“উতলা”
সমুদ্র ঠেউয়ে বসত করে যে
জল তরঙ্গের উতলা ছবক।
ক্ষণে ক্ষণেই বদলে যায় দিগন্ত
বদলে যায় জল সড়ক।
সমুদ্রের বুকে চাঁদের বাংলো বাড়ি
ইচ্ছে ক্ষণিক অবকাশ কাল।
তবু ঢেউয়ের নৃত্যে চঞ্চল চাঁদ
প্রচণ্ড তাড়ায় অস্থির বেতাল।
বুনো ষাঁড়ের পিঠে যাত্রী হলে
পৃথিবী ঘুরে না আর প্রাচীন নিয়মে।
ঝালমুড়ি’র তৈরির ঝাঁকুনি প্রক্রিয়া
ভূকম্পের খেল চরমে।
মৃগী রোগীর মত যার পদক্ষেপ
কে জানে কোথায় ফেলবে পরের কদম?
তার আঙ্গুলের নির্দেশিকা যে মানবে
পাবে না মঞ্জিল এই জনম।
চিকন দড়ির উপর সার্কাস খেলা
ভারসাম্য রাখার কত কসরত।
সাধারণের জন্যে নির্ঘাত অমঙ্গল
কেবল বোকার ভরসা কুদরত।
অশান্ত চিকন দড়ি যার সাঁকো
অস্থিরতা বাজায় বেদম ঢোল।
নিশ্চয়তা এখানে কোথায় পাবে?
এতো নয় শৈশবের মায়ের কোল।
যার জীবন ঘূর্ণ্যমান নাগর দোলা
স্থিরতা তার বাতাসে উড়ে।
বুদ্ধির মেশিন অচল হয়ে
ঘুমায় তার খুলির ঘরে।
উড়নচণ্ডী বুনো ঘোড়া
যদি না যায় লাগানো লাগাম।
অকর্মা তবে সেই ঘোড়া
বলতে পারি তা আগাম।