Today 28 Sep 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner
লেখক সম্পর্কে জানুন |
নাম :তাপসকিরণ রায়। পিতার নাম : স্বর্গীয় শৈলেশ চন্দ্র রায়। জন্ম স্থান: ঢাকা , বাংলা দেশ। জন্ম তারিখ:১৫ই এপ্রিল,১৯৫০. অর্থশাস্ত্রে এম.এ.ও বি.এড. পাস করি। বর্তমানে বিভিন্ন পত্র পত্রিকাতে নিয়মিত লিখছি। কোলকাতা থেকে আমার প্রকাশিত বইগুলির নামঃ (১) চৈত্রের নগ্নতায় বাঁশির আলাপ (কাব্যগ্রন্থ) (২) তবু বগলে তোমার বুনো ঘ্রাণ (কাব্যগ্রন্থ) (৩) গোপাল ও অন্য গোপালেরা (শিশু ও কিশোর গল্প সঙ্কলন) (৪) রাতের ভূত ও ভূতুড়ে গল্প (ভৌতিক গল্প সঙ্কলন) (৫) গুলাবী তার নাম (গল্প সঙ্কলন)
সর্বমোট পোস্ট: ১১২ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১৬৬৯ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৮-১১ ১৫:৪৩:৫৪ মিনিটে

ফুক ফুক করে বিড়ি টানছিল গনশা। ঘোতনার ওপর ভীষণ রাগ হচ্ছিলো। কলকীর সঙ্গে তার ভাব ঘোতনা জানে। তবু কি দরকার কলকীরে ফুসলাবার ? গণশা নিজের মনে গর্জে ওঠে—ঘোতনা,তরে এমন কড়ইকে দেব, বাপের নাম ভুইলে যাবি!
গনশার ঘর নাই, ফুটপাতে তার রাত্রি

বিস্তারিত পড়ুন

চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। লোডশেডিং চলছিল। গ্রাম-গঞ্জ জাগায় এমনি হয় ! লাইট চলে যাবার ঠিকানা থাকে না–কখন থাকবে আর কখন যাবে, কেউ বলতে পারে না।

তিন বন্ধুতে বসে গল্প জমিয়ে ছিলাম। খেলার গল্প, ঘোরা বেড়ানোর গল্প,

বিস্তারিত পড়ুন

জীবনে কটা ফাগুন দেখেছেন রমাকান্ত ? তাঁর বয়েস যদি ষাটের কাছাকাছি হয়, তবে বলতে হয় ষাটের কাছাকাছি হবে তাঁর ফাগুন দর্শন। তবে চোখে দেখা আর মনে উপভোগ করা অন্য কথা। মনের ফাগুনের কোন গোনাগুনতি নেই, নেই তার ধরে রাখার ক্ষণ

বিস্তারিত পড়ুন

(১)

বৃদ্ধ

আবার সেজে এস, চলো ফিরে যাই আবার,

বৃদ্ধ হলেই বা, এখনও তো জীবনের ঘ্রাণ পাই,

অনুভূতি যত যাক শুষে, ফেলে আসা দিনগুলি কে ভুলতে পারে বল

বিস্তারিত পড়ুন

ব্যাপারটা ভেবে দেখার মত বটে। ভালবাসা সময়ের ডোরে বাঁধা। সময় ফুরলে সে ফুড়ুৎ–এক ঝাঁক বিরহ নিয়ে নন্দন এখন দিকহারা। এমনটাই হয়, ভালবাসা বিরহ-বাহী। আজ আছে,কাল সে পরবাসী। তবে মনের মাঝে জমে থাকা ধারণাগুলি ? তা কি তবে মিথ্যা ? মনের মাঝে

বিস্তারিত পড়ুন

শেষ অংশ…

দুই ওঝা এবার এক সাথে তাদের তন্ত্রমন্ত্র সেধে উঠলেন,অমরেশ তখন প্রাণপণে চীৎকার করছেন,না আমি যাবো না,কিছুতেই যাবো না,আমায় মাছ দে,আমায় মাংস দে, বারবার বলে যেতে লাগলেন।

তুমুল মন্ত্রপাঠের ধুম উঠলো,তৃতীয় ওঝা তাদের ছত্তিসগরী ভাষায় উচ্চারণ করতে লাগলেন ভূত তাড়ানোর মন্ত্র। যজ্ঞের

বিস্তারিত পড়ুন

৪র্থ অংশ…

তিন দিন পরে গ্রামের লোকদের সঙ্গে ছাত্ররাও বেরিয়ে গেল ওঝার খোঁজে।তিন দল হয়ে তারা তিন দিকে রওনা হয়ে গেল। একমাত্র ভূতের ওঝারাই পারবে ভূত ছাড়াতে।

একদল মহারাষ্ট্রের চান্দা জেলায় গেল। একদল গেল বিশ কিলোমিটার দূর কোন স্থানীয় ওঝাকে আনতে। তৃতীয় দল

বিস্তারিত পড়ুন

৩য় অংশ…

উনি বললেন, আমি কি করে বলি বলুন ? আমার অস্তিত্ব তখন ছিল না !

আমি তাড়াতাড়ি প্রশ্ন করে উঠি, তার মানে ভয়ে আপনি জ্ঞান হারিয়ে ছিলেন ?

উনি আবার উদাস হয়ে বলে উঠলেন, না, আমি অন্য হয়ে গিয়েছিলাম ! আমার সত্তা হারিয়ে গিয়ে ছিল।

–তার মানে? অবাক হই আমি।

–তার

বিস্তারিত পড়ুন

২য় অংশ…

–তারপর কি হল ? আমি মাস্টার মশাইয়ের ব্যাপারে জানতে চাইলাম।

কেশব বলল, স্যার, পাঁচ মিনিট আমাকে সময় দিতে হবে, দোকানের কাজগুলি সেরে আসছি।ও আমার হাতে চায়ের কাপ ধরিয়ে দিয়ে গেল।

অমরেশ বাবু বললেন, দাঁড়ান, শুরুটা আমি করে দিচ্ছি, বলে নিজের জীবনের ঘটনা

বিস্তারিত পড়ুন

অমরেশ রায়কে আমি চিনি।দণ্ডকারণ্য প্রজেক্টের মালকানগিরি এরিয়ার হাইস্কুলের এসিস্টেন্ট হেড মাস্টার ছিলেন।পটেরু জাগা উড়িষ্যার কোরাপুট জেলার মালকানগিরি তহশিলের অন্তর্গত ছিল।আর স্কুলের নামও জাগার  নাম হিসাবে পটেরু হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল ছিল । যেহেতু আমিও ছিলাম ওই একি স্কুলের শিক্ষক, তাই অমরেশকে চিনব এটাই ছিল

বিস্তারিত পড়ুন

গজেন বাবু শেষ পর্যন্ত কিনেই নিলেন বাড়িটা। দৈর্ঘ্যে প্রস্তে বেশ অনেকখানি জাগা নিয়ে বলতে গেলে একটা বাগান বাড়ির মত। শুরুতে মনে হেয়ে ছিল পড়ো বাড়ি, অনেকদিন লোকের বাস নেই। তবে বাড়িটাতে বিশেষ কিছু ভাঙচুর নেই, ওপরে রং আর সামান্য প্লাস্টার

বিস্তারিত পড়ুন

(শিশু ও কিশোরদের হাসির ছড়া)

 

বলে ধোপায়, ‘নাপিতহায় !

আরে, বড় নোংরা তুই,

দাড়ি কামাস, চুল ছাঁটাস,

মন কয় তোরে না ছুঁই !’

 

‘ময়লা জলে, সাবান গুলে,

তুই চুল দাড়ি ঘাঁটিস,

লোক ঠকিয়ে, মুখ বকিয়ে,

খাবার ফন্দি আঁটিস !’

 

‘রঙ চং এঁটে, দোকান পাটে,

লিখে রাখিস, সেলুন,

নামের ঘটায়, তকমা আঁটায়,

বাকী ফুটুস

বিস্তারিত পড়ুন
go_top