মার্জনা কর
হে প্রভু চিত্তের ক্ষোভ ভুলে যাও মার্জনা কর আমায়
বক্র পন্থার পথিক হয়েছিনু , ভুলে ছিনু তোমায়
তোমায় লভিবার তরে
কত দিবস পরে পরে
নত করেছিনু শির ।
আপন জন ভুলিয়া
শয়তান সঙ্গী করিয়া
ত্যাগেছিনু আপনার নীর ।
অপকার বিনা উপকার মিলেনি
শান্তির লেশ দেখে নাই নয়নে
অশান্তিতে কেটেছে দিন রজনী
পূজেছিনু কত মূর্তি চরণে
দু’পদ রেখেছিনু দোযগের নায়
মার্জনা কর আমায় ।
মুল্যবান সময় হেলায় হেলায়
কেটেছে শত বদ আড্ডায়
সুখের নিদ্রা হারাম করিয়া
কু আসরে গেছে নিশি কাটিয়া
ফি দিন মসজিদে সালাতের হাক আসিত
বুঝিনি তুমি ডাক অহেতুক ছিনু ব্যস্ত
কর্ণ ছিল কর্ক রুদ্ধ চিত্তে কংকর ঢালাই
তোমার নেয়ামতে ডুবে আছি বুঝি নাই বুঝি নাই
সর্ব পানে চক্ষু চাহিলে হেরি তোমার কত শান
মুগ্ধকর সৌন্দর্য্যে গড়েছ ধরা , হে রহিম রহমান
সাগর নদী করেছ একসাথ
কেমনে মাঝখানে রেখেছ তফাত্ ?
উভয়ের জল কভু হয়নাতো মিশ্রণ তোমার মহিমা বড় অসাধারণ ।
তরুতে ধরে সবিতো ফল , ভিন্ন কেন স্বাদ ?
একই জমিতে ফলাও তুমি হরেক রকম আবাদ
মানবকে দিলে মহাশক্তি জ্ঞান , পৃথিবীর ওপর
জীবন ধারনের লাগি করিলে ক্ষুদ্র অণুতে নির্ভর ।
জল তুমি করিছ সৃজন কি ক্ষমতা দিয়া ?
তারে হীনা সমগ্র ধরণী যায় বিনাশ হইয়া
মানুষ বিনা জল থাকিতে পারে কভু হয়না তো কষ্ট
এক ফোটা পানি হীনা মানব জীবন নষ্ট
হে –
পরাক্রমশীল প্রভু তোমাকে চেনা অতি সহজ
করেছিনু শত ভ্রান্ত পন্থে খোঁজ
আগে বুঝিনি হায় !
মার্জনা কর নইলে আমি অসহায় ।