Today 16 Oct 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

শুয়োর কে গু খাওয়াই উচিৎ!

লিখেছেন: মোহাম্মাদ মজুমদার নিজু | তারিখ: ০৪/০২/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 718বার পড়া হয়েছে।

শুয়োর কে গু খাওয়াই উচিৎ! যদিও কথাটা শুনতে অনেকটা খারাপ লাগে। তবে এইটাই বাস্তবতা। এই বাস্তবতা অনেক দিন পর আমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিলো। আমি বুঝতেই পারিনি কখন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম ভালোবাসার নেশায় মাতাল হয়ে। এই ঘুমের মধ্যে আমি করেছি একের একের পর মাতলামি। ভালোবাসায় মাতলামি না থাকলে ভালোবাসা পাওয়া যায় না। তবে মাতলামি তাহাদেরকেই মানায়, যাদের বাস্তবতা অনেক সহজ। যাদের কোন পিছু টান নেই, যাদের পড়িবার নেই কিংবা যাদের আছে অপুরন্ত সম্পদ। তার কোনটাই মধ্যবিত্ত উন্নয়নশীল পড়িবারের মধ্যে নেই। সে জন্য ভালোবাসায় মাতলামি থাকতে নেই। বাস্তবতাই হওয়া উচিৎ এক মাত্র পুঁজি। যাকে সম্বল করে একদিন উচ্চবিত্তদের কাতারে পোঁছে যাওয়া যায়। তখন আর ভালোবাসা থাকে না। তবুও সকলে সেটাই চায়।

 

আজ বাস্তবতা আমাকে মনে করিয়ে দিলো জীবনের প্রথম ভালোবাসার কথা। যে ভালোবাসা এই বাস্তবতার জন্য প্রকাশ করতে পারিনি। যদিও মেয়েটি উচ্চবিত্ত কোন পড়িবারের সন্তান ছিলো না। মেয়েটি ছিলো অনেক সুন্দরী এবং শিক্ষিত। তখন আমার অবস্তান ছিলো বেকার ছাত্র জীবন। বেকার শব্দটি এই অর্থে ব্যবহার করেছি। উন্নত দেশে ইন্টারমেডিয়েট এর পর সবাই মোটা মুটি কিছু না কিছু করে। আমাদের দেশে সেই সুযোগ নেই। তাই আমরা বেকার। তার উপর মধ্যবিত্ত পড়িবারের সন্তানদের কাওকে ভালো লাগতে নেই ভালবাসতে নেই। সেখাইনেই ভালবাসার সমাপ্তি। এবং বাস্তবতাই ছিলো উচ্চচাহিদার একমাত্র সম্বল। তখন ঘুমের ঔষুধ হয় আমার এক মাত্র সঙ্গী।

 

তখনকার বাস্তবতাকে পুঁজি করে পড়িবারের ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও আমি বেছে নেই প্রবাসী জীবন। ভালোই যাচ্ছিলো প্রবাসী জীবন। তবে যতোই বাস্তবতা থাকুক মানুষের হৃদয়ে একটা সত্য থেকেই যায়। মানুষ একা থাকতে পারে না। আমার হৃদয়ে আবার ভালোবাসার উদয় হয়। আমি ভালোবেসে ফেলি এক ধনীর দুলালীকে। এইখানেও আমার তেমন কোন পাগলামি ছিলো না। যা ছিলো নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ঔষুধের সাথে যোগ হয় মদ। এই ভাবেই আমি ভুলে যাই ধনীর দুলালীকে। শুনে ছিলাম অনেক ধনী ঘরে বিয়ে হয়েছে। সেদিন তার মুখেই শুনেছি টাকা মানুষকে ভালোবাসা দেয় না। টাকা গায়ে হাত তুলতেও বাধা দেয় না।

 

যাজ্ঞে সে কথা! ভালোবাসা ভূলে বিলাসিতার চাদর খুলে নিশ্বাস নিয়েছিলাম প্রাণ ভরে। পৃথিবীর বুকে চলতে গিয়ে তোমার সাথে দেখা। তোমাকে আমি ভালবাসতে চাইনি। তোমার ভালোবাসা, তোমার কষ্ট আমাকে আবার নতুন করে ভালবাসতে শিখায়। আমি আবারো স্বপ্ন দেখতে থাকি। তোমার বাস্তবতা দেখে মনে হলো, তুমি আমার বাস্তবতা বুঝতে পারবা। আমি তোমার হাত ধরে গড়ে তুলবো স্বপ্নের ভুবন।

না! তুমিও বুঝনি আমার ভালোবাসা। চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলে আমার বাস্তবতাকে। আমি জানি! আমি তোমার যোগ্য নই। কোন কালেই কারো যোগ্য ছিলাম না। তাইতো ভালোবেসেও ভালোবাসিনি কাওকে। কারণ আমি জানি ভালোবাসার মানুষটিকে দুনিয়ার সব চেয়ে দামি সুখ টুকু দিতে ইচ্ছা হয়। যদি না পারি সে ভয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছি এতটা কাল।

আজ আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি তুমি তার চেয়ে একটু উপরে। হয়তো আমি একদিন তোমার কাতেরে এসে দাঁড়াবো। আমি তোমার যোগ্য হবো। সেদিন কি তুমি থাকবে??? আমার প্রতি তোমার ভালোবাসা থাকবে?? নাকি অন্যদের মত তুমিও সুখের খোঁজে পালিয়ে যাবে।

তবে, তুমি চাইলেই এখোনি আমার নিঃস্ব হাতে হাত রেখে আমার সাথে গড়ে তুলতে পারো স্বপ্নের ভুবন। শুধু বলবো তোমার দায়িত্ব ভালোবাসা, তোমার ভালোবাসায় এনে দিবে পৃথিবীর সব চেয়ে দামি সুখ।

আর যদি আমার হাতে হাত রাখতে তুমি ভয় পাও। কষে দুইটা থাপ্পড় দিয়ে আমার মাতলামি ছুটিয়ে দাও। আর দেখিয়ে দাও আমার অবস্থান। বলে দাও শুয়োর কে গু খাওয়াই উচিৎ। 

৭১০ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
মায়ের কোলে স্বাধীন শিশুর খেলা।
সর্বমোট পোস্ট: ৪ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-১৭ ১৯:১৫:২৬ মিনিটে
banner

২ টি মন্তব্য

  1. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    বাপরে !

  2. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    শুয়োর কে গু খাওয়াই না কি খাওয়ানো উচিত হবে ?

    বাস্তবতা বহুমাত্রিক …

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top