Today 25 Sep 2022
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

সমাজটা আজ রসাতলে

লিখেছেন: কল্পদেহী সুমন | তারিখ: ০৯/০৯/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1319বার পড়া হয়েছে।

ইসলাম শান্তির ধর্ম। এই ইসলামকে নিয়ে আজ যত মিথ্যাচার করছে মানুষ। যারা ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কিছুই জানেনা তারাই ইসলাম ধর্ম নিয়ে আজব আজব কথা বলে। পৃথিবীতে আল্লাহ একটা ধর্মকেই নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন আর তাহল ইসলাম। অন্য যত সব ধর্ম আছে সবই আল্লাহর বিরোধী। ইসলাম ধর্মের অনুসারী কিছু মানুষ আছে যারা এ বিষয়টি বুঝতেই চায় না। তারা ভাবে সবই ধর্ম, একটা পালন করলেই হলো। তাদের কাছে মনে হয় সব ধর্ম একই শুধু নিয়মই একটু পরিবর্তিত। আসলে তাদের মাথায় ভূত চাপছে দেখেই তারা এসব আবোলতাবোল ভাবে। সত্যি কথা বলতে তাদের ধর্মের উপর বিশ্বাসই নেই। তাই নিজেরাও ধর্মের তরিকা মেনে চলে না অন্যকেউ না মানার জন্য উৎসাহিত করে। যেসব কারণে আজ সমাজের এ অবস্থা তাহল –

এক – শিশুকাল থেকে ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষা সঠিক ভাবে না দেওয়ার ফলে অনেক মানুষের মাঝে ধর্মের প্রতি তেমন সম্মানবোধ তৈরি হয় না।

দুই – আল্লাহর একত্ববাদে দৃঢ় বিশ্বাসের অভাব।

তিন – ইসলামিক জ্ঞান চর্চা না করা।

চার – পার্থিব জীবনকে বেশি মূল্যায়ন করা।

পাঁচ – মৃত্যুর পরবর্তী অনন্ত জীবনের কথা প্রায় ভুলে যেয়ে অস্থায়ী সুখ খুঁজার পায়তারা করা।

ছয় – পারিবারিক প্রথা অইসলামিক ভাবে গড়ে উঠা।

সাত – ধর্মীয় অনুশাসন সমাজে প্রতিষ্ঠা না পাওয়া।

আট – অইসলামিক সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ করা।

নয় – রেডিও, টেলিভিশন, পত্রিকা, ব্লগে কমিউনিস্ট সমর্থনকারীর দুঃখজনকভাবে অংশগ্রহণ করানো।

দশ – শাসন ব্যবস্থা কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে না হওয়া।

এগার – নাস্তিকবাদীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়া।

বার – নারী নেতৃত্বে দেশের দায়িত্ব অর্পণ করা।

তের – ইসলামিক সংস্থা বা রাজনীতির প্রসার পরিপূর্ণ ভাবে গড়ে না উঠা।

চৌদ্দ – সমাজে অশ্লীলতা বেড়ে যাওয়া যা সমাজের তরুণদের ইসলামের পথ থেকে দূরে নিয়ে আসে।

পনের – আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বে অবহেলা করা যার ফলে পরকীয়া, বিবাহ বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্ক ইত্যাদি হয়ে থাকে যা মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধকে নষ্ট করে দেয়।

১,২৯৭ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
খন্দকার মো: আকতার উজ জামান সুমন পিতা: মো: আবু সাদেক খন্দকার মাতা: ঝরনা বেগম বর্তমান ঠিকনা: মিরপুর, ঢাকা স্থায়ী ঠকানা: কুমিল্লা জন্ম তারিখ: ৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৪ ধর্ম: ইসলাম জাতীয়তা: বংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত শিক্ষা: বাংলাদেশ নৌবাহিনা কলেজ, ঢাকা থেকে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি উভয়টিতে জি.পি.এ ৫ পেয়ে উত্তীর্ন। বর্তমানে মানারত ইন্টার্ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী ডিপার্টমেন্টে অধ্যয়নরত। আমি যে রকম : কথা বেশি একটা বলিনা চুপচাপ থাকতে পছন্দ করি। সব সময় কল্পনা করি। কল্পনায় আমি সবসময় নিজের সাথে কথা বলি। আর সব সময় অন্যমনষ্ক থাকি। আমার আশেপাশে কে কি করছে না করছে তার দিকে আমার তেমন খেয়াল থাকে না। অনেক সময় কাউকে খুজতে যেয়ে নিজেই হারিয়ে যাই। আর একটা কথা হলো আমার পথ মনে থাকে না তাই আমি একা হাটতে গেলে প্রায়শই পথ ভুল করি। পথে হাটাহাটি করার সময় কত জনের সাথে ধাক্কা খেয়েছি এ পর্যন্ত, তার হিসাব নেই। আমার সমস্ত জীবনটাকে কল্পনা মনে হয় কারণ সব কিছুই যাই ঘটে আমার সাথে তাই আমার কাছে কল্পনা মনে হয়। যদি কোন অঘটন ঘটে তাহলে ভাবি কল্পনা ভেঙ্গে গেলাই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার এই অসম্ভব রকম কল্পনাসক্ত দিনকে দিন বেড়েই চলছে। নিজেকেই কখনও হারিয়ে ফেলি আমি। জানিনা জীবনের অনেক কিছুই হয়তো তবে যতটুকু আমি অর্জন করেছি তার সবটুকুই সত্য। মিথ্যা কিছু নিয়ে আমার বড়াই নেই। এক অদ্ভুত বিষয় সর্বদাই আমাকে ভাবিয়ে তুলে তাহল কেন যেন অন্য আট দশটা মানুষের মতো সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারিনা। কিছু বিষয় আমাকে বারবার স্পর্শ করে যাবেই। আমি যা বলি তার সবটাই গভীর অনুভূতি থেকে বলি তাই হয়তো আমার কথার জবাব অর্থপূর্ণ না হলে এক ধরনের অপমানবোধ কাজ করে। আমি ভাবনার অতলে প্রবেশ করে জটিল বিন্যাসে অনেক ছক আঁকি যার ফলে স্বাভাবিক দৃষ্টিকোণ হতে আমার বিষয়গুলো ভাবলে মানানসই হবে না। আমাকে ঠিক বুঝে উঠতে পারে এরকম খুব কম মানুষই আছে। আমিও নিজেকে কখনও কখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা, তাই হয়তো আমার মন খারাপের কারণ, রাগ করার কারণ অনেক সময় আমার অজানাই থাকে। আমি খুব বেশি একটা কথা বলা পছন্দ করিনা যদিও আমার ফেসবুকে পোস্ট দেখলে তা অনেকের বিশ্বাস হবেনা। বাস্তবে আমি বন্ধুদের আড্ডা, পরিবারের আলোচনায় কথা তেমন বলিনা বললেই চলে। আমি সব সময় বিভিন্ন ধরনের ভাবনায় নিমগ্ন থাকতে পছন্দ করি তাই হয়তো বাস্তব জীবনের সাথে আমার সম্পর্কটাও নড়বড়ে। আমি সহজেই মানুষকে অনুভব করে ফেলি যার ফলে খুব সহজেই কাউকে মনের গভীরতায় ঠাই দিয়ে বসি। আর এটাই কখনও কখনও আমার দুঃখের কারণ হয়ে বসে। আমি জানিনা আমার বর্তমান, জানিনা আমার ভবিষ্যৎ তবে এটুকুই বলতে পারি এক সময় সুখ আর দুঃখ দুটোই একই মনে হবে আমার কারণ আমার অনুভূতির জগতটি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। আর আমার অনুভূতি নিস্তেজ হয়ে যাওয়া মানে আমার কবিতা, গল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে আমার সৃজনশীল কর্মের তালিকা হতে। তবে আমি থাকব একজন অবাধ্য বন্ধু হয়ে সবার মাঝেই। প্রকাশিত বইঃ (১)সমন্বয়(কাব্য গ্রন্থ-সম্মিলিত সংকলন)
সর্বমোট পোস্ট: ২৯২ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৯৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২৯ ১৬:৩০:৩০ মিনিটে
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল একটি দিক তুলে ধরেছেন। এগুলির মাঝে কিছু কিন্তু আছে।

    ধর্ম নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে প্রচুর মত আছে। আর ইসলাম শান্তির ধর্ম, কিন্তু তাকে ব্যবহার করে কিছু মানুষ অশান্তি সৃষ্টি করে চলেছে।

  2. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    শান্তি যেখানে অসীম বন্ধন সেখানে চিৱন্তন

  3. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    “অপু হৈমন্তী কে নিয়ে বলেছেন সে আমাৱ সম্পত্তি নয় সে আমাৱ সম্পদ”
    এ উক্তিটি বোঝেছেন নিশ্চই?

  4. খন্দকার মোঃ আকতার-উজ-জামান সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    হ্যাঁ বোঝেছি তবে অনেক ক্ষেত্রে যেমন নারীরা যোগ্য না তেমনি অনেক ক্ষেত্রে পুরুষও যোগ্য নয়। এই আল্লাহ নারী পুরুষকে তাদের কাজকর্মে আলাদা করেছেন। তবে এর মানে এ নয় যে কাউকে ছোট করা হয়েছে।

  5. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব সুন্দর লিখেছ। এসব বলতে গেলে বিবাদ বেড়ে যায়।

  6. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    বার – নারী নেতৃত্বে দেশের দায়িত্ব অর্পণ করা।
    সম্মানিত লেখক
    __কোরানে কোথায় বলা আছে নারী নেতৃত্ব নিতে পারবেনা।
    বরঞ্চ,রানী বিলকিসের নেতৃত্বের কথা বলা আছে।

    __হাদিসে যে নারীর কথা বলা আছে তার ব্যাখ্যা ভালভাবে দেখার অনুরোধ করছি।

  7. কল্পদেহী সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    ইসলামের দৃষ্টিতে নারী নেতৃত্ব নাজায়িয ও হারাম

    যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আ’ইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেছেন, “ইসলামে নারী নেতৃত্বের ব্যাপারে নিষেধ নেই।’ এটা ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘ছূ’দের ফতওয়া। রাজাকার ধর্মব্যবসায়ী মাওলানারা ক্ষমতার লোভে আজ নারী নেতৃত্ব জায়িয করেছে।”

    মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, আজ যারা ইসলামের নামে নারী নেতৃত্ব জায়িয করছে তাদের অধিকাংশই রাজাকার। তারা সবাই ধর্মব্যবসায়ী। ’৭১-এ এরাই নারীর ইজ্জত লুণ্ঠন করেছে। আবার আজকে এরাই ক্ষমতার জন্য নারী নেতৃত্ব জায়িয করেছে।

    মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, রাজাকার ধর্মব্যবসায়ীরা ’৭১ সালে যেমন ধর্মের অপব্যাখ্যা করে জালিম পাকিস্তানিদের সাথে ক্ষমতার ভাগ লাভ করেছিল এখনও তেমনি তারা ইসলামের অপব্যাখ্যা করে ক্ষমতার ভাগ নিয়েছে ও ক্ষমতার ভাগ লাভ করতে চাচ্ছে।

    মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, ধর্মব্যবসায়ী রাজাকাররা রানী বিলকিসের কথা উল্লেখ করে নারী নেতৃত্ব জায়িয করার কথা বলে। কিন্তু তারা জাহিল বলেই বুঝতে পারে না অথবা না বোঝার ভান করে থাকে, যে হযরত সোলাইমান আলাইহিস সালাম-এর শরীয়ত আর আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শরীয়ত এক নয়।

    মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, ইসলামে নারী নেতৃত্ব সমর্থন থাকলে আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বেছাল মুবারকের পর খলীফা হতেন উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম। কারণ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার কাছ থেকে মানুষ অর্ধেক দ্বীন শিক্ষা করবে। কিন্তু তারপরেও খিলাফতের দায়িত্বে তিনি আসেননি বা নেননি। এরপর নারী নেতৃত্ব জায়িয হলে খেলাফতের দায়িত্বে আসতেন হযরত মা ফাতিমা আলাইহাস সালাম। উনার সম্পর্কে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, হযরত ফাতিমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা হচ্ছেন আমার কলিজার টুকরা ও বেহেশতের মহিলাদের সাইয়্যিদা। (সুবহানাল্লাহ) কিন্তু তারপরেও উনারা খিলাফতের দায়িত্ব নেননি বা নিতে আগ্রহ পোষণ করেননি।

    মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এ স্পষ্টভাবে নারী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বলা হয়েছে। কুরআন শরীফে আল্লাহ পাক স্পষ্ট ভাষায় বর্ণনা করেছেন, “আল্লাহ পাক পুরুষদেরকে নারীদের উপর প্রাধান্য দিয়েছেন।”

    মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, খিলাফতে জিহাদের নেতৃত্ব দেয়া, জুমুয়ার ইমামতি করা খলীফাদের দায়িত্ব। কিন্তু মহিলাদের দ্বারা তা সম্ভব নয়। এজন্য আল্লাহ পাক মহিলাদেরকে নবীও করেননি।

    মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “সেই ক্বওম কখনোই কল্যাণ লাভ করবে না যে ক্বওমের প্রধান হবে মহিলা।” (বুখারী শরীফ)

    হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে, “যখন তোমাদের শাসনভার মহিলাদের উপর ন্যস্ত হয় তখন যমীনের উপরিভাগ থেকে যমীনের তলভাগ তোমাদের জন্য উত্তম। অর্থাৎ বেঁচে থাকার চেয়ে মারা যাওয়াই ভাল।” (তিরমিযী শরীফ)

    মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী বলেন, আজ যারা ইসলামের নামে নারী নেতৃত্ব জায়িয বলেছে তাদের অতীত লেখা বই-পুস্তকে নারী নেতৃত্বকে তারাই নাজায়িয ও হারাম বলেছে। কাজেই তারা যে বর্ণচোরা, ধর্মব্যবসায়ী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তারাই হাদীছ শরীফ-এ ঘোষিত দাজ্জালে কাযযাব। তারা আল্লাহ পাক-এর যমীনে নিকৃষ্ট প্রাণী। তাদের থেকে দূরে থাকা ও তাদেরকে দূরে রাখা মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব।
    http://allahwala13.blogspot.com/2011/12/blog-post_06.html

  8. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    সম্মানিত লেখক,
    আমি আপনাকে বলেছিলাম_

    __কোরানে কোথায় বলা আছে নারী নেতৃত্ব নিতে পারবেনা।
    বরঞ্চ,রানী বিলকিসের নেতৃত্বের কথা বলা আছে।
    ☼☼ আপনি কোরানের একটা রেফারেন্সও উল্লেখ করতে পারেন নাই এবং পারবেন না। আমি বিনয়ের সাথে চ্যালেঞ্জ করছি।

    __হাদিসে যে নারীর কথা বলা আছে তার ব্যাখ্যা ভালভাবে দেখার অনুরোধ করছি।

    ☼☼ আপনি উল্লেখ করেছেন–
    __ “সেই ক্বওম কখনোই কল্যাণ লাভ করবে না যে ক্বওমের প্রধান হবে মহিলা।” (বুখারী শরীফ)
    __“যখন তোমাদের শাসনভার মহিলাদের উপর ন্যস্ত হয় তখন যমীনের উপরিভাগ থেকে যমীনের তলভাগ তোমাদের জন্য উত্তম। অর্থাৎ বেঁচে থাকার চেয়ে মারা যাওয়াই ভাল।” (তিরমিযী শরীফ)

    ০১/ অনুগ্রহ করে হাদিসের রেফারেন্স দেন
    ০২/ “সেই ক্বওম কখনোই কল্যাণ লাভ করবে না যে ক্বওমের প্রধান হবে মহিলা।” এই হাদিসের শানেনুজুল দেখার অনুরোধ করছি এবং এখানে প্রকাশ করার অনুরোধ করছি। আর যদি আপনি না শানেনুজুল জানেন স্বীকার করেন, আমি উল্লেখ করবো
    ►► আপনি যদি ধরে নেন নবী করিম (সঃ) তো (ক্ষেত্র বিশেষে) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেছেন, আপনিও করবেন, তাহলে আপনি ঐ ক্ষেত্র বিশেষের ঐ হাদিস সব জায়গায় লাগাবেন। তাহলে আমার কিছু বলার থাকবেনা, আমি বুঝে নেব আপনি মূর্খ শিক্ষাবিদের দ্বারা প্রতারিত হচ্ছেন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top