পারলো লঞ্চ ছেড়ে দিয়ে নদীতে ঝাপিয়ে পড়ল। তখন ছিল ভরা নদী । নদীতে স্রোত ছিল প্রচুর । সেই স্রোতের টানে সকলেই কোন রকম নাক জাগিয়ে ভাটির দিকে চলে এল । পরদিন সকলেই এসে নির্ধারিত স্থানে জমায়েত হল । হিসেব করে দেখা গেল আল্লার রহমতে আমাদের সকল মুক্তিযোদ্ধাই ফেরত এসেছে । এই যুদ্ধে আমরা সফল হতে পারলামনা বটে, কিন্তু আমাদের লাভের মদ্ধ্যে এই হল যে, ঐ নদী দিয়ে পরবর্তী সময়ে পাক-সেনাদের চলাচল বন্ধ হয়ে গেল।

 

১,০৭১ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৩৩১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪৮৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৮ ১৩:৩৯:৪৭ মিনিটে
banner

৬ টি মন্তব্য

  1. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    গল্পতো ভালই লাগছে। দারুণ লিখছেন। নিজের পরিচয়টা গোপন রাখছেন কেন? প্রোফাইলে কিছু লিখুন।

    • এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

      ভাল লেগেছে শুনে খুশী হলাম । কিন্তু ভাইরে আমি একজন অধম বান্দা । কি হবে পরিচয় দিয়ে । তবে এই টুকু বলতে পারি
      বর্তমান প্রেক্ষা পটে যে সংস্থার লোকদের সবাই বকা বকী করে আমি সেই সংস্থায় মাজাড়ি গোছের একটি বড় পদে কর্মরত আছি ।
      শুভ কামনা ।

  2. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগছে মুক্তিযুদ্ধের গল্প।এই পর্ব বেশ ভাল লিখেছেন।পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।ধন্যবাদ এবং শুভকামনা।

  3. কে এইচ মাহবুব মন্তব্যে বলেছেন:

    দারুণ … দারুণ লাগলো ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top